শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৫ পি.এম
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা এক পলাতক আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ১টায় পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামী মো. নুরুল আমিন, রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ধেছুয়া পালং এলাকার মৃত ইব্রাহিম ও খোদেজা বেগমের পুত্র। রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একে ফজলুল হক জানিয়েছেন, আসামী মো. নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে, বাকলিয়া থানার একটি মামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বিচার শেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে। অনাদায়ে তাকে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
রায় ঘোষণার পর থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাণিজ্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন আপাতত কিছুটা সময় পেয়েছে, তবে বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির মধ্যে দীর্ঘদিনের কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা মেটাতে সেই সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। খবরটি প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং একটি জাঁকজমকপূর্ণ শীর্ষ বৈঠক শেষ করেন। বৈঠক শেষে ট্রাম্প জানান, চলতি বছরেই দুই নেতা আরও দুবার বৈঠক করবেন।
যদিও দুই নেতা বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা করেছেন, তথাপি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, তাইওয়ান, প্রতিরক্ষা, বিরল খনিজ এবং শিল্পনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তীব্র মতবিরোধ বিদ্যমান রয়েছে।
এশিয়া সোসাইটি পলিসি ইনস্টিটিউটের ড্যানিয়েল রাসেল মন্তব্য করেন যে, দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনো তীব্র মতবিরোধ চলছে।
দ্য এশিয়া গ্রুপের পরামর্শক ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা ড্যানিয়েল ক্রিটেনব্রিঙ্ক বলেন, দুই দেশের নেতার মধ্যে অন্তত বছরের শেষ পর্যন্ত সম্পর্কের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে সন্দেহ নেই।
তবে তিনি সতর্ক করেন যে, দীর্ঘমেয়াদে এই যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে হলে আরও কিছু বাস্তব এবং দৃশ্যমান ফলাফল দেখতে হবে।
ক্রিটেনব্রিঙ্কের মতে, আগের বৈঠকগুলোতে চীন যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার অনেকটাই যথাযথভাবে পালন করেনি বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কর্মকর্তা। এই কারণে মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে চীনের কর্মকাণ্ড নিয়ে গভীর হতাশাও রয়েছে।
গত বছর দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্রাম্প ও সি চিন পিংয়ের বৈঠকের পর দুই দেশ একটি বাণিজ্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পরস্পরের পণ্যের ওপর ব্যাপক হারে শুল্ক আরোপ করেছিল। একপর্যায়ে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি শুল্কের হার ১০০ শতাংশেরও বেশি হয়ে যায়।
চুক্তির আওতায় চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি পরিমাণে সয়াবিনসহ কৃষিপণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দেয়। একই সঙ্গে এক বছরের জন্য বিরল খনিজ উপাদান রপ্তানিতে বিধিনিষেধ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বেইজিং।
চুক্তিটির মেয়াদ মূলত নভেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে দুই দেশ চলতি সপ্তাহে এর মেয়াদ বাড়িয়ে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার শুক্রবার সিএনবিসিকে বলেন, ওয়াশিংটন এই ধরনের মেয়াদ বাড়ানোর সময়কে মূলত ‘কমপ্লায়েন্স পিরিয়ড’ বা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সময় হিসেবে দেখছে।
ক্রিটেনব্রিঙ্ক বলেন, মার্কিন কর্মকর্তাদের দৃষ্টিতে চীন চুক্তিটি টিকিয়ে রাখার জন্য যতটুকু প্রয়োজন, মোটামুটি ততটুকুই করছে, এর বেশি নয়।
তার ভাষায়, দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের পরিস্থিতি টেকসই নয়।
পিটারসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিকসের মেরি লাভলি বলেন, স্বল্প সময়ের জন্য চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো ছিল যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দের সিদ্ধান্ত।
তার মতে, চীন আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য চুক্তি নবায়ন করতে চেয়েছিল। তবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের বড় একটি কারণ হলো বিরল খনিজ বা মাটির উপাদান দিয়ে তৈরি চুম্বকের সরবরাহ। তাই ওয়াশিংটন পরিস্থিতিকে খুব বেশি সময়ের জন্য চীনের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছে না।
লাভলি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্ক আরোপের হুমকি এখন চীনের ওপর আগের মতো কতটা প্রভাব ফেলছে, সেটিও স্পষ্ট নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ী, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজবাড়ীতে আজ জেলা জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নাশকতার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে আয়োজন করা হয়।
