ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পেরেজের স্বপ্নের সেই ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর ‘ট্রান্সফার বোমা’টি আসলে কে?


পেরেজের স্বপ্নের সেই ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর ‘ট্রান্সফার বোমা’টি আসলে কে?

রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট, ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ, আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পূর্বে একটি বিশাল দলবদলের পরিকল্পনা করেন বলে জানা গেছে। ক্লাবের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে নিজের ক্ষমতা আরো শক্তিশালী করতেই তিনি এই পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। টেলিভিশনের অনুষ্ঠান হরিজন্তে তিনি জানান, বিশ্বমানের একজন তারকার জন্য রেকর্ড ভাঙা একটি ট্রান্সফার বিড তৈরি করা হচ্ছে।

পেরেজের মতে, পুনর্নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে কিছু বড় সাইনিং নিশ্চিত করেছেন তিনি। তবে তিনি জানান, এটি কেবল শুরু, আসল ‘ট্রান্সফার বোমা’ এখনো আসেনি।

পেরেজ নিশ্চিত করেছেন যে রিয়াল মাদ্রিদ একটি ‘ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো-সমমানের সুপারস্টার’–এর জন্য ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর (২১৪৩ কোটি টাকা) বিড দেবে। তিনি বলেছেন, ‘মঙ্গলবার (৯ জুন) আমি একটি বড় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ক্লাবের কাছে প্রস্তাব পাঠাব, এমন একজন খেলোয়াড়ের জন্য যিনি মাদ্রিদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাইনিং হতে পারেন। ফি অন্তত ১৫০ মিলিয়ন ইউরো।’

আরও পড়ুন: মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির নিচে, সেপ্টেম্বরের মূল্যস্ফীতি ৮.৩৪%

পেরেজ তার বক্তব্যে জানান, এ তারকাটি আর্লিং হলান্ড, হ্যারি কেন কিংবা মাইকেল অলিসে নয়।

তবে ইতালিয়ান সাংবাদিক ফাব্রিজিও রোমানো দাবি করেছেন, উক্ত খেলোয়াড়টি বায়ার্ন মিউনিখের ফরাসি তারকা মাইকেল অলিসে। মাদ্রিদের সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার রিয়াল অলিসের জন্য ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠাতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়ালের বিরুদ্ধে অলিসের পারফরম্যান্সে পেরেজ মুগ্ধ হয়েছিলেন এবং তখনই তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করেন। তবে মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ থেকে দূরে থাকতেই পেরেজ অলিসের নাম লুকিয়েছেন।

এছাড়া, এই ফরাসি তারকাকে ‘আনটাচেবল’ বলে ঘোষণা করেছেন বায়ার্ন। গত মার্চে বায়ার্নের প্রেসিডেন্ট উলি হোয়েন্স জানিয়েছেন, ২০০ মিলিয়ন ইউরোতেও অলিসেকে ক্লাবটি ছাড়বে না।

এদিকে, স্প্যানিশ রেডিও চেইন কাদেনা এসইআর-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেরেজের সেই ‘মার্কি সাইনিং’ বা প্রধান লক্ষ্য হচ্ছেন পিএসজির মিডফিল্ডার ভিতিনিয়া। তাদের দাবি, এই বড় ঘোষণা তিনি রোববারের (৭ জুন) নির্বাচনের আগে দিতে পারেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে ফাইনালে যেতে আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে আটকে রাখতে হবে

বহু দিন ধরে পিএসজির গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে কর্মরত ভিতিনিয়ার সঙ্গে ক্লাবের চুক্তি আরও তিন বছর বাকি রয়েছে। তাই তাকে দলে যোগ করা সহজ হবে না। তবে রিয়াল মাদ্রিদ তাকে দলে ভেড়াতে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ইউরো পর্যন্ত খরচ করতে প্রস্তুত বলেও জানা গেছে।

স্প্যানিশ সাংবাদিক প্যাকোজো দেলগাদো বলছেন, ভিতিনিয়াকে সাইন করতে পারলে সেটি নির্বাচনের ফলাফলে প্রায় প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি মন্তব্য করেন, ‘ফ্লোরেন্তিনো যদি ভিতিনিয়াকে আনার ঘোষণা দেন, তাহলে ভোটের আগেই নির্বাচন সারা হতে পারে; এটা এক ধরনের নকআউট।’

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এই ট্রান্সফার পরিকল্পনার সাথে জড়িত এজেন্ট হোর্হে মেন্দেস, যিনি দীর্ঘ সময় ধরে রিয়াল মাদ্রিদ ও কোচ জোসে মরিনিয়োর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, রিয়াল মাদ্রিদ ইতিমধ্যে স্কোয়াড শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে ইবরাহিমা কোনাটে ফ্রি ট্রান্সফারে দলে আনতে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং ডেনজেল ডামফ্রিসের জন্য ২০ মিলিয়ন রিলিজ ক্লজ সক্রিয় করার জন্য পরিকল্পনা করছে।

