ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

জীবনের কঠিন পরিস্থিতিতে যে ৩টি দোয়া পড়বেন


জীবনের কঠিন পরিস্থিতিতে যে ৩টি দোয়া পড়বেন

জীবনের পথে চলতে গিয়ে মানুষ বিভিন্ন বিপদ ও সমস্যার সম্মুখীন হয়। এ ক্ষেত্রে ধৈর্য ধারণ করা এবং আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা একজন মুমিনের কর্তব্য। কারণ আল্লাহই আমাদের চূড়ান্ত ভরসাস্থল। কোরআনে আল্লাহ তাআলা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করতে বলেছেন। আল্লাহ বলেন, “আর তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয় তা বিনয়ী ছাড়া অন্যদের ওপর কঠিন।” (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৪৫)

মহানবী (সা.) বিপদের সংকেত পেলে নামাজ ও দোয়ায় মগ্ন হয়ে যেতেন। একাধিক সহিহ হাদিসে মহানবী (সা.)-এর এই অভ্যাসের কথা উল্লেখ রয়েছে। সাহাবি হুজাইফা (রা.) বলেন, মহানবী (সা.) যখন কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হতেন, তখন তিনি নামাজে দাঁড়িয়ে যেতেন। (আবু দাউদ, হাদিস নং : ১৩১৯)

অতএব, বিপদ-আপদে একজন মুমিনের সঠিক কাজ হলো বিপদ থেকে মুক্তির বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করা এবং হাদিসে বর্ণিত দোয়াগুলোতে অভ্যস্ত হওয়া। কারণ দোয়া হলো মুমিনের শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার। বিপদের সময় পঠিতব্য কিছু দোয়া নিম্নরূপ:

আরও পড়ুন: মুফতি তাকি উসমানি ২২ নভেম্বর বাংলাদেশে আসছেন

১. কঠিন পরিস্থিতিতে সহজতার দোয়া

اللَّهمَّ لا سَهْلَ إلَّا ما جعَلْتَه سَهلًا وأنتَ تجعَلُ الحَزْنَ سَهلًا إذا شِئْتَ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জাআলতাহু সাহলা, ওয়া আন্তা তাজআলুল হাজানা সহলান ইজা শিতা।

অর্থ : হে আল্লাহ, আপনি যা সহজ করেন, তা ছাড়া কিছুই সহজ নয়। আপনি চাইলে কঠিন বিপদকেও সহজ করতে পারেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নং : ৯৭৪)

আরও পড়ুন: সৌদি আরব বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা ফেরত দিলো

২. বিপদে আল্লাহকে সঙ্গি বানানোর দোয়া

حَسۡبِیَ اللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ عَلَیۡهِ تَوَکَّلۡتُ وَ هُوَ رَبُّ الۡعَرۡشِ الۡعَظِیۡمِ

উচ্চারণ : ‘হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া, আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আজিম।

অর্থ : আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, তিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। আমি তাঁরই ওপর ভরসা করেছি আর তিনিই আরশের রব। (সুরা : তাওবা, আয়াত : ১২৯)

আরও পড়ুন: দীন প্রতিষ্ঠায় ওলামায়ে কেরামকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে: মুহাম্মদ শাহজাহান

৩. বিপদে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করে দোয়া

يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيثُ، وأَصْلِحْ لي شَأْنِي كُلَّهُ وَلَا تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ أبدا

উচ্চারণ : ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুমু, বিরাহমতিক আস্তাগিস, ওয়া আসলিহ লি শাআনি কুল্লাহু, ওয়ালা তাকিলনি ইলা নাফসি তরফাতা আইনিন আবাদা।

অর্থ : হে চিরস্থায়ী, সব কিছুর ধারক ও রক্ষাকর্তা! আমি আপনার করুণার মাধ্যমে সাহায্য চাই; আমার সব সমস্যা মিটিয়ে দিন এবং এক পলকের জন্যও আমার ভার আমার নিজের ওপর দেবেন না।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস নং : ১০৪০৫)

আরও পড়ুন: নেপালে সহিংসতায় জড়িত পাকিস্তানি ধর্মীয় নেতা বাংলাদেশ সফরে আসছেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউ জার্সিতে দেড় লাখ ডলারের মধ্যে বাড়ি কেনার সুযোগ, জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩১ পি.এম


নিউ জার্সিতে দেড় লাখ ডলারের মধ্যে বাড়ি কেনার সুযোগ, জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ব্যয়বহুল অঙ্গরাজ্য নিউ জার্সিতে বাড়ি কেনার চিন্তা করলে অনেকের কাছে বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজনীয়তা সামনে আসে। তবে, কিছু শহর ও আবাসিক এলাকায় এখনো দেড় লাখ ডলার বা তার কম দামে বাড়ি কেনার সুযোগ রয়েছে।

