ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারালেন চান্দিনার সাগর


রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারালেন চান্দিনার সাগর

সাগর একটি নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। অভাব-অনটনের মধ্যে বেড়ে ওঠার কারণে লেখাপড়ায় প্রাথমিকের গণ্ডি পার হতে পারেনি। কিশোর বয়স থেকেই রিকশা-ভ্যান চালিয়ে পরিবারের জন্য অর্থ উপার্জন করত।

উপজেলা সদরের একটি রড-সিমেন্টের দোকানে নিয়মিত ভ্যান চালানোর ফলে দোকানের ম্যানেজারের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। ম্যানেজার চাকরি ছেড়ে বিদেশ চলে গেলেও তাদের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়নি।

কিছু বছর পর, ওই ম্যানেজার বিদেশ থেকে দেশে ফিরে আবারও চাকরি নেয় ওই রড-সিমেন্ট দোকানে। বন্ধুত্বের সুবাদে সাগর ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করায়, ম্যানেজার তাকে বিদেশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। ২০২৫ সালের মাঝামাঝিতে ওই দোকান ম্যানেজারের সহযোগিতায় মাত্র ৬ লাখ টাকায় সাগর রাশিয়া পাড়ি দেয়।

আরও পড়ুন: সৌদি-হুথি সংঘাত সমাধানে সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত ইরান

রাশিয়ায় গিয়ে একটি বেকারী দোকানে চাকরি নেয় সে। সেখানে তার বেতন ছিল প্রায় ৭০ হাজার টাকা। রাশিয়ায় কাজ করার সময় তার পরিচয় হয় এক বাংলাদেশি দালালের সঙ্গে। ওই দালাল তাকে রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চলতি বছরের মে মাসে বেকারীর চাকরি ছেড়ে দালালের ফাঁদে পা দেয় এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে যোগ দেয় ২৪ বছর বয়সী সাগর। এরপর থেকে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাশিয়া থেকে সাগরের এক বন্ধু তার বোনের মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ পাঠায়, ‘সাগর আর নেই’! এই খবর পাওয়ার পর সাগরের মা মুর্ছা যান। পরিবারের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।

মো. সাগর কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার পৌরসভার ছায়কোট এলাকার মো. কবির হোসেনের ছেলে। তিন বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে সাগর ছিল ছোট।

সাগরের চাচা আব্দুল আওয়াল জানান, সাগর যখন রাশিয়ার বেকারীর চাকরি ছেড়ে রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে চাকরি করার কথা জানায়, তখন তিনি তাকে বারণ করেছিলেন। কারণ সাগর লেখাপড়ায় অযোগ্য। তিনি বলেন, "সে বিদেশে সেনাবাহিনীতে চাকরি করবে কিভাবে?" দালাল তাকে ভুল তথ্য দিয়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সৈনিক হিসেবে যুক্ত করেছে। সাগর যুদ্ধে যাওয়ার আগে তার একাউন্টে তিন লাখ টাকা পাঠায়। এরপর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন: কলকাতার পূজামণ্ডপে পদদলনে ২০ জন নিহত, আহত অনেকে

শনিবার (১৭ অক্টোবর) তার বন্ধু ম্যাসেজ করেছে সাগর মারা গেছে। রাতে বিস্তারিত জানাবে বলেছে। এখন পর্যন্ত (রাত ১১টা) ফোন করেনি, এবং তারা ফোনের নেটওয়ার্কে পাচ্ছে না।

সাগরের বাবা কবির হোসেন বলেন, ‘আমি সবজির ব্যবসা করেছি। দীর্ঘদিন নানা রোগে অসুস্থ। অনেক ধার-দেনা করে তাকে বিদেশ পাঠিয়েছি। প্রায় ৪-৫ মাস ধরে ছেলেটার সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। এখন শুনি আমার ছেলে আর নেই’। এই বলেই বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন কবির হোসেন।

এ ব্যাপারে চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ আশরাফুল হক জানান, বিষয়টি তাদের জানা নেই। তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

আরও পড়ুন: বেনজির-নওয়াজের মতো ইমরান খানকে দেশ ছাড়ায় বাধ্য করার চেষ্টা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে প্রতারণা করছে: সারোয়ার তুষার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫২ এম


বিএনপি সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে প্রতারণা করছে: সারোয়ার তুষার

