মোঃ শরীফ উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
১১:০৭ এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সুইচিং স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নাসিরনগরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে ৩৩ কেভি লাইনে ফল্ট দেখা দেওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা।
শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সুইচিং স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই নাসিরনগরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে নাসিরনগর জোনাল অফিস।
নাসিরনগর জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়, ৩৩ কেভি লাইনে ফল্ট থাকায় লাইন চেকিং ও গ্রিডে প্রয়োজনীয় কারিগরি কাজ চলছে। এ কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য কাজ করছেন। এ অবস্থায় গ্রাহকদের ধৈর্য ধরার পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের কাজে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে নাসিরনগর জোনাল অফিস।
বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার কাজ দ্রুতগতিতে চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাইজারের রাজধানী নিয়ামের বিভিন্ন স্থানে শনিবার ভোরে (২৯ আগষ্ট) গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তবে হামলার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
রয়টার্সের দুই প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
একটি নিরাপত্তা সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে যে, ‘সন্ত্রাসীরা’ নিয়ামের দিওরি হামানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে এবং প্রেসিডেন্টের বাসভবনের চারপাশের নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেছে।
সাহেল রাষ্ট্র জোটের সংসদের ডেপুটি বানা ওয়াগানা ইব্রাহিম ফেসবুকে দাবি করেছেন, হামলাকারীরা নিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা বেস ১০১-কে লক্ষ্যবস্তু করেছে। তবে নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।
ইব্রাহিম বলেন, ‘বেস ১০১-এর ওপর আরেকটি হামলা হয়েছে। আবারও আমাদের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে।’ তবে নিরাপত্তা সূত্র এবং ইব্রাহিমের দাবিগুলো রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
আরেকটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনী তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে।
কয়েকজন হামলাকারীকে ‘নিষ্ক্রিয়’ করা হয়েছে এবং অন্যরা পালিয়ে গেছে। রয়টার্সের দ্বিতীয় প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রেসিডেন্টের বাসভবনের আশপাশে দীর্ঘ সময় ধরে তীব্র গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। প্রথম প্রত্যক্ষদর্শীর মতে, স্থানীয় সময় রাত ২টা ১৩ মিনিটের দিকে নিয়ামের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশে আবারও গোলাগুলি শুরু হয়। এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য নাইজারের সামরিক সরকারের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পশ্চিম আফ্রিকার খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ নাইজারে ইউরেনিয়াম, তেল ও সোনার উল্লেখযোগ্য মজুত রয়েছে।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজুমকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে দেশটি সামরিক শাসনের অধীনে রয়েছে।
ক্ষমতা দখলের পর জেনারেল আবদুরাহমান তিয়ানির নেতৃত্বাধীন সামরিক সরকার পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক কমিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে তারা মালি ও বুর্কিনা ফাসোর সঙ্গে মিলে সাহেল রাষ্ট্র জোট গঠন করেছে। এই তিন দেশ পশ্চিম আফ্রিকার আঞ্চলিক জোট ইকোওয়াস থেকে বেরিয়ে গেছে।
নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির প্রতিশ্রুতি দিলেও নাইজার, মালি ও বুর্কিনা ফাসোতে আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই এখনও চলছে। নাইজারে এই নতুন অস্থিরতা এমন সময়ে দেখা দিয়েছে, যখন দেশটির সামরিক সরকার ইউরেনিয়াম খাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার করছে।
ফ্রান্সের ওরানো কম্পানির সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার পর সম্প্রতি দেশটির সরকার ইউরেনিয়াম শিল্পে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে। গত সপ্তাহে জারি করা এক ডিক্রি অনুযায়ী, ওরানো ও গোভিএক্সের সাবেক ইউরেনিয়াম পারমিট রাষ্ট্র-সমর্থিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে পুনরায় বরাদ্দ করা হয়েছে।
সামরিক সরকার ২০২৪ সালের দিকে ওরানোর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আগে নাইজার ইউরোপের পারমাণবিক জ্বালানির অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী ছিল।
পূর্ণ সক্ষমতায় নাইজার থেকে ওরানোর ইউরেনিয়াম সরবরাহ কম্পানিটির মোট সরবরাহের প্রায় ১৫ শতাংশে পৌঁছাত। চলতি বছরের মার্চে নাইজারের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এবং জানুয়ারিতে নিয়ামের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে পৃথক হামলায় অন্তত ৪৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬৩৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই দাম কমানোর সিদ্ধান্তটি শনিবার (২৯ আগস্ট) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে গৃহীত হয়েছে।
বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আজ শনিবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা ইরানের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ফলস্বরূপ। এই পরিস্থিতি চীন ও রাশিয়ার মতো প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলা এবং তাদের নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, ইরান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহারের কারণে বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত দ্রুত কমে গেছে। ইউরোপে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের প্যাক-৩ ইন্টারসেপ্টর এবং আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (এটিএসিএমএস)-এর মজুতও সংকটজনক পর্যায়ে নেমে গেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ পেন্টাগনের দীর্ঘদিনের প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে একটি ‘অর্ডারস বুক’-এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাঠানোর তদারকি করছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে এসব অস্ত্র ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছে।
