ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চোখে আলো ফিরিয়ে ৩১ রোগীকে ঘরে ফেরাল দীঘিনালা জোন


চোখে আলো ফিরিয়ে ৩১ রোগীকে ঘরে ফেরাল দীঘিনালা জোন

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোনের মানবিক উদ্যোগে বিনামূল্যে ছানি অপারেশন শেষে নতুন আলো নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরেছেন ৩১ জন পাহাড়ি ও বাঙালি রোগী। দীর্ঘদিন দৃষ্টিশক্তি সমস্যায় ভোগা এসব মানুষের চোখে আবারও আলো ফিরিয়ে দেওয়ায় জোন প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিবেশ।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল থেকে সফল অস্ত্রোপচার শেষে রোগীদের নিয়ে দীঘিনালা জোনে পৌঁছায় সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় থাকা পরিবহন। সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে তারা জোনে পৌঁছালে অপেক্ষমাণ স্বজনদের আনন্দ-অশ্রু ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

জানা যায়, এর আগে দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে আয়োজিত বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্পে চোখে ছানি আক্রান্ত রোগীদের শনাক্ত করা হয়। পরে নির্বাচিত ৩১ জন পাহাড়ি ও বাঙালি রোগীর চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করে সেনাবাহিনী। চিকিৎসা, যাতায়াত ও সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বও পালন করে দীঘিনালা জোন।

আরও পড়ুন: গোমস্তাপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে সকলের সমর্থন ও দোয়া চান মোহাঃ সাদিকুল ইসলাম

ফিরে আসা রোগীরা বলেন, দীর্ঘদিন ঝাপসা দৃষ্টির কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছিল। সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগে তারা আবারও স্পষ্টভাবে পৃথিবী দেখতে পারছেন। এজন্য তারা দীঘিনালা জোনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন, এসইউপি, পিএসসি বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অন্যতম দায়িত্ব। চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত অসহায় মানুষের চোখে আলো ফিরিয়ে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। ভবিষ্যতেও দীঘিনালা জোনের পক্ষ থেকে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়রা জানান, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের দরিদ্র মানুষের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ শুধু চিকিৎসাসেবা নয়, তাদের জীবনে নতুন আশা ও আত্মবিশ্বাসেরও সঞ্চার করেছে। দীঘিনালা জোনের এই মানবিক কার্যক্রম এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজশাহীতে আমির হামজার মাহফিলের প্যান্ডেল খুলে ফেলা হলো

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউরোপে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি পর্যালোচনা শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০১ পি.এম


ইউরোপে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি পর্যালোচনা শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

ইউরোপে মোতায়েন থাকা মার্কিন সেনা ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে মূল্যায়ন শুরু করেছে ওয়াশিংটন।

মার্কিন কর্মকর্তারা সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত মাসে ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছিলেন, ইউরোপে মোতায়েন থাকা মার্কিন সামরিক শক্তির বিষয়ে একটি মূল্যায়ন করা হবে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মার্কিন প্রতিরক্ষা উপমন্ত্রী এলব্রিজ কলবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘মন্ত্রী হেগসেথ আগেই জানিয়েছেন, এটি হবে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা। এর উদ্দেশ্য হলো নিশ্চিত করা যে, ন্যাটো দ্রুত এবং স্থায়ীভাবে এমন এক পথে এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে ইউরোপ তার নিজস্ব প্রতিরক্ষার প্রধান দায়িত্ব গ্রহণ করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই পর্যালোচনার ফলে ন্যাটো আরও শক্তিশালী, আরও সমান দায়িত্বশীল এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই একটি জোটে পরিণত হবে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে ইউরোপীয় মিত্রদের সমালোচনা করেছেন। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের সময় তাদের অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। ট্রাম্পের অভিযোগ, সংঘাতের শুরুতে ইউরোপীয় দেশগুলো মার্কিন বাহিনীকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।

এদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথও সতর্ক করে বলেছেন, ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো যদি নির্ধারিত প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্য পূরণ না করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র জোটে নিজের অর্থায়ন কমিয়ে দিতে পারে।

ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপকে জানিয়ে আসছে যে, ইউরোপীয় দেশগুলোকেই তাদের নিজস্ব প্রচলিত প্রতিরক্ষার মূল দায়িত্ব নিতে হবে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে চীনের দিকে কৌশলগত মনোযোগ বাড়াতে চায়।

এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পেন্টাগন ইতোমধ্যে ন্যাটো মিত্রদের জানিয়েছে যে, বিশ্বজুড়ে ন্যাটো অভিযানের জন্য যে পরিমাণ সামরিক সক্ষমতা বা সম্পদ যুক্তরাষ্ট্র সরবরাহ করে, তার পরিমাণ কমানো হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রূপগঞ্জের মানুষকে উচ্ছেদ করার কোনো অপচেষ্টা সফল হতে দেব না: এমপি দিপু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৩ পি.এম


রূপগঞ্জের মানুষকে উচ্ছেদ করার কোনো অপচেষ্টা সফল হতে দেব না: এমপি দিপু

নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূইয়া বলেছেন, পূর্বাচল প্রকল্পের জন্য বিপুল পরিমাণ জমি অধিগ্রহণের ফলে রূপগঞ্জবাসী আজ নিজেদের জমির মালিকানা হারিয়েছে।