আরও পড়ুন: রশিদ খানের ঘূর্ণিতে বাংলাদেশ ১৬০ রানে অলআউট

ভিতিনিয়ার সম্ভাব্য চুক্তি এখন সম্পূর্ণ নির্ভর করছে পিএসজির সঙ্গে দর কষাকষির ওপর। তিনি ক্লাবের মূল খেলোয়াড় হওয়ার কারণে চুক্তি করা সহজ হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপরাধের ধরন ও অঞ্চলভেদে চট্টগ্রাম কারাগার ৪ ভাগ করার পরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ এম


অপরাধের ধরন ও অঞ্চলভেদে চট্টগ্রাম কারাগার ৪ ভাগ করার পরিকল্পনা

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার বর্তমানে চরম চাপের মধ্যে রয়েছে, কারণ বন্দিদের সংখ্যা ধারণক্ষমতার প্রায় চারগুণ। এই পরিস্থিতির মধ্যে, কারা কর্তৃপক্ষ অপরাধের ধরন ও অঞ্চলভিত্তিকভাবে কারাগারকে চারটি অংশে ভাগ করার জন্য পরিকল্পনা করছে। এর আওতায় মহানগর ও জেলার বন্দিদের জন্য পৃথক কারাগার এবং মাদক মামলার আসামি ও রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা আবাসনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। তবে আইনজীবীদের একটি আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, তারা মনে করেন, এই ধরনের উদ্যোগ নতুন জটিলতা তৈরি করবে এবং ব্যয়ও বাড়াবে।

বর্তমানে ১ হাজার ৮৫০ জন ধারণক্ষমতার চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দির সংখ্যা ৬ হাজার ৯ জন। মহানগরের ১৬টি থানায় মামলার অন্তত ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার আসামি এখানে বন্দি রয়েছে। একইসঙ্গে জেলার বিভিন্ন থানার মামলার আরও প্রায় দেড় হাজার আসামিও একই কারাগারে রয়েছে, যা কারা প্রশাসনকে চাপে ফেলছে।

 

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া জানিয়েছেন, বর্তমান বন্দির সংখ্যা জেলখানার ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি। এটি একটি অত্যন্ত ওভারলোডেড কারাগার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জায়গার সংকট থাকায় ক্যারাগারটিকে বড় করাও সম্ভব নয়। যদি এই পরিস্থিতিতে সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে তা ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটাতে পারে।

 

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে সাধারণ সময়ে প্রায় আড়াই হাজার মাদক আইনের এবং ৬০০-এর বেশি জলদস্যু আইনে গ্রেফতার আসামি বন্দি হয়। অধিকন্তু, বিভাগীয় ট্রাইব্যুনালের আসামি, মিয়ানমার থেকে আসা প্রায় সাড়ে তিনশ রোহিঙ্গা এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরাও এখানে রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এই গোষ্ঠীগুলোর কিছু সদস্য চট্টগ্রামে অপরাধ ও সন্ত্রাস বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।

 

এ অবস্থায় মহানগর ও জেলার বন্দিদের পৃথক রাখা এবং মাদক মামলার আসামি ও রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা কারাগার গঠনের প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। কারা কর্তৃপক্ষের ডিআইজি (প্রিজন) মো. ছগির মিয়া বলেন, মাদক মামলার বন্দিদের জন্য একটি আলাদা জোন করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। মহানগর এলাকার বন্দিদের অন্যত্র স্থানান্তর এবং কিশোর বন্দিদের জন্যও পৃথক ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে। পুরোনো কারাগারটিতে শুধু চট্টগ্রাম জেলার বন্দিদের রাখা হবে, ফলে বিভিন্ন ধরনের বন্দিরা আলাদা থাকবে এবং তাদের মধ্যে যোগাযোগ বা পরামর্শের সুযোগ কমে যাবে, যা অপরাধ কমানোর ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে। মহানগরের বন্দিদের স্থানান্তরের জন্য জঙ্গল সলিমপুরে নতুন কারাগার নির্মাণের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

 

তবে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের অনেক দেশে একই কারাগারের ভেতরে আলাদা সেল বা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বন্দিদের রাখা হয়। তাই অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কারা কর্তৃপক্ষের বেশি কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজিমুল হক বলেন, একই কারাগারে থাকলেও বন্দিদের জন্য আলাদা সেল ও ব্যবস্থাপনা থাকে, তবে একই স্থানে বিভিন্ন ধরনের অপরাধী থাকলে তাদের মধ্যে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হয়। এর ফলে ছোট অপরাধীরা বড় অপরাধীদের সংস্পর্শে এসে আরও অপরাধপ্রবণ হয়ে উঠতে পারে।

 

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালত ভবনের দূরত্ব ৫০০ গজেরও কম। কিন্তু অপরাধের ধরন ও অঞ্চলভিত্তিকভাবে কারাগার ভাগ করা হলে সমস্যা কমার বদলে আরও বাড়তে পারে, এই আশঙ্কা করেছেন আইনজীবী নেতারা। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন বলেন, এক আসামির বিরুদ্ধে অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের একাধিক মামলা থাকে। সেই ক্ষেত্রে তাকে কি একাধিক কারাগারে রাখা হবে? এতে হাজার হাজার মামলা ও নথি পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে। এর ফলে নতুন ধরনের বৈষম্যও সৃষ্টি হতে পারে।

