শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৬ পি.এম
আগামীকাল শনিবার বগুড়ায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের দিকে লংমার্চ অনুষ্ঠিত করতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১টি রাজনৈতিক দল। বিকেল ৩টায় বগুড়ার মাটিডালি বিমান মোড়ে একটি সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি।
এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, এলডিপির সভাপতি কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। লংমার্চের পথসভায় জনতরঙ্গের সম্ভাবনা প্রকাশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্যের বগুড়া জেলা ও মহানগর কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটি। ইতোমধ্যে আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
মাটিডালি বিমান মোড়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে দেড় লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশা করছেন বগুড়া মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি ও দলের আগাম মনোনীত সিটি কর্পোরেশন মেয়র প্রার্থী অধ্যাপক আ স ম আব্দুল মালেক। সকল শ্রেণি-পেশার জনগণকে লংমার্চের পাশাপাশি সমাবেশে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়ে আজ শুক্রবার গণসংযোগ করা হয়েছে।
প্রচারণা চালাচ্ছেন মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আবিদুর রহমান সোহেল, জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকার, সেক্রেটারি মাওলানা মানছুরুর রহমান, বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল বগুড়ার সাধারণ সম্পাদক এড. নুরুল ইসলাম আকন্দ, এনসিপি জেলা আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এম এস এ মাহমুদ, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির জেলা সভাপতি মাহফুজুল হক, সাধারণ সম্পাদক শাফিকুর রহমান শফি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ বগুড়ার সেক্রেটারি মুফতি মাওলানা মামুন রহমানী। কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে দায়িত্বশীল ইউনিটের নেতাদের সঙ্গে সর্বশেষ প্রস্তুতি সভা করেছে ১১ দল।
জানা গেছে, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার, দ্রুত রায় কার্যকর, বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সবখানে দলীয়করণ বন্ধ, স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অবসান, দুর্নীতি প্রতিরোধ, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজি বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করছে ১১ দলীয় ঐক্যজোট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় জামাল (৬০) নামের এক শ্রবণপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ৩ নম্বর ধামইর ইউনিয়নের ডিপপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জামাল ধামইর গ্রামের মৃত কছির মোহাম্মদের পুত্র ছিলেন।
জিআরপি পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে জামাল ডিপপাড়া এলাকায় রেললাইনের উপর বসে ছিলেন। এ সময় পঞ্চগড় থেকে রাজশাহীগামী একটি যাত্রীবাহী ট্রেন ওই এলাকা অতিক্রম করার সময় তাকে চাপা দেয়। ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
স্থানীয়দের মতে, জামাল শ্রবণপ্রতিবন্ধী ছিলেন। ট্রেনের হুইসেল শুনতে না পাওয়ার কারণে তিনি রেললাইন থেকে সরে যেতে পারেননি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্তের পর নিহতের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে সাইদুর রহমান পাভেলকে বাদ দেওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি পাভেলের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তার সম্পর্কে আলোচনা শুরু হয়। নির্মাতা কাজল আরেফিন অমির একটি তালিকা প্রকাশের পর নতুন গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পরিচালক কাজল আরেফিন অমি তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’র শিল্পীদের একটি তালিকা প্রকাশ করেন। তালিকায় ধারাবাহিকটির পরিচিত শিল্পীদের নাম থাকলেও সাইদুর রহমান পাভেলের নাম অনুপস্থিত ছিল। এই বিষয়টি পাভেলকে বাদ দেওয়ার গুঞ্জনকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তালিকা এবং পাভেলের ভাইরাল ভিডিও নিয়ে দর্শকদের মধ্যে বিভিন্ন আলোচনা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর পাভেলের উপস্থিতি নিয়ে ধারাবাহিকটিতে পরিবর্তন এসেছে।
তবে পাভেল বাদ দেওয়ার বিষয়ে নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি অথবা পাভেলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।
‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মধ্যে একটি জনপ্রিয় নাট্যধারাবিক হিসেবে পরিচিত। এতে নিয়মিত অভিনয় করা শিল্পীদের চরিত্র ও সংলাপ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই আলোচনা হয়ে থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত তেজগাঁও মসজিদে গোপন বৈঠকের সময় পুলিশ ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তেজগাঁও বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে। তবে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা কোন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত, তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। তাদের সম্পর্কে যাচাই-বাছাই চলছে এবং বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে জানা যায়, আটক ২৩ জনকে উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি সিটিটিসির একাধিক টিম কাজ করছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত যাচাই-বাছাই অব্যাহত রয়েছে।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান এই বিষয়ে বলেন, "তেজগাঁও মসজিদ থেকে গোপন বৈঠক চলাকালে সন্দেহজনক জঙ্গি হিসেবে ২৩ জনকে আটক করা হয়েছে।" তিনি আরও জানান, তাদের আটক করা হয়েছে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং তাদের সম্পর্কে যাচাই-বাছাই চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির উদ্যোগে বিএফডিসিতে ‘ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে’ অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ভিডিওতে অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘিকে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থের সঙ্গে ছবি তুলতে যেতে দেখা যায়। এই বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন অভিনেতা ও পরিচালক শাহরিয়ার নাজিম জয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিএফডিসিতে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ। অনুষ্ঠানের শেষের দিকে ফ্যাশন ডিজাইনার গৌতমের সহযোগিতায় দীঘি মন্ত্রীর কাছে গিয়ে ছবি তোলার জন্য দাঁড়িয়ে পড়েন। এ সময় মন্ত্রী হাসিমুখে জানান যে, তার অন্য একটি কাজ রয়েছে এবং কিছুক্ষণ পর স্থান ত্যাগ করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, দীঘির মুখে কিছুটা বিব্রতভাব ফুটে ওঠে।
ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাসে শাহরিয়ার নাজিম জয় মন্তব্য করেন যে, অনেকেই দীঘির সঙ্গে ছবি তোলার জন্য আগ্রহী হলেও মন্ত্রীর মধ্যে তার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য বিশেষ আগ্রহ তিনি ভিডিওতে লক্ষ্য করেননি।
জয় মনে করেন, এই ঘটনার মাধ্যমে শিল্পীদের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা রয়েছে। তার মতে, ৫ আগস্টের পর সরকারের কিছু মন্ত্রী ও উপদেষ্টার চলচ্চিত্র অঙ্গনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ইন্ডাস্ট্রির জন্য ইতিবাচক। তবে কাজের বাইরে অকারণে মন্ত্রীদের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার প্রবণতা থেকে শিল্পীদের সরে আসা উচিত।
স্ট্যাটাসে জয় উল্লেখ করেন, মন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার ফলে শিল্পী ভবিষ্যতে বিপদে পড়তে পারেন। শিল্পীদের বোঝা উচিত যে, কাজের বাইরে অকারণে মন্ত্রীদের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার দিন শেষ হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, চলচ্চিত্রশিল্প একসময় স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবে এবং শিল্পীরা নিজেদের প্রতিভা বিকাশে সফল হলে মন্ত্রীরাই তাদের সঙ্গে ছবি তুলতে আগ্রহী হবেন।
এদিকে, সরকারের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের সঙ্গে চলচ্চিত্র অঙ্গনের গুণীজনদের একত্রিত করার জন্য চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন শাহরিয়ার নাজিম জয়। পাশাপাশি মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ফরিদুর রেজা সাগরের অবদানের প্রশংসা করে তাকে চলচ্চিত্রের ‘প্রধানতম অভিভাবক’ ও ‘নেপথ্যের নায়ক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