০৪:২৭ পি.এম
অবশেষে দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এ বিষয়ে বঙ্গভবন ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উচ্চপর্যায়ের সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করার কারণে, দেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করবেন।
এর আগে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অবস্থানরত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নির্ধারিত সময়ের দুদিন আগে আজ শুক্রবার দুপুরে ঢাকায় ফিরে আসেন। তার দেশে ফেরার পরপরই পদত্যাগের আনুষঙ্গিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের
বঙ্গভবন সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগেই পদত্যাগের মানসিক সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছিলেন এবং বিদায়ের প্রস্তুতি হিসেবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেছিলেন। স্পিকার দেশে না থাকায় পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার প্রক্রিয়াটি বিলম্বিত হচ্ছিল।
সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে বাধ্য। বর্তমানে সংসদে বিএনপির সংখ্যা গরিষ্ঠতা থাকায়, তারা যে মনোনীত প্রার্থী দেয়, তিনিই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিএনপির শীর্ষপর্যায়ে ইতোমধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদে দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন ৭৫ বছর বয়সী মো. সাহাবুদ্দিন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান ও পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের কারণে তার পদে থাকার বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন আলোচনা চলছিল, যা শেষ পর্যন্ত তার পদত্যাগের মাধ্যমে সমাপ্ত হলো।
আরও পড়ুন: ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াবে প্রধানমন্ত্রীর আশা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন