ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

আরামকোর আগামী বছরে ৭টি গ্যাস প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা


আরামকোর আগামী বছরে ৭টি গ্যাস প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা

সউদী আরামকো ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাস বিক্রি ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি করার লক্ষ্য গ্রহণ করেছে, যা ২০২০-২০২১ সালের তুলনার ভিত্তিতে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য, প্রতিষ্ঠানটি ২০২৫ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে ছয় থেকে সাতটি গ্যাস ও তরলীকৃত গ্যাস (এলপিজি/এনএনজি) কেন্দ্র চালু করার পরিকল্পনা করছে। এটি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় জ্বালানি কোম্পানি হিসেবে তাদের কৌশলের অংশ।

মঙ্গলবার রিয়াদে অনুষ্ঠিত ২৫তম ডব্লিউপিসি এনার্জি কংগ্রেসে আরামকোর গ্যাস বিভাগের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল করিম আল-গামদি এই সম্প্রসারণ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সউদী আরব তাদের গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করছে, যা ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এবং জ্বালানি খাতে প্রাকৃতিক গ্যাসের ভূমিকা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

আল-গামদি সউদী আরবের তেল উৎপাদন কেন্দ্র ও রপ্তানি অবকাঠামোর ভৌগোলিক বিস্তারের কথা উল্লেখ করে বলেন, এই বৈচিত্র্যময় অবকাঠামো দেশের বিপর্যয় বা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির দ্রুত এবং কার্যকর মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তিনি সউদী আরবের বিশাল গ্যাস নেটওয়ার্কের কথা উল্লেখ করেন, যা ‘মাস্টার গ্যাস সিস্টেম’ অন্তর্ভুক্ত করে এবং দেশের পূর্ব থেকে পশ্চিমে হাজার হাজার কিলোমিটার বিস্তৃত।

আরও পড়ুন: চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস: বিজ্ঞাপনের আড়ালে বিশাল ইসরায়েলি সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি

আল-গামদি জানান, আরামকোর প্রয়োজনীয় উপকরণের ৯০ শতাংশেরও বেশি স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সংঘাত ও প্রতিকূলতার মধ্যে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। তিনি অভ্যন্তরীণ সরবরাহ শৃঙ্খলের গুরুত্বের ওপর জোর দেন, যা সংকটের সময়ে কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে।

আরামকো অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য শোধনাগার ও পাইপলাইন নেটওয়ার্কসহ বিভিন্ন প্রধান সুবিধাসমূহে কৌশলগত অংশীদারিত্বের ওপর নির্ভর করছে। আল-গামদির মতে, জ্বালানি খাতের স্থায়িত্ব বা সহনশীলতা সংকট ঘটার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর জন্য প্রয়োজন সম্ভাব্য অনভিপ্রেত পরিস্থিতি আগে থেকে অনুধাবন করা এবং কার্যক্রম সচল রাখতে নিশ্চিত করা।

তিনি আরও যোগ করেন, কেন্দ্রগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে, অপারেশনাল ঝুঁকি কমাতে এবং যেকোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে আরামকো সমন্বিত পরিচালনা পদ্ধতি, সংযুক্ত সরবরাহ শৃঙ্খল এবং আধুনিক ডেটা অ্যানালিটিক্স ব্যবহার করে থাকে।

আরও পড়ুন: তফসিলি হিন্দুরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলে হারাবে অনগ্রসর শ্রেণির সুবিধা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বম্ভরপুরে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে টাকা তোলার ভিডিও ভাইরাল: ইউএনও বরাবরে লিখিত অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎শাহানুর আলম, বিশ্বম্ভরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ পি.এম


বিশ্বম্ভরপুরে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে টাকা তোলার ভিডিও ভাইরাল: ইউএনও বরাবরে লিখিত অভিযোগ

‎সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রকাশ্যে টাকা তোলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (সোশ্যাল মিডিয়া) ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। টাকা তোলার এই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন তথ্য সংগ্রহকারী তালিকার ৯ নম্বরে থাকা মো. আলামিন।
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার মানুষকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রকাশ্যে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন আলামিন। ভিডিওতে টাকা লেনদেনের দৃশ্য ফুটে উঠলে এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
‎পরবর্তীতে এ ঘটনার বিচার ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা সমবায় অফিসে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ধনপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান,
‎এদিকে এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলামিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এক প্রকার স্বীকার করেন।
‎ঘটনাটির বিষয়ে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ সখিনা আক্তারের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি ইতোমধ্যে অবগত হয়েছেন এবং লিখিত অভিযোগপত্রটি হাতে পেয়েছেন।
‎ইউএনও মিজ সখিনা আক্তার আরও জানান, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন সংক্রান্ত উপজেলা কমিটিকে ঘটনাটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুব শীঘ্রই কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
‎

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুড়িগঙ্গার তীরে লালকুঠি: শহরের কোলাহল পেরিয়ে প্রশান্তির অভয়ারণ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ পি.এম


বুড়িগঙ্গার তীরে লালকুঠি: শহরের কোলাহল পেরিয়ে প্রশান্তির অভয়ারণ্য

মনটা আজ কিছুটা ভারী ছিল। প্রতিদিনের একঘেয়েমি এবং অযথা ক্লান্তি কাটানোর জন্য বিকেলের দিকে একা বেরিয়ে পড়লাম ঘরের বাইরে। যেহেতু আমার বাসা নদীর নিকটে, তাই স্বাভাবিকভাবেই বুড়িগঙ্গার তীর ঘেঁষে হাঁটতে শুরু করি। কিছুটা পথ অতিক্রম করার পর চোখে পড়ে এক অবিশ্বাস্য নীরব স্থাপত্য। লাল ইটের তৈরি সাদা রঙের কারুকাজ করা বিশাল এক প্রাচীন দেয়াল, যা স্থানীয়দের কাছে 'লালকুঠি' নামে পরিচিত।

ঐতিহাসিক নর্থব্রুক হল বা পরিচিত লালকুঠি পুরান ঢাকার আঁকাবাঁকা সরু গলির মাঝে এক অনন্য সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। পুরো রাজধানীর গাড়ির হর্ন এবং শহুরে কোলাহলের মধ্যে এটি যেন শান্তির এক বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। ঠিক পাশে ব্যস্ত সদরঘাট। বুড়িগঙ্গার জলে ভেসে আসা নদীর হাওয়া এবং দূরে দূরপাল্লার লঞ্চের হুইসেলের শব্দ এখানে এক অদ্ভুত আবহ তৈরি করে।

লালকুঠির চত্বরে পা রাখতেই নতুন জীবনের ছোঁয়া দেখা যায়। এখানে যেন রূপসী ও তরুণ-তরুণীদের ছবি তোলার এক আনন্দমেলা বসেছে। মন ভালো করতে কিংবা নিজেকে সুন্দর ফ্রেমে বন্দি করতে সবাই দারুণ সব পোশাকে সেজে এসেছেন। বিশেষ করে মেয়েরা নজরকাড়া রঙের শাড়ি, ম্যাচিং গয়না এবং রেশমি চুড়ি পরে এসেছে সাজগোজের সবটুকু ঢেলে দিয়ে। ছেলেদের পরনে ঐতিহ্যবাহী পাঞ্জাবি। প্রতিটি মানুষের চোখ-মুখে যেন উদ্ভাসিত এক উষ্ণ হাসি। সবাই এসেছে শহুরে ক্লান্তি ভুলে নিজেকে কিছুটা লালিত সময় দিতে।

দালানের ধারের প্রশস্ত চত্বরে স্থানীয়দের হাঁটাচলা এবং শরীরচর্চা করতে দেখা যায়। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের জন্য এটি একটি চমৎকার জায়গা, যেখানে কোনো যানজটের চাপ নেই এবং কোলাহলের হুটোপুটি নেই। মনকে কিছুটা স্থিরতা দিতে চাইলে যে কেউ এখানে এসে ঘুরে যেতে পারেন।

স্থাপত্যশৈলীর দিক থেকে লালকুঠির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর লাল ইটের দেয়ালে সাদা রঙের সূক্ষ্ম নকশা এবং কারুকাজ। নকশাদার অংশগুলোতে রাতে রয়েছে নান্দনিক আলোর ব্যবস্থা। প্রতিটি লাল ইটের পিলারের শীর্ষে শোভা পাচ্ছে ছোট ছোট সাদা গম্বুজ, আর তার ঠিক ওপরেই কালো রঙের অপূর্ব নকশি কারুকাজ।

দর্শনার্থীদের এই স্মৃতি ধরে রাখতে চত্বরজুড়ে পেশাদার আলোকচিত্রীদের আনাগোনা দেখা যায়। টাকার বিনিময়ে তারা পছন্দসই কোণ থেকে দর্শনার্থীদের রঙিন ছবি তুলে দেন। বিশেষ করে বিকেল গড়িয়ে সূর্য যখন বুড়িগঙ্গার বুকে ডুব দিতে শুরু করে, তখন যেন ছবি তোলা, নদীর হাওয়ায় ভিডিও ধারণ অথবা ব্লগ বানানোর হিড়িক পড়ে যায়। লালকুঠির দেয়ালে গোধূলির আলো পড়ে তৈরি হয় এক অনবদ্য দৃশ্য।

বিকেলের এই সময়ে এখানে সবচেয়ে বেশি ভিড় জমান প্রিয়জন বা দম্পতিরা। এছাড়া পরিবার কিংবা একঝাঁক বন্ধুবান্ধব নিয়ে আসা মানুষের আড্ডাও জমে ওঠে বেশ। এই আঙিনা শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের ঘোরাঘুরিতেই সীমাবদ্ধ নয়; এর ঐতিহাসিক আভিজাত্যের কারণে এখানে প্রায়ই নাটক-সিনেমার শুটিং, মডেলদের ফটোশুট অথবা নতুন দম্পতিদের ওয়েডিং ভিডিওর কাজ হয়ে থাকে।

তবে সাঁঝের বাতি জ্বলতেই ভাঙতে শুরু করে এই আনন্দ-আড্ডা। দিনের শুরুতে সূর্য ওঠার সাথে সাথে খোলা হলেও, সন্ধ্যা নামার পর মাগরিবের আজান শুনলেই লালকুঠির মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। ততক্ষণে বুড়িগঙ্গার কূল ছেড়ে ঘরে ফিরতে শুরু করেন সবাই, সঙ্গে নিয়ে যান বিষাদ ভুলে এক চিলতে শান্তির স্মৃতি।

লালকুঠিতে ঘুরতে আসা শিক্ষার্থী তাসনিম মেহজাবিন বলেন, "সারা সপ্তাহের ব্যস্ততা আর ক্লাসের ক্লান্তি কাটাতে নদীর ধারের এই শান্ত পরিবেশ সত্যিই দারুণ। লাল ইটের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের সামনে বন্ধুদের সঙ্গে শাড়ি পরে ছবি তুলতে পেরে বেশ ভালো লাগছে।"

আরেক দর্শনার্থী তানভীর আহমেদ বলেন, "ঢাকার বিকট যানজট আর হর্নের শব্দ থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে বুড়িগঙ্গার এই তীর যেন এক শান্তির দ্বীপ। বিকেলে নদীর হাওয়ায় হাঁটাহাঁটি আর বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিলে মনের সব বিষাদ এক নিমেষেই দূর হয়ে যায়। এছাড়া এখানে যে লাল ইট রয়েছে, সেটি খুব ভালো লাগে। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এটি সুন্দর একটি ঘোরাঘুরির জায়গা।"

দায়িত্বে থাকা গেটম্যানের সাথে কথা বলে জানা যায়, "প্রতিদিন সূর্য ওঠার সাথে সাথে আমরা লালকুঠির মূল ফটক দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দিই। বিকেল গড়াতেই দূর-দূরান্ত থেকে নানা বয়সের মানুষের আনাগোনা বাড়তে থাকে। কেউ ছবি তুলতে আসেন, কেউ আসেন একটু শান্তির খোঁজে। ঐতিহ্যের এই চত্বরকে সুন্দর রাখা এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল কাজ। তবে রাতের নিরাপত্তা এবং নিয়ম মেনে চলার সুবিধার্থে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে, অর্থাৎ মাগরিবের আজান হলেই আমরা মূল ফটক বন্ধ করে দিই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার পক্ষ থেকে ড. ইউনূসকে হয়রানির ঘটনায় তীব্র নিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ পি.এম


ঢাকার পক্ষ থেকে ড. ইউনূসকে হয়রানির ঘটনায় তীব্র নিন্দা

ঢাকা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬: নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হয়রানির ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে। একইসঙ্গে, এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, বিষয়টি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে উত্থাপন করে জড়িতদের শনাক্ত করা এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নিউইয়র্কে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দুষ্কৃতকারীরা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূসকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিদেশে তার হয়রানির ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, এই ঘটনার পেছনে যারা দায়ী, তারা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি এবং দেশের নাগরিকদের সম্মান ক্ষুণ্ন করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের যোগ্য করে তুলতে শিক্ষকদের এআই জানা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ পি.এম


শিক্ষার্থীদের যোগ্য করে তুলতে শিক্ষকদের এআই জানা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) গুরুত্ব অপরিসীম। আধুনিক শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তিতে অনেক দক্ষ হয়ে উঠেছে; তাই তাদের সঠিকভাবে পাঠদান করার জন্য শিক্ষকদের প্রযুক্তি ও এআই বিষয়ে গভীর জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন।

আজ বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (আরডিএ) ‘৪৯তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘যে শিক্ষার্থী পেছনের বেঞ্চে বসে থাকে এবং প্রশ্ন করার সাহস পায় না, তাকে প্রশ্ন করার সুযোগ করে দেওয়াই একজন আদর্শ শিক্ষকের প্রধান দায়িত্ব।’

মন্ত্রী শিক্ষা ও শিক্ষকমণ্ডলির সার্বিক উন্নয়নে গবেষণার ওপর জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি একই সাথে আগামীর আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সকল শিক্ষককে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে নবনিয়োগপ্রাপ্ত ৬১৩ জন কর্মকর্তা আট দিনব্যাপী এই ওরিয়েন্টেশন কোর্সে অংশগ্রহণ করছেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড. সরদার মো. কেরামত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবি, মাউশি মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং আরডিএ বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুল মজিদ প্রামানিক।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. ওয়াসিম মো. মেজবাহুল হক।

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতি থেকে থাকে। কারণ, যেহেতু প্রশ্নপত্রের দুইটি সেট থাকে, একটি ব্যবহৃত ও অন্যটি অব্যবহৃত। কিন্তু পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির জন্য যৌক্তিক সময় দিতে হবে। তিনি বলেন, আমরা এই ফেল-এর লিগ্যাসি বছরের পর বছর টানতে চাইনা। সুযোগ পাওয়ার পরেও যারা অকৃতকার্য হবে তাদেরকে ভোকেশনাল শিক্ষায় স্থানান্তর করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী এরপর ‘১০০টি বিদ্যালয়ে খান একাডেমি, বাংলাদেশ-এর কার্যক্রমের উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। এর মাধ্যমে বগুড়া, নেত্রকোনা ও কক্সবাজারে নতুন করে ১০০টি বিদ্যালয়ে খান একাডেমির শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা হচ্ছে।

এরপর মন্ত্রী পল্লী উন্নয়ন একাডেমী ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%