ঢাকা সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে সরাতে এবার অভিযান, বরাদ্দ বাতিল হতে পারে


সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে সরাতে এবার অভিযান, বরাদ্দ বাতিল হতে পারে

সরকারি আবাসন পরিদপ্তর অবৈধভাবে সরকারি আবাসনে বরাদ্দ পাওয়া ফ্ল্যাটে বসবাসকারী ভাড়াটে ও সাবলেট বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করার জন্য অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে ও সাবলেট বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য ৩১ অক্টোবরের মধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হলেও, যারা এখনও তা মানেননি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আবাসন পরিদপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে কোন কোন সরকারি চাকরিজীবীর বরাদ্দকৃত বাসায় ভাড়াটে বা সাবলেট বাসিন্দা রয়েছেন, তা শনাক্ত করার কাজ চলছে। তবে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দপ্রাপ্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ছাত্রলীগ সভাপতিকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ৭ জন আটক

ভাড়াটেরা কেন এখনো বাসা ছাড়েননি, সে বিষয়ে তাদের যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে হবে। সন্তোষজনক কারণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট সরকারি চাকরিজীবীর বাসার বরাদ্দ বাতিল করা হতে পারে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটেরা চলে গেছেন কি না, তা যাচাইয়ের জন্য আবাসন পরিদপ্তর মাঠপর্যায়ে তদন্ত শুরু করেছে। ঢাকার বিভিন্ন সরকারি আবাসিক এলাকায় পাঁচটি তদন্ত দল এই কাজের জন্য নিয়োজিত রয়েছে।

দলগুলো সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করে কারা বাসা ছেড়েছেন এবং কারা এখনো অবস্থান করছেন, তার একটি তালিকা প্রস্তুত করছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি এলাকার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, তবে পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির কাজ এখনও শেষ হয়নি।

পরিদপ্তর সূত্র জানায়, তদন্ত শেষে পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়ার পর উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে। যেসব সরকারি চাকরিজীবীর বরাদ্দকৃত বাসায় এখনও ভাড়াটে কিংবা সাবলেট বাসিন্দা রয়েছেন, মূলত তাদের বাসাগুলোতেই অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আরও পড়ুন: বাকৃবি ক্যাম্পাসে ছুরি দেখিয়ে মোবাইল ছিনতাই, অটোচালক আটক

দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি আবাসনে বরাদ্দ পাওয়া ফ্ল্যাটে সংশ্লিষ্ট সরকারি চাকরিজীবীদের পরিবর্তে অন্যদের ভাড়া বা সাবলেট দিয়ে রাখার অভিযোগ রয়েছে। এ অনিয়ম বন্ধে গত ২৯ অক্টোবর গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর। বিজ্ঞপ্তিতে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সব ভাড়াটে ও সাবলেট বাসিন্দাকে সরকারি বাসা থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে, যার নামে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তাকেই সেখানে বসবাস করতে হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো সরকারি ফ্ল্যাটে ভাড়াটে বা সাবলেট বাসিন্দা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীর বরাদ্দ বাতিলের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজধানীতে বিভিন্ন শ্রেণির মোট ১৯ হাজার ৯১টি সরকারি বাসা রয়েছে।

আরও পড়ুন: দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: আইনমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাগামহীন কথাবার্তা থেকে বিরত থাকার গুরুত্ব ও ফজিলত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৫ এম


লাগামহীন কথাবার্তা থেকে বিরত থাকার গুরুত্ব ও ফজিলত

ইসলামে জিহ্বার সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত হিসেবে বিবেচিত। স্বল্পভাষী হওয়া একটি সুন্দর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিচিত, এবং এটি পরকালীন মুক্তির জন্য একটি কার্যকর মাধ্যমও। মানুষের অযাচিত ও লাগামহীন কথাবার্তা অনেক সময় বড় ঝগড়া-বিবাদ এবং সামাজিক অশান্তির মূল কারণ হয়ে ওঠে।

একজন প্রকৃত মুমিন— সে কল্যাণকর কথা বলবে অথবা চুপ থাকবে। কারণ, অসংযত জিহ্বা এবং লাগামহীন কথাবার্তা মানুষের সারা জীবনের কষ্টার্জিত আমলনামাকে নিমিষেই নষ্ট করে দিতে পারে। তাই দুনিয়াবি ফেতনা-ফাসাদ থেকে বাঁচতে এবং পরকালে জান্নাত নিশ্চিত করতে জিহ্বার সঠিক নিয়ন্ত্রণ ও স্বল্পভাষী হওয়া অপরিহার্য। লাগামহীন কথাবার্তা থেকে বিরত থাকার ফলে যে উপকারিতা ও ফজিলত অর্জিত হয়, তা এখানে তুলে ধরা হলো—

