ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শাপলা চত্বর ভেঙে রাস্তা প্রশস্ত, কুড়িগ্রামে জনমনে ক্ষোভ


শাপলা চত্বর ভেঙে রাস্তা প্রশস্ত, কুড়িগ্রামে জনমনে ক্ষোভ

কুড়িগ্রামের ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত এবং ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার শাপলা চত্বর ভাঙার ঘটনায় জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শহীদ মিনার চত্বর সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সূতিকাগার। এটি কুড়িগ্রামকে চেনার ক্ষেত্রে একটি আইকনিক স্থাপনা। এই স্থাপনাটির সৌন্দর্য সকলকে বিমোহিত করে। কিন্তু উন্নয়নের বিকল্প পথ না খুঁজে মুছে ফেলা হচ্ছে জেলা শহরের ঐতিহ্যকে।

কুড়িগ্রাম শহরের শাপলা চত্বর এলাকায় যানজট নিরসনের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে একটি অংশ অপসারণের কাজ শুরু করেছে সড়ক বিভাগ। বৃহস্পতিবার দুপুরে কুড়িগ্রাম পৌরসভা এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের যৌথ উদ্যোগে শহরের জিরো পয়েন্টে এ কাজের শুরু হয়। তবে শহীদ মিনারের অংশ ভাঙা নিয়ে স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।

কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও শাপলা চত্বর কুড়িগ্রাম-রংপুর এবং কুড়িগ্রাম-চিলমারী সড়কের সংযোগস্থলে অবস্থিত। প্রশাসনের মতে, মোড়টি সরু হওয়ায় বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে অটোরিকশা, বাস ও ট্রাকের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়ে যায়। এতে যানজটের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও বৃদ্ধি পায়। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জনগণের দুর্ভোগ নিরসনের জন্য।

আরও পড়ুন: রাবিতে ডেঙ্গু সচেতনতায় হাল্ট প্রাইজের নতুন কর্মসূচি

সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ জানান, যানজট নিরসনের জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনের প্রায় ১৫ ফুট অংশ অপসারণ করা হবে। এতে ওই মোড়টি প্রশস্ত হবে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। তিনি আরও বলেন, শহীদ মিনার একটি সংবেদনশীল বিষয় হওয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে সকল রাজনৈতিক দল ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সওজ কেবল নির্দেশনা বাস্তবায়নের কাজ করছে।

কাজ পরিদর্শন করতে গিয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বলেন, শাপলা চত্বর দীর্ঘদিন ধরে শহরের যানজটের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তিনি বলেন, শহীদ মিনারের মূল স্তম্ভ অক্ষত রেখে শুধু অব্যবহৃত এবং অনাবশ্যক অংশ অপসারণ করা হচ্ছে, যাতে সড়ক প্রশস্ত করা যায়। এতে শহরের কেন্দ্রস্থলে যান চলাচল আরও গতিশীল হবে বলেও তিনি আশাবাদী।

কাজ শুরুর সময় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নিজাম উদ্দিন, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক মুকুল মিয়া এবং সাবেক মেয়র আবু বকর সিদ্দিকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অটোরিকশাচালক মাইদুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বরে পৌঁছালে প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিনিট আটকে থাকতে হতো। মোড়টি বড় হলে সময় বাঁচবে। তবে যদি শহীদ মিনারের ক্ষতি না করে কাজটি করা যায় তাহলে সেটি ভালো হবে।

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে সাজসজ্জায় দেবালয়ের পরেই কৈলাশ পূজামণ্ডপ

এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা, সুশীল সমাজ এবং সাংস্কৃতিক কর্মীরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, শাপলা চত্বরসংলগ্ন রেলওয়ের খাসজমির অধিগ্রহণ এবং আশপাশের দোকানপাট উচ্ছেদ করেও সড়ক প্রশস্ত করার সম্ভাবনা ছিল।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সভাপতি সামিউল হক নান্টু জানান, এ ঘটনা দুঃখজনক। তিনি কুড়িগ্রামের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ সিদ্ধান্ত পুনরায় বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ জানান। রাস্তা সম্প্রসারণের অনেক বিকল্প পথ রয়েছে। শহীদ মিনারের মতো সেনসেটিভ ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা রক্ষায় সরকারকে নতুন উদ্যোগ নিতে হবে। কারণ এ শহীদ মিনার স্থাপনের পেছনে রয়েছে অনেক লড়াই ও সংগ্রামের ইতিহাস। ইতিহাস বদলানো বা মুছে ফেলা উচিত নয়।

রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহসভাপতি সুব্রতা রায় বলেন, শহীদ মিনারের অংশ ভেঙে রাস্তা প্রশস্ত করা গ্রহণযোগ্য সমাধান নয়। প্রয়োজন হলে আশপাশের জমি অধিগ্রহণ করতে হবে অথবা দোকানপাট সরিয়ে সড়ক সম্প্রসারণ করতে হবে। তাঁর মতে, শহীদ মিনারের জায়গা সংকুচিত করে সড়ক সম্প্রসারণ ভাষা আন্দোলনের স্মৃতির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রশাসক বি এম কুদরত-এ-খুদার বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তাই তাঁর বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন: পানির মধ্যেই ঢালাই, বের হয়ে গেছে রড: কাঠালিয়ায় বিএডিসির স্লুইসগেট নির্মাণে অনিয়ম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল বহিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ এম


সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল বহিষ্কার

জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট থেকে সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক, ডা. নূরুল ইসলামকে বহিষ্কার করা হয়েছে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল ১০টায় জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের লিয়াজো কমিটির মিটিংয়ে, যেখানে বহিষ্কৃত নূরুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন, সেই মিটিংয়ের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, মুসলিম লীগ চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাসিম খানকে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের নতুন প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা জোটের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জোটের সভায় সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদ ইয়ামিন ও শ্রাবনের কবর জিয়ারত করলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ এম


