বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৫১ পি.এম
নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় আকস্মিক বজ্রপাতে রোহান ইসলাম (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরের দিকে উপজেলার রায়পুর পারের ঘাট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রোহান ইসলাম কালিকাপুর ইউনিয়নের রায়পুর মধ্যপাড়া গ্রামের জামিরুল ইসলামের পুত্র।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে আত্রাইয়ের ওই এলাকায় হঠাৎ করে ঝড়ো বাতাস এবং ভারী বর্ষণের সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। শিশু রোহান স্থানীয় ভবানীপুর বাজার থেকে বাড়ির দিকে রওনা হয়েছিল। পথিমধ্যে সে রায়পুর পারের ঘাট এলাকায় পৌঁছালে তীব্র বজ্রপাতের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তার পরিবার ও স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে, unfortunately, পথিমধ্যেই তার মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুব আলম বলেন, "ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোর, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলার গুরুদাসপুর উপজেলায় ফ্যামিলি সমাবেশ আয়োজন করেছে জেলা তথ্য অফিস, যা বর্তমান সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার খুবজীপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোরের জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তার।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা আফরোজের সভাপতিত্বে ফ্যামিলি সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রোস্তম আলী হেলালী।
জেলা তথ্য অফিসার মো. আ. আওয়াল স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।
সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বক্তারা বলেন, "আমরা সরকারের এই কার্যক্রম সম্পর্কে সবাই অবহিত থাকবো এবং অন্যদের অবহিত করবো।"
বক্তারা বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে গৃহীত অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, ধর্মীয় নেতাদের প্রদত্ত মাসিক সম্মানী ভাতা ইত্যাদি কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি এসব কর্মসূচির সুফল সম্পর্কেও ধারণা প্রদান করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, একটি শিক্ষিত, নৈতিক ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে পরিবার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানদের নিয়মিত পড়াশোনায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের নৈতিক মূল্যবোধ, শিষ্টাচার, দেশপ্রেম ও মানবিক গুণাবলিতে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের আরো সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীলঙ্কার টেস্ট অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। ৩৩ বছর বয়সী এই ব্যাটার হঠাৎ করেই এমন ঘোষণা দিয়েছেন।
অধিনায়কত্ব ছাড়ার পরেও দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব অব্যাহত রাখবেন ধনঞ্জয়া। তিনি ২০২৪ সালে অধিনায়কত্ব গ্রহণ করেছিলেন। সেই সময়ে দিমুথ করুণারত্নের স্থলাভিষিক্ত হন তিনি।
একটি চিঠির মাধ্যমে নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধনঞ্জয়া। নির্বাচক কমিটিকে পাঠানো চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘আমার মনে হয়, পরবর্তী প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার সময় হয়েছে।’
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি) ধনঞ্জয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। এসএলসির প্রধান নির্বাহী অ্যাশলি ডি সিলভা বলেছেন, ‘টেস্ট নেতৃত্বের জন্য শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ। সঙ্গে ক্যারিয়ারের বাকি সময়ের জন্যও তাকে শুভকামনা।’