১. পাপ থেকে সুরক্ষা

জিহ্বার লাগামহীন ব্যবহারের ফলে গিবত, পরনিন্দা, মিথ্যা, চোগলখোরি এবং গালাগালের মতো ভয়াবহ গুনাহগুলো সংঘটিত হয়। অপ্রয়োজনীয় কথা পরিহার করে চুপ থাকলে এসব মারাত্মক পাপ থেকে সহজেই বাঁচা সম্ভব। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন—

مَنْ صَمَتَ نَجَا

‘যে ব্যক্তি চুপ থাকে, সে মুক্তি পায়।’ (তিরমিজি ২৫০১)

২. শয়তান থেকে হেফাজত

অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত কথা মানুষের মধ্যে আত্মম্ভরিতা ও অহংকার সৃষ্টি করে, যা শয়তানের প্ররোচনাকে বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে, নীরবতা মানুষকে শয়তানের ওয়াসওয়াসা ও কুমন্ত্রণা থেকে দূরে রাখে। রাসুলুল্লাহ (সা.) একবার আবু জার গিফারি (রা.)-কে অসিয়ত করে বলেন—

عَلَيْكَ بِطُولِ الصَّمْتِ، فَإِنَّهُ مَطْرَدَةٌ لِلشَّيطَانِ

‘তুমি দীর্ঘ নীরবতা অবলম্বন কর, কেননা তা শয়তানকে দূর করে দেয়।’ (বায়হাকি ৩/৪০৫)

৩. আত্মিক শক্তি অর্জন

অপ্রয়োজনীয় কথা বলার অভ্যাস মানুষের মানসিক শান্তি ও নূর কমিয়ে দেয়। অপরদিকে, পরিমিত কথা ও নীরবতা মানুষের অন্তরে এক বিশেষ আত্মিক শক্তি ও নূর সৃষ্টি করে, যা ইবাদত-বন্দেগিতে একাগ্রতা বাড়াতে সহায়তা করে। নীরবতা মানুষের দুনিয়াবি কোলাহল থেকে মনকে দূরে সরিয়ে আল্লাহর স্মরণে মশগুল হতে সাহায্য করে।

৪. মর্যাদা বৃদ্ধি

মানুষের অনেক কথার ভিড় ভুলত্রুটি ও গুনাহের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এর বিপরীতে, কম কথা বলা এবং কেবল প্রয়োজনের সময় মুখ খোলা মানুষের দুনিয়া ও আখিরাতের মর্যাদা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। অহেতুক কথা না বলে চুপ থাকা অনেক সময় দীর্ঘ নফল ইবাদতের চেয়েও উত্তম প্রতিদান বয়ে আনে। হাদিসে এসেছে—

الصُّمْتُ حِكْمَةٌ وَقَلِيلٌ فَاعِلُهُ

‘নীরবতা একটি প্রজ্ঞা, আর এর ওপর আমলকারী খুবই কম।’ (বায়হাকি ৪/২৪৬)

৫. বুদ্ধিমত্তার পরিচয়

ইসলামী স্কলার ও প্রাজ্ঞ মনীষীদের মতে, মানুষের আসল ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ পায় তার পরিমিত কথায়। কে কোথায় কথা বলবে এবং কোথায় চুপ থাকবে, সেটিই একজন বুদ্ধিমান মানুষের প্রধান বৈশিষ্ট্য। মনীষীরা একটি সুন্দর কথা বলেছেন—

الْكَلَامُ كَالْفِضَّةِ وَالسُّكُوتُ كَالذَّهَبِ

‘কথা যদি রুপার মতো হয়, তবে চুপ থাকা সোনার মতো।’ (তিরমিজি ও অন্যান্য সূত্রে বর্ণিত প্রজ্ঞামূলক বাণী)

সংযত জিহ্বা ও পরিমিত নীরবতা একজন মুমিনের জীবনকে শান্তিময় ও নিরাপদ করে তোলে। যদি আমরা দুনিয়ার অনর্থক কথা ও বিতর্ক থেকে দূরে থেকে জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি, তবে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত অর্জন করা আমাদের জন্য সহজ হবে। মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে অপ্রয়োজনীয় কথা থেকে বাঁচার এবং জিহ্বাকে হেফাজত করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে বিএনপি নেতার ওপর হামলা, সড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৬ এম


কক্সবাজারে বিএনপি নেতার ওপর হামলা, সড়ক অবরোধ

কক্সবাজারের উখিয়ায় বিএনপির সদস্যসচিব নুরুল আমিনের ওপর হামলার একটি ঘটনা ঘটেছে। মাথায় ধারালো অস্ত্রের একাধিক কোপের কারণে গুরুতর আহত এই বিএনপি নেতাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের অন্তত চারটি স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু করেন। এর ফলে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

রোববার রাত ৮টার দিকে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, থাইংখালী এলাকার বাসিন্দা এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগের এক নেতার নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল নুরুল আমিনের ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় তাকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় কুপিয়ে জখম করা হয়। হামলায় ক্যাম্পে আশ্রিত কয়েকজন সশস্ত্র রোহিঙ্গার অংশগ্রহণের অভিযোগও রয়েছে।

পালংখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রেজা জানান, নুরুল আমিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে চার-পাঁচটি কোপ দেওয়া হয়েছে এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাকে বাঁচাতে নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজন।

উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী বলেন, নুরুল আমিন বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তার ওপর হামলা চালিয়েছে। তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাতেই কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের পালংখালী স্টেশন, থাইংখালী ও উখিয়া সদরসহ অন্তত চারটি স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সন্ত্রাসী হামলায় একজন বিএনপি নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় নারীশক্তির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে আংশিক কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৬ এম


জাতীয় নারীশক্তির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে আংশিক কমিটি গঠন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নারী সংগঠন হিসেবে পরিচিত জাতীয় নারীশক্তির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার জন্য আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই দুই কমিটি আগামী ছয় মাসের জন্য অনুমোদিত হয়েছে, যেখানে আহ্বায়ক, সদস্যসচিব এবং মুখ্য সংগঠকের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় নারীশক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই অনুমোদনের তথ্য জানানো হয়।

ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আহ্বায়ক হিসেবে খন্দকার খালেদা আক্তারকে নিযুক্ত করা হয়েছে। সদস্যসচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন রেহানা আক্তার রুমা এবং মুখ্য সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সালমা আক্তার।

অন্যদিকে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আহ্বায়ক হিসেবে সিফাত সুলতানা মিমকে মনোনীত করা হয়েছে। সদস্যসচিবের দায়িত্বে ইথার ফারিয়েল হামিদ এবং মুখ্য সংগঠক হিসেবে ফাতেমা রহমান মেঘা রয়েছেন।

দুই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আংশিক কমিটিগুলো আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

কমিটি দুটি অনুমোদন করেন জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং সদস্যসচিব নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতি। কমিটি অনুমোদনের সুপারিশ করেন সংগঠনটির মুখ্য সংগঠক মনজিলা ঝুমা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিশরে ট্রেন দুর্ঘটনায় ৭ নিহত, ১১২ জনেরও বেশি আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৭ এম


মিশরে ট্রেন দুর্ঘটনায় ৭ নিহত, ১১২ জনেরও বেশি আহত

মিশরের গিজা প্রদেশে ট্রেনের লাইনচ্যুতির ফলে একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে, যার ফলে অন্তত সাতজন প্রাণ হারান এবং ১১২ জনেরও বেশি মানুষ আহত হন।

রোববার (৮ নভেম্বর) আল জাজিরার প্রতিবেদনে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গিজা এবং ফাইয়ুমের মধ্যে চলাচলকারী একটি ট্রেন কায়রো-থেকে-আসওয়ান রুটের অন্য একটি ট্রেনের পেছনে ধাক্কা দেয়, যা এই দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর ফলস্বরূপ, ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়ে আল-আইয়াত জেলার একটি গ্রামীণ সড়কে উল্টে যায়।

ইজিপশিয়ান ন্যাশনাল রেলওয়ে জানায়, উদ্ধারকারী দল ও ক্রেন দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য হলো যত দ্রুত সম্ভব ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ৭০টিরও বেশি অ্যাম্বুলেন্স উদ্ধার ও স্থানান্তর কাজে নিয়োজিত ছিল এবং আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, আল-আইয়াত জেলাটি মিশরের সবচেয়ে বড় ট্রেন দুর্ঘটনার ইতিহাস ধারণ করে। ২০০২ সালে এখানে একটি ট্রেন দুর্ঘটনায় ৩৭০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটে এবং ২০০৯ সালে আরেকটি দুর্ঘটনায় অনেক প্রাণহানি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৩৯
মাগরিব ০৫:১৫
ইশা ০৬:২৮
সূর্যোদয় : ০৬:০৯ সূর্যাস্ত : ০৫:১৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%