ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে টার্গেট করে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ


পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে টার্গেট করে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

ভারতীয় পুলিশ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। বর্ধমান জেলার রেনেসাঁ হাউজিং এলাকা থেকে শুক্রবার (৩১ জুলাই) স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এবং স্থানীয় পুলিশের যৌথ গোপন অভিযানে হামিদ মণ্ডল নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ দাবি করেছে, হামিদ মণ্ডল জইশ-ই-মোহাম্মদের শাখা সংগঠন ‘হামিল সাজ্জাদ ভাট গ্রুপ’-এর সক্রিয় সদস্য। পুলিশ তার কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর চলাফেরা ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিভিন্ন স্পর্শকাতর নথি উদ্ধার করেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী দল জানায়, সকাল সাড়ে আটটার দিকে যৌথ অভিযান চালিয়ে হামিদকে ধরা হয়। তল্লাশির সময় ঘরে আরো একজন ব্যক্তি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। পুলিশ এখনো পলাতক ব্যক্তিকে ধরা নিয়ে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

আরও পড়ুন: ঘুমিয়ে পড়ায় চালকের কারণে বাস খাদে, নিহত ৮

তদন্তকারীদের দাবি, হামিদ মণ্ডলের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সফরসূচি, নিরাপত্তা প্রোটোকল এবং ভিআইপি মুভমেন্টসংক্রান্ত গোপন তথ্য এসেছে। এমনকি তিনি জানতেন মুখ্যমন্ত্রী কোন গাড়িতে চলাচল করেন, তার চালক কে এবং গাড়িটি কোথায় পার্ক করা হয়।

পুলিশ সূত্রের খবর অনুসারে, হামিদ পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ নিয়ে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের হয়ে কাজ করছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি কাশ্মীরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য পাঠাতেন। আটককৃত ‘হামিল সাজ্জাদ ভাট গ্রুপ’ মূলত চুক্তিভিত্তিক হত্যা ও জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িত।

হামিদ বর্ধমানে আস্তানা গড়ার আগে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন এবং তিনি প্রায় দুই মাস আগে বর্ধমানে গিয়ে গা ঢাকা দেন।

এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়। তাই তিনি এখনই এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে চান না। শনিবার (১ আগস্ট) এসটিএফ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেবে। তবে তিনি এও বলেছেন যে, জইশের নজরদারিতে রাজ্যের মন্ত্রী উমেশ রাইসহ আরো অনেকেই রয়েছেন।

আরও পড়ুন: ড. ইউনূসকে হেনস্তায় রিটায়ার্ড বিসিএস অফিসার্স প্ল্যাটফর্মের ক্ষোভ ও নিন্দা

উল্লেখ্য, এর আগে শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী ও ভারতীয় বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা চন্দ্রনাথ রথ আততায়ীদের গুলিতে নিহত হন। যার তদন্ত এখনো চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যে সেনা মোতায়েনের পক্ষে অবস্থান ইতালির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


মধ্যপ্রাচ্যে সেনা মোতায়েনের পক্ষে অবস্থান ইতালির

মধ্যপ্রাচ্যে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন বিষয়ক বিরোধী দলের সমালোচনা ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন, এই মিশনের কাঠামো সম্পর্কে পার্লামেন্টকে আগে থেকেই বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছিল।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়ায় আত্মরক্ষার্থে সৌদি আরব, কুয়েত এবং বাহরাইনের বিরুদ্ধে ইরানের পাল্টা হামলার সময় সেখানে ইতালীয় বিমান বাহিনীর প্রায় ৪০০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এই বাহিনীর সঙ্গে চারটি ‘ইউরোফাইটার’ যুদ্ধবিমানও উপস্থিত রয়েছে, যাদের কাজ হলো নির্দিষ্ট আকাশসীমা রক্ষায় সহায়তা প্রদান করা; তবে মন্ত্রণালয় অভিযানের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দেয়নি।

ইতালির মধ্য-বামপন্থী ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতারা সরকারের বিরুদ্ধে এই মিশনের জন্য পার্লামেন্টের অনুমোদন না নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। তাদের মতামত অনুযায়ী, বিদেশে সামরিক অভিযানের জন্য অনুমোদিত এখতিয়ার বা ম্যান্ডেট রয়েছে, যার আওতায় সৌদি আরবের বিষয়টি আসেনি।

প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির দলের সদস্য ক্রোসেত্তো এই সমালোচনাকে নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, মিশনের ‘আইনি ও পরিচালনাগত কাঠামো’ অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে উপস্থাপন করা হয়েছিল। তিনি একটি বিবৃতিতে বলেন, তথ্যগুলো আগেই সর্বজনীন ও সহজলভ্য ছিল। আসলে বিরোধী দলের যেসব প্রতিনিধি বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করছেন, তারা যদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটটি দেখতেন, তাহলে সঠিক তথ্যটি তারা জানতে পারতেন।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর, তেহরান যখন পাল্টা আক্রমণ চালায়, তখন উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর প্রতি সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছিল মেলোনির সরকার। সরকার জানায়, ওই অঞ্চলের সহযোগী দেশগুলো বিমান-প্রতিরক্ষা ও ড্রোন-প্রতিরোধী সহায়তা চাইছিল।