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য এবং সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির উপপ্রধান সারোয়ার তুষার মন্তব্য করেছেন যে, গণঅভ্যুত্থানের পর সংস্কারের দীর্ঘ প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর নতুন করে সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করা মূলত আগের ঐকমত্যভিত্তিক সংস্কারপ্রক্রিয়া থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দেয়। তিনি বলেন, এই পদক্ষেপটি শুধু জনগণের সঙ্গে করা অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়, বরং বিএনপির নিজেদের ঘোষিত সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গেও অসংগতিপূর্ণ এবং আত্মপ্রতারণা।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে রুপায়ণ ট্রেড সেন্টারের দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সারোয়ার তুষার উল্লেখ করেন যে, বিএনপি নির্বাচনের আগে সংস্কার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। দলটির ৩১ দফা এবং নির্বাচনী ইশতেহারে বিভিন্ন সংস্কার প্রস্তাবের উল্লেখ ছিল। পাশাপাশি তারা জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছিল। কিন্তু বাস্তবে তাদের অবস্থান ও পদক্ষেপের মধ্যে বড় ধরনের অসংগতি দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এনসিপির এই নেতা।

তিনি আরও বলেন, গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে আলাদা করে অস্পষ্টতা তৈরির সুযোগ নেই। গণভোটে উত্থাপিত চারটি প্রশ্নের মধ্যেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে নির্ধারিত রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

সারোয়ার তুষার জানান, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা হলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথও উন্মুক্ত হবে। ফলে শুধু জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা বলে গণভোটের রায় কার্যকর করার প্রশ্নটি পাশ কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হলে তা হবে মূল বিষয় থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার শামিল।

তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসকে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন থেকে শুরু করার প্রবণতা দেখাচ্ছে। অথচ ওই নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের পতন, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ এবং রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে বিভিন্ন সংস্কার কমিশন গঠনের মধ্য দিয়ে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল।

সারোয়ার তুষার বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিএনপির কোনো নোট অব ডিসেন্ট ছিল না। তারপরও সরকার ক্ষমতায় এসে এটি বাতিল করেছে। একইভাবে পুলিশ সংস্কারসহ যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য ছিল, সেসব ক্ষেত্রেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, সংস্কার কোনো দলীয় এজেন্ডা ছিল না, বরং অভ্যুত্থানের আগেই এটি জাতীয় এজেন্ডায় পরিণত হয়েছিল।

বিএনপি সরকার যদি সংস্কার বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তাহলে বিরোধী দলের চলমান আন্দোলন ভবিষ্যতে গণআন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেন সারোয়ার তুষার। দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দ্রুত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।

জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান তিন দাবি তুলে ধরে এনসিপি। সেগুলো হলো- অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে; একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্ত করে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে; একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটিতে এনসিপি যাবে না।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য সালেহ উদ্দিন সিফাত, যুগ্ম আহবায়ক মনিরা শারমিন, যুগ্ম সদস্য সচিব ফরিদুল হক।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিসিএস গেজেটে স্থান হয়নি

লাইভে এসে অঝোরে কাঁদলেন মেধাবী সুমি, ন্যায়বিচার চান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ এম


লাইভে এসে অঝোরে কাঁদলেন মেধাবী সুমি, ন্যায়বিচার চান

৪৫তম বিসিএসে অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে গেজেটে স্থান না পাওয়ার কারণে কষ্টে ভুগছেন সুমি আকতার।

গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তিনি ফেসবুক লাইভে এসে অঝোরে কেঁদে ফেলেন। এই সময় তিনি গেজেটে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ার কারণও তুলে ধরেন।

সূত্রে জানা যায়, সুমি আকতার এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বন ও পরিবেশবিদ্যা বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে ৩.৮৮ এবং স্নাতকোত্তরে ৩.৯৯ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তার শ্বশুরবাড়ি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ৫ নম্বর ইউনিয়নে অবস্থিত।

এম এ তাহের ফেসবুকে উল্লেখ করেছেন যে, সুমি ৪৫তম বিসিএসে অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ক্যাডারে মেধাক্রমে ১১তম এবং ৪৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে মেধাক্রমে ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। তবে ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেটে তার নাম নেই।

গত ১৪ অক্টোবর ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়। এরপর শুক্রবার তিনি ফেসবুক লাইভে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

সুমি বলেন, "সন্তান গর্ভে থাকাবস্থায় আমি বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম। আমার অপরাধ কী? আমি কি রাষ্ট্রের সেবা করার অযোগ্য? সাত বছরের পরিশ্রম, মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন কোথায়?"

