বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৯:১৬ পি.এম
দীর্ঘ ৫২ বছরের অপেক্ষার পর ২০২৬ বিশ্বকাপে ফিরেছিল হাইতি। যদিও গ্রুপ পর্বের বাধা তারা পেরোতে পারেনি, তবুও দলের লড়াকু মানসিকতায় সন্তুষ্ট কোচ সেবাস্তিয়েঁ মিনিয়ে। বিশ্বমঞ্চে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়ার পর, এবার আরেকটি বিশ্বকাপ খেলতে এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে চান না তিনি।
‘সি’ গ্রুপে হাইতি মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল, মরক্কো ও স্কটল্যান্ডের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের। তিনটি ম্যাচেই তারা জয় পায়নি, তবে প্রতিটি ম্যাচেই দলটি লড়াই করেছে মনোযুগি। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে হারার পর, শেষ ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে দুইবার এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ৪-২ ব্যবধানে পরাজিত হয় তারা।
ম্যাচ শেষে মিনিয়ে বলেন, ফলাফল তার জন্য হতাশাজনক, কারণ তিনি দলের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন।
তিনি তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি হতাশ, কারণ আমি আরও গোল এবং একটি জয় চেয়েছিলাম। তবে আমি মনে করি না ছেলেরা কোনো সময় হাল ছেড়ে দিয়েছে। কঠিন পরিস্থিতিতেও তারা লড়ে গেছে।’
হাইতির ফুটবলারদের মানসিক দৃঢ়তার প্রশংসা করে মিনিয়ে বলেন, ‘লড়াই করে যাওয়াটা দেশটির সংস্কৃতিরই অংশ। হাইতির মানুষ সহজে হার মানে না। খেলোয়াড়রাও সেই মানসিকতার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। তারা দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে গর্বের সঙ্গে।’
প্রথম দুই ম্যাচেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেলেও, হাইতি শেষ ম্যাচ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে। মিনিয়ের বিশ্বাস, এই বিশ্বকাপ প্রমাণ করেছে যে দলটি আন্তর্জাতিক ফুটবলের বড় মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখিয়েছি যে এখানে খেলার যোগ্যতা আমাদের আছে। এখন লক্ষ্য হবে নিজেদের আরও উন্নত করা, যাতে পরবর্তী বিশ্বকাপ খেলতে আমাদের আর ৫২ বছর অপেক্ষা করতে না হয়।’
হাইতির কোচ মনে করেন, এই বিশ্বকাপ দেশটির ফুটবল ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও জমির সংকট সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ আশ্বাস দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদের আমন্ত্রণে শিক্ষা মন্ত্রী স্বল্প সময়ের জন্য প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় এ সময় উপস্থিত হন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন কেন হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হবে। শিক্ষাখাতে সরকারের বরাদ্দ বেড়েছে; বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য যা যা প্রয়োজন, তা করা হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ একর ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে শিক্ষার্থীরা সব সুবিধা না পেলেও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উন্নত সুযোগ-সুবিধা পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে, একাডেমিক ভবন নির্মাণ, আবাসিক হল সংকট নিরসন এবং ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদল শিক্ষামন্ত্রীকে একটি স্মারকলিপি দিয়েছে। সফরের শেষে শিক্ষামন্ত্রী খুলনার উদ্দেশে বরিশাল ত্যাগ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়াল হত্যার ঘটনায় নতুন দাবি নিয়ে সামনে এসেছেন অভিযুক্ত চেতন চৌধুরীর বাবা। পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত শেষে ধারণা করেছে, কেতন আগরওয়ালের বাগদত্তা সিয়া গোয়েল এবং তার প্রেমিক চেতন চৌধুরী পরিকল্পিতভাবে প্রথমে ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করেন এবং পরে ৪০০ ফুট ওপর থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন, ফলে ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালকে হত্যা করা হয়।
এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে এবং তারা বর্তমানে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে রয়েছে।