উপসাগরীয় অঞ্চলে ইতালির সামরিক উপস্থিতির বিষয়টি এই সপ্তাহে দৈনিক পত্রিকা ‘ইল জিয়োর্নাল’ এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পায়। সেখানে বলা হয়, ওই এলাকায় ৭০০ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, মোতায়েন করা সরঞ্জামের যে তালিকা রয়েছে, তাতে আকাশ-প্রতিরক্ষা রাডার এবং ড্রোন-প্রতিরোধী ব্যবস্থার উল্লেখ আছে। কিন্তু এটাও লক্ষ্যণীয় যে, সেখানে ফ্রান্স ও ইতালির যৌথ উদ্যোগে তৈরি ‘সারফেস-টু-এয়ার’ মিসাইল আকাশ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কোনও উল্লেখ নেই। এটা স্বতন্ত্রভাবে উল্লেখযোগ্য, তা সত্ত্বেও যে, ‘ইল জিয়োর্নাল’-এর প্রতিবেদনে এটি সৌদি আরবে পাঠানোর কথা ছিল।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ‘সারফেস-টু-এয়ার’ ইউনিটগুলো ইউক্রেনে স্থানান্তরিত হয়েছে এবং সিঙ্গাপুরেও রপ্তানি করা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে ফ্রান্স সংযুক্ত আরব আমিরাতকে এই ব্যবস্থা সরবরাহ করেছে। গত এপ্রিল মাসে মেলোনি সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেন। সংঘাত শুরু হওয়ার পর তিনি উপসাগরীয় অঞ্চলে সফরকারী প্রথম ইউরোপীয় নেতা হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিফায় অস্বস্তি, ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টার পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩২ পি.এম


ফিফায় অস্বস্তি, ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টার পদত্যাগ

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের অংশীদার করার প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। ইউরোপ, উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং এশিয়ার ফুটবল সংস্থাগুলোর বিরোধিতার মধ্যেই পদত্যাগ করেছেন ইনফান্তিনোর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কার্লোস কর্দেইরো।

সাবেক যুক্তরাষ্ট্র ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কর্দেইরো এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বিক্রির পরিকল্পনা প্রণয়নে তার কোনো ভূমিকা ছিল না এবং তিনি এই প্রস্তাবের সম্পূর্ণ বিরোধী। তার বক্তব্যে, এটি সদস্য দেশগুলোর জন্য, ফুটবলের জন্য এবং দীর্ঘমেয়াদে খেলাটির ভবিষ্যতের জন্যও ক্ষতিকর।

এর আগে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি), উয়েফা ও কনকাকাফও প্রস্তাবটির তীব্র সমালোচনা করে। বিভিন্ন মহলে বিশ্বকাপ বয়কটের সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে।

কিন্তু সমালোচনার মুখেও নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে ফিফা। সংস্থাটি জানিয়েছে, সদস্য দেশগুলোর মতামত নিতে একটি উন্মুক্ত ও গণতান্ত্রিক পরামর্শ প্রক্রিয়া চলবে। ফিফার দাবি, বিশ্বকাপ বিক্রির কোনো পরিকল্পনা নেই; গণমাধ্যমে ভুল তথ্য প্রকাশের কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

ফিফার প্রস্তাব অনুযায়ী, 'ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ' নামে একটি নতুন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হবে, যা বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপসহ ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রায় ২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের এই প্রতিষ্ঠানের সংখ্যালঘু অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করে প্রায় ৪২০ কোটি ডলার সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রস্তাবটি যদি অনুমোদিত হয়, তাহলে ২০২৭ সালের শুরুতে ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের প্রত্যেকটির এককালীন ২ কোটি মার্কিন ডলার দেওয়া হবে এবং ২০২৭-৩০ মেয়াদের উন্নয়ন তহবিলও ৮০ লাখ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২ কোটি ডলার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে আর্থিক সুবিধার এই প্রস্তাবটিও বিরোধিতা কমাতে পারেনি। উয়েফা ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, পরিকল্পনাটি বহাল থাকলে তাদের সদস্য দেশগুলো ফিফার প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে না। উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্দার সেফেরিন বলেছেন, বিশ্বকাপ কোনো বিনিয়োগ পণ্য নয় এবং ফুটবলের স্বার্থ কখনোই বিনিয়োগকারীদের মুনাফার কাছে জিম্মি হতে পারে না।

উয়েফার এই অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং কনকাকাফের ৪১টি সদস্য দেশও সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে ইনফান্তিনোর এই বাণিজ্যিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বৈরাচার যেন কোনোভাবেই ফিরে আসতে না পারে: ডা. জাহিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৭ পি.এম


