ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পশ্চিমবঙ্গে সব সরকারি কাজে বাধ্যতামূলক হলো বাংলা


পশ্চিমবঙ্গে সব সরকারি কাজে বাধ্যতামূলক হলো বাংলা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সব প্রশাসনিক কার্যক্রমে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক হতে যাচ্ছে।

সোমবার (২০ জুলাই) রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন। এখন থেকে রাজ্য সরকারের সব স্তরের প্রশাসনিক কাজ বাংলায় পরিচালিত হবে। এমনকি রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের থানাতেও এখন থেকে বাংলা ভাষায় এফআইআর (এফআইআর) করা যাবে।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কলকাতায় দেশের প্রথম ভারতীয় ভাষা বিষয়ক শব্দ জাদুঘর ‘মিউজিয়াম অব ওয়ার্ডস’-এর উদ্বোধন করেন। সেখানে তিনি সর্বস্তরে মাতৃভাষার ব্যাপক প্রয়োগ ও প্রসারের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে একটি চিঠিও দেন। যেখানে কেন্দ্র ও রাজ্যের যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইংরেজি পরিহার করে বাংলা ও হিন্দি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সেই বক্তব্যের পরদিনই রাজ্য বিধানসভায় এই বড় ঘোষণা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: কপ৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থানের আহ্বান জানালেন শামা

বিধানসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রথমে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাঠানো চিঠিটি পড়ে শোনান। এরপর তিনি বলেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গের সব স্তরে বাংলা ভাষাকে বাধ্যতামূলকভাবে কার্যকর করা হচ্ছে। মাঝের এই সময়টুকুতে সরকারি দপ্তরে অনুবাদক নিয়োগসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি শেষ করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ভারত সরকার বা অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার বাংলা ভাষাতেই চিঠিপত্র আদান-প্রদান করবে। তবে ভারত সরকারের সঙ্গে বিশেষ যোগাযোগের সুবিধার্থে বাংলার পাশাপাশি হিন্দি ভাষাও ব্যবহার করা হবে।

বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, মাতৃভাষাকে সর্বোচ্চ স্তরে কার্যকর করার এই সিদ্ধান্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপদেশকে স্বাগত জানিয়েই গ্রহন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্বাচনের আগে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলা ভাষা তুলে দেবে বলে বিরোধীদের তোলা সব অভিযোগ ও জল্পনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিল বর্তমান রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুন: লখনউয়ের মসজিদ ও মাদরাসায় নোটিশ জারি করেছে আদালত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাইনালের পর এএফএর সংবর্ধনা এড়িয়ে মিয়ামিতে ফিরলেন মেসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ পি.এম


ফাইনালের পর এএফএর সংবর্ধনা এড়িয়ে মিয়ামিতে ফিরলেন মেসি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনার শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন ভেঙে গেল। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান না করে সতীর্থ রদ্রিগো দে পলকে সঙ্গে নিয়ে অধিনায়ক লিওনেল মেসি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে ফিরে গেছেন।

মেসি এবং দে পল দুজনেই মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মিয়ামির ফুটবলার। জাতীয় দলের দায়িত্ব শেষ করে তারা ক্লাবে যোগ দেওয়ার জন্য মিয়ামিতে ফিরে এসেছেন। ফলস্বরূপ, বুয়েনস আইরেসে এএফএর নির্ধারিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটিতে তারা উপস্থিত হতে পারেননি।

মেসি এবং দে পলের মতো, আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারও দেশে ফেরার বহরে ছিলেন না। এদের মধ্যে এনসো ফার্নান্দেস, লাউতারো মার্তিনেস, হুলিয়ান আলভারেস, হেরোনিমো রুলি, নিকো পাজ, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, নাহুয়েল মোলিনা এবং হুয়ান মুসো উল্লেখযোগ্য।

ফাইনাল ম্যাচের পর দলের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন কেবল প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। আবেগাপ্লুত হয়ে স্কালোনি নিজের ভবিষ্যৎ বিষয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানান। তিনি বলেন, "এখন একটু থেমে ভাবার সময় এসেছে।" ডিসেম্বরে তার বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে এবং তিনি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে চান।

এদিকে, ম্যাচ শেষ হওয়ার কিছু ঘণ্টা পর এক বিবৃতিতে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বকাপ জুড়ে পাওয়া ভালোবাসা, পতাকা, বার্তা, মিছিল এবং নিঃশর্ত সমর্থন আবারও প্রমাণ করেছে যে জাতীয় দলটি প্রতিটি আর্জেন্টাইনের হৃদয়ের অংশ।

এএফএ আরও জানায়, মাঠে থাকা প্রতিটি ফুটবলার সমর্থকদের সেই ভালোবাসা অনুভব করেছেন। যদিও শিরোপা ধরে রাখা সম্ভব হয়নি, তবে দল এবং সমর্থকদের এই সম্পর্ক জয় বা পরাজয়ের ঊর্ধ্বে বলা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ পাড়ি দেওয়া বাংলার জয়যাত্রার ১৭ নাবিক ফিরবেন মঙ্গলবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


