০৬:০৮ পি.এম
দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ককপিটে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ওমানি কোপাইলট হামাম আল-হামামির অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক যোগসূত্র খতিয়ে দেখতে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জোর তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি), ভিক্টোরিয়া পুলিশ এবং অস্ট্রেলিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজেশনের (এএসআইও) যৌথ কাউন্টার টেররিজম টিম।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২৯ বছর বয়সী কোপাইলট হামাম আল-হামামি মেলবোর্নের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি আরএমআইটি (RMIT) বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ছিলেন। মেলবোর্নে অবস্থানকালে তিনি উগ্রপন্থী বিভিন্ন মতাদর্শের মসজিদে যাতায়াত করতেন এবং চরমপন্থি ওয়েবসাইট ব্যবহার করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তাঁর বিষয়ে আগেই একটি গোপন ফাইল বা তথ্য নথিভুক্ত ছিল।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ফ্লাইদুবাইয়ের ১০৭৩ নম্বর ফ্লাইটে ইসরায়েলি যাত্রীদের নিয়ে উড্ডয়নের পর কোপাইলট আল-হামামি একটি ইমার্জেন্সি ক্র্যাশ কুঠার দিয়ে বিমানটির কাপ্তানকে (ক্যাপ্টেন) আক্রমণ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, তিনি একটি সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে বিমানটিকে রানওয়ে বা বিমানবন্দরে ক্র্যাশ করানোর চেষ্টা করেছিলেন।
আরও পড়ুন: সুদানে ড্রোন হামলায় ২ শতাধিক প্রাণহানি
অস্ট্রেলীয় পুলিশের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, “যৌথ কাউন্টার টেররিজম টিম ওই ব্যক্তির সাথে অস্ট্রেলিয়ার কোনো ধরনের গোপন নেটওয়ার্ক বা যোগসূত্র ছিল কি না তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখছে। তদন্তের নতুন তথ্য পরবর্তীতে জানানো হবে।”
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ওই কোপাইলট উগ্র চরমপন্থি মতাদর্শে দীক্ষিত ছিলেন। এ ঘটনার পর বিভিন্ন দেশের বিমান সংস্থার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পাইলটদের পটভূমি পর্যালোচনার জোর দাবি উঠেছে। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন