মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫২ পি.এম
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন্তব্য করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের আলোচনা এখনও ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সফরের জন্য তাড়াহুড়ার প্রয়োজন নেই। উভয় দেশের সরকারপ্রধানের সুবিধাজনক সময়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সামনে এ কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার। চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, "হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ব্যক্তিগত পর্যায়ে গড়ে উঠেছে।" তিনি জানান, বৈঠকে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি এবং বৈঠক নিয়ে তিনি ইতিবাচক অনুভূতি প্রকাশ করেন।
এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই যথাযথ সময় দিতে হবে। ভারত সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমন্ত্রণ এখনও উন্মুক্ত রয়েছে। যখনই দুই প্রধানমন্ত্রী মনে করবেন, তখনই সফরটি অনুষ্ঠিত হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যানচেস্টার সিটির সাফল্যমণ্ডিত অধ্যায় শেষ করে বর্তমানে কিছুটা অবসর কাটাচ্ছেন পেপ গার্দিওলা। কোচিং ক্যারিয়ারে বিরতি নেওয়া এই স্প্যানিশ মাস্টারমাইন্ডকে নিয়ে ফুটবল বিশ্বে চলছে নানা গুঞ্জন। ইতালি জাতীয় দলের দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর কিছুদিন তিনি ছিলেন নীরব। কিন্তু হঠাৎ করেই জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখে তার ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সম্প্রতি গার্দিওলার একটি গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বায়ার্নের সম্মানিত প্রেসিডেন্ট উলি হোয়েনেসের সঙ্গে, যা এই গুঞ্জনের সূচনা করেছে। হোয়েনেস, যিনি মিউনিখ ক্লাবের অভিভাবক ও পরামর্শক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন, সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জার্মান সংবাদমাধ্যম ‘বিল্ড’-কে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেখা হয়েছে—এটি সত্যি। পেপ, কার্ল-হেইঞ্জ রুমেনিগে এবং আমার মধ্যে বেশ গভীর বন্ধুত্ব রয়েছে। আমরা সবাই মিলে এক দারুণ সন্ধ্যা উপভোগ করেছি।’
বায়ার্নের বর্তমান প্রধান কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানিকেও ওই নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, যা গার্দিওলার অনুরোধে করা হয়েছিল। তবে স্টুটগার্টে অনুষ্ঠিত কোচদের সম্মেলনের কারণে তিনি সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। হোয়েনেস এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, ‘পরে সুযোগ পেলে আমরা ভিনসেন্ট ও পেপকে নিয়ে আনন্দের সঙ্গেই আরেকটি নৈশভোজের আয়োজন করব।’
তবে ক্লাবটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই নৈশভোজে সৌজন্য সাক্ষাত ছাড়া বায়ার্নের কোচ পদে ফেরার ব্যাপারে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। উল্লেখ্য, গার্দিওলা ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বায়ার্ন মিউনিখের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই সময় তিনি ক্লাবের হয়ে তিনটি বুন্দেসলিগা ও দুটি কাপ ট্রফি জিতেছিলেন এবং পরে তিনি যোগ দেন ম্যানচেস্টার সিটিতে। ৫৫ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ কোচ গত মৌসুম শেষে সিটি ছেড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কোচিং থেকে বিরতি নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলে তিগ্রাই পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) এবং সরকারি বাহিনীর মধ্যে নতুন সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে টিপিএলএফ যোদ্ধারা একটি কৌশলগত শহর দখল করার খবর পাওয়া গেছে।
ইথিওপিয়ার সেনাপ্রধান অভিযোগ করেছেন যে প্রতিবেশী ইরিত্রিয়া, সুদান ও মিসর বিদ্রোহীদের সহায়তা করছে। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ইথিওপিয়ান ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সের চিফ অব দ্য জেনারেল স্টাফ ফিল্ড মার্শাল বিরহানু জুলা শুক্রবার ইরিত্রিয়ার বিরুদ্ধে টিপিএলএফকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন, ইরিত্রিয়া ও টিপিএলএফের জন্য সুদান এবং মিসরের সমর্থন প্রয়োজন হতে পারে। এর মাধ্যমে সংঘাতে বাইরের দেশগুলোর হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নির্দেশিত হচ্ছে বলে তিনি জানান। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য তিনি প্রদান করেননি।
২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ২০২২ সালের নভেম্বর পর্যন্ত টিপিএলএফ এবং ইথিওপিয়ার ফেডারেল বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ হয়। পরে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায় উভয় পক্ষের মধ্যে একটি শান্তিচুক্তি সই হয়। চুক্তির পর তিগ্রাইয়ের রাজধানী মেকেলেতে প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের প্রতি অনুগত একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠন করা হয়।
তবে এরপরও দুই পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। মেকেলের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে টিপিএলএফ। এদিকে, টিপিএলএফ যোদ্ধারা উত্তরাঞ্চলীয় আফার অঞ্চলের কৌশলগত শহর এরেবতি দখল করেছে বলে এক কমান্ডার জানিয়েছেন। সোমবার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে তিনি এ তথ্য জানান। গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি না থাকায় ওই কমান্ডার নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেন।
টিগ্রাই পিস ফোর্সের একজন কর্মকর্তা বিদ্রোহীদের হাতে এরেবতি শহরের নিয়ন্ত্রণ যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। টিগ্রাই বিদ্রোহীদের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ হিসেবে পরিচিত এই বাহিনী বর্তমানে আফার অঞ্চলে ফেডারেল সরকারের বাহিনীর সঙ্গে জোটবদ্ধ। তবে শহরটি দখলের সময় সেখানে বড় ধরনের কোনো সংঘর্ষ হয়নি বলে দাবি করেছেন ওই কর্মকর্তা।
এদিকে, ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলে সংঘর্ষের কারণে আহত মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে বলে জানিয়েছে ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স (এমএসএফ)।
সোমবার এমএসএফ জানায়, কোরেম ও আলামাতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় প্রায় ১৮০ থেকে বেড়ে ৪২০-এর বেশি হয়েছে। সংস্থাটি আরও জানায়, গত সপ্তাহে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুহুল হাসপাতালে প্রায় ৩০০ জন আহত মানুষ চিকিৎসা নিতে আসে।
আফার পশুপালক উন্নয়ন সমিতির সহপ্রতিষ্ঠাতা ভ্যালেরি ব্রাউনিং অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানান, সাম্প্রতিক সংঘর্ষের কারণে প্রায় দেড় লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
এদিকে, ইথিওপিয়ার ফেডারেল সরকার টিপিএলএফের বিরুদ্ধে দেশকে অস্থিতিশীল করতে প্রতিবেশী ইরিত্রিয়ার সঙ্গে জোট গঠনের চেষ্টা করার অভিযোগ করেছে। ইরিত্রিয়ার আসাব সমুদ্রবন্দরে সরাসরি প্রবেশাধিকার পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের প্রচেষ্টাকে ঘিরেও দুই দেশের মধ্যে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তিগ্রাই অঞ্চলের সঙ্গে ইরিত্রিয়ার সীমান্ত রয়েছে। একই সঙ্গে সোমালিল্যান্ডের ভূখণ্ড ব্যবহার করে সমুদ্রপথে প্রবেশাধিকার পাওয়ার জন্য ইথিওপিয়ার উদ্যোগও সোমালিয়ার সঙ্গে দেশটির সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরি করেছে।
ইথিওপিয়ার বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতের দায় অন্য দেশের ওপর চাপানোর অভিযোগ করেছে ইরিত্রিয়া। দেশটির তথ্যমন্ত্রী ইয়েমানে মেসকেল এক্সে এক পোস্টে বলেন, সমুদ্রপথে প্রবেশাধিকার পাওয়ার জন্য ইথিওপিয়ার বিভিন্ন উদ্যোগ ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়ার মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে সুদানের মিলিশিয়াদের সহায়তার জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার অভিযোগও করেন তিনি। তার দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে ইথিওপিয়া প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়ছে।
এদিকে, ইথিওপিয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে সুদানের সশস্ত্র বাহিনী। এক বিবৃতিতে বাহিনীটির একজন মুখপাত্র দাবি করেন, বরং ইথিওপিয়াই সুদানের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করা মিলিশিয়াদের সমর্থন দিচ্ছে। তার এই বক্তব্য মূলত র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) দিকে ইঙ্গিত করে। ২০২৩ সাল থেকে আরএসএফ সুদানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত। এর আগে ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিগ্রাই সংঘাতে ইরিত্রিয়ার সেনারা ইথিওপিয়ার সরকারি বাহিনীর সঙ্গে মিলে টিপিএলএফের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল।
ঘেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, ওই সংঘাতে সহিংসতা, দুর্ভিক্ষ এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার কারণে প্রায় ৫ লাখ বেসামরিক মানুষের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একটি ম্যাচে ব্রাজিল শেষ মুহূর্তে ড্র করতে সক্ষম হয়েছিল। আজ মঙ্গলবার, তিন দিন পর, আবারও একই দলের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে সেলেসাওরা। প্রথম ম্যাচের খারাপ পারফরম্যান্সের পর, দ্বিতীয় ম্যাচে ব্রাজিলের একাদশে বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
টুর্নামেন্টের পর দলকে নতুনভাবে সাজানোর লক্ষ্যে আনচেলত্তি অনেক পরিবর্তন আনতে চলেছেন। ডানপ্রান্তের ডিফেন্ডার ওয়েসলি চোটের কারণে দলে নেই। তার পরিবর্তে শেষ মুহূর্তে মোনাকোর ভান্দেরসনকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ডান প্রান্তে তার শুরুতে একাদশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
দলের সামর্থ্য যাচাইয়ের জন্য আনচেলত্তি আরও কিছু পরিবর্তন করতে পারেন। আগের ম্যাচে যোগ করা সময়ে নাটকীয় সমতাসূচক গোল করা রায়ানকে শুরুর একাদশে জায়গা দেওয়ার কথা রয়েছে।
মাঝমাঠে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আন্দ্রে সান্তোস দানিলোর জায়গায় ফিরতে পারেন। তিনি মাঠের মাঝখানে ব্রুনো গিমারেশের সঙ্গে জুটি বাঁধবেন।
এত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যেও, ব্রাজিলকে তাদের বড় তারকাদের ওপর ভরসা রাখতে হবে। ভিনিসিউস জুনিয়র ও রাফিনিয়া দুজনেরই শুরুর একাদশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। স্ট্রাইকার এনদ্রিকের পেছনে মাঝমাঠের সৃজনশীল ভূমিকায় রাফিনিয়া থাকবেন। অস্ট্রেলিয়ার জমাট ও নিচু রক্ষণ ভাঙার দায়িত্ব তার ওপরই বর্তাবে।
ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ
সুজা;
ভান্দেরসন, মারকিনিওস, গাব্রিয়েল, দে সান্তোস;
গিমারেশ, এ. সান্তোস;
রায়ান, রাফিনিয়া, ভিনিসিউস জুনিয়র;
এনদ্রিক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ ১১১ বছরের ব্যবধানে ইতালির জাতীয় দলের জার্সিতে একসঙ্গে মাঠে নামলেন দুই ভাই। উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচে তুরস্কের বিরুদ্ধে পিও এস্পোসিতো এবং সেবাস্তিয়ানো এস্পোসিতোকে শুরুর একাদশে সুযোগ দেন আজ্জুরি কোচ রবার্তো মানচিনি। এই দুই ভাইয়ের মাধ্যমে এস্পোসিতো পরিবার বিশ্ব ফুটবলে একটি অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। ইতালির সিনিয়র জাতীয় দলে তিন ভাইয়ের খেলার বিরল কীর্তি এখন শুধুমাত্র তাদের দখলে রয়েছে।
তুরস্কের বিরুদ্ধে ইতালির ৪-১ ব্যবধানের উড়ন্ত জয় নিশ্চিত করতে পিও এবং সেবাস্তিয়ানো শুরু থেকেই মাঠে ছিলেন। ১৯১৫ সালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আলদো চেভেনিনি ও লুইজি চেভেনিনি একসঙ্গে ইতালির শুরুর একাদশে খেলেছিলেন। এরপর এক শতকেরও বেশি সময় ধরে কোনো দুই ভাইকে আ্যজুরিদের একাদশে একসঙ্গে দেখা যায়নি। ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফিলিপ্পো ইনজাঘি ও সিমোনে ইনজাঘি একসঙ্গে ১১ মিনিট মাঠে থাকলেও তারা মূল একাদশে ছিলেন না।
তবে ইনজাঘি কিংবা চেভেনিনিদের ছাড়িয়ে এস্পোসিতো পরিবার আরও বড় কীর্তি গড়েছে। পরিবারের বড় ভাই সালভাতোর এস্পোসিতো ২০২২ সালে মানচিনির অধীনেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ইতালির জার্সিতে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। এরপর জাতীয় দলের নীল জার্সিতে নাম লেখান ছোট দুই ভাই সেবাস্তিয়ানো ও পিও। ফলে ইতালির ফুটবল ইতিহাসে প্রথম পরিবার হিসেবে তিন ভাইকে জাতীয় দলে খেলানোর অসামান্য গৌরব অর্জন করল এস্পোসিতোরা।
অন্যদিকে, তুরস্কের বিপক্ষে এই বড় জয়টি কোচ রবার্তো মানচিনির জন্যও ছিল বেশ স্বস্তির। ইতালির ডাগআউটে পুনরায় ফেরার পর এটি তার প্রথম জয়। ম্যাচের প্রথমার্ধেই আলেসান্দ্রো বাস্তোনি, দাভিদে ফ্রাত্তেসি এবং অভিষিক্ত মাইকেল কায়োদের গোলের মাধ্যমে ইতালি ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
বিরতির পর ফিরতি বলে নিখুঁত হেডে দলের চতুর্থ গোলটি সম্পন্ন করেন পিও এস্পোসিতো। ২০১৯ সালের পর এই প্রথম ঘরের বাইরে অ্যাওয়ে ম্যাচে তিন বা তার বেশি গোলের ব্যবধানে জিতল সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