হরমুজ পাড়ি দেওয়া বাংলার জয়যাত্রার ১৭ নাবিক ফিরবেন মঙ্গলবার

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রার ১৭ জন বাংলাদেশি নাবিক দেশে ফিরছেন, যাদের আসার স্থান দক্ষিণ আফ্রিকা। মঙ্গলবার, অর্থাৎ ২১ জুলাই, তাদের দেশে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বিএসসির প্রধান প্রকৌশলী রাশিদুল হাসান সোমবার, ২০ জুলাই, বলেন, আজ সন্ধ্যায় কিং শাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নাবিকরা দুবাই হয়ে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা করবেন। অগ্রবর্তী সময় অনুসারে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে তাদের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে।

পারস্য উপসাগরে কয়েক মাসের অনিশ্চয়তা ও দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে নাবিকরা নৌযানের সমুদ্রযাত্রা শেষ করে দেশে ফিরছেন।

গত ২৩ জুলাই, এমভি বাংলার জয়যাত্রা জাহাজটি ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিককে নিয়ে সফলভাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে, যার মাধ্যমে আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে ১১৫ দিনের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শুরুতে, ভারত থেকে হরমুজ প্রণালি পার হয়ে জাহাজটি পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে, কাতারের একটি বন্দরে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে পৌঁছে।

কিন্তু ওই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে, হরমুজ প্রণালি হতাশাজনকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ নৌপথে পরিণত হয়ে যায়। কয়েক দফা প্রচেষ্টা করেও, জাহাজটি উপসাগর ছাড়তে না পারায় সেখানে আটক পড়ে।

বিএসসির কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘ অপেক্ষার সময়কালের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রায়ত্ত শিপিং করপোরেশন নাবিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখে এবং নাবিকদের দেশে ফেরানোর জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোহনপুরে পানের ঐতিহ্য পেল স্থায়ী প্রতীক, উন্মোচিত হলো পানের প্রতীকযুক্ত সীমানা পিলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


মোহনপুরে পানের ঐতিহ্য পেল স্থায়ী প্রতীক,  উন্মোচিত হলো পানের প্রতীকযুক্ত সীমানা পিলার

জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃত মোহনপুরের পানের ঐতিহ্য এবার পেল দৃশ্যমান পরিচয়। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার অবসান ঘটিয়ে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার প্রবেশমুখে নির্মিত হয়েছে পানের প্রতীক সম্বলিত সীমানা পিলার। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই প্রতীকী স্থাপনা শুধু উপজেলার সীমানা নির্দেশ করবে না, বরং কৃষিনির্ভর ঐতিহ্য, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও ব্র্যান্ড পরিচিতিকে আরও সুদৃঢ় করবে।

সোমবার (২০ জুলাই) সকালে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের বসন্তকেদার এলাকায় রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের পাশে নির্মিত সীমানা পিলারের ফলক উন্মোচন করেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রতিটি উপজেলার প্রবেশমুখে একটি পরিচয়বাহী সীমানা পিলার থাকা প্রয়োজন। দীর্ঘদিনের জটিলতা কাটিয়ে আজ মোহনপুরের এই সীমানা পিলারের উদ্বোধন করা হলো। জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃত মোহনপুরের পান এ উপজেলার ঐতিহ্য, অর্থনীতি ও স্বাতন্ত্র্যের অন্যতম প্রতীক।

তাহলে সীমানা পিলারে পানের প্রতীক সংযোজনের মাধ্যমে উপজেলার নিজস্ব পরিচয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সীমানা পিলারের পাশে ‘এক নজরে মোহনপুর’ শীর্ষক একটি তথ্যসমৃদ্ধ ব্যানার স্থাপনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে দর্শনার্থীরা সহজেই উপজেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষি ও সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারেন।

জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে মোহনপুর উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিমা বিনতে আখতার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জোবায়দা সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম, মৌগাছি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মেজর আলী বিশ্বাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

মohonpur এর পান বহু বছর ধরেই দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হয়ে আসছে। উপজেলার হাজারো কৃষকের জীবিকা ও স্থানীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি এই পান। জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পর সেই ঐতিহ্যকে স্থায়ীভাবে তুলে ধরতেই নতুন সীমানা পিলারের শীর্ষে পানের প্রতীক সংযোজন করা হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম বলেন, মোহনপুরের প্রধান কৃষিপণ্য হলো পান। এখানকার পান দেশের বিভিন্ন জেলায় যায় এবং এর আলাদা সুনাম রয়েছে। তাই উপজেলার পরিচয়কে ফুটিয়ে তুলতেই সীমানা পিলারের ওপর পানের প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে। এটি শুধু একটি অবকাঠামো নয়, বরং মোহনপুরের কৃষি ঐতিহ্যের প্রতীক। ভবিষ্যতেও এমন জনবান্ধব উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নের চেষ্টা থাকবে।