এম এ তাহের, ছাত্রলীগ নেতা, ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, স্বামী এম এ তাহের নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

ফেসবুকে সুমি লিখেছেন, "দীর্ঘ সাত বছরের সাধনা, অসংখ্য নির্ঘুম রাত, ব্যক্তিগত ত্যাগ আর বুকভরা স্বপ্নের পর রাষ্ট্রের গেজেটে নাম না থাকাটা আমার কাছে শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং পরিবারকে ঘিরে গড়ে তোলা প্রত্যাশার ওপর বড় আঘাত।"

তিনি আরও জানান, তিনি করুণা নয়, ন্যায়বিচার চান এবং চান তার বিরুদ্ধে নেওয়া সিদ্ধান্তের স্বচ্ছ ব্যাখ্যা। কোনো অভিযোগ থাকলে এর ন্যায্য মূল্যায়ন দাবি করে তিনি লেখেন, "সিদ্ধান্তে অন্যায় হলে সেই অন্যায়ের প্রতিকার হওয়া উচিত।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩, আহত ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ এম


সিলেটে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩, আহত ১০

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের দুটি পৃথক স্থানে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে এক নারী ও তিন মাসের একটি শিশু। দুর্ঘটনার ফলে অন্তত ১০ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টায় মহাসড়কের বিরাইমারা সেতুর পাশে দুটি প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ফলে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম মাখেরপাডা গ্রামের হাসানুজ্জামানের তিন মাসের শিশুসন্তান আয়াত সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। দুর্ঘটনায় শিশুটির মা মারজানা আক্তার (৩৫) গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তামাবিল হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হক জানান, দুটি প্রাইভেটকারের সংঘর্ষের ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, একই মহাসড়কের ফেরিঘাট কাটাগাং এলাকায় দুপুর সোয়া ১২টার দিকে জাফলংগামী পর্যটকবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী পাথরবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এ ঘটনায় বাসের একাধিক যাত্রী আহত হন। পরবর্তীতে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ও এক পুরুষ মৃত্যুবরণ করেন, এ তথ্য জানিয়েছেন হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত এসআই আনোয়ারুল ইসলাম।

এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে কোতোয়ালী থানার পল্লবী রোড এলাকার আলী আহমদের ছেলে কাওসার (৪৮), তার মেয়ে আতিশা (১০) এবং ছেলে আলিফ (১৬) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একা জবাই করলে কি প্রাণীর মাংস হালাল হবে? শায়খ আহমাদুল্লাহর মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪০ এম


একা জবাই করলে কি প্রাণীর মাংস হালাল হবে? শায়খ আহমাদুল্লাহর মন্তব্য

গোশত মানুষের জন্য একটি অত্যন্ত প্রিয় খাদ্য। মুসলিমদের জন্য বিভিন্ন হালাল প্রাণীর গোশত খাওয়া বৈধ। তবে প্রশ্ন উঠেছে, পশুর জবাই শুদ্ধ হওয়ার জন্য কি একাধিক ব্যক্তি থাকা জরুরি, নাকি একজন ব্যক্তি নিয়ম অনুযায়ী জবাই করলেই তা হালাল হবে?

এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, ইসলামী চিন্তাবিদ শায়খ আহমাদুল্লাহ।

তিনি উল্লেখ করেন, একা একা যদি কোনো হালাল প্রাণী (যেমন মুরগি, ছাগল ইত্যাদি) জবাই করা হয়, তবে সেই মাংস খাওয়া সম্পূর্ণরূপে হালাল হবে।

শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও বলেন, পশুর জবাই শুদ্ধ হওয়ার জন্য একাধিক ব্যক্তি থাকা বা কাউকে সঙ্গে রাখা প্রয়োজন নয়। একজন ব্যক্তি নিয়ম অনুযায়ী জবাই করলেই তা হালাল হয়ে যায়।

তিনি বলেন, জবাই করার সময় আল্লাহ তাআলার নাম (বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার) উচ্চারণ করা আবশ্যক। তবে যদি কেউ ভুলবশত বা ভুলে গিয়ে বিসমিল্লাহ বলতে না পারেন, তাও হালাল হিসেবে গণ্য হবে।

আহমাদুল্লাহ বলেন, জবাইকারীকে অবশ্যই মুসলিম হতে হবে এবং পশুর কণ্ঠনালী, খাদ্যনালী ও রক্তনালী কেটে ফেলতে হবে। একা জবাই করার ক্ষেত্রে ওযু থাকা বা গোসল ফরজ না থাকা সত্ত্বেও জবাই সহিহ হয় এবং মাংস হালাল থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%