বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫০ পি.এম
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক মন্তব্য করেছেন যে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও ক্ষমতার কাঠামো পরিবর্তন না হলে ভবিষ্যতে যে কোনো দল ক্ষমতায় আসুক, তা এক সময় স্বৈরশাসনে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় শরীয়তপুর পৌরসভার মাঠ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শরীয়তপুর জেলা শাখা আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। মাওলানা মামুনুল হক বলেন, বর্তমানে বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে লঙ্কায় গেলেই হনুমান হবে। যিনি ক্ষমতায় যাবেন, ৫-১০ বছর পর তিনিই হাসিনায় পরিণত হবেন। তাই, শুধুমাত্র সরকার পরিবর্তন নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার কাঠামোগত পরিবর্তন অত্যাবশ্যক। রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির পদ অনেকটাই আলংকারিক হয়ে আছে। জুলাই বিপ্লবের স্পিরিট অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির হাতে বাস্তবসম্মত কিছু প্রশাসনিক ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া প্রয়োজন।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরে মামুনুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর একক কর্তৃত্ব থেকে বিচার বিভাগকে বের করে আনতে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে একটি স্বাধীন বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন করা আবশ্যক। এর মাধ্যমে দলীয় প্রভাবমুক্ত বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, কোনো দলীয় পরিচয়ের বিচারপতি যেন জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারেন, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা ছাড়া ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, যদি সব রাজনৈতিক দল এই দাবি থেকে সরে যায়, তবে প্রয়োজনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস একাই জনগণের কাছে গিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি তুলে ধরবে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে ফ্যাসিবাদ আবারও ফিরে আসার সুযোগ পাবে। রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।
দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় কোনো ধরনের আধিপত্যবাদ মেনে নেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির।
এ নাগরিক সমাবেশের আয়োজন করা হয় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শরীয়তপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা শাব্বির আহমেদ ওসমানী। এতে আরও বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ, মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ উদ্দিন আহমদ হানজালা, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুর রহমান হেলাল এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য নূর হোসাইন নূরানীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানের ফলস্বরূপ মাদক, ডাকাতি ও জুয়া মামলায় মোট ১৯ জন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এই অভিযানটি পরিচালিত হয়।
নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিকের নেতৃত্বে এই অভিযানটি সম্পন্ন হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযানের সময় মাদক মামলায় ৯ জনকে আটক করা হয়।
এছাড়া, কাঁচপুর পুরাতন বাজার এলাকায় জুয়া আইনে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে আছেন— আমিরুল ইসলাম (৪৭), সোহেল (৪৫), শাহানুর (৩২), নুরুজ্জামান (৫০), শাকিল (২৫), খোরশেদ আলী (৩৫), আতিকুর (৩০), আজাদুল ইসলাম (৩০) ও আতোয়ার ইসলাম (২৭)।
অন্যদিকে, ডাকাতি মামলায় সোনারগাঁয়ের ঝাউচর এলাকার মামুন (৩৬) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদে গালাগাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
তিনি বলেন, ‘গতকালকে আমি যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি, তাতে এই সংসদে কোনো ডিসেন্ট ভয়েস রেকর্ড করা যায় বলে আমার মনে হয়নি।’ সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি অভিযোগ করেন, তার বক্তব্যের পর আশপাশের কয়েকজন সংসদ সদস্য তাকে ‘অকথ্য ভাষায় গালাগাল’ করেছেন।
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘এটা কোনো সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না। সংসদে যে ধরনের আচরণ আমি লক্ষ করেছি, সেটা কোনো দেশের সংসদে হয় না।’
তিনি সতর্ক করেছেন যে, র্যাব বিলুপ্ত করে গঠিতব্য স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) যেন শুধুমাত্র নাম ও পোশাক পরিবর্তনের মাধ্যমে র্যাবের নতুন রূপ না হয়। অতীতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর মাধ্যমে মানুষকে হয়রানি, নির্যাতন ও ভীত হতে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এমন কোনো বাহিনীর আচরণ তিনি চান না।
রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে দলীয়করণ ও প্রভাবমুক্ত রেখে নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে পরিচালনার আহ্বানও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬-এর ওপর জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
এর আগে অধিবেশনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সুপারিশকৃত আকারে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬ কণ্ঠভোটে পাস হয়। এরপর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬ বিবেচনার জন্য নেওয়া হয়।
এই বিলটি নিয়ে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দেন রুমিন ফারহানা।
বক্তব্যের শুরুতেই আগের দিনের সংসদীয় পরিবেশ নিয়ে আপত্তি তুলে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, বিলের ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে গতকালকে আমি যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি, তাতে এই সংসদে কোনো ডিসেন্ট ভয়েস রেকর্ড করা যায় বলে আমার মনে হয়নি এবং আমি কথা বলার পরে সংসদে যে ধরনের আচরণ আমি লক্ষ করেছি, সেটা কোনো দেশের সংসদে হয় না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার কথার যদি কোনো কাউন্টার বলার ব্যাপার থাকত, সেটা দাঁড়িয়ে বলা যেত। আমি বক্তব্য শেষ করার পরে বক্তব্য দেওয়া যেত। শুধু তাই নয়, মাননীয় স্পিকার, এই মহান সংসদে আমাকেই আশপাশের সংসদ সদস্যরা অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছেন।
এটা কোনো সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না।’
সংসদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘একটা সংসদে সরকারি দল থাকবে, বিরোধী দল থাকবে, সংসদে স্বতন্ত্র নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও থাকবেন। একেক জনের একেক রকম মত থাকতে পারে। সেটা প্রকাশ করার স্বাধীনতা প্রত্যেকের থাকা উচিত।’
নিজের অতীত সংসদীয় অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এই সংসদে যখন আমি একা দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগের ২০১৮ সংসদে বিএনপির পক্ষে কথা বলেছিলাম, তখনও আমাকে এ জঘন্য পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। এরপরে কয়েক হাজার মানুষের প্রাণের বিনিময়ে আমরা ভোটের মাধ্যমে সংসদ আনলাম। সেখানে যদি ন্যূনতম কোনো পরিবর্তন না ঘটে, তাহলে এই সংসদে বিরোধী দল সেজে শুধু না ভোট দেওয়ার জন্য থাকার কোনো দরকার আছে বলে আমি মনে করি না।’
এরপর এসআরবি বিলের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, আজকে যে বিলটি এসেছে, সেটির ধারা-উপধারা অনুযায়ী, আমি একটা রিসার্চ পেপার রেডি করেছি। সেই পেপার যদি আমাকে দুটো মিনিট সময় দেন, আমি সেটা নিয়ে আলোচনা করতে পারি।’
পরে তাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে র্যাব বিলুপ্তির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, র্যাবকে বিলুপ্ত করার ব্যাপারে শুধু বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ বাদ দিয়ে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোই যে কেবল ঐকমত্যে এসেছিল, তাই নয়। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা থেকে শুরু করে জাতিসংঘ পর্যন্ত এই সংস্থাটি বাতিলের জন্য প্রশ্ন তুলেছিল।’
নতুন বাহিনী গঠনের বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘আমার বিনীত বক্তব্য হচ্ছে, এর পরিবর্তে নতুন যে সংস্থা আমরা করতে যাচ্ছি, সেটি যেন কেবল পোশাক পরিবর্তনের মতো না হয়।’
অতীতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর আচরণের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে বিগত দিনে আমরা যে ধরনের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা দেখেছি, নানাভাবে মানুষকে হয়রানি হতে দেখেছি, মানুষকে নির্যাতিত হতে দেখেছি, ভীত হতে দেখেছি—ভবিষ্যতে আমরা এ রকম আর কোনো সংস্থার আচরণ চাই না।’
দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে যাত্রা করেছে। আমি আশা করব, অন্তত এই সংসদে যারা উপস্থিত আছেন, যে দলগুলো উপস্থিত আছে, তারা গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে।’
রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলোর নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পুলিশ বাহিনী হোক, র্যাব হোক কিংবা অন্য কোনো রাষ্ট্রীয় বাহিনী হোক, তারা যাতে নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে দলীয়করণমুক্ত হয়ে, প্রভাব মুক্ত হয়ে যার যার মতো কাজ পরিচালনা করতে পারে। এ ব্যাপারটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখবে, সরকার দেখবে—আমি আশা করব।’
এ সময় রুমিন ফারহানার বক্তব্যের পর স্পিকারও সংসদে বাকস্বাধীনতা ও পরস্পরের বক্তব্যে বাধা না দেওয়ার বিষয়ে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, সরকারি দল বা বিরোধী দলের প্রত্যেক সদস্যের বক্তব্যের সময় অন্য পক্ষ থেকে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হবে না—এটি তিনি আশা করেন।
এর আগে এসআরবি বিলের ওপর বিরোধী দলের আপত্তির মধ্যেই বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটির মাধ্যমে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের আওতাধীন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
রুমিন ফারহানা বক্তব্যে উল্লেখ করেন, র্যাব বিলুপ্তির সিদ্ধান্তের পর নতুন যে বাহিনী গঠন করা হচ্ছে, সেটি যেন অতীতের অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি না করে। নতুন বাহিনীসহ সব রাষ্ট্রীয় বাহিনী দলীয়করণ ও রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে থেকে আইন, নিয়ম ও শৃঙ্খলা মেনে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) এর অভিযান চলাকালীন সীমান্তবর্তী এলাকায় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। তবে, অভিযানের সময় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
২২-বিজিবি বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ৪৮ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)-এর দায়িত্বাধীন সীমান্ত এলাকায় ধারাবাহিক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানে ৬ লাখ ১১ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যমানের ভারতীয় গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেটের একটি বড় চালান জব্দ করা হয়। একই সময়ে, সীমান্ত এলাকায় টহল দলের বিশেষ তৎপরতার মাধ্যমে চোরাচালানকৃত ভারতীয় গবাদিপশু এবং অন্যান্য অবৈধ চোরাচালানি মালামাল আটক করা সম্ভব হয়েছে।
এই বিষয়ে কুড়িগ্রাম-২২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক, পিএসসি জানান, কুড়িগ্রাম সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপরাধ, মাদক পাচার এবং চোরাচালান প্রতিরোধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। জনসাধারণের নিরাপত্তা ও স্বস্তি বজায় রাখতে বিজিবির এই আভিযানিক তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামো সম্প্রসারণের জন্য ইউরোপে নিজেদের সর্ববৃহৎ বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল। আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ফিনল্যান্ডে অন্তত ১ হাজার ৩০০ কোটি ইউরো (১৫.১ বিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করেছে। একই সঙ্গে, নিরবচ্ছিন্ন শক্তি নিশ্চিত করার জন্য দেশটির একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়ের জন্য একটি বড় চুক্তি সম্পন্ন করেছে তারা।
বুধবার, মার্কিন এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এই বিশাল বিনিয়োগের আওতায় ফিনল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে তিনটি নতুন ডেটা সেন্টার নির্মাণ করা হবে।
বিদ্যুৎ সরবরাহের নিশ্চয়তা দিতে গুগল, ফিনল্যান্ডের জ্বালানি প্রতিষ্ঠান ফোর্টাম-এর সঙ্গে ২২ বছরের একটি চুক্তি করেছে। এই চুক্তির আওতায়, ফোর্টামের লভিসা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদনের অর্ধেক বিদ্যুৎ তারা কিনবে।
গুগল জানিয়েছে, ২০২৭ ও ২০২৮ সালের মধ্যে এই বিনিয়োগ ফিনল্যান্ডের জিডিপিতে ৩৬০ কোটি ইউরো যোগ করবে। পাশাপাশি, ডেটা সেন্টারগুলো চালু হলে প্রতি বছর প্রায় সাত হাজার মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