 

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিক আহমেদ বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এমন ব্যয়বহুল প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় রয়েছে। বরং কারাগারের ভেতরেই অপরাধের ধরন অনুযায়ী আলাদা সেলে বন্দিদের রাখার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

 

কারাবিধি অনুযায়ী একজন বন্দির জন্য ঘুমানোর জায়গা হিসেবে ৩৬ বর্গফুট এবং চলাফেরার জন্য আরও ১০০ বর্গফুট জায়গা বরাদ্দ থাকার কথা। তবে ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কারাগারে বন্দির সংখ্যা ধারণক্ষমতার অনেক বেশি হওয়ায় সেই সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য কারাগার বিভাজনের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন মত থাকলেও শতবর্ষী চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সংস্কার ও আধুনিকায়ন প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই দফায় স্বর্ণের ভরিতে কমলো ৮ হাজার ৭৪৮ টাকার বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ এম


দুই দফায় স্বর্ণের ভরিতে কমলো ৮ হাজার ৭৪৮ টাকার বেশি

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয়ে সবশেষ ৫ দফায় ৩ বারই দাম কমেছে। এরমধ্যে সর্বশেষ টানা ২ দফায় মোট ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা কমানো হয়েছে।

শুক্রবার (৬ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) টানা ২য় দফায় স্বর্ণের দাম কমিয়েছে। এবার ৫ হাজার ৪৮২ টাকা ভরিতে কিমতিতে কমানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। এর ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

নতুন নির্ধারণ অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকায়।

এর আগে, গত ২ জুন সকালে বাজুসের পক্ষ থেকে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকায় নির্ধারিত হয়েছিল।

এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকা ছিল, যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

এই বছরের শুরু থেকেই দেশে ৭১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে ৩৭ দফা বাড়ানো এবং ৩৪ দফা কমানো হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

স্বর্ণের দাম কমানোর সঙ্গে দেশব্যাপী রুপার দামও কমানো হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকায়, যা ৪০৮ টাকা কমে।

এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ২০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এই বছরের মধ্যে দেশের বাজারে ৪২ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে ২২ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ২০ দফা কমানো হয়েছে। আবার ২০২৫ সালে দেশে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রয়োজনে আইন প্রয়োগ, তবুও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা করবো: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ এম


প্রয়োজনে আইন প্রয়োগ, তবুও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা করবো: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ডেঙ্গু প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রয়োজনে আইন প্রয়োগ করা হবে, তবুও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা করবেন বললেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

শনিবার (৬ জুন) সকালে ঢাকার গুলশান সেন্ট্রাল পার্কে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নানাবিধ কর্মসূচি দিয়েছে সরকার। এতে জনগণের সম্পৃক্ততা আমরা আশা করছি।’

তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু পরিস্থিতি সম্পর্কে যেসব কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, সেগুলোতে একদিকে যেমন আমরা জনগণকে সচেতন করবো, তেমনি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এসব কার্যক্রম জোরদার করবো। দরকার হলে আইনের প্রয়োগ করবো। তবুও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা করবো।’

এদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, ‘আমরা যদি সবাই সচেতন থাকি এবং একে অপরকে সচেতন করি তাহলে ডেঙ্গু প্রতিরোধের কাজটি আমাদের জন্য সহজ হয়ে যাবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় বিশেষ অভিযানে কসাই লিটনসহ ৫৯ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪১ এম


খুলনায় বিশেষ অভিযানে কসাই লিটনসহ ৫৯ জন গ্রেফতার

খুলনা নগরীতে বিশেষ যৌথ অভিযানে চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর অন্যতম সহযোগী কসাই লিটনসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

খুলনা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক তৈমুর ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর সহযোগী এবং একাধিক মামলার আসামি মো. লিটন মীর ওরফে কসাই লিটন (৪০) এবং মো. রিফাত হোসেনকে (২০) গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতার লিটন মীর নগরীর শেখপাড়া লোহাপট্টি এলাকার আব্দুল রশিদ মীরের ছেলে। অন্যদিকে রিফাত হোসেন সোনাডাঙ্গা থানার পাইপাড়া বিসমিল্লাহ মহল্লার আইয়ুব আলীর ছেলে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অভিযানে গ্রেফতার হওয়া অন্যদের মধ্যে খুলনা থানা এলাকা থেকে ১৩ জন, সোনাডাঙ্গা মডেল থানা থেকে ১৩ জন, লবণচরা থানা থেকে ৬ জন, হরিণটানা থানা থেকে ১ জন, খালিশপুর থানা থেকে ১৬ জন এবং দৌলতপুর থানা এলাকা থেকে ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে থাকা কসাই লিটন ও রিফাতকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) জানিয়েছে, মহানগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক, জুয়া ও ছিনতাইসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। অপরাধ দমন এবং শান্তিপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%