মোঃ মাহবুব আলম শাওন নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
০৬:৩১ পি.এম
অদ্য ৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন, অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট), অতিরিক্ত দায়িত্বে অ্যাডিশনাল ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ) ও অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অপারেশনস), নওগাঁ সদর মডেল থানার দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ দমন কার্যক্রম, মামলার তদন্তের অগ্রগতি, ওয়ারেন্ট ও জিআর পরোয়ানা তামিলের অবস্থা, মাদক,৫ চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ পর্যালোচনা করেন। এছাড়াও থানার বিভিন্ন রেজিস্টার, মালখানা, অস্ত্রাগার, হাজতখানা, ডিউটি অফিস, সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন।
তিনি থানার কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং জনগণকে আরও উন্নত, মানবিক ও পেশাদার পুলিশি সেবা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। বিশেষ করে সেবাপ্রার্থীদের প্রতি আন্তরিক আচরণ, মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারকরণ, নারী, শিশু ও বয়স্কদের প্রতি সংবেদনশীল সেবা নিশ্চিতকরণ এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি থানার সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জনসেবার মান আরও উন্নত করার লক্ষ্যে সকল কর্মকর্তা ও সদস্যকে নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
এ সময় নওগাঁ জেলার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ, নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারের ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’-এর মাধ্যমে এই পর্যন্ত অনুমোদিত ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে, জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
আজ জাতীয় সংসদে নরসিংদী-৫ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিনের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন।
মন্ত্রী বলেন, স্টার্টআপ খাতে নতুন অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বর্তমানে ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’ একটি সমন্বিত তহবিল কাঠামোর আওতায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে রয়েছে প্রস্তাবিত ৪০০ কোটি টাকার ‘ফান্ড অব ফান্ডস’ এবং ৩০০ কোটি টাকার ‘কো-ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড’ও।
তিনি জানান, স্টার্টআপ অর্থায়ন সম্প্রসারণ এবং বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সরকার পর্যায়ক্রমে মোট তহবিলের আকার এক হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানান, প্রাথমিকভাবে স্টার্টআপ বাংলাদেশের বিনিয়োগের জন্য ৫৫টি স্টার্টআপ অনুমোদন পেয়েছিল। তবে যথাযথ যাচাই-বাছাই (ডিউ ডিলিজেন্স) ও বিনিয়োগের শর্তাবলির বিষয়ে মতপার্থক্যের কারণে পরবর্তী সময়ে ১৯টি স্টার্টআপ বাদ পড়ে যায়।
চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত ৩৬টি স্টার্টআপের মধ্যে রাইড-শেয়ারিং, এডটেক, ফিনটেক, লজিস্টিকস, হেলথটেক এবং ই-কমার্স খাতের বিভিন্ন প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাঠাও লিমিটেড, চালডাল লিমিটেড, ১০ মিনিট স্কুল, সহজ, শিখো, মেডইজি এবং আরও কিছু উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব বিনিয়োগ দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। এর ফলে সাত হাজারের অধিক প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং পোর্টফোলিওভুক্ত কোম্পানিগুলোর গড় রাজস্ব প্রবৃদ্ধি প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া এসব স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ১৮০ কোটি টাকারও বেশি কর পরিশোধ করেছে, যা স্টার্টআপ বাংলাদেশের মোট বিনিয়োগের প্রায় ১ দশমিক ৭ গুণ।
মন্ত্রী জানান, পোর্টফোলিওভুক্ত কোম্পানিগুলো বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করছে এবং টেকসই ব্যবসায়িক মডেল গড়ে তুলছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী মোট বিনিয়োগের প্রায় ৮০ শতাংশ ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
তবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এ বিষয়টি স্পষ্ট করেছে যে, স্টার্টআপ বাংলাদেশ সরাসরি ঋণ প্রদান করে না। প্রতিষ্ঠানটির মূল কার্যক্রম সম্ভাবনাময় স্টার্টআপে ইক্যুইটি ও ইক্যুইটি-সংযুক্ত বিনিয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ বলে জানানো হয়েছে।
দেশের প্রাথমিক পর্যায়ের উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলোর অর্থায়ন ঘাটতি দূর করতে সরকার বিশেষায়িত অর্থায়ন ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করছে বলেও জানান মন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদ লাইব্রেরিতে বই ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) প্রযুক্তি চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটি।
কমিটির সভাপতি ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত লাইব্রেরি কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এ সুপারিশটি গৃহীত হয়।