শহীদ ইয়ামিন ও শ্রাবনের কবর জিয়ারত করলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত ডিপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান সাভারের দুই শহীদ শেখ আসাবুল ইয়ামিন ও শ্রাবন গাজীর কবর জিয়ারত করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার তিনি পৃথকভাবে দুই শহীদের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তিনি শহীদের পরিবারগুলোর সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।

কবর জিয়ারত শেষে ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম নতুন গতি পেয়েছে। শহীদদের পরিবারকে রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বোচ্চ মর্যাদা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।"

তিনি আরও বলেন, "শহীদ শেখ আসাবুল ইয়ামিন ও শ্রাবন গাজী ছিলেন তাদের বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। সাভারে ৩৬ জুলাই আন্দোলনে তাদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।" তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এ সময় শহীদদের পরিবারের সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের সবচেয়ে পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী আলিয়া ভাট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ এম


ভারতের সবচেয়ে পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী আলিয়া ভাট

সাম্প্রতিক সময়ে বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের কয়েকটি সিনেমা আশানুরূপ সাফল্য না পেলেও তার জনপ্রিয়তায় কোনো ভাটা পড়েনি।

বরং ব্র্যান্ড ভ্যালুর নিরিখে তিনি এখন দেশের সবচেয়ে দামি অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি প্রকাশিত ক্রোল সেলিব্রিটি ব্র্যান্ড ভ্যালুয়েশন রিপোর্ট ২০২৫-এ এ সম্পর্কিত তথ্য উঠে এসেছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, আলিয়ার ব্র্যান্ড ভ্যালু প্রায় ৯৩.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮৯২ কোটি টাকা। এর ফলে তিনি তালিকার ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন এবং মহিলা তারকাদের মধ্যে প্রথম স্থানে আছেন। এমনকি ব্র্যান্ড ভ্যালুর নিরিখে তিনি নিজের স্বামী রণবীর কাপুরকেও পিছনে ফেলেছেন। রণবীরের ব্র্যান্ড ভ্যালু প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৭৬১ কোটি টাকা) এবং তিনি রয়েছেন দশম স্থানে।

আরও দেখুন সারাদেশের খবর। মহিলাদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন, যার ব্র্যান্ড ভ্যালু প্রায় ৮৯.২ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৮৪৯ কোটি টাকা। এরপর রশ্মিকা মন্দানা রয়েছেন, যার ব্র্যান্ড ভ্যালু প্রায় ৭৫.২ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৭১৬ কোটি টাকা)। দক্ষিণী ও হিন্দি—দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই ধারাবাহিক সাফল্য এবং আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করার ফলে রশ্মিকার জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে। এছাড়া কারিনা কাপুর খান ১৫ নম্বরে, কিয়ারা আদভানি ১৭ নম্বরে, কৃতি শ্যানন ১৮ নম্বরে, অনন্যা পাণ্ডে ১৯ নম্বরে এবং জাহ্নবী কাপুর ২৩ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছেন।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, এখন আর শুধু সিনেমার সাফল্যের উপর কোনও তারকার ব্র্যান্ড ভ্যালু নির্ভর করে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা, বড় বড় সংস্থার বিজ্ঞাপনে কাজ, আন্তর্জাতিক পরিচিতি এবং নিজস্ব ব্যবসা এই সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আলিয়ার ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছে। অভিনয়ের পাশাপাশি একাধিক আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ, নিজস্ব উদ্যোগ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল জনপ্রিয়তা তার ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়িয়েছে। বর্তমানে ইনস্টাগ্রামে তার ফলোয়ারের সংখ্যা ৮ কোটিরও বেশি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের নামাজের সময়সূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ এম


আজকের নামাজের সময়সূচি

সালাত বা নামাজ ইসলাম ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। প্রতিটি মুসলমান নর-নারীর ওপর ফরজ হলো নামাজ পড়া। কিয়ামতের দিন নামাজের হিসাব প্রথমে নেওয়া হবে। ব্যস্ততা থাকলেও ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিটি মুসলমানের জন্য সময়মতো নামাজ পড়া ফরজ এবং এজন্য জানা জরুরি নামাজের সময়সূচি।

আজকের নামাজের সময়সূচি হলো:

নামাজ ওয়াক্ত শুরু

ফজর ০৪:০৯ মিনিট

জুমা ১২:০৫ মিনিট

আসর ০৪:৪১ মিনিট

মাগরিব ০৬:৩৯ মিনিট

এশা ০৮:০০ মিনিট

বিভাগীয় শহরের ওপর ভিত্তি করে সময় কিছুটা পরিবর্তিত হয়। ঢাকার সময়ের সাথে দেশের অন্যান্য জেলার সময়ের কিছু পার্থক্য রয়েছে। নিচের সময়গুলো যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিন:

বিয়োগ করতে হবে:

চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট

সিলেট: ০৬ মিনিট

যোগ করতে হবে:

খুলনা: ০৩ মিনিট

রাজশাহী: ০৭ মিনিট

রংপুর: ০৮ মিনিট

বরিশাল: ০১ মিনিট

নামাজ আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, জীবনের যত ব্যস্ততা থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের একটি প্রধান দায়িত্ব।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পরে করণীয় ৫ আমল উল্লেখ করা হয়েছে।

 

আসুন, নামাজের মাধ্যমে নিজেদেরকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে আসি। জীবনে নিয়ে আসি ইমানের নুর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%