প্রায় ২ বছরের মেয়াদে শ্রীলঙ্কাকে ১৮ টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন ধনঞ্জয়া। তার অধিনায়কত্বে শ্রীলঙ্কা ৭ টেস্টে জয় পেয়েছে। ৩ টেস্ট ড্রয়ের বিপরীতে বাকি ৮ টেস্টে হারের মুখোমুখি হয়েছে শ্রীলঙ্কা। অধিনায়ক হিসেবে ৩৬.৪৫ গড়ে ১১৩০ রান করেছেন ধনঞ্জয়া। ৩ সেঞ্চুরির বিপরীতে অফস্পিনে নিয়েছেন ৯ উইকেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোর, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ বিমান বাহিনী একাডেমি, যশোরে বিএসসি (অনার্স) ইন অ্যারোনটিক্স এবং বিবিএ প্রোগ্রামে সর্বোচ্চ একাডেমিক কৃতিত্ব অর্জনকারী কর্মকর্তাদের জন্য ওসমানী স্বর্ণপদক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার একাডেমিতে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন পদক ও সনদ তুলে দেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি ৮১, ৮২, ৮৩, ৮৪, ৮৫ এবং ৮৬ বাফা (বিএএফএ) কোর্সের কর্মকর্তাদের হাতে পদক ও সনদ প্রদান করেন।
পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, একাডেমিক উৎকর্ষ একজন কর্মকর্তার পেশাগত জীবনের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করে। তিনি আরও বলেন, ‘জ্ঞানার্জনের কোনো শেষ নেই। সময়ের সঙ্গে অর্জিত জ্ঞান প্রজ্ঞায় রূপ নেয়, যা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।’
তরুণ কর্মকর্তাদের সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার আহ্বান জানান বিমান বাহিনী প্রধান। তিনি অর্জিত জ্ঞান কর্মক্ষেত্রে যথাযথভাবে প্রয়োগের গুরুত্বকেও তুলে ধরেন।
দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানবিক সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, সে বিষয়েও তিনি উল্লেখ করেন। এসব দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের জন্য উচ্চমানের প্রশিক্ষণ, কঠোর শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার মানোন্নয়নে জোর দেন বিমান বাহিনী প্রধান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) ও সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (প্রশাসন), বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের এয়ার অধিনায়ক, কমান্ড্যান্ট (ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড), ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, বিমান বাহিনী একাডেমি’র কমান্ড্যান্ট এবং বিমান বাহিনী সদর ও ঘাঁটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় বিমান সংস্থা ইন্ডিগোর একটি ফ্লাইটে যাত্রীদের আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে চলাফেরা এবং একে অপরের মধ্যে খাবার দেওয়া-নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। উড়োজাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানাচ্ছে, ভিডিওটি দেখে কিছু ব্যবহারকারী উড়োজাহাজের ভেতরের পরিস্থিতির তুলনা করেছেন লোকাল ট্রেনের সঙ্গে। ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী নীরজ প্রিয়াঙ্কা চৌধুরী ভিডিওটি পোস্ট করেছেন। তার দাবি, ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডের ক্রাবি থেকে নয়াদিল্লিগামী ইন্ডিগোর একটি ফ্লাইটে।
ভিডিওতে দেখা যায়, সামনের কয়েক সারিতে বসা যাত্রীদের মধ্যে কেউ কেউ নিজেদের আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে পেছনের সারিতে থাকা স্বজনদের সঙ্গে কথোপকথন করছেন। কেউ কেউ এক সারি থেকে অন্য সারিতে খাবার নিয়ে তা অন্যদের হাতে তুলে দিচ্ছেন। এ সময় দুই কেবিন ক্রুকে যাত্রীদের নিজ নিজ আসনে ফিরে যেতে বলতে দেখা যায়।
প্রিয়াঙ্কা চৌধুরী জানান, বারবার নির্দেশ দেওয়ার পরও কয়েকজন যাত্রী চলাফেরা ও কথোপকথন অব্যাহত রাখেন। তার ভাষ্য, ১ থেকে ৫ নম্বর সারির যাত্রীরা জোরে কথা বলছিলেন, কেবিনে ঘোরাফেরা করছিলেন এবং খাবার ভাগাভাগি করছিলেন। এ সময় ঝাঁকুনির কারণে সিটবেল্টের সংকেত জ্বলছিল বলেও তিনি দাবি করেন।
ভিডিওর ক্যাপশনে চৌধুরী লেখেন, যাত্রীদের আচরণে পুরো ফ্লাইটে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল এবং কেবিন ক্রুর বারবার নির্দেশ উপেক্ষা করা হচ্ছিল।
ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ কেবিন ক্রুর নির্দেশ অমান্য করার সমালোচনা করেছেন, বিশেষ করে সিটবেল্টের সংকেত জ্বলার সময় দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়টি নিয়ে। আবার কেউ কেউ ঘটনাটিকে হাস্যরসের সঙ্গে দেখছেন।
চৌধুরী জানান, তিনি বিষয়টি কেবিন ক্রুদের নজরে আনার চেষ্টা করেছিলেন। যাত্রীদের বিমানে খাবার খাওয়ার বিষয়ে তার আপত্তি নেই; বরং তাদের আচরণ এবং নিরাপত্তা নির্দেশনা না মানার বিষয়েই তার অভিযোগ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