ইউরোপের প্রতিরক্ষায়ও চাপ
ইউরোপে মোতায়েন মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘিরে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, ইউরোপে থাকা প্যাক-৩ প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর এবং এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এমন পর্যায়ে নেমেছে, যা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের কাছে ‘বিয়ন্ড ক্রিটিক্যাল’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর মানে হলো প্রয়োজনের তুলনায় মজুত এতটাই কমে গেছে যে সম্ভাব্য বড় ধরনের সংঘাতের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে পর্যাপ্ত প্রতিক্রিয়া জানানো কঠিন হতে পারে।
সম্প্রতি এপি-ও ইউরোপে মার্কিন প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতিকে ‘বিয়ন্ড ক্রিটিক্যাল’ হিসেবে উল্লেখ করে জানিয়েছে, রাশিয়ার সম্ভাব্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষেত্রে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে পেন্টাগন ও ন্যাটো এই মূল্যায়নের সঙ্গে একমত নয়। পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল বলেছেন, মার্কিন অস্ত্রের ঘাটতি নিয়ে প্রকাশিত দাবিগুলো ‘ভুল’ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হামলা চালানোর মতো সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।
চীন ও রাশিয়াকে নিয়ে নতুন শঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনাকারীদের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো—ইরানের সঙ্গে সংঘাতে ব্যবহৃত অস্ত্রের ঘাটতি যদি দ্রুত পূরণ করা না যায়, তাহলে একই সময়ে অন্য কোনও বড় শক্তির সঙ্গে সংঘাত তৈরি হলে ওয়াশিংটনকে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে পড়তে হতে পারে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সংঘাত এবং রাশিয়ার সঙ্গে ন্যাটোর কোনও সরাসরি সামরিক উত্তেজনার ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টর প্রয়োজন হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ায় এসব সম্ভাব্য পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরোধক্ষমতা বা ‘ডিটারেন্স’ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ইউরোপে মার্কিন অস্ত্রের ঘাটতি তৈরি হওয়ায় ইউক্রেনেও এর প্রভাব পড়তে পারে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধরত ইউক্রেন দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র চেয়ে আসছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব মজুত পুনর্গঠন না করা পর্যন্ত ইউক্রেনসহ মিত্রদের অতিরিক্ত সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
অস্ত্রের মজুত ফিরতে লাগতে পারে কয়েক বছর। ইরান যুদ্ধের সময় ব্যবহৃত অস্ত্র দ্রুত প্রতিস্থাপন করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানির মতো মিত্রদেশ থেকে অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ করে মজুত পুনর্গঠন করতে হলেও এতে কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে।
প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব নয়। এপি জানিয়েছে, ইরান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের মোট প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের প্রায় ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়েছে বলে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) হিসাব। প্রায় ২ হাজার ৩৩০টি ইন্টারসেপ্টরের মধ্যে আনুমানিক ১ হাজার ৫০০টি ব্যবহৃত হয়েছে বলে ওই হিসাবের উল্লেখ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর প্রায় ৬০০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতা রাখলেও দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ন্যাটোর তথ্যানুযায়ী, জার্মানিতে ইউরোপের প্রথম প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রও চালু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে উৎপাদন বাড়ালেও নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পেতে সময় লাগবে।
সরাসরি হামলা কমলেও সংকট কাটেনি
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি হামলার মাত্রা অনেকটাই কমেছে। তবে যুদ্ধের সময় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহারের ফলে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে এখন একদিকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ বজায় রাখা এবং অন্যদিকে চীন ও রাশিয়ার মতো প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক প্রস্তুতি ধরে রাখার মধ্যে ভারসাম্য করতে হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, অস্ত্রের মজুত দ্রুত পুনর্গঠন করা না গেলে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক সামরিক উপস্থিতি ও মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ওয়াশিংটনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হতে পারে। বিশেষ করে ইউরোপ ও এশিয়ায় একযোগে কোনও সংকট তৈরি হলে এই ঘাটতি বড় কৌশলগত দুর্বলতায় পরিণত হতে পারে।
তবে মার্কিন প্রশাসন বলছে, দেশের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। পেন্টাগনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এখনও প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা রয়েছে এবং অস্ত্র উৎপাদন ও মজুত পুনর্গঠনের কাজও এগিয়ে চলছে।
তবু ইরান যুদ্ধ যে মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডারের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে, তা এখন আর শুধু ওয়াশিংটনের অভ্যন্তরীণ উদ্বেগ নয়—মিত্রদেশগুলোতেও এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ফলে যুদ্ধের সামরিক ফলাফলের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রতিরোধ কৌশল নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