এদিকে, চেতন চৌধুরীর বাবা বাবুলাল চৌধুরী দাবি করেছেন, এই ঘটনায় তার ছেলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং সিয়া গোয়েল নিজে বাঁচার জন্য তার ছেলেকে ফাঁসাচ্ছে। বাবুলাল চৌধুরী বলেন, সিয়ার সঙ্গে চেতনের প্রেমের সম্পর্কের যে কথা বলা হচ্ছে, তা তিনি জানতেন না। তিনি অভিযোগ করেন যে, থানায় যাওয়ার আগে তিনি কখনো সিয়ার নাম শোনেননি কিংবা দেখেননি।
পুলিশ রিমান্ডে থাকা চেতন চৌধুরীর সঙ্গে থানায় দেখা করতে তার পরিবারের সদস্যরা আসে। চেতনের বাবা জানিয়েছেন, চেতন তাদের জানিয়েছে যে, ঘটনার সময় তিনি বেশ কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কিন্তু চেতন কেন ওই সময় লোহাগড় দুর্গে গিয়েছিলেন, সে প্রশ্নের কোনো সদুত্তর বাবার কাছে নেই। চেতনও তাদের এ বিষয়ে কোনো কথা বলে নি। বাবুলাল চৌধুরী পুনেতে একটি দোকান চালান এবং তিনি দাবি করেন, ‘আমার ছেলে মোটেই এমন নয়। সে নিয়মিত দোকানের কাজে আসত।’
চেতনের চাচা উদয়রাম চৌধুরীও তার ভাতিজাকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘চেতন একজন খেলোয়াড় এবং সব সময় সরাসরি কথা বলার মানুষ। বাজারে বা এলাকায় কেউ কখনো তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পরিবারের কেউ চেতনের প্রেমের সম্পর্কের কথা জানত না।’ থানায় মাত্র এক মিনিটের জন্য চেতনের সঙ্গে কথা বলে তারা, এবং কাঁদতে কাঁদতে চেতন তাদের বলেছে যে, তিনি নির্দোষ, এবং তাকে ফাঁসানো হচ্ছে।
চেতনের আইনজীবী রাম সাহানেরও দাবি, তার মক্কেল নির্দোষ। তিনি বলেন, ‘এফআইআরে কথিত অপরাধে তার (চেতন) ভূমিকার কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। প্রধান আসামির প্রেমিক, শুধুমাত্র এ ভিত্তিতেই তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে।’
এছাড়া পরিবার ও আইনজীবীর দাবির সঙ্গে polisi এর তদন্তের কোনো মিল নেই। গত ১৮ জুন কেতন আগরওয়াল পুনের লোহাগড় দুর্গ থেকে পড়ে মারা যান। তাঁর সাথে থাকা বাগদত্তা সিয়া গোয়েল পুলিশ ও পরিবারকে বলেন, কেতন ছবি তোলার সময় পড়ে গেছেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা মনে হলেও পরে পরিবার ও পুলিশ নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বুঝতে পারে যে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। প্রাথমিক তদন্তে সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়ায় ঘটনার ৫ দিন পর গত ২৩ জুন সিয়া গোয়েল ও তার প্রেমিক চেতন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন পুনের একটি আদালত নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উভয়কে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠান।
গত বছরের নভেম্বর থেকে সিয়া ও চেতন প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে পারিবারিকভাবে ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে সিয়ার বাগদান হয়। তাদের বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল আগামী নভেম্বরে জমকালো অনুষ্ঠানের জন্য। এজন্য জয়পুরে ১৭ কোটি টাকায় একটি প্রাসাদ ভাড়া করা হয়েছিল এবং অতিথিদের আনা-নেওয়ার জন্য দুটি বিমান প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। তবে সিয়া ও তার প্রেমিক চেতন মিলে তাদের প্রেমের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানো কেতনকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন এবং ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গে তা বাস্তবায়ন করেন।
মোবাইল কল রেকর্ড পর্যালোচনা করে পুলিশ দেখতে পায় যে, গত ৭ মাসে সিয়া ও চেতন ২ হাজার ৪ বার টেলিফোনে মোট ২৩৮ ঘণ্টা কথা বলেছেন। সিসিটিভি ফুটেজও পুলিশ দেখেছে, ঘটনার দিন সিয়া ও কেতনকে ২০-৩০ ফুট পেছন থেকে হুডি পরা এক যুবক অনুসরণ করছিল। সেই যুবক চেতন। ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ট্র্যাকিং ট্রেইলে হুডি পরে থাকার সন্দেহ থেকেই পুলিশ চেতন পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছে।