এছাড়া তিনি অভিযোগ করেছেন, শুধু পূর্বাচল নয়, রূপগঞ্জ ইউনিয়ন, কায়েতপাড়া ও দাউদপুর ইউনিয়নকেও ঢাকার আওতায় নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।

পূর্বাচলকে ঢাকার অধীনে নিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে দিপু ভূইয়া বলেন, ‘তারা জানে, এ বিষয়ে সবচেয়ে বড় আন্দোলন আমি করব। এখন রূপগঞ্জ ইউনিয়ন, দাউদপুর ইউনিয়ন এবং কায়েতপাড়া ইউনিয়নকেও ঢাকার আওতায় নেওয়ার চেষ্টা চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রয়োজনে রূপগঞ্জের প্রতিটি ঘর থেকে মানুষকে রাস্তায় নামতে হবে। আমি বেঁচে থাকতে রূপগঞ্জের মানুষকে উচ্ছেদ করার কোনো অপচেষ্টা সফল হতে দেব না।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

দিপু ভূইয়া বলেন, ‘১৯৯৫ সালে যখন পূর্বাচল প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল, তখন যদি স্থানীয়রা ঢাকা থেকে রূপগঞ্জ পর্যন্ত বড় সড়ক নির্মাণের দাবি তুলতেন, তাহলে রূপগঞ্জবাসীর এত বিপুল পরিমাণ জমি হারাতে হতো না।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘পূর্বাচল প্রকল্পের জন্য অনেকের শত শত বিঘা, আবার কারো আরো বেশি জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। তখন জমির মালিকদের একটি করে প্লট দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজও অনেকেই সেই প্লট পাননি।’

সংসদ সদস্য বলেন, ‘সেই সময়ের ভুল সিদ্ধান্তের খেসারত এখন রূপগঞ্জবাসীকে দিতে হচ্ছে। আজ রূপগঞ্জবাসীর নিজের জমিই আর রূপগঞ্জবাসীর হাতে নাই। বিভিন্ন মানুষ সেই জমির মালিক হয়ে গেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘তখন যদি ১০০ বা ৩০০ মিটার প্রশস্ত সড়কের জন্য জমি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হতো, তাহলে এত বিপুল পরিমাণ জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন পড়ত না। কিন্তু সেই ক্ষমতা যথাযথভাবে ব্যবহার না করে রূপগঞ্জবাসীর বিস্তীর্ণ জমি অধিগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘রূপগঞ্জবাসী আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, তাদের কল্যাণে প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করতেও আমি প্রস্তুত। আমাকে যত হুমকিই দেওয়া হোক না কেন, আমার সবচেয়ে বড় শক্তি রূপগঞ্জবাসী।’

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে দিপু ভূইয়া বলেন, ‘আমি কোনো অন্যায় করিনি, কারো অধিকার নষ্ট করিনি। তাই আমি নির্ভয়ে চলাফেরা করি। আমি জানি, রূপগঞ্জবাসী সব সময় আমার সঙ্গে আছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুদকের মামলায় সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৬ পি.এম


দুদকের মামলায় সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড

সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর, যিনি এস কে সুর চৌধুরী নামে পরিচিত, তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই), ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২-এর বিচারক আয়েশা নাসরিনের পরিচালনায় এই রায় প্রদান করা হয়।

দুদক প্রসিকিউটর আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৫ জুলাই রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক রায় ঘোষণার এই তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।

এই মামলায় আসামিকে কারাগার থেকে উপস্থিত করা হয়। রায় ঘোষণার পরে সাজা পরোয়ানাসহ তাকে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামি এস কে সুরের বিরুদ্ধে আয় বহির্ভূত সম্পদ বা সম্পত্তির মালিক হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তিনি ও তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের স্বনামে বা বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী, আদেশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দাখিল করার জন্য নোটিশ জারী করা হয়েছিল। কিন্তু এই আদেশ পাওয়ার পর ২১ কার্যদিবস পেরিয়ে গেলেও তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি।

এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর, দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন বাদী হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় মামলা করেন। পরবর্তী বছর ৪ আগস্ট উপপরিচালক মো. আহসান উদ্দিন আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২৫ সালের ৬ নভেম্বর আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলাটির বিচার করতে গিয়ে ৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

এছাড়া, ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরকে গ্রেপ্তার করে দুদক। গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় তদন্ত ছাড়া মামলা রেকর্ড, হয়রানি শিকার নিরীহ ব্যক্তি: নেপথ্যে এ. এস. আই ফায়াজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সিলেট প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৮ পি.এম


সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় তদন্ত ছাড়া মামলা রেকর্ড, হয়রানি শিকার নিরীহ ব্যক্তি: নেপথ্যে এ. এস. আই ফায়াজ

সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় নিরীহ এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত ছাড়া মামলা রেকর্ডের অভিযোগ উঠছে। অভিযোক্ত ব্যক্তির নাম মো. কামাল হোসেন (৪৬), পিতা- মৃত মো. লাল মিয়া, সাং- নলজুরি, নেত্রকোনা এর বিরুদ্ধে  ২৭ মে ২০২৬ইং এনজিও সংস্থা এআরডি (এসোসিয়েশন ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট), জাফলং শাখা ব্যবস্থাপক আইন উদ্দিন বাদী হয়ে কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে ওই এনজিও থেকে মোটা অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন মামলা নং-৩১/২৬।
এজহার সূত্রে জানা যায়, এআরডি ক্ষুদ্র ঋণ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানে আসামী মোঃ কামাল হোসেন অত্র এআরডি (এসোসিয়েশন ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট)-এর জাফলং শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ১৬ মে ২০২৬ইং পর্যন্ত ১৭৮ জন গ্রাহক কে ঋণ প্রদান ও সঞ্চয় আদায় না করে, এবং প্রতিষ্ঠানের তহবিলে জমা না দিয়ে আসামী মো. কামাল হোসেন ও তার সহযোগী ২ নং আসামী খন্দকার মাহমুদুল আলম সহ তাহাদের অপরাপর সহযোগিদের সহায়তায় ৬৪,৬১,৩৬৫/- ( চৌষট্টি লক্ষ একষট্টি হাজার তিন শত পয়ষট্টি) টাকা আত্মসাৎ করেন বলে উল্লেখ্য করা হয়। তদন্ত আন্তে প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী আত্মসাৎকৃত টাকার মধ্যে ঋণ আদায় ও সঞ্চয় বাবত সদস্যদের মধ্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দকৃত মোট ৫১,০৯,৯৮০/- (একান্নলক্ষ নয় হাজার নয়শত আশি) টাকা নিয়ে পালিয়ে যান বলে উল্লেখ্য করা হয়। ঘটনার বিবরণ নিয়ে  গোয়াইনঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করলেই তদন্তপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এস আই ফায়াজ কোন তদন্ত না করে মামলাটি রেকর্ড করে নেন রাতেই। জানা যায়, এআরডি (এসোসিয়েশন ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট) নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ কাজি আলমের নিকট আত্মীয় হওয়াতে ক্ষমতার ধাপট খাটিয়ে মোটা অংকের টাকা বিনিময়ে মামলাটি রেকর্ড করিয়ে নেন। পুলিশকে দিয়ে বারবার হয়রাণী করছেন মো. কামাল হোসেনকে।
এদিকে মো. কামাল হোসেন জানান, তিনি জীবন জীবিকার তাগিতে এআরডিতে চাকুরি নিতে চাইলে তাদের নিয়ম অনুসারে নিজ নামীয় ব্যাংকের ৪টি স্বাক্ষরজনিত ব্ল্যাংক চেক জামা রাখেন এআরডি নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ কাজি আলমের কাছে। কয়েক মাস চাকুরির পর মাঠথেকে গ্রাহকদের নিকট ঋনের এর পরিবর্তে পূণ্য বিক্রির চাপ দৃষ্টি করা হলে বাধা হয়ে দাঁড়ান কামাল হোসেন, এছাড়া নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ কাজি আলম অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেন ঋনের টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে যেন বাড়তি কিস্তি আদায় করেন এবং এটি যেন ঋণগ্রহিতাকে ছয়- নয় করে হিসাব দেওয়া হয়। এসব এর প্রতিবাদ করেন মো. কামাল হোসেন এবং চাকুরি ছেড়ে চলে যান অফিসের হিসাব নিকাশ জামা দিয়ে দেশের বাড়ি নেত্রকোনায়। কামাল হোসেন চাকুরি ছাড়াতেই নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ কাজি আলম আরও ক্ষিপ্ত হয়ে একের পর এক মামলা দিতে থাকেন রক্ষিত চেক ও  ভূয়া ১শত টাকার ৩টি স্টাম্পের উপর নিজের মত লিখে। পরবর্তীতে কামাল হোসেন হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে আবারও জাফলংয়ে এসে ব্যবসা বাণিজ্য খুজছেন, কিন্তু পুলিশের ভয়ে তিনি কিছুই করতে পারছেন।
সুত্রে জানা যায়, এনজিও সংস্থা এআরডি (এসোসিয়েশন ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট) সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে সামাজিক সংঠন হিসেবে রেজিষ্ট্রেশন করা হয়। কিন্তু এআরডি নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ কাজি আলম অবৈধ ভাবে মাইক্রোক্রেডিট হিসেবে পরিচালনা করে যাচ্ছেন। তিনির রয়েছে জাফলং সহ আরও ৪টি শাখা, প্রতিটি শাখা থেকে মাসিক আয় হয়ে থাকে কোটি কোটি টাকা। সরেজমিনের যার কোন বৈধতা খুজে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে এআরডি নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ কাজি আলমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান (এমআর) থেকে অনুমোদন নিয়ে মাইক্রোক্রেডিট ব্যবসা পরিচালনা করছেন। অথচ তথ্য অনুসন্ধানে (এমআর) এর অনুমোদনে তার কোন অস্থিত খুজে পাওয়া যায়নি।
য় 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%