বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:৫২ পি.এম
একটি বিশাল আকৃতির পাতিলের মধ্যে রান্না করা হচ্ছে ১০১ মণ চালের তবারক।
মানিকগঞ্জের ঘিওরে হাজারো মানুষ ভিড় করেছেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন দেখতে। প্রায় ৪০ হাজার ভক্ত-আশেকানের জন্য একসঙ্গে চাল, ডাল ও সবজি দিয়ে রান্না করা হয়েছে এই তবারক।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) উপজেলার জাবরা ইমামবাড়ি দরবার শরিফের ১০৬তম ওরস মাহফিল উপলক্ষে এই আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়। প্রধান বাবুর্চিসহ ৩০ জন মিলে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে তবারক রান্নার কাজ সম্পন্ন করেন।
দুপুরের পর থেকে আগত ভক্ত-আশেকান ও দর্শনার্থীদের মধ্যে তবারক বিতরণ শুরু হয়।
দরবারের দায়িত্বপ্রাপ্ত পীর সাহেব মাওলানা আবুল কালাম আল চিশতি জানান, প্রায় নয় বছর আগে নাটোরে এক ভক্তের বাড়িতে অবস্থানকালে রাতে স্বপ্নে এ ধরনের একটি পাতিলে তবারক রান্নার বিষয়টি তাঁর মনে আসে। পরে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়ে দুই মিস্ত্রির মাধ্যমে প্রায় চার মাস ধরে পাতিলটি তৈরি করা হয়। এরপর ভারতের আজমীর শরিফের খাদেমের ফর্মুলা ও অনুমতি নিয়ে এতে তবারক রান্না শুরু করা হয়।
তিনি আরও বলেন, পাতিলটি স্টেইনলেস স্টিল (এসএস) দিয়ে তৈরি করতে প্রায় সাত লাখ টাকা খরচ হয়েছে। পরে ১২ হাজার ইট দিয়ে এর জন্য বিশেষ একটি বিশাল চুলা নির্মাণ করা হয়। চুলার এক পাশে সুড়ঙ্গ করে জ্বালানি দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। বছরে মূলত দুইবার এ পাতিলে তবারক রান্না করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ রোগমুক্তি ও মনের আশা পূরণের আশায় এ তবারক গ্রহণ করেন।
এ আয়োজনের খরচ মূলত ভক্তরাই বহন করেন।
প্রধান বাবুর্চি সাইফুল ইসলাম বলেন, পীর সাহেবের নির্দেশনায় তিনি রান্নার কাজ করেন। এবারের পাতিলে ৩৬ মণ চাল, ২০ মণ সবজি, ছয় মণ ডাল, আট মণ ঘি, দুই বস্তা লবণ ও প্রয়োজনীয় মসলা দেওয়া হয়েছে। পাতিলের মাঝখানে মোটরের সাহায্যে চাল, ডালসহ উপকরণ মেশানোর ব্যবস্থা রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, একসঙ্গে এত পরিমাণ চাল ও ডাল দিয়ে খিচুড়ি রান্নার জন্য ব্যবহৃত এ পাতিলে দেশের সবচেয়ে বড় রান্নার ড্যাগ।
দরবারে আসা কয়েকজন নারী ভক্ত জানান, তাঁদের সন্তান হচ্ছিল না। পরে এ বিশাল পাতিলে রান্না করা তবারক খাওয়ার পর তাঁরা সন্তান লাভ করেছেন। তাঁদের মতো আরো অনেকে তবারক খেয়ে রোগমুক্তি ও মনের আশা পূরণের কথা জানিয়েছেন।
ভক্তরা জানান, সন্তান লাভ, মনের আশা পূরণ ও বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তির আশায় অনেকে এ তবারক গ্রহণ করতে আসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপাল থেকে ভারতকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেশী দেশটির পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটময় হয়ে উঠেছে। নেপালে হিমালয়ের রুদ্ররোষের কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এই ছোট্ট দেশটিতে, যা পাহাড়ের কোলে অবস্থিত।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল ভারতকে সতর্ক করে বলেছেন, পরিস্থিতি যদি এভাবে চলতে থাকে, তাহলে ভারতও নেপালের মতো বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে। ভারত ও নেপালের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক বরাবরই সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনে বাঁধা ছিল। তবে, এখন পরিবেশগত বিষয় নিয়ে চিন্তা করার সময় এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে শিশির বলেন, ‘ভারত ও নেপালের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এই সম্পর্ককে আমরা বরাবরই আত্মিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন দিয়ে ব্যাখ্যা করে এসেছি। আমাদের ধর্মীয় ও সভ্যতার মেলবন্ধন অবশ্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে দুই দেশের সম্পর্ককে পরিবেশগত সুরক্ষার নিরিখে নতুনভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।’
তিনি আরও বলেন, ‘হিমালয় গললে সমুদ্রে পানিস্তর বাড়বেই।
বুধবার ভয়াবহ এই ঘটনা আমাদের সামনে ঘটেছে। আচমকা পানিস্তর বেড়ে গিয়ে নেপালের একের পর এক এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে একাধিক শহর ভেসে গেছে।’
নেপালের এই পরিস্থিতি ভারতের জন্যও একটি অশনি সংকেত। পরিবেশগতভাবে চীন, নেপাল, ভারত এবং ভুটান একে অপরের সঙ্গে যুক্ত।
