বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫১ পি.এম
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ, যিনি দাউদ নামেও পরিচিত, তার বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে সিআইডি মানি লন্ডারিং আইনে মামলা দায়ের করেছে। ঠিকাদারি ব্যবসার আড়ালে ভুয়া টেন্ডার এবং যৌথ ব্যবসার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ার পর এই মামলা করা হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফয়সাল ১ কোটি ৯৩ লাখ ১ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাৎ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।
বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আদাবর থানায় মামলাটি রুজু করা হয়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল লতিফ বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেছেন। তবে সিআইডির সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তাকে ফোন করে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারা যায়নি।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযুক্ত ফয়সাল একজন পেশাদার প্রতারক। তিনি ঠিকাদারি ব্যবসার আড়ালে ভুয়া টেন্ডার, যৌথ ব্যবসার প্রলোভন এবং বাকিতে মালামাল ক্রয় করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ফয়সাল সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাল্টিপল ট্যুরিস্ট ভিসার অধিকারী। এনসিবি আবুধাবি সূত্রে জানা গেছে যে, তিনি ২০২৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দুবাই থেকে দেশে ফিরে আসেন। অপরাধলব্ধ আয় অবৈধভাবে পাচার করে দুবাইয়ে বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া, জালিয়াতির অর্থ গোপন করতে তার স্ত্রী শাহেদার এনআরবিসি ব্যাংক সেনপাড়া শাখার হিসাবে বারবার টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে। পরবর্তীতে গত বছরের ৪ নভেম্বর ৬২ লাখ টাকা নগদ জমা করে এফডিআর করা হয়। সিআইডির অনুসন্ধানে জালিয়াতি ও মানি লন্ডারিংয়ের তথ্যপ্রমাণ মেলায় ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালত তার স্বার্থসংশ্লিষ্টদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে ৫৩টি হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন।
অনুসন্ধানের তথ্য অনুযায়ী, অপরাধলব্ধ আয় গোপন ও বৈধ করার উদ্দেশ্যে আসামিরা বিভিন্ন ব্যাংকে জালিয়াতিপূর্ণ একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। এ ঘটনায় পল্টন থানায় দায়ের করা মামলায় ফয়সালকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলার তদন্তে তার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে বড় অঙ্কের সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সিআইডি ফয়সাল ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হিসাবে ১২৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে। এরই মধ্যে ফয়সাল ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে ৮ মার্চ গ্রেফতার করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। এরপর থেকে দুজন দেশটির কারাগারে আছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় রামমন্দিরের দান তসরুফের অভিযোগে আটজন আসামির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) প্রায় ৭০ হাজার পৃষ্ঠার চার্জশিট দাখিল করেছে। বুধবার, অযোধ্যার অতিরিক্ত জেলা জজ (দুর্নীতি) আদালতে এই চার্জশিটটি জমা দেওয়া হয়।
চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে রাম শঙ্কর যাদব, যিনি টিন্নু নামেও পরিচিত, অনুকল্প মিশ্র, অবিনাশ শুক্লা, করুণেশ পান্ডে, মনীশ যাদব, লাভকুশ মিশ্র, রামাশঙ্কর মিশ্র এবং সুভাষ শ্রীবাস্তবের নাম। তাদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গসহ দুর্নীতি দমন আইনের আওতায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। তদন্তের ফলস্বরূপ, আটজনের মধ্যে সাতজনের কাছ থেকে অভিযোগ সংক্রান্ত ৭৯ লাখ ৮৫ হাজার রুপি নগদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে এসআইটি জানিয়েছে।
তদন্তে মন্দির প্রাঙ্গণে দান গণনার সময় অনুমতি ছাড়া নগদ সরানো বা লুকানোর ১০৫টি ঘটনা চিহ্নিত করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য, ব্যাংক নথি এবং ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব ঘটনা শনাক্ত করা হয়। তবে, গণনার পর ব্যাংকে অর্থ স্থানান্তরের পর্যায়ে অর্থ আত্মসাতের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।
চার্জশিটের প্রায় ৭০ হাজার পৃষ্ঠার নথিতে ১০০টির বেশি কেস ডায়েরি, প্রায় ১৯০ জনের বক্তব্য, ব্যাংক ও সম্পত্তির নথি, অর্থের লেনদেনের তথ্য এবং ফরেনসিক অডিটের প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তদন্তকারীরা মন্দিরের সফটওয়্যারে নথিভুক্ত ৮০৩টি মূল্যবান দানসামগ্রী যাচাই করে কোনো অসঙ্গতি পাননি। এছাড়া, রসিদবিহীন ৮৬টি মূল্যবান সামগ্রীও পরীক্ষা করা হয়েছে।
এসআইটি আসামিদের ব্যাংক হিসাব, সম্পত্তি, গাড়ি, গয়না এবং নির্মাণ ব্যয়ের তথ্যও পর্যালোচনা করেছে। পাশাপাশি, রুপার দান ও গলানোর জন্য পাঠানো বিপুল পরিমাণ রুপাও তদন্তের আওতায় এসেছে। পুরো তদন্তে ফরেনসিক অডিট একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের সাবেক সেলেকা বিদ্রোহী নেতা মাহামাত সাইদ আবদেল কানিকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। বুধবার আদালতের বিচারকেরা এই রায় প্রদান করেন। নির্যাতনসহ একাধিক অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। সাইদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তিনি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া বোজিজের সন্দেহভাজন সমর্থকদের আটকে রাখার একটি কারাগার পরিচালনা করতেন। প্রসিকিউটাররা অভিযোগ করেন, সেখানে বন্দিদের মারধর ও নির্যাতন করা হতো।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাইদ শুরু থেকেই তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। রায় ঘোষণার সময় প্রধান বিচারক মিয়াত্তা মারিয়া সাম্বা বলেন, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের রাজধানী বাঙ্গুইয়ে বোজিজের সমর্থক বলে মনে করা ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে একটি পরিকল্পিত কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে সাইদ ও অন্যরা বন্দিদের মারধর ও নির্যাতন করতেন। আদালত মানবতাবিরোধী অপরাধের চারটি অভিযোগে সাইদকে দোষী সাব্যস্ত করেছে, যার মধ্যে নিপীড়ন ও নির্যাতনের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত। তবে, যুদ্ধাপরাধের কয়েকটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। বিচারকরা জানিয়েছেন, এসব কথিত অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র সংঘাত ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছিল, তাই ওই ঘটনাগুলো যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচনা করার আইনি ভিত্তি নেই। সাইদের বিরুদ্ধে কী সাজা দেওয়া হবে, তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি এবং এ বিষয়ে আলাদা একটি শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
আরো পড়ুন
জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হতে পারে : ইসি আনোয়ারুল
সেলেকা ছিল মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের প্রধানত মুসলিম বিদ্রোহীদের একটি জোট। ‘সেলেকা’ শব্দের অর্থ সাঙ্গো ভাষায় ‘জোট’। ২০১৩ সালে দেশটির দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধের মধ্যে সেলেকা বিদ্রোহীরা ক্ষমতা দখল করে। তারা তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া বোজিজেকে ক্ষমতাচ্যুত করে। সেলেকার ক্ষমতা দখলের পর দেশটিতে খ্রিস্টানদের প্রাধান্য থাকা ‘অ্যান্টি-বালাকা’ নামে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর উত্থান ঘটে। এরপর দুই পক্ষের সংঘর্ষে দেশটিতে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। আইসিসি ২০১৪ সাল থেকে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনা তদন্ত করে আসছে। এরই মধ্যে আদালত অ্যান্টি-বালাকা গোষ্ঠীর দুই নেতাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। তবে সাইদই প্রথম সেলেকা সদস্য, যাকে আইসিসি দোষী সাব্যস্ত করল।
বুধবার রায় ঘোষণার সময় সাইদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তার পরনে ছিল জিনসের প্যান্ট ও নীল সোয়েটশার্ট। রায় পড়ার সময় তাকে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাতে দেখা যায়নি। সাইদকে দোষী সাব্যস্ত করার বিষয়ে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সাইদের বিরুদ্ধে মামলার সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরাও দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত ছিলেন। নেলি আজুকাতেম বিশ্বাস করেন, তার ছেলে ও ভাইকে সেলেকা বিদ্রোহীরা অপহরণ করেছিল। রায়ের পর তিনি এটিকে ‘ছোট একটি জয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আরো পড়ুন
টেকসই উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি দক্ষ মানবসম্পদ : ববি হাজ্জাজ
রয়টার্সকে আজুকাতেম বলেন, সাইদকে দোষী সাব্যস্ত করার বিষয়টি তাকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। একই ধরনের অনুভূতি আরো অনেক ভুক্তভোগীর মধ্যেও তৈরি হয়েছে বলে তিনি জানান। তবে আদালত কয়েকটি অভিযোগ খারিজ করে দেওয়ায় সাইদের সাজা তুলনামূলক কম হতে পারে বলেও তিনি মনে করেন। সাইদের সাজা কত হবে, তা পরবর্তী শুনানিতে ঠিক করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সঞ্জয় লীলা বানসালির নতুন চলচ্চিত্র ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ থেকে প্রকাশিত হয়েছে অভিনেতা রণবীর কাপুরের প্রথম লুক। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত পোস্টারে দেখা যায়, নীল গাড়িতে বসা রণবীরের একটি হাত রক্তাক্ত অবস্থায় রয়েছে। পোস্টারের সাথে জানানো হয়েছে, ছবিটি ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি সিনেমা হলে মুক্তি পাবে।
রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট এবং ভিকি কৌশল অভিনীত এই বড় বাজেটের ছবিটির শুটিং সম্প্রতি সম্পন্ন হয়েছে। পরিচালক বানসালি বর্তমানে ছবিটির সম্পাদনার কাজ করছেন।
ছবিটিতে রণবীর এবং ভিকি কৌশলকে দুই সেনাসদস্যের ভূমিকায় দেখা যাবে। আলিয়া ভাটকে কেন্দ্র করে একটি ত্রিকোণ প্রেম কাহিনি ফুটে উঠবে। ২০০৭ সালে ‘সাওয়ারিয়া’ ছবির পর এই প্রথম আবার বানসালির নির্দেশনায় কাজ করছেন রণবীর।
বর্তমানে রণবীর তার আগামী ছবি ‘রামায়ণ: পার্ট ১’-এর মুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা আগামী ৬ নভেম্বর মুক্তি পাবে। অন্যদিকে, আলিয়া ভাটকে শেষ দেখা গিয়েছিল ‘আলফা’ ছবিতে এবং ভিকি কৌশলকে দেখা গেছে ‘কেশরী চ্যাপ্টার ২’-তে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তরুণ ফুটবলারদের আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ সৃষ্টি করতে আবারও মাঠে গড়াচ্ছে ‘মেসি কাপ’। এই টুর্নামেন্টটি ইন্টার মায়ামির উদ্যোগে আয়োজিত হচ্ছে এবং এর দ্বিতীয় আসরে অংশগ্রহণ করবে ১৬টি ক্লাবের অনূর্ধ্ব-১৬ দল। পূর্ববর্তী আসরে অংশ নিয়েছিল আটটি দল।
আগামী ২৫ অক্টোবর শুরু হয়ে ১ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এবারের মেসি কাপ। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যের ফোর্ট লডারডেলে ইন্টার মায়ামি স্টেডিয়াম ও ফ্লোরিডা ব্লু ট্রেনিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতার ম্যাচগুলো। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নামী ক্লাবগুলোর একাডেমি থেকে আসা তরুণ ফুটবলাররা এই দুই ভেন্যুতে মুখোমুখি হবে।
প্রথম আসরের তুলনায় এবার দলসংখ্যা দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে তরুণ ফুটবলারদের আরও বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশে খেলার সুযোগ দেওয়া যায়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি মাঠ ও মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের বিকাশেও ভূমিকা রাখতে চায় আয়োজকেরা।
ইন্টার মায়ামির অধিনায়ক লিওনেল মেসির কাছে টুর্নামেন্টটির গুরুত্ব তরুণদের বিকাশের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিজের নামে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা সম্পর্কে আর্জেন্টাইন তারকা বলেন, ‘মেসি কাপ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো ছেলেরা যেন নিজেদের বিকাশের এই গুরুত্বপূর্ণ বয়সে মাঠ ও মাঠের বাইরে একটি অনন্য অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মেজাজ কেমন হয়, তা এখন থেকেই বুঝতে শিখুক।’
এবারের আসরে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় মেসি সন্তুষ্ট। বিশ্বের বিভিন্ন শীর্ষ ক্লাবের তরুণ খেলোয়াড়দের এক জায়গায় এনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তিনি।
মেসি বলেন, ‘টুর্নামেন্টটি যেভাবে বড় হচ্ছে, তা দেখে আমরা সত্যিই খুব আনন্দিত। বিশ্বের সেরা সেরা ক্লাব থেকে আসা তরুণ খেলোয়াড়দের এখানে একত্রিত হতে দেখে ভালো লাগছে, যাতে তারা একে অপরের বিপক্ষে লড়তে পারে, অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করতে পারে এবং সবচেয়ে বড় কথা, ফুটবলকে উপভোগ করতে পারে।’
এবারের মেসি কাপে অংশগ্রহণ করবে ইন্টার মায়ামি সিএফ, আয়াক্স, ইন্টার মিলান, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, বেনফিকা, এফসি বার্সেলোনা, পালমেইরাস, আর্সেনাল, নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজ, ফ্ল্যামেঙ্গো, ইউই কর্নেয়া, ম্যানচেস্টার সিটি, বোকা জুনিয়র্স, রিভার প্লেট, ইন্ডিপেন্ডিয়েন্তে দেল ভ্যালে ও চেলসি।
টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো সরাসরি সম্প্রচার করবে ডিজনি প্লাস ও ইএসপিএন প্লাস। তবে অঞ্চলভেদে ম্যাচ দেখার সুযোগ নির্ভর করবে স্থানীয় সম্প্রচার-সুবিধার ওপর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