কিছু জায়গায় ছোট আকারের বাড়ি, কিছু স্থানে পুরোনো সারিবদ্ধ বাড়ি, আবার কিছু নির্দিষ্ট বয়সীদের জন্য গড়ে ওঠা আবাসন প্রকল্পে তুলনামূলক কম দামে সম্পত্তি পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এমন ১০টি এলাকার কথা তুলে ধরেছে আবাসন ও ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইট মাই ফ্যামিলি ট্রাভেলস।

তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে ওশান কাউন্টির ম্যানচেস্টার টাউনশিপের হোয়াইটিং এলাকা। এখানে ক্রেস্টউড ভিলেজের বিভিন্ন আবাসন প্রকল্পে এক ও দুই শয়নকক্ষের ছোট বাড়ি তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায়। কিছু বাড়ির দাম ১ লাখ ২৫ হাজার ডলারের নিচেও থাকতে পারে। এই এলাকা মূলত অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও শান্ত পরিবেশে থাকতে আগ্রহীদের কাছে জনপ্রিয়।

তবে ক্রেস্টউড ভিলেজের কয়েকটি প্রকল্প ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য নির্ধারিত। তাই বাড়ি কেনার আগে বয়সসংক্রান্ত শর্ত, সমবায় মালিকানার নিয়ম এবং মাসিক ফি যাচাই করা জরুরি।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফিলাডেলফিয়ার কাছের ক্যামডেন শহর। এখানে দেড় লাখ ডলারের মধ্যে পুরোনো সারিবদ্ধ বাড়ি বা রো-হোম পাওয়া যেতে পারে। কিছু বাড়ি বসবাসের উপযোগী অবস্থায় থাকলেও অন্যগুলোর সংস্কার প্রয়োজন হতে পারে।

ডেলাওয়্যার নদীর অপর পাশে ফিলাডেলফিয়া হওয়ায় কর্মসূত্রে শহরটিতে যাতায়াতকারীদের জন্য ক্যামডেন ভৌগোলিকভাবে সুবিধাজনক। তবে শহরের সব এলাকায় আবাসন পরিস্থিতি এক নয়। তাই বাড়ি কেনার আগে পাড়া, নিরাপত্তা, পরিবহন এবং সম্পত্তির প্রকৃত অবস্থা সরেজমিনে যাচাই করা প্রয়োজন।

ডেলাওয়্যার নদীর তীরে অবস্থিত ফিলিপসবার্গও কম দামের বাড়ির সম্ভাব্য ঠিকানা হিসেবে প্রতিবেদনে রয়েছে। নিউ জার্সির পশ্চিম প্রান্তের এই শহরে পুরোনো ছোট বাড়ি ও টাউনহোম ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার ডলারের মধ্যে পাওয়া যেতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নদীর অপর পাশে পেনসিলভানিয়ার ইস্টন শহর থাকায় বাসিন্দারা দুই এলাকার সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন। তবে কম দামের অনেক বাড়িতে সংস্কার বা মেরামতের প্রয়োজন হতে পারে। তাই কেনার আগে কাঠামোগত অবস্থা ও সংস্কারের সম্ভাব্য খরচ হিসাব করা গুরুত্বপূর্ণ।

সমুদ্রসৈকত ও পর্যটনকেন্দ্রের জন্য পরিচিত আটলান্টিক সিটিও তালিকায় রয়েছে। শহরটির পর্যটন এলাকা থেকে কিছুটা দূরের আবাসিক পাড়ায় ছোট বাংলো ও কন্ডো দেড় লাখ ডলারের মধ্যে পাওয়া যেতে পারে। সমুদ্রসৈকত, বোর্ডওয়াক এবং পর্যটনকেন্দ্রের কাছাকাছি থাকার সুযোগ এ এলাকার আকর্ষণ।

তবে কন্ডো কেনার ক্ষেত্রে ভবন রক্ষণাবেক্ষণ ফি, পার্কিংয়ের ব্যবস্থা এবং অন্যান্য নিয়ম জানা জরুরি। সম্পত্তির অবস্থান ও মূল্যায়নের ওপর করের পরিমাণও ভিন্ন হতে পারে। ফলে শুধুমাত্র কেনার দাম দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে মাসিক ও বার্ষিক ব্যয় বিবেচনা করা প্রয়োজন।

ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও তুলনামূলক শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত সালেম শহরও সাশ্রয়ী আবাসনের সম্ভাব্য জায়গা। সালেম কাউন্টির এই শহরে পুরোনো একক পরিবারের বড় বাড়ি তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু বাড়িতে চার বা তার বেশি শয়নকক্ষ এবং প্রশস্ত বসার জায়গা রয়েছে।

শহরটির ইতিহাস ১৬০০-এর দশক পর্যন্ত বিস্তৃত। গ্রামীণ পরিবেশ, স্থানীয় দোকানপাট ও কৃষিপণ্যের বাজার এখানকার জীবনযাত্রার অংশ। তবে পুরোনো বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ছাদ, বৈদ্যুতিক সংযোগ, পানির লাইন ও ভিত্তির অবস্থা পরীক্ষা করা জরুরি।

ফিলাডেলফিয়ার কাছাকাছি গ্লুচেস্টার সিটিও তালিকায় রয়েছে। ডেলাওয়্যার নদীর তীরে ক্যামডেনের দক্ষিণে অবস্থিত এ শহরে পুরোনো সারিবদ্ধ বাড়ি ও ছোট কটেজ ১ লাখ ৩৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারের মধ্যে পাওয়া যেতে পারে। বেন ফ্র্যাঙ্কলিন ও ওয়াল্ট হুইটম্যান সেতু দিয়ে ফিলাডেলফিয়ায় যাতায়াতের সুযোগ থাকায় কর্মজীবীদের কাছে এলাকাটি আকর্ষণীয় হতে পারে।

সাম্প্রতিক বাজারের তালিকাতেও গ্লুচেস্টার সিটিতে ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারের নিচে বাড়ির বিজ্ঞাপন দেখা গেছে। তবে প্রতিটি বাড়ির অবস্থা ও অবস্থান আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

ওশান কাউন্টির লিটল এগ হারবার টাউনশিপে রয়েছে মিস্টিক শোরস নামের আবাসন প্রকল্প। এখানে ছোট আকারের সংযুক্ত বাড়ির দাম প্রায় দেড় লাখ ডলারের কাছাকাছি হতে পারে। তবে এটি ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য নির্ধারিত আবাসন হওয়ায় সব ক্রেতা এখানে বাড়ি কেনার যোগ্য নন।

প্রকল্পটিতে সাধারণ সুবিধা, পরিচর্যা করা উন্মুক্ত জায়গা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ রয়েছে। বারনেগেট বে এবং লং বিচ আইল্যান্ডের সৈকত কাছাকাছি হওয়ায় মাছ ধরা, নৌভ্রমণ ও সমুদ্রসৈকতে সময় কাটানোর সুযোগও রয়েছে।

কাম্বারল্যান্ড কাউন্টির বৃহত্তম শহর ভিনল্যান্ডও কম বাজেটের ক্রেতাদের জন্য একটি সম্ভাব্য এলাকা। এখানে একতলা র‌্যাঞ্চ ধরনের বাড়ি ও সংস্কার প্রয়োজন এমন পুরোনো বাড়ি তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যেতে পারে। শহরটির কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি, খোলা জায়গা এবং স্থানীয় কৃষিপণ্যের বাজার জীবনযাত্রায় আলাদা বৈশিষ্ট্য যোগ করেছে।

তবে সাম্প্রতিক বাজারের তথ্য অনুযায়ী, ভিনল্যান্ড অঞ্চলে বাড়ির মধ্যম বিজ্ঞাপিত মূল্য প্রায় ৩ লাখ ডলার। ফলে দেড় লাখ ডলারের মধ্যে বাড়ি খুঁজতে হলে নির্দিষ্ট কিছু কম দামের বা সংস্কার প্রয়োজন এমন সম্পত্তির দিকে নজর দিতে হবে।

নিউ ইয়র্কের কাছাকাছি থাকতে চান, এমন ক্রেতাদের জন্য তালিকায় রয়েছে এসেক্স কাউন্টির ইস্ট অরেঞ্জ। এখানে ছোট স্টুডিও ও এক শয়নকক্ষের কন্ডো ১ লাখ ৪০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারের মধ্যে পাওয়া যেতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এনজে ট্রানজিটের রেলসেবা ব্যবহার করে ইস্ট অরেঞ্জ থেকে নিউ ইয়র্কের পেন স্টেশনে যাওয়া যায়।

ভবনের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অনেক ক্ষেত্রে বাইরের রক্ষণাবেক্ষণ ও সাধারণ জায়গার দেখভাল করে। তবে কন্ডো কেনার আগে মাসিক সমিতি ফি, ভবনের আর্থিক অবস্থা এবং মেরামতের সম্ভাব্য খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা প্রয়োজন।

তালিকার শেষের দিকে রয়েছে বার্লিংটন কাউন্টির পেমবার্টন টাউনশিপের ব্রাউনস মিলস এলাকা। পাইনল্যান্ডস অঞ্চলের বনভূমি ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে অবস্থিত এই এলাকায় দুই শয়নকক্ষের ছোট কটেজ দেড় লাখ ডলারের মধ্যে পাওয়া যেতে পারে। কাছাকাছি রয়েছে জয়েন্ট বেস ম্যাকগুইয়ার-ডিক্স-লেকহার্স্ট সামরিক ঘাঁটি।

এ কারণে সামরিক বাহিনীর সদস্য, তাঁদের পরিবার এবং ঘাঁটিতে কর্মরত বেসামরিক ব্যক্তিদের একটি অংশ এলাকায় বসবাস করেন। প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য হাঁটার পথ, কায়াকিং এবং বনাঞ্চলে সময় কাটানোর সুযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে মাই ফ্যামিলি ট্রাভেলস, ২০২৬ সালের ৭ এপ্রিল। তবে তালিকায় থাকা সব এলাকায় দেড় লাখ ডলারের মধ্যে বাড়ি সব সময় পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। বাড়ির দাম, বাজারের চাহিদা ও বিক্রির জন্য থাকা সম্পত্তির সংখ্যা নিয়মিত পরিবর্তিত হয়।

নিউ জার্সির আবাসন বাজারে সাম্প্রতিক বিজ্ঞাপিত দামের সঙ্গে তালিকার কিছু এলাকার দামের ব্যবধানও উল্লেখযোগ্য। তাই সম্ভাব্য ক্রেতাদের বাড়ির বর্তমান দাম, সম্পত্তি কর, সংস্কার ব্যয়, কন্ডো বা সমবায় ফি এবং বয়সসংক্রান্ত বিধিনিষেধ যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: মাই ফ্যামিলি ট্রাভেলস, রিয়েলটর ডটকম ও জিলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমা ছাড়ার গুঞ্জনে বিরক্ত মধুমিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩২ পি.এম


‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমা ছাড়ার গুঞ্জনে বিরক্ত মধুমিতা

পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী মধুমিতা সরকারের ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হতে যাচ্ছে মোহাম্মদ ইকবালের ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমার মাধ্যমে। গত ১ আগস্ট ঢাকায় সিনেমাটির মহরতে উপস্থিত হয়ে তিনি কাজটি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ানোর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মধুমিতা নিজেই।

গত শুক্রবার রাত থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মধুমিতার সিনেমা ছাড়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি বলেন, “ফেসবুকে প্রতিদিন এমন গুঞ্জন ছড়ায়। এসব নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।”

সিনেমা ছাড়ার গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন করায় ক্ষুব্ধ হন মধুমিতা। তার ভাষ্য, “সিনেমা-সংশ্লিষ্ট কেউ তো এমন ঘোষণা দেননি, তাহলে এ বিষয়ে কেন এত কথা হচ্ছে।”

মধুমিতা মনে করেন, পরিকল্পিতভাবে একটি পক্ষ তার সিনেমা ছেড়ে দেওয়ার খবর ছড়াচ্ছে। তিনি বলেন, “একটি চক্র ইচ্ছা করে এমন কথা ছড়াচ্ছে। সিনেমার মহরতে অংশ নেওয়ার পর থেকে একটি বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে নেতিবাচক কথা বলছে কেউ কেউ। বলা হলো, আমি নাকি কলকাতায় কাজ না পেয়ে বাংলাদেশের সিনেমা করছি। এখন আবার নতুন গুজব ছড়াচ্ছে। তারা যদি মনে করে আমি সিনেমাটি করছি না, তাহলে আর কী করার। সেটাই ছড়াতে থাকুক। আমি আমার কাজ করতে থাকি। এসব নিয়ে কথা বললে বরং তাদেরকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।”

এদিকে সিনেমাটির পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল জানিয়েছেন, ‘গুলশানের চামেলি’র শুটিং শুরু হবে আগামী ১ ডিসেম্বর। প্রথম দিন থেকেই শুটিংয়ে অংশ নেবেন মধুমিতা।

রাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অভিজাত সমাজের অন্ধকার দিক নিয়ে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন যৌনকর্মী, যিনি কোনো অপরাধ না করেও বারবার ক্ষমতার নির্মম খেলার শিকার হন। এই চরিত্রেই অভিনয় করবেন মধুমিতা।

পশ্চিমবঙ্গের টেলিভিশন নাটকে বেশ পরিচিত মুখ মধুমিতা সরকার। তিনি ‘বোঝে না সে বোঝে না’ ধারাবাহিকে পাখি চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। চরিত্রটি তাকে বাংলাদেশেও পরিচিতি এনে দেয়। এর আগে বাংলাদেশের নাটকেও অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। ২০১৬ সালে পারভেজ আমিন পরিচালিত ‘মেঘবালিকা’ নাটকে মোশাররফ করিমের বিপরীতে তাকে দেখা গিয়েছিল। এখন তিনি ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেকের অপেক্ষায় রয়েছেন।

উল্লেখ্য, প্রায় পাঁচ বছর আগে ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমার ঘোষণা দিয়েছিলেন নির্মাতা ইকবাল। নানা কারণে এত দিন ছবিটির শুটিং শুরু করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে সিনেমাটি নির্মাণের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। আবদুল্লাহ জহির বাবুর চিত্রনাট্যে এতে আরও অভিনয় করার কথা রয়েছে রোজিনা, আজমেরী হক বাঁধন, ওমর সানী, আমিন খান, বাপ্পারাজ ও মিশা সওদাগরের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মজলুম থেকে জালিম হলে আবার গণমাধ্যমের কাছে বলবেনÑ বাঁচান: মাসুদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৩ পি.এম


মজলুম থেকে জালিম হলে আবার গণমাধ্যমের কাছে বলবেনÑ বাঁচান: মাসুদ

মজলুম থেকে জালিম হয়ে ওঠা ব্যক্তি হয়তো আবার মজলুম হলে এই সংবাদ মাধ্যমকেই আর্তচিৎকার করে বলবেন, "আমাকে বাঁচান! আমাকে বাঁচান!"

আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনকে ইঙ্গিত করে এই মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, “মজলুম থেকে জালিম হয়ে ওঠা উনিই হয়তো আবার মজলুম হলে এই সংবাদ মাধ্যমকেই আর্তচিৎকার করে বলবেন আমাকে বাঁচান! আমাকে বাঁচান।”

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ১ জুলাই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রাশেদ খানের ‘আমাকে বাঁচান, আমাকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে’ শিরোনামে একটি ফেসবুক লাইভ ভিডিও ব্যাপক আলোচনায় আসে। ওই দিন দুপুরে রাজধানীর মিরপুর-১৪ নম্বরের ভাষানটেক বাজার এলাকার একটি বাসা থেকে তিনি ফেসবুক লাইভে এসে দাবি করেন, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে ধাওয়া করছে এবং বাসার দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে।

লাইভে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে, আমাকে বাঁচান।’ পরে ওই দিনই কোটা সংস্কার আন্দোলনের এই যুগ্ম আহ্বায়ককে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৭ কোটি টাকার বিল অনুমোদন, টেন্ডার ব্যবস্থাপনা ও সম্পদের উৎস নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে মাহবুবুল হক চৌধুরীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪১ পি.এম


১৭ কোটি টাকার বিল অনুমোদন, টেন্ডার ব্যবস্থাপনা ও সম্পদের উৎস নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে মাহবুবুল হক চৌধুরীর

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল (ই/এম) সার্কেল-৩-কে ঘিরে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিপুল অঙ্কের বিল অনুমোদন, টেন্ডার ব্যবস্থাপনায় কথিত অনিয়ম, সম্পদের উৎস এবং প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারসংক্রান্ত নানা অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সার্কেলটির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান। যদিও উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি তদন্তে চূড়ান্ত সত্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তবুও বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের একাধিক সংশ্লিষ্ট সূত্র, অভিযোগকারী এবং ঠিকাদারদের দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে সার্কেল-৩-এর অধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রশাসনিক ও আর্থিক সিদ্ধান্ত একটি নির্দিষ্ট প্রভাববলয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, টেন্ডার আহ্বান থেকে শুরু করে দরপত্র মূল্যায়ন, কার্যাদেশ প্রদান, সরঞ্জাম সরবরাহ, বিল যাচাই-বাছাই, অর্থ ছাড় এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধাপে একই প্রভাবশালী গোষ্ঠীর আধিপত্য ছিল। এর ফলে সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অনেক যোগ্য ঠিকাদার সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

অভিযোগের অন্যতম আলোচিত বিষয় একটি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে ১৭ কোটি ৮ লাখ ৮৩ হাজার ১৪৪ টাকার বিল অনুমোদন। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি, মাঠপর্যায়ের বাস্তব কাজের পরিমাণ এবং অনুমোদিত বিলের মধ্যে সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, প্রকল্পের সব কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই বিপুল অঙ্কের বিল অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

সরকারি প্রকল্পে বিল অনুমোদনের আগে কাজের অগ্রগতি, প্রