শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:০৪ পি.এম
শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় (১৬ অক্টোবর) রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানাধীন রিভার সিটি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মাহবুব হাসান জানান, তিনি রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার উত্তর বালিয়া এলাকার বাসিন্দা।
তাঁর দাবি, কাঠালবাড়িয়া এলাকার মোসাঃ আফরোজা খাতুন, তাঁর স্বামী শহীদুল ইসলাম ও ছেলে তানিমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা গত ১০ দিন ধরে তাঁর ক্রয়কৃত পৌনে তিন শতক জমি এবং ওই জমির ওপর নির্মিত আটটি দোকানঘর জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও অভিযোগ করেন, চলতি মাসের ১০ অক্টোবর ২৫ থেকে ৩০ জন লোক নিয়ে তাঁর জমি ও দোকানঘর দখলের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় তিনি আইনের আশ্রয় নেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় পিটিশন মামলা নং ৩৪৩পি/২০২৬ দায়ের করা হয়। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার এবং সম্পত্তিতে কোনো ধরনের কার্যক্রম না চালানোর বিষয়ে সতর্ক করে।
মাহবুব হাসানের অভিযোগ, আদালতের নির্দেশনা ও পুলিশের সতর্কতা সত্ত্বেও গত ১৪ অক্টোবর প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর বসতঘর ও দোকানের তালা ভেঙে নতুন তালা লাগিয়ে দেন। একই সঙ্গে তাঁর লাগানো সাইনবোর্ড ভাঙচুর করা হয়। এ সময় বাড়িতে বসবাসরত শিশুসহ ছয়জনকে আটকে রাখা এবং খাবার পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাঁদের উদ্ধার করা হয় বলে জানান মাহবুব হাসান।
তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমানে তাঁকে, তাঁর পরিবারের সদস্যদের এবং বাড়ি ও দোকানের ভাড়াটিয়াদের প্রাণনাশসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। জমি নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, জমি ক্রয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তাঁর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মাহবুব হাসান নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও ভূমিমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত আফরোজা খাতুন, শহীদুল ইসলাম ও তানিমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে প্রকাশ করা হবে।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য তাদের দল ঘোষণা করেছে। শুভমান গিলের নেতৃত্বে টেস্ট দলে ফিরেছেন জাসপ্রিত বুমরাহ। তিনি চলতি বছরে এখন পর্যন্ত কোনো টেস্ট ম্যাচে অংশগ্রহণ করেননি। ইরানি কাপের সময় পেশিতে টান লেগে চোটে পড়া রিশভ পন্তকেও দলে রাখা হয়েছে, তবে তার খেলার সম্ভাবনা ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার ওপর নির্ভর করবে।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন নম্বরে নেমে দুটি সেঞ্চুরি করা দেবদূত পাডিকল দলে নিজের স্থান ধরে রেখেছেন। একই পজিশনের আরেক দাবিদার সাই সুদর্শনও দলে ফিরেছেন, যিনি পায়ের আঙুলে চোটের কারণে শ্রীলঙ্কা সফরে অংশ নিতে পারেননি। দলের দ্বিতীয় উইকেটকিপার ধ্রুব জুরেলও স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত। ২০২৫ সালের ইংল্যান্ড সফরে একটি টেস্ট খেলার পর দল থেকে বাদ পড়েছিলেন আনশুল কাম্বোজ। তিনি এবং আকাশ দীপও দলে ফিরেছেন। কাম্বোজের মতো আকাশ দীপও সর্বশেষ ২০২৫ সালের ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলেছিলেন।
পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য ভারতের সহ-অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়াস আইয়ার ফিরেছেন। তিনি চতুর্থ ও পঞ্চম ম্যাচে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন। শেষের দুই ম্যাচের দলে ডাক পেয়েছেন কুমার কুশাগ্রা। চতুর্থ ও পঞ্চম ওয়ানডের জন্য দলে জায়গা পেয়েছেন তিলক বার্মাও। অন্যদিকে, টেস্ট দলের সদস্য প্রসিধ কৃষ্ণা ও কাম্বোজ শেষ দুই ম্যাচের দলে স্থান পাননি।
নিউজিল্যান্ড ও ভারতের মধ্যে টি-২০ সিরিজ শুরু হবে ২২ অক্টোবর থেকে। ভারত এই ফরম্যাটের দলের ঘোষণা ৭ অক্টোবর করেছে। ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে ৪ নভেম্বর থেকে, এবং টেস্ট সিরিজ মাঠে গড়াবে ১৯ নভেম্বর থেকে।
টেস্ট স্কোয়াড
শুভমান গিল (অধিনায়ক), জশস্বী জয়সওয়াল, লোকেশ রাহুল, দেবদূত পাডিকল, রিশভ পন্ত, ধ্রুব জুরেল, রবীন্দ্র জাদেজা, আনশুল কাম্বোজ, জাসপ্রিত বুমরাহ, প্রসিধ কৃষ্ণা, আকাশ দীপ, সাই সুদর্শন, নিতিশ কুমার রেড্ডি, ওয়াশিংটন সুন্দর, কুলদীপ যাদব ও মোহাম্মদ সিরাজ।
প্রথম তিন ওয়ানডের স্কোয়াড
শুভমান গিল (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, লোকেশ রাহুল, নিতিশ কুমার রেড্ডি, অক্ষর প্যাটেল, নামান ধীর, আনশুল কাম্বোজ, গুরনুর ব্রার, রুতুরাজ গাইকওয়াদ, আর্শদীপ সিং, ইশান কিশান, মোহাম্মদ সিরাজ, প্রসিধ কৃষ্ণা ও কুলদীপ যাদব।
চতুর্থ ও পঞ্চম ওয়ানডের স্কোয়াড
শ্রেয়াস আইয়ার (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, তিলক বার্মা, ইশান কিশান, নিতিশ কুমার, অক্ষর প্যাটেল, নামান ধীর, আকিব নবি, গুরনুর ব্রার, রুতুরাজ গাইকওয়াদ, আর্শদীপ সিং, কুমার কুশাগ্রা, মোহাম্মদ সিরাজ, যশ ঠাকুর ও কুলদীপ যাদব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রিয়াল মাদ্রিদ লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাসের পদত্যাগের দাবি তুলেছে। ক্লাবটির অভিযোগ, তেবাস তাদের কর্মকৌশলকে নাৎসি জার্মানির শাসনামলের পদ্ধতির সঙ্গে তুলনা করেছেন।
তেবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্টে রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি ক্লাবটির টেলিভিশন চ্যানেলে ম্যাচের রেফারিরা কিভাবে তাদের জয়ের সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত করছেন, তা নিয়ে প্রচার চালানোর পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন।
রিয়াল মাদ্রিদ তাদের টেলিভিশন চ্যানেলে নিয়মিত এমন ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে আসন্ন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রেফারিদের সিদ্ধান্তের গুরুতর ভুলগুলো তুলে ধরা হয়। তেবাস এই কৌশলকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির প্রচারমন্ত্রী জোসেফ গোয়েবলসের প্রচারণাপদ্ধতির সঙ্গে তুলনা করেন।
এক বিবৃতিতে রিয়াল মাদ্রিদ জানায়, ‘স্প্যানিশ ফুটবলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কোনো ব্যক্তি ক্লাবটিকে, এর পরিচালনাকে এবং টেলিভিশন চ্যানেলকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তাদের প্রচারপদ্ধতির সঙ্গে নাৎসি শাসনামলের পদ্ধতির তুলনা করবে, এটি রিয়াল মাদ্রিদের কাছে সম্পূর্ণ অসহনীয় এবং অত্যন্ত গুরুতর বিষয়।’
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘তিনি নাৎসি মতাদর্শকে বোঝাননি, এমন ব্যাখ্যা দিলেও তার বক্তব্যের গভীর অপমানজনক, নৈতিকভাবে ঘৃণ্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদার পরিপন্থী চরিত্র কোনোভাবেই কমে না।’
রিয়াল মাদ্রিদের অভিযোগ, নেগ্রেইরা মামলার বিষয়ে ক্লাব ও রিয়াল মাদ্রিদ টেলিভিশনের বৈধ পদক্ষেপগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেও তেবাস এসব মন্তব্য ব্যবহার করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুর, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, শরীয়তপুরের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং যোগাযোগব্যবস্থার সুবিধা মাথায় রেখে প্রস্তাবিত শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে এই অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
আজ শুক্রবার, শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার পূর্ব ডামুড্যায় জয়ন্তী নদীর পাশে প্রস্তাবিত শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
হুইপ অপু বলেন, "প্রধানমন্ত্রী কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে শরীয়তপুরের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসার প্রমাণ দিচ্ছেন।" তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশের অন্যান্য জেলাকেও তিনি ভালোবাসেন, তবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শরীয়তপুরের মানুষের প্রতি তাঁর বিশেষ ভালোবাসা প্রকাশ পাচ্ছে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্বাচন নিয়ে হুইপ অপু বলেন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ জমি এবং উপযুক্ত পরিবেশ। জমির প্রাপ্যতা, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলো বিবেচনা করে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে এ স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, "বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে অন্য স্থানে জমি অধিগ্রহণের ব্যয় বহন করা কঠিন হতো।"
স্থানীয়দের জমি ও বসতবাড়ি ছেড়ে দেওয়ার সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "এখানকার মানুষ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে দিতেও সম্মতি জানিয়েছেন।" তিনি তাদের এই ত্যাগ ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন প্রসঙ্গে হুইপ অপু জানান, শরীয়তপুরের ওপর দিয়ে বরিশালগামী রেললাইন নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে ফিজিবিলিটি স্টাডির প্রস্তুতি চলছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত রেলপথটি নাওডোবা থেকে শরীয়তপুর সদর, জাজিরা, ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট হয়ে বরিশাল এবং পায়রা বন্দরের দিকে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ভোলা থেকে সেতুর মাধ্যমে মেহেন্দিগঞ্জ হয়ে প্রস্তাবিত জাতীয় মহাসড়কও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার মধ্য দিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।
ভৌগোলিক অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, "চাঁদপুর, বরিশাল, মাদারীপুর ও বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের মাঝামাঝি হওয়ায় এ স্থান যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।"
পরিদর্শনকালে শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হোসেন উদ্দিন শেখর, জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগমসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক পূজামণ্ডপ, সর্বোচ্চ অর্থ বরাদ্দ, সর্বোচ্চ ছুটি এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্যে উদযাপিত হচ্ছে।
তিনি শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীতে কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ-সংলগ্ন বনানী পূজার মাঠে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত দুর্গাপূজার মহাষষ্ঠীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মচর্চা, উপাসনালয় নির্মাণ এবং বৈষম্য ছাড়াই ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’ শব্দের পরিবর্তে ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি’ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী বলেন, "আমরা কেউ এখানে সম্প্রদায় হয়ে আসি নাই। দেশের আইন-কানুন বা সংবিধান কাউকে সম্প্রদায় হিসেবে চিহ্নিত করে না। আমরা সবাই বাংলাদেশের সমান অধিকারপ্রাপ্ত স্বাধীন নাগরিক।"
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অতীতে রাজনৈতিক ফায়দা ও ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নাগরিক হিসেবে সবার অধিকারকে প্রাধান্য দেয়।
এবারের বনানী পূজামণ্ডপের মূল প্রতিপাদ্য ‘জলজ’। দেশীয় সংস্কৃতি, উপাদান ও আবহে নির্মিত মণ্ডপের নান্দনিক সাজসজ্জার প্রশংসা করে তিনি বলেন, "দেশীয় ঐতিহ্যে রূপায়িত এই আয়োজন সত্যিই অসাধারণ ও প্রশংসনীয়।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এবং নেপালের রাষ্ট্রদূত জ্ঞানশ্যাম ভান্ডারী। এছাড়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক কোরের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) চেয়ারম্যান ও বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত এবং বনানী সোসাইটির সভাপতি শওকত আলী ভূঁইয়া (দিলন) আরও বক্তব্য দেন।
গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলোক সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফাউন্ডেশনের সদস্য স্বপ্না ভৌমিক। ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক বিনয় গোপাল রায় স্বাগত বক্তব্য দেন।
মহাষষ্ঠীর শুভলগ্নে দুর্গা মায়ের আগমনী গান, নৃত্য পরিবেশনা, মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বলন এবং শারদীয় বিশেষ সাময়িকী 'বোধন'-এর মোড়ক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