বৈঠকে জাতীয় সংসদ গ্রন্থাগারের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে সংসদ গ্রন্থাগার কর্তৃক প্রকাশিত ‘সংসদ গ্রন্থাগার বুলেটিন’-এর মানোন্নয়ন ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে একটি প্রতিবেদন প্রণয়নের জন্য তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্য সাঈদ আল নোমানকে আহ্বায়ক ও এ বি এম মোশাররফ হোসেন এবং মোহাম্মদ নাজিবুর রহমানকে সদস্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
বৈঠকের শুরুতে সভাপতি উপস্থিত সদস্যদের স্বাগতম জানান এবং পূর্ববর্তী বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় সাব-কমিটি-১, ২, ৩ ও ৪ এর প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় এবং সেগুলোর ওপর বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের আওতাধীন ‘স্ট্রেনদেনিং ইনস্টিটিউশনস, পলিসিস অ্যান্ড সার্ভিসেস (এসআইপিএস)’ প্রকল্পের অধীনে ইউএনডিপি'র সহযোগিতায় জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেমসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি চালুর বিষয়ে সুপারিশ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন যে, এ প্রযুক্তি চালু হলে সংসদের প্রশাসনিক ও কারিগরি কার্যক্রম আরও দক্ষ এবং সমন্বিত হবে।
এছাড়া, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পার্লামেন্টারি স্টাডিজ আইন অনুযায়ী গঠিত পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন করার লক্ষ্যে সাব-কমিটি প্রণীত প্রতিবেদনও বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়। এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণের জন্য কমিটির সদস্যরা স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
বৈঠকে কমিটির সদস্য হুইপ এ.বি.এম. আশরাফ উদ্দিন (নিজান), ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান, সাঈদ আল নোমান, এ বি এম মোশাররফ হোসেন এবং মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন যে, আগামী অর্থবছরের বাজেটে বিড়ির মূল্য ও করহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। অর্থাৎ আগামী অর্থবছরে বিড়ির দাম বাড়বে না।
আজ সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য রাশেদা বেগম হীরার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
রাশেদা বেগম হীরা জানতে চান, তামাকের উপর সুনির্দিষ্ট হারে কর বৃদ্ধি যেমন বিড়ির খুচরা মূল্যের উপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রেখে ২০ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য আরও বৃদ্ধি করে অধিক সম্পূরক শুল্ক এবং সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করবেন কিনা?
জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেটে বিড়ি ক্ষেত্রে মূল্য এবং করহার পূর্বের বছরের ন্যায় অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে জাপান বাংলাদেশকে ৫০ বিলিয়ন জাপানি ইয়েন ঋণ সহায়তা প্রদান করবে।
এ লক্ষ্যে আজ বাংলাদেশ সরকার ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-এর মধ্যে একটি ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
চুক্তিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং জাইকা বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকো স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও জাপান সরকারের পাশাপাশি নোট বিনিময় (এক্সচেঞ্জ অব নোটস) চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি। আজ একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট লোন ফর এনহ্যান্সিং ইকোনমিক রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড স্টেবল এনার্জি সাপ্লাই’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় জাইকা বাংলাদেশকে ৫০ বিলিয়ন জাপানি ইয়েন, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ ঋণ দেবে।
জাপান সরকারের ‘পার্টনারশিপ অন ওয়াইড এনার্জি অ্যান্ড রিসোর্সেস রেজিলিয়েন্স এশিয়া (পাওয়ার এশিয়া)’ উদ্যোগের আওতায় এটি প্রথম সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) ঋণ। এই উদ্যোগের লক্ষ্য এশিয়ার দেশগুলোকে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে ঝুঁকি এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় সহায়তা প্রদান করা।
কর্মসূচিটি দুটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রণয়ন করা হয়েছে। এর একটি হচ্ছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং অন্যটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন শক্তিশালী করা।
এ কর্মসূচির আওতায় স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ এবং জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন নীতিগত পদক্ষেপে সহায়তা দেওয়া হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর টেকসই পরিচালনা, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার উন্নত পরিকল্পনা এবং জ্বালানি সাশ্রয় কার্যক্রম জোরদার করা হবে।
এছাড়াও, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহ-অর্থায়নে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন সংক্রান্ত সংস্কার কার্যক্রমেও সহায়তা দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টদের আশা, এ উদ্যোগ দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামো শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একই সাথে এটি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