স্বৈরাচার যেন কোনোভাবেই ফিরে আসতে না পারে: ডা. জাহিদ

সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, আমাদের সবার ধৈর্য ধরতে হবে। সেই সঙ্গে এই বিষয়টিতে সজাগ থাকতে হবে যে স্বৈরাচার কোনোভাবেই যেন দেশে আর ফিরে না আসে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি সরকার মানবিক সরকার। এই সরকার প্রতিটি মানুষের পাশে থাকতে চায় এবং কাছে যেতে চায়। জনগণের শুধুমাত্র সহযোগিতা প্রয়োজন। বাংলাদেশে ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এই কার্ডগুলি প্রতিটি গ্রামে পৌঁছে যাবে। এবং আগামী তিন বছরের মধ্যে প্রায় সবার মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে, দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৩ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

এছাড়া, মন্ত্রী উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামের মেরামত এবং সৌন্দর্যবর্ধন কাজের উদ্বোধন করলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উপকারভোগীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করলেন এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দুঃস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ করলেন।

এসময়, অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুধীজন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলকের দাবি ভুয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলকের দাবি ভুয়া

ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলক হওয়ার দাবিটি সম্পূর্ণভাবে ভুয়া বলে জানা গেছে।

অনলাইন ডেস্কের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে যে ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময়ের মধ্যে ‘চেয়ারম্যান পদে এইচএসসি এবং মেম্বার পদে এসএসসি সনদের মূল কপি ছাড়া মনোনয়নপত্র বাতিল করা হবে’—এমন একটি দাবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

নির্বাচন কমিশন সচিবের বরাতে প্রচারিত এই দাবিটি ইতিমধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। একই সাথে ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ’—শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকের পেপার কাটিংও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই জাতীয় উপাত্তগুলি দাবিটিকে আরো বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করছে।

এ প্রসঙ্গে, ‘Md Mohiuddin’ নামে একটি ফেসবুক পেজে গত ২৮ জুলাই একটি পোস্ট শেয়ার করা হয়। শেয়ার করা পোস্টটিতে ৩১ জুলাই বেলা ১২টা পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার রিয়েকশন, ৩৪৭ টি কমেন্ট এবং ৩৩৮টি শেয়ার রয়েছে। আলোচিত দাবিতে শেয়ার করা এসব পোস্ট, ফটোকার্ড এবং পেপার কাটিংয়ের কমেন্টগুলো পর্যালোচনা করে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।

অধিকাংশ ব্যবহারকারী এই দাবিকে সাধুবাদ জানালেও অনেকেই এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

প্রচারিত পোস্ট এবং ফটোকার্ডের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কি-ওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধানে মূলধারার কোনো গণমাধ্যমে এমন কোনো প্রতিবেদন কিংবা তথ্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটেও চেয়ারম্যান বা মেম্বার পদে প্রার্থিতার জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের তথ্য বা প্রজ্ঞাপন পাওয়া যায়নি।

এছাড়া ২০০৯ সালের স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন পর্যালোচনায়ও আলোচিত দাবির কোনো ভিত্তি মেলেনি।

আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার জন্য কোনো ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়নি। অর্থাৎ, শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলেও আইনগতভাবে একজন ব্যক্তি ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে পারেন।

জানা যায়, ২২ জুলাই ‘ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিশ্চিতে নির্দেশ কেন নয়’—শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা (অন্তত স্নাতক) নির্ধারণের নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এই রুল জারি করেন এবং স্থানীয় সরকারের সচিব, আইনসচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দেন।

রিটকারীদের দাবি হচ্ছে, ২০০৯ সালের স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-এর ২৬ ধারায় ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতার জন্য কোনো ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়নি। কিন্তু গ্রাম আদালত আইন অনুসারে একজন ইউপি চেয়ারম্যান বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করেন এবং জরিমানা আরোপসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। তাই, তাদের মতে, এই ধরনের দায়িত্ব পালনের জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা আবশ্যক। এই কারণে আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাকে সংবিধান ও গ্রাম আদালত আইনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ দাবি করে সংশোধনের নির্দেশনার আবেদনের জোরালো দাবি করেছে।

নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীদের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। তিনি বলেন, হাইকোর্টের রুলটি পর্যালোচনা করার পর বিদ্যমান আইন, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর আইন এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতের আগের রায় বা নির্দেশনা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বর্তমানে কার্যকর আইনে ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার জন্য এইচএসসি কিংবা স্নাতক পাস বাধ্যতামূলক নয়। একইভাবে ইউপি সদস্য (মেম্বার) পদে এসএসসি সনদের মূল কপি জমা না দিলে মনোনয়নপত্র বাতিল হবে, এমন কোনো বিধানও নেই। এই কারণে নির্বাচন কমিশনের সচিবের বরাতে প্রচারিত দাবিটি সম্পূর্ণ ভুয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%