পুনের (গ্রামীণ) পুলিশ সুপার সন্দ্বীপ সিং গিল জানান, ১৮ জুন সকালে পুনের একটি ক্যাফেতে সিয়া ও চেতন বৈঠক করেছেন। পুলিশের ধারণা, সকালের বৈঠকে সিয়া ও চেতন মিলে কেতনকে হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন এবং ঠিক কোন জায়গা থেকে তাকে ফেলে দেওয়া হবে, তা ঠিক করেন। বহুল আলোচিত এই মামলার তদন্ত সম্পর্কে সন্দ্বীপ গিল বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে সব সূত্র এক সুতায় গাঁথার পর সিয়া ও চেতনের পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের বিষয়টি সামনে এসেছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের মাদারগঞ্জে একটি সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় পুলিশ নারী হেল্প ডেস্কের সেবা সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে এবং জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। সভাটি অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে উপজেলার মির্জা রওশন আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে।
এই সভাটি পুলিশের ও ইউএনএফপিএ’র যৌথ উদ্যোগে গৃহীত প্রিভেইল প্রকল্পের আওতায় মাদারগঞ্জ মডেল থানার উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) স্নেহাশীষ রায় । প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাদারগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞা।
সভায় অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে মাদারগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) তোফাজ্জল হোসেন, বিট পুলিশিং কমিটির সভাপতি অধ্যাপক রকিব লিটন, পৌর বএিনপি এর সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন, বিট পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আল আমিন, পৌর জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি হাফেজ শফিকুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক ওলিফা আক্তার, জাহাঙ্গীর আলম, পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বএিনপি এর সভাপতি জগলুল পাশা, উপজেলা শ্রমিক দলের সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, অভিভাবক শিউলি আক্তার প্রমুখ।
সভায় বক্তারা জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ, সাইবার অপরাধ মোকাবিলা, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পুলিশ সার্ভিস ডেস্কের কার্যক্রম আরও কার্যকর করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, যারা বিগত ২০ বছর ধরে গ্রামে শিক্ষা ফাঁকি দিয়ে শহরে এসেছেন, তাদের আবারও গ্রামে পাঠানো হবে। তিনি বলেন, 'গ্রামের শিক্ষক সংকট থাকবে আর সকলে শহরে এসে সুযোগ-সুবিধা নিয়ে শিক্ষকতা করবেন, সেটা হতে পারে না। শিক্ষায় গ্রামাঞ্চল অনগ্রসর থাকতে পারে না।'
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে হাটের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে খুলনার কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে মতবিনিময়সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, '৬০ হাজার শিক্ষক সংকট নিয়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা চলছে। এভাবে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা সম্ভব নয়, তাই পর্যায়ক্রমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। আগে পরীক্ষার্থীরা খাতা চ্যালেঞ্জ করলে শুধু নম্বরপত্র যোগ করা হতো, তাই আইন পরিবর্তন করে খাতা চেক করার সুযোগ রাখা হয়েছে।'
আসন্ন পরীক্ষা প্রসঙ্গে এহছানুল হক মিলন বলেন, 'নকল প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ায় দেশে নকলের প্রবণতা প্রায় নির্মূল হয়েছে। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা বিষয়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কোনো অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলাকে ছাড় দেওয়া হবে না।'
দেশের শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত উন্নয়ন ও সংস্কারের বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'এ বছরের জুলাই থেকে সারা বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের পোশাক ও মিড ডে মিল দেওয়া হবে। এই সরকারের কাছে কোনো দাবি জানাতে হবে না। সরকারই দাবি পূরণ করবে। শিক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মান বৃদ্ধি করতে হবে।'
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোরের উদ্যোগে সভায় সভাপতিত্ব করেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ফারুখে আযম মো. আব্দুস সালাম। মতবিনিময়সভায় যশোর শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন খুলনা অঞ্চলের কেন্দ্রসচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