ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরে বালক ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী অঞ্চল


নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরে বালক ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী অঞ্চল

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ইভেন্টের প্রথম আসরের সমাপনী দিনে ক্রিকেটের রোমাঞ্চকর ফাইনালে রাজশাহী অঞ্চল জয় তুলে নিয়ে বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে বৃষ্টির আগমনের পরেও নাটকীয়তার কোনো অভাব ছিল না। কাকতালীয়ভাবে ১৯ রানের ব্যবধানে জয় পেয়ে ট্রফি হাতে তুলে নেয় রাজশাহী।

ফাইনালের মেগা মঞ্চে টস জিতে রাজশাহী অঞ্চল আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। ব্যাটিংয়ে নেমেই রংপুর অঞ্চলের বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালান রাজশাহীর ব্যাটার মোহাম্মদ শারাফাত সাদিদ। নির্ধারিত ১০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রানের বিশাল স্কোর দাঁড় করাতে সক্ষম হয় রাজশাহী।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

এই পাহাড়সম রান গড়ার পেছনে মূল নায়ক ছিলেন ম্যাচসেরা সাদিদ। তিনি মাত্র ২৬ বলে ৫টি চতুঃরাগ এবং ৮টি দৃষ্টিনন্দন ছক্কার সাহায্যে অসম্পূর্ণ ৭৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন।

১৩৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে রংপুর অঞ্চল শুরু থেকেই রাজশাহীর আঁটসাঁট বোলিংয়ের মুখে চাপের মধ্যে পড়ে। ম্যাচের মাঝপথে হঠাৎ করেই বৃষ্টি আসে এবং ডিএলএস (DLS) পদ্ধতির কারণে খেলার দৈর্ঘ্য কমিয়ে ৩ ওভারে আনা হয়। ফলে রংপুরের নতুন লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৭ রান।

এই সংক্ষিপ্ত মাত্রার ওভারে রংপুর ৩ উইকেট হারিয়ে ২৭ রান তুলতে সক্ষম হয়। এর ফলে ডিএলএস পদ্ধতিতে ১৯ রানের জয় নিয়ে রাজশাহীর ক্রিকেটাররা আনন্দে মেতে ওঠে।

আরও পড়ুন: এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ক্রিকেটে ফারইস্টকে হারিয়ে সোনারগাঁওয়ের টানা দুই জয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরে বালিকা ক্রিকেটে শিরোপা জিতল ঢাকা অঞ্চল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরে বালিকা ক্রিকেটে শিরোপা জিতল ঢাকা অঞ্চল

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ইভেন্টের প্রথম আসরে, টুর্নামেন্টের সমাপনী দিনে, ক্রিকেটে রোমাঞ্চকর ফাইনালে জয় তুলে নিয়ে, বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ঢাকা অঞ্চল।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালেই, বৃষ্টি হানা দিলেও নাটকিয়তার কোনো কমতি ছিল না। কাকতালীয়ভাবে, ১৯ রানের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে রাজধানীর দলটি।

বৃষ্টির কারণে, বালিকা বিভাগের ফাইনালটি নামিয়ে আনা হয় ৫ ওভারে। টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে, ঢাকা অঞ্চল শুরুতেই ধাক্কা খায়। ইনিংসের প্রথম ওভারেই, নুসরাত জাহান জুথির বোলিং তোপে, দুই উইকেট (রওনক জাহান নওশিন ও আফরোজা জাহান মিম) হারিয়ে প্রবল চাপে পড়ে ঢাকা।

তবে বিপদের মুহূর্তে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক আফনান জামান আথাই। ১১ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে, অপরাজিত ২৩ রান উপহার দিয়ে, দলকে ৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৪৮ রানের লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন তিনি।

৪৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে, ঢাকা অঞ্চলের বোলার রিয়া মনির ধারালো বোলিং এবং দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের সামনে, ধসে পড়ে ময়মনসিংহের ব্যাটিং লাইনআপ।

নিজের প্রথম ওভারেই, ময়মনসিংহের অধিনায়ক নাদিয়া আক্তারকে বোল্ড করেন রিয়া। পরবর্তীতে, সাদিয়া আফরিনকেও সাজঘরে ফিরিয়ে দেন তিনি। এর মাঝে, পরপর তিনটি রানআউটে ময়মনসিংহের ইনিংসের মেরুদণ্ড ভেঙে পড়ে।

মাত্র ২০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলা ময়মনসিংহ আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৫ ওভারে ৬ উইকেটে ২৯ রানেই থেমে যায় তাদের ইনিংস। ফলে, ১৯ রানের স্বস্তিদায়ক জয় নিয়ে, চ্যাম্পিয়ন হয় ঢাকা অঞ্চল।

২ ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন রিয়া মনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনা নদীর ভাঙনরোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


যমুনা নদীর ভাঙনরোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, যমুনা নদী বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য নদী। এই নদীর চারপাশের এলাকা ভাঙনরোধে কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ২৫ হাজারেরও বেশি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। তবে ভাঙন রোধের উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকালে টাঙ্গাইলের গোপালপুরের সাখারিয়া এলাকায় টাঙ্গাইল-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের ভাঙন পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, নদীর নাব্যতা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং সেটি যাতে ঠিক রাখা যায় সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যে খাল খনন এবং নদী খনন কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রহণ করেছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল ও নদী খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। নদীর গতিপথ যদি সঠিক অবস্থায় থাকে, তাহলে ভাঙন হবে না।

তিনি আরও বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী সরকারের লুটপাট এবং দুর্নীতির কারণে দেশের জনগণের আন্দোলনের ফলস্বরূপ তাদের বিতাড়িত করা হয়েছে। তাই তাদের অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করা হবে। সামনে একটি মজবুত বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে আমরা এগিয়ে চলছে।

এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুস ছালাম পিন্টু, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাঈন উদ্দীন সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত রবিবার বিকাল থেকে গোপালপুর উপজেলার সাখারিয়া যমুনা নদীর ২৫ মিটার অংশে ভাঙন শুরু হয়েছিল। এখন পর্যন্ত ৮০ মিটার ভেঙে গেছে। এর ফলে ওই সড়কে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ভাঙন রোধের জন্য জিও ব্যাগ ফেলে কাজ করছে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্যাসের দাবিতে সিদ্ধিরগঞ্জে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ পি.এম


গ্যাসের দাবিতে সিদ্ধিরগঞ্জে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

 

বাসাবাড়িতে নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ ও অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার দাবিতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন করেছেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় বাসস্ট্যান্ডে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে পূর্ব সানারপাড়, মনু মিয়া মার্কেট, বক্সনগর, নিমাইকাশারী, মাদানীনগর, মুক্তিনগর ও রসুলবাগ এলাকার বাসিন্দারা অংশ নেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. রবিউল ইসলাম বাবু বলেন, ‘গত ৭-৮ বছর ধরে আমাদের এলাকায় চরম গ্যাস সংকট চলছে। মাসে মাসে বিল পরিশোধ করলেও দিনের অধিকাংশ সময় গ্যাস থাকে না। তিতাস কর্তৃপক্ষকে বারবার অভিযোগ জানিয়েও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা পাওয়া যায়নি। বাধ্য হয়ে আমরা রাজপথে নেমেছি।’

আরেক বাসিন্দা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘এর আগেও একই দাবিতে আন্দোলন করা হয়েছিল। তখন সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বৈধ গ্রাহকরা গ্যাস না পেলেও বিভিন্ন অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।’

এ সময় বাসিন্দারা তিতাসের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে সমস্যা সমাধান করার আহ্বান জানান। তা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি এবং প্রয়োজনে গ্যাসের বিল পরিশোধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় ৪৫টি পয়েন্টে নদীভাঙনে বিপাকে ৭ শতাধিক পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৬ পি.এম


গাইবান্ধায় ৪৫টি পয়েন্টে নদীভাঙনে বিপাকে ৭ শতাধিক পরিবার

 

গাইবান্ধায় করতোয়া ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদের পানি কমছে। জেলার নদ-নদীগুলোর পানি কখনো বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কখনও কমছে। এর ফলে নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে বন্যা ও নদীভাঙনের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার চার উপজেলার ৪৫টি পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭ শতাধিক পরিবার।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং ঘাঘট নদের পানি ২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে করতোয়া নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং তিস্তা নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাউবো জানায়, চলমান বর্ষা মৌসুমে এখন পর্যন্ত জেলার কোনো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।

তবে বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকেই ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, ঘাঘট, তিস্তা ও করতোয়া নদীতে তীব्र ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী ৪৫টি পয়েন্টে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি, ফসলি জমি, সড়কসহ বিভিন্নস্থাপনা বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার নদীভাঙনে ৭ শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে ফুলছড়ি উপজেলার দক্ষিণ রসুলপুর, চৌমহন চর, খাটিয়ামারি, দক্ষিণ খাটিয়ামারি, কাউয়াবাদা ও রতনপুর; সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কেরানীর চর, কালির খামার ও চর চরিতাবাড়ী; গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পূর্বপাড়া এবং সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়ন ও সাঘাটা উপজেলার কয়েকটি এলাকা।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ভাঙনকবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রস্তুত রয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%