০৮:১৯ পি.এম
নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় নিশ্চিতভাবে জ্বালানি সম্পদ বিদ্যমান। সরকারের পক্ষ থেকে অফশোর এলাকায় কূপ খনন, খনিজ সম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং পরবর্তীতে সেগুলো উত্তোলনের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আজ সোমবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবসের একটি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌমন্ত্রী জানান, ‘দেশের সমুদ্রসীমায় জ্বালানি সম্পদ পাওয়ার সম্ভাবনা শুধু নয়, বরং এর উপস্থিতি একেবারেই নিশ্চিত। তবে অতীতের নীতিগত সীমাবদ্ধতার কারণে এই সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।’
অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের আলোকে বাংলাদেশ বিস্তীর্ণ সমুদ্র অঞ্চলের অধিকার লাভ করলেও সে সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। প্রতিবেশী দেশ ভারত এবং মায়ানমার নিজ নিজ সমুদ্রসীমায় অনুসন্ধান চালিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন করেছে, কিন্তু বাংলাদেশ এ বিষয়ে পিছিয়ে রয়েছে।’
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে
শেখ রবিউল আলম আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রায় ৯২ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্য চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত। তবে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তুলনা করলে নেভিগেশন ও নিরাপদ জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে রয়েছে। তবে সক্ষমতা অনুযায়ী এ খাতে উন্নয়নের কাজ চলমান রয়েছে।’
মন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, ‘দেশের প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ নৌপথ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এসব নৌপথকে সচল, নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও আকর্ষণীয় করে তুলতে হাইড্রোগ্রাফি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভবিষ্যতেও এর প্রয়োজনীয়তা আরও বৃদ্ধি পাবে।’
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস দেশের সামুদ্রিক ও নৌসম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং সেগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন