শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৩ পি.এম
মির্জাপুর, টাঙ্গাইলের একটি মাদরাসার নাজেরা বিভাগের এক ছাত্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনের। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে অভিভাবক এবং উত্তেজিত স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে পিটুনি দেন। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান ও অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনকে আটক করে।
অভিযুক্ত শিক্ষক মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের শ্বশ্বধরপট্রি গ্রামের আব্দুল মালেক মিয়া ছলে। ভুক্তভোগীর পরিবার ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মির্জাপুর উপজেলা সদরের বাইপাস বাস স্ট্যান্ড এলাকার একটি মার্কেটের দোতলা এবং তিনতলা ভাড়া নিয়ে প্রায় পাঁচ বছর আগে উপজেলার ফতেপুর ইইনয়নের পারদিঘী গ্রামের হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান মারকাজুল উম্মাহ মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। এই মাদরাসায় তিন বছর আগে শিক্ষক হিসেবে আল আমিন যোগদান করেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে উপজেলার জামর্কী ইউনিয়নের পাকুল্যা সদরের ১০ বছরের এক ছাত্র নাজেরা শাখায় ভর্তি হয় এবং আবাসিকে থাকে।
গত তিন মাস ধরে ওই ছাত্রকে ফুসলিয়ে ও ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন শিক্ষক আল আমিন। এর ফলে ওই ছাত্রের পেট ব্যথা, পায়খানার রাস্তা দিয়ে নিয়মিত রক্ত পড়াসহ নানা সমস্যা দেখা দেয়। পরে সে তার মাকে অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি জানালে তার তিনি তাকে ছুটিতে বাড়িতে নেন। বাড়িতে যাওয়ার পর একদিন সকালে নানা আজিজুর রহমান বাড়ির টয়লেটে রক্ত দেখতে পেয়ে ওই ছাত্রের মাকে বিষয়টি জানান। তবে ওই ছাত্র ভয়ে ধর্ষণের বিষয়টি গোপন রাখে।
৯/১১ হামলার ২৫ বছর পরেও শেষ হয়নি গোয়েন্দা ব্যর্থতার বিতর্ক
পরে মা তাকে জামুর্কী, মির্জাপুর ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করান। চিকিৎসা শেষে ১১ দিন আগে ওই ছাত্রকে মাদরাসায় রেখে যান। এই ১১ দিনের মধ্যে ৮দিন ওই ছাত্রকে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিন। এতে তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হলে সে আবারও তার মাকে বিষয়টি জানায়। পরে তার মা এসে তাকে নিয়ে যান।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মির্জাপুর সদরের বেসরকারি একটি ক্লিনিকে ওই শিশুর বিভিন্ন পরীক্ষা করান তার মা। রিপোর্ট এবং ওই ছাত্রের স্বীকারোক্তিতে চিকিৎসক ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হন। পরে চিকৎসক তার মাকে ছেলের পায়খানার রাস্তা দেখান এবং বিস্তারিত তুলে ধরেন।
এদিকে, শুক্রবার সকালে ওই ছাত্রের মা, নানা ও মামা মাদরাসায় আসেন এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবি জানান। এসময় অভিযুক্ত শিক্ষক ও প্রিন্সিপাল তাদের ওপর চড়াও হন। একপর্যায় বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা মাদরাসায় গিয়ে শিক্ষক আল আমিনকে পিটুনি দেয়।
অভিযোগ উঠেছে, মাদরাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান মাদরাসার গেট বন্ধ করে লাঠি নিয়ে জনতার ওপর হামলার নির্দেশনা দেন ছাত্রদের। পরে ছাত্ররা গেট বন্ধ করে লাঠি হাতে হামলার চেষ্টা চালায়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে লোকজনের ভিড় বেড়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন পুলিশের টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও শিক্ষক আল আমিনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
-ভুক্তভোগী শিশুর নানা বলেন, ‘এমন শিশু বাচ্চার সঙ্গে এমন আচরণ যে মানুষ করতে পারে সে তো মানুষ না পশু। আমি তার বিচার দাবি করছি।’
ভুক্তভোগী শিশু জানায়, গত তিন মাস যাবত শিক্ষক আল আমিন তাকে ফুসলিয়ে এবং নানা ভয় দেখিয়ে নিয়মিত ধর্ষণ করেন। এতে তার পেট ব্যথা হওয়া ছাড়াও পায়খানার রাস্তা দিয়ে নিয়মিত রক্ত যাচ্ছে। বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরে মাকে জানায়, সে এখানে পড়বে না। তার এখানে খুব কষ্ট হচ্ছে।
ওই ছাত্রের মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ছেলে ফোন দিয়ে বলে, মা এখানে আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। আমার পেট ব্যথা হচ্ছে। আমাকে নিয়ে যাও। আমি এখানে থাকতে পারব না। ছেলের অসুস্থ থাকার খবরে মাদরাসায় আসলে অভিযুক্ত শিক্ষক ছেলেকে গ্যাস্ট্রোলিভারের ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেন। পরে তারা জামুর্কী, মির্জাপুর ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ছেলেকে চিকিৎসা করান।’
তিনি আরো বলেন, ‘মির্জাপুরের একটি ক্লিনিকের চিকিৎসক পরীক্ষা শেষে তাকে বিস্তারিত বলেন এবং সচিত্র দেখান। আমার ছেলের পায়খানার রাস্তা অনেক বড় হওয়া ছাড়াও ফেটে গেছে। এ কারণে নিয়মিত রক্ত পড়ছে। সঠিক চিকিৎসা না হলে তার ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন। আমি এই নরপিশাচ শিক্ষক নামের কলঙ্ক আল আমিনের ফাঁসির দাবি জানাই।’
মারকাজুল উম্মাহ মাদরাসার অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিন বলেন, ‘আমি নির্দোষ। উপরে আল্লাহ আছেন। তিনি বিচার করবেন। ছাত্ররা তো মিথ্যা কথা বলেই, ওই ছাত্রও মিথ্যা বলছে।’
আপনি ওই ছাত্রকে গ্যাস্ট্রোলিভারের ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দিয়েছেন তার মাকে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পেট ব্যাথা হচ্ছে এজন্য বলেছেন।’
মাদরাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনকে এই প্রতিষ্ঠানে রাখবেন না।
জনতার ওপর হামলার নির্দেশের বিষয়ে তিনি জানান, অনেকেই আমার গলা চেপে ধরেছেন। এ জন্যই তিনি এই নির্দেশ দিয়েছেন।
মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রের মা বাদী হয়ে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে বজ্রপাতে মো. হেলিম (৩২) নামের এক কৃষকের মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন খোকন মিয়া (৪০) নামের আরো একজন শ্রমিক। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার গুজাদিয়া ইউনিয়নের বৈরাটিয়াপাড়া গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত কৃষক হেলিম নামাপাড়া গ্রামের মুসলিম উদ্দিনের পুত্র। তার তিনটি সন্তান রয়েছে, যাদের বয়স চার বছর, দুই বছর এবং ৯ মাস। আহত খোকন মিয়া একই এলাকার সাইদুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৭টার দিকে খোকন মিয়াসহ আটজনের একটি দল নিয়ে হেলিম পাশের নামাপাড়া গ্রামে ধনেপাতা সংগ্রহ করতে যান। কাজের এক পর্যায়ে হঠাৎ করে আকাশ অন্ধকার হয়ে যায় এবং বজ্রপাত শুরু হয়। বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন হেলিম। পাশেই থাকা খোকন মিয়া বজ্রপাতের বিকট শব্দে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে, তাদের উদ্ধার করে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক হেলিমকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে হাসপাতালে আহত খোকন মিয়ার চিকিৎসা চলছে।
আরো পড়ুন
‘৩ মাস ধর্ষণের শিকার’ মাদরাসাছাত্রের কল—‘মা খুব কষ্ট হচ্ছে, আমাকে নিয়ে যাও’
করিমগঞ্জ থানার ওসি মো. সোহেব খান বজ্রপাতে হেলিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে মুমূর্ষু স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে যান মোরসেলিম আকাশ সিয়াম। চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করার পর, মরদেহ রেখে দ্রুত হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান তিনি। বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ারে আলম খান শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।
আরো পড়ুন
চিকিৎসাসেবায় কোনো অনিয়ম ও অবহেলা মেনে নেওয়া হবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
নিহত শাহিনা আক্তার (২২) সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর গ্রামের মৃত শাহাজাদা মিয়ার মেয়ে। তিনি পলাশবাড়ী সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। অভিযুক্ত সিয়াম উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মাজহারুল ইসলাম মিতুর ছেলে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে সিয়াম নিজেই প্রাইভেট কার চালিয়ে স্ত্রী শাহিনাকে মুমূর্ষু অবস্থায় পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে চিকিৎসক ইসিজি করে শাহিনাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর সিয়াম প্রাইভেট কার চালিয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান। হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা তাকে আটকানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশকে জানানো হলে নিহতের মরদেহ থানায় নেওয়া হয়। অন্যদিকে, সিয়াম নিজ এলাকায় গেলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পলাশবাড়ী থানা পুলিশ পরে তাকে হেফাজতে নেয়।
হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সচালক হৃদয় মণ্ডল বলেন, ‘চিকিৎসক ওই নারীকে মৃত ঘোষণার পরপরই সিয়ামের আচরণ লোকজনের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়। কিছুক্ষণ পর তিনি প্রাইভেট কার নিয়ে দ্রুত হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
নিহতের মা রহিমা বেগম অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে হত্যা করে মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালানোর চেষ্টা করেন সিয়াম। তিনি দাবি করেন, সিয়াম মাদকাসক্ত এবং বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শাহিনাকে মারধর করতেন। ঘটনার দিনও শাহিনাকে মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শাহিনার চাচা মাজিদুর রহমানও একই অভিযোগ করেন। তিনি জানান, কয়েক বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের পর শাহিনা ও সিয়াম পালিয়ে বিয়ে করেন। তাদের আয়াশ (৪) ও আয়াত (১) নামে দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। মাদকাসক্তির কারণে সিয়াম প্রায়ই শাহিনাকে মারধর করতেন এবং বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিসও হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তার অভিযোগ, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. শামা তাবাসসুম বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই শাহিনার মৃত্যু হয়েছিল। তার গলায় আঘাতের চিহ্নও দেখা গেছে।’
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ারে আলম খান বলেন, ‘স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে পালানোর চেষ্টার ঘটনায় মোরসেলিম আকাশ সিয়ামকে আটক করা হয়েছে। মরদেহের বিভিন্ন স্থানে পুরনো একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গলাতেও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে গলায় ফাঁস লাগার বিষয়টি ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নে অজ্ঞাত একটি প্রাণীর হামলায় নারীসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। পরপর হামলার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ইউনিয়নের আলগড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে
শুক্রবার( ১১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয়রা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় আলগড়ার একটি বাড়ির উঠানে বসেছিলেন ফয়জুন বেগম। হঠাৎ অজ্ঞাত একটি প্রাণী তার ওপর আক্রমণ করে। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন।
ফয়জুন বেগমকে উদ্ধারে তার ভাই হাকিম মিয়া এগিয়ে গেলে প্রাণীটি তার ওপরও আক্রমণ করে। এতে তিনিও আহত হন।
এর আগে একই ধরনের একটি প্রাণী বরমচাল ইউনিয়নের মাধবপুর লামাপাড়া এলাকায় আরও এক ব্যক্তিকে আক্রমণ করে আহত করেছে বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে।
পরে আহতদের উদ্ধার করে কুলাউড়া সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
একই রাতে কাছাকাছি এলাকায় পরপর হামলার ঘটনায় বরমচাল ও আশপাশের এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সন্ধ্যার পর বাড়ির উঠান ও আশপাশে চলাচলেও সতর্কতা অবলম্বন করছেন স্থানীয়রা।
তবে হামলাকারী প্রাণীটি আসলে কী—শিয়াল, হায়েনা, নাকি স্থানীয়ভাবে পরিচিত কোনো বন্যপ্রাণী—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাণীটির পরিচয় শনাক্ত করে স্থানীয়দের নিরাপত্তায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
প্রাণীটির পরিচয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আতঙ্কিত না হয়ে রাতে অপ্রয়োজনে একা বাইরে না বের হওয়ার এবং বন্যপ্রাণী দেখলে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের নবীন বাজার এলাকার দাশপাড়া গ্রামে মাঠে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে তিন শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে বাড়ির পাশে অবস্থিত মাঠে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত শিশুদের মধ্যে রয়েছে—দাশপাড়া গ্রামের শিমুল মল্লিকের কন্যা সুমি খাতুন (৭), একই গ্রামের মো. আশরাফুল ইসলাম (আশরাফ)-এর পুত্র খালিদ হোসেন (৮) এবং কন্যা আফিয়া খাতুন (৬)। তারা স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুরে শিশুরা বাড়ির পাশের মাঠে জমে থাকা বর্ষার পানিতে গোসল করতে নামে। এ সময় প্রথমে একজন শিশু পানিতে তলিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে পরবর্তীতে আরো দুজন পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দিকে নিয়ে যায়। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পথে তিন শিশুর মৃত্যু ঘটে।
পাবনা সদর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