শহরের আজাদী ময়দান চত্বরে শনিবার দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত বিশাল সমাবেশের আগে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন যে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগসহ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছে। তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, এসব ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং সরকারের অঙ্গীকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তারা যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রাজবাড়ী জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান, সদস্য সচিব এস এম ফারুক, যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন মুক্তি, পৌর জিয়া মঞ্চের আব্দুর রাকিব, সাধারণ সম্পাদক মোজাহার উদ্দিন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিসরের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান আব্বাস কামেল ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার কয়েক দিন আগে ইসরাইলের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সতর্ক করেছিলেন। এই তথ্য মার্কিন সাময়িকী দ্য আটলান্টিকের একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে, তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় কামেল সরাসরি সতর্ক করে বলেছিলেন, "আপনারা যদি গতিপথ পরিবর্তন না করেন, তাহলে গাজা আপনাদের জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে।"
এর আগে, এক মিসরীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) জানিয়েছিলেন যে, হামাস বড় ধরনের কিছু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন একাধিক সতর্কবার্তা ইসরাইল পেয়েছিল, কিন্তু সেগুলো তারা উপেক্ষা করেছে।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ইয়েনেটও জানিয়েছিল যে, হামলার প্রায় ১০ দিন আগে কামেল ব্যক্তিগতভাবে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছিলেন।
তবে, দ্য আটলান্টিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কামেল হামলার নির্দিষ্ট তারিখ বা বিস্তারিত তথ্য দেননি। তিনি ঠিক কোন কোন ইসরাইলি কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন, সেটিও স্পষ্ট নয়।
ইসরাইলি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের ফ্লাইট লগের বরাত দিয়ে সাময়িকীটি জানায়, কামেল যে মিসরীয় বিমানে ইসরাইলি পৌঁছেছিলেন, সেটি সেখানে ৬৭ মিনিট অবস্থান করে পরে কায়রোর উদ্দেশে ফিরে যায়।
এদিকে, সম্প্রতি প্রকাশিত হারেৎজ-এর এক তদন্তেও দাবি করা হয়েছে যে, ৭ অক্টোবরের হামলার কয়েক সপ্তাহ আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীকে হামাসের বড় ধরনের অভিযানের প্রস্তুতি সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই নেতার মধ্যে প্রায় ৪৫ মিনিটের ফোনালাপ হয়েছিল। ওই ফোনালাপে আমিরাতের শাসকের এক উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, ইউএই প্রেসিডেন্টের মূল্যায়ন ছিল—হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার বড় ধরনের একটি অভিযান বা ঘটনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
হারেৎজের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী তা দেশটির নিরাপত্তা ও সামরিক নেতৃত্বকে জানাননি।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল গোলের খেলা। এই খেলায় যিনি সবচেয়ে বেশি গোল করবেন, তিনিই পাবেন সর্বাধিক খ্যাতি। এই খ্যাতির শীর্ষে আছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
এই তালিকায় কারা আছেন যারা তাকে ছাড়িয়ে যেতে, কিংবা চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবেন? শীর্ষ ১০-এ কারা আছেন, চলুন দেখে নেওয়া যাক।
১. ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল)
ক্যারিয়ারে ৯০০-র বেশি গোল করে তিনি সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে পরিচিত। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তার মোট গোলসংখ্যা ৯৭৯টি, এবং তিনি ১০০০ ক্যারিয়ার গোলের ঐতিহাসিক মাইলফলকের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। স্পোর্টিং সিপি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস, আল নাসর ও পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে তিনি এই রেকর্ড গড়েছেন।
২. লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
বার্সেলোনা, পিএসজি ও ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলে তিনি ৯৩০টি গোল করেছেন। ২০২২ বিশ্বকাপ জয়সহ আর্জেন্টিনার হয়ে অসংখ্য রেকর্ড তার দখলে রয়েছে। রোনালদো যেসব মাইলফলক ছুঁয়েছেন, তার চেয়ে কম সময়ে সেসব ছুঁয়ে রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি। সবশেষে, দ্রুততম সময়ে ৯০০ গোলের রেকর্ডও ভেঙেছেন।
৩. পেলে (ব্রাজিল)
সান্তোস ও ব্রাজিলের হয়ে ৭৬২টি গোল করেছেন এই কিংবদন্তি, যিনি তিনবার বিশ্বকাপ জিতেছেন। যদিও তার অনানুষ্ঠানিক ম্যাচের গোল ধরলে সংখ্যা ১২০০ ছাড়িয়ে যায় বলে দাবি করা হয়।
৪. রোমারিও (ব্রাজিল)
ব্রাজিলিয়ান এই স্ট্রাইকার প্রায় ৭৫৬টি গোল করেছেন। ইয়োহান ক্রুইফ তাকে পেনাল্টি বক্সে সবচেয়ে ‘প্রতিভাবান’দের একজন বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
৫. ফেরেঙ্ক পুশকাশ (হাঙ্গেরি)
হাঙ্গেরির ‘ম্যাগনিফিসেন্ট ম্যাগিয়ার্স’ দলের একজন সদস্য ছিলেন তিনি। রিয়াল মাদ্রিদের সবচেয়ে সফল স্কোয়াডের অংশও ছিলেন। এই দুই দলের হয়ে ৭২৫টি গোল করেছেন তিনি।
৬. ইয়োসেপ বিকান (চেক/অস্ট্রিয়া)
১৯৩০-৫০-এর দশকে খেলা এই খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও সাধারণভাবে ৭২২টি গোল বলে ধরা হয়।
৭. রবার্ট লেভানডভস্কি (পোল্যান্ড)
ডর্টমুন্ড, বায়ার্ন মিউনিখ ও বার্সেলোনার হয়ে খেলে তিনি ৭০৪টি গোল করেছেন। পোল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।
৮. জিমি জোন্স (উত্তর আয়ারল্যান্ড)
মূলত আইরিশ লিগে খেলে ৬৩৯টি গোল করেছেন, বিশেষ করে গ্লেনাভনের হয়ে দীর্ঘ সময় শীর্ষ গোলদাতা ছিলেন।
৯. গার্ড মুলার (পশ্চিম জার্মানি)
বায়ার্ন মিউনিখ ও জার্মানির হয়ে প্রায় ৬৩৪টি গোল করা এই স্ট্রাইকার ১৯৭৪ বিশ্বকাপ ফাইনালের বিজয়ী গোলদাতা।
১০. জো ব্যামব্রিক (উত্তর আয়ারল্যান্ড)
লিনফিল্ড ও চেলসির হয়ে খেলে ৬২৬টি গোল করেছেন, এক মৌসুমে লিনফিল্ডের হয়ে ৫০ গোল করার রেকর্ড তার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