মৌগাছি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মেজর আলী বিশ্বাস বলেছেন, এই সীমানা পিলার নির্মাণের জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করা হয়েছে। নানা সীমাবদ্ধতার কারণে এতদিন তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে এলাকাবাসীর সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। পানের প্রতীক সংযোজনের মাধ্যমে মোহনপুরের পরিচয় আরও শক্তিশালী হলো।

বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোর্তজা বলেছেন, আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল মোহনপুরের ঐতিহ্যকে ধারণ করে এমন একটি সীমানা পিলার নির্মাণ। আজ সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। এটি আমাদের গর্বের বিষয়। নতুন প্রজন্ম এই প্রতীক দেখে নিজেদের এলাকার ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবে।

স্থানীয়দের মতে, আধুনিক সময়ে একটি এলাকার পরিচিতি ও ব্র্যান্ডিং গড়ে তুলতে প্রতীকী স্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম। জিআই স্বীকৃত পানের প্রতীক বহনকারী এই সীমানা পিলার মোহনপুরকে দেশের মানচিত্রে নতুনভাবে পরিচিত করবে। একই সঙ্গে কৃষিভিত্তিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পর্যটন সম্ভাবনা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পরিচয়কে জাতীয় পর্যায়ে আরও দৃশ্যমান করে তুলতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনার হারে মাথা ন্যাড়া করে সমর্থন ছাড়লেন ২ যুবক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


আর্জেন্টিনার হারে মাথা ন্যাড়া করে সমর্থন ছাড়লেন ২ যুবক

ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনা হারে যায়। প্রিয় দলের এমন পরাজয় মেনে নিতে না পেরে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে দুই যুবক প্রকাশ্যে মাথা ন্যাড়া করে আর্জেন্টিনার সমর্থন ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

জানা গেছে, ঘটনাটি রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের মীরেরবাড়ি বিশ্বালের পাড়া এলাকায় ঘটেছে। ওই গ্রামের বাসিন্দা রোমান ও আল আমিন দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিশ্বকাপ শুরুর সময় থেকেই তারা বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় আর্জেন্টিনার পতাকা টানানো, জার্সি পরে দলকে সমর্থন জানান এবং প্রতিটি ম্যাচকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরিতে সক্রিয় ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাইনাল ম্যাচের আগে তাদের উচ্ছ্বাস ছিল দৃশ্যমান। আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য শিরোপা উদযাপনের জন্য তারা বিভিন্ন প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন। কিন্তু যখন স্পেনের কাছে ১-০ গোলের পরাজয়ের সময় নির্ধারিত হয়, তখন তাদের সবকিছু মুহূর্তেই বদলে যায়।

খেলা শেষ হওয়ার কিছু সময় পরে রোমান ও আল আমিন স্থানীয় একটি সেলুনে গিয়ে তাদের মাথা ন্যাড়া করেন। এরপর তারা প্রকাশ্যে এই ঘোষণা দেন যে, ভবিষ্যতে তারা আর কখনও আর্জেন্টিনা দলের সমর্থন করবেন না।

দুই তরুণের এই সিদ্ধান্ত দ্রুত স্থানীয় এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাদের মাথা ন্যাড়া করার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং এ নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, ফুটবলকে ঘিরে এ ধরনের আবেগ এর আগে এলাকায় বিশেষভাবে দেখা যায়নি। তাদের মতে, এটি প্রিয় দলের পরাজয় থেকে উদ্ভূত হতাশার প্রকাশ। তবে অনেকের মনে হয়, খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত আবেগ প্রকাশ করা উচিত নয়।

এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে নিখাদ ক্রীড়াপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন, জয়-পরাজয় খেলাধুলারই অংশ। একটি দলের হারে মাথা ন্যাড়া করে সমর্থন ছাড়ার ঘোষণাকে অতিরিক্ত আবেগের প্রকাশ মনে করছেন অনেকে।

খেলাপ্রেমীদের মতে, ফুটবল বিশ্বজুড়ে কোটি মানুষের আবেগের জায়গা। প্রিয় দলের জয় আনন্দ দেয়, আবার তাদের পরাজয় হতাশা তৈরি করে। তবে সুস্থ ক্রীড়া সংস্কৃতির স্বার্থে জয়-পরাজয়কে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করাই প্রত্যাশিত। কারণ খেলাধুলার মূল সৌন্দর্য হলো প্রতিযোগিতা, যেখানে জয়-পরাজয় দুটিই অবশ্যম্ভাবী।

এদিকে রাজারহাটের এই দুই তরুণের ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ ইতোমধ্যে স্থানীয়ভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ফুটবলপ্রেমীদের আবেগের এই ঘটনা বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%