শিশির খানাল যোগ করেন, আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে আগামী দিনে হিমালয়ের পরিবেশ বাঁচিয়ে রাখার ওপরে।
তিনি মনে করিয়ে দেন, হড়পা বান এবার সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেনি। তবে ভবিষ্যতে ভারতেও এমন বিপর্যয় ঘটতে পারে। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলো মাথায় রেখে শত্রুতা ভুলে সব দেশের সচেতন হওয়া উচিত।
এদিকে, নেপালে এই বিপর্যয়ে স্থানীয় নাগরিকদের পাশাপাশি ভারতীয়রাও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত ২৮৮ জন ভারতীয় নিখোঁজ রয়েছে। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিক ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে মানুষ নেপাল গিয়েছিলেন। সেখান থেকে নেওয়া তথ্য ও নেপালে কর্মরতদের মধ্যে মোট ২৮৮ জন ভারতীয় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তিব্বতে উদ্ধারের অপেক্ষায় রয়েছেন ২০০ জন। জয়সওয়াল এটাও জানান, যেটুকু তথ্য পাওয়া গিয়েছে তা প্রাথমিক। বাস্তবে সংখ্যাটা আরো বেশি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান সরকারের কার্যক্রম শুরু হয়েছে ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও অগোছালো প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে। তিনি উল্লেখ করেন, "গত ১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করে প্রশাসনকে পুনর্গঠন করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন।"
এজন্য তিনি দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মরহুম কাজী জাফর আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় এসব কথা বলেন। স্মরণসভাটি আয়োজন করে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর অংশ)।
নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে না বসে সচিবালয়ে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একই ভবনে একটি ছোট অফিসে বসছেন।
এতে সচিবদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে তেজগাঁওয়ে যেতে হচ্ছে না। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে পৌঁছে যাচ্ছেন। ফলে সচিবালয়ের পিয়ন থেকে শুরু করে সচিব পর্যন্ত সবাই এখন সময়মতো অফিসে উপস্থিত হচ্ছেন। মাঝে মাঝে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন অফিসেও আকস্মিকভাবে ঢুকে পড়ছেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, "১৭ বছরে দেশের প্রশাসনকে ধ্বংস ও পলিউটেড করে ফেলা হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, দলীয় ও আঞ্চলিক বিবেচনায় অযোগ্যদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে এবং যোগ্যদের বিদায় করা হয়েছে। এই প্রশাসনকে পুনর্গঠনের কাজ চলছে।
প্রধানমন্ত্রী এই উপদেষ্টা বলেন, দেশের সমস্যা সমাধানে সরকার সব রাজনৈতিক দল, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট পরামর্শ নিতে আগ্রহী। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছে দেশ পুনর্গঠনে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব চেয়েছেন।
তিনি বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য জনদুর্ভোগ কমানো এবং সমস্যার সমাধান করা। রাজনৈতিক উসকানি বা প্ররোচনার পরিস্থিতিও প্রধানমন্ত্রী শান্তভাবে মোকাবেলা করছেন। জনগণকে সেবা দেওয়ার মানসিকতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা ছাড়া দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা খরাজ মুখার্জি এবং তার স্ত্রী প্রতিভা মুখার্জি নেপালে শুটিং করতে গিয়ে ভয়াবহ বন্যার কবলে আটকা পড়েছেন। তবে তাদের ছেলে তমঘ্ন মুখার্জি জানিয়েছেন, দুজনেই নিরাপদে আছেন।
নেপালের পোখারায় একটি সিনেমার শুটিংয়ের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন খরাজ ও তার স্ত্রী। বন্যার কারণে শুটিং কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। একইসাথে, পোখারা থেকে তাদের ফেরার ফ্লাইটও বিলম্বিত হয়েছে।
র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে খরাজের ছেলে বাবা-মায়ের সাথে কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দুজনেই নিরাপদে রয়েছেন এবং শুটিংয়ের স্থানটি বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার তুলনায় কিছুটা দূরে অবস্থিত ছিল।
তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, খরাজ ও তার স্ত্রী বর্তমানে পোখারা থেকে গোরখপুরের দিকে আসছেন।
সেখান থেকে তারা বিমানে কলকাতায় ফেরার পরিকল্পনা করছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে ২৮ আগস্ট তারা কলকাতায় ফিরে আসবেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, খরাজ মুখার্জি, তার স্ত্রী এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ২০ আগস্ট একটি বাংলাদেশি সিনেমার শুটিং দলের সাথে নেপালে গিয়েছিলেন। ছবিটির শুটিং নেপালের বিভিন্ন স্থানে চলছিল।
বন্যার কারণে শুটিংয়ের কাজ ব্যাহত হয়েছে।
একই সিনেমার শুটিংয়ে অংশগ্রহণকারী অভিনেতা রজতাভ দত্তও ছিলেন। তার শুটিং শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি আগেই ফিরে এসেছেন বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
নেপালের চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সড়ক ও সেতুর ক্ষতির কারণে অনেক স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযানও চলছে।
এই পরিস্থিতিতে নেপালে অবস্থানরত পর্যটক ও শুটিং দলের সদস্যদের ফেরাতে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তবে খরাজ মুখার্জি ও তার স্ত্রী নিরাপদে আছেন—পরিবারের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়ায় ভক্তদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : মিডল অর্ডার ব্যাটার সোনাল দিনুশার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট নাটকীয়ভাবে ড্র করল স্বাগতিক শ্রীলংকা। তবে প্রথম টেস্টে ১৬৫ রানের জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ১-০ ব্যবধানে জিতল ভারত।
প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে ভারতের ৫০৩ রানের জবাবে ২৯০ রানে গুটিয়ে ফলো-অনে পড়ে শ্রীলংকা। ২১৩ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে পঞ্চম ও শেষ দিন ৯ উইকেটে ৪২৯ রানে ইনিংস ঘোষণা করে শ্রীলংকা। এতে ভারতকে ২১৭ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় লঙ্কানরা। কিন্তু ভারত আর ব্যাট হাতে না নামলে ম্যাচটি ড্র হয়। তখনও দিনের খেলার ১৭ ওভার বাকী ছিল।
টেস্টের দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেন দিনুশা। প্রথম ইনিংসে ১০৩ ও দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ১৩৩ রান করে ম্যাচ সেরা হন তিনি। সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন এই বাঁ-হাতি ব্যাটার।
কলম্বোতে চতুর্থ দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ২২৯ রান করেছিল শ্রীলংকা। ৪ উইকেট হাতে নিয়ে ১৬ রানে এগিয়ে ছিল লঙ্কানরা। দিনুশা ৭ ও কিশারা নুয়ান্থা ৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।
পঞ্চম দিন নুয়ান্থাকে ৪৬ রানে থামিয়ে ভারতকে উইকেট উপহার দেন স্পিনার মানাভ সুথার। ১৫০ বল খেলে ৪টি চার মারেন নুয়ান্থা। ২১৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট পতনের পর দিনুশার সাথে সপ্তম উইকেটে ২৪৬ বল খেলে ১১২ রানের জুটি গড়েন নুয়ান্থা।
দলীয় ৩৩০ রানে সপ্তম ব্যাটার হিসেবে নুয়ান্থা ফেরার কিছুক্ষণ পর প্রবাথ জয়সুরিয়াকে হারায় শ্রীলংকা। ২ রান করে ভারত স্পিনার রবীন্দ্র জাদেজার শিকার হন জয়সুরিয়া। ৩৫৫ রানে অষ্টম উইকেট হারায় শ্রীলংকা।
এরপর দশ নম্বর ব্যাটার লাহিরু কুমারাকে নিয়ে দলের রান ৪শ পার করেন দিনুশা। এই জুটিতেই টেস্ট ক্যারিয়ারের পঞ্চম ম্যাচে তৃতীয় সেঞ্চুরির দেখা পান দিনুশা। এই সিরিজেই তিনটি সেঞ্চুরি করে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নেন তিনি।
বিশ্বের অষ্টম ব্যাটার হিসেবে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের তিন সেঞ্চুরি কীর্তি গড়লেন দিনুশা। এছাড়া ফলো অন হওয়া টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করা তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে রেকর্ড বইয়ে নাম তুললেন তিনি। এর আগে ১৯৪৮ সালে অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভারতের বিজয় হাজারে (১১৬ ও ১৪৫) এবং ২০০১ সালে হারারেতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টের দুই ইনিংসে শতক হাঁকিয়েছিলেন এন্ডি ফ্লাওয়ার (১৪২ ও ১৯৯*)।
দলীয় ৪০২ রানে দিনুশা-কুমারার জুটি ভাঙ্গেন জাদেজা। ৯০ বলে ১২ রান করেন কুমারা। নবম উইকেটে ১৭০ বলে ৪৭ রানের জুটি গড়েন তারা।
কুমারা ফেরার পর শেষ ব্যাটার আসিথা ফার্নান্দোকে নিয়ে ৫৬ বলে ২৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন দিনুশা। এরপর ৯ উইকেটে ৪২৯ রানে ইনিংস ঘোষণা করে শ্রীলংকা।
৪২০ মিনিট ক্রিজে থেকে ৮টি চার ও ২টি ছক্কায় ২৬৪ বলে অপরাজিত ১৩৩ রান করেন দিনুশা। ২৪ বলে শূন্য রানে অপরাজিত থাকেন আসিথা।
সুথার ও জাদেজা ৩টি করে উইকেট নেন।
২ সেঞ্চুরিতে ৩ ইনিংসে ৩২৮ রান করে সিরিজ সেরা হন ভারতীয় ব্যাটার দেবদূত পাড্ডিকাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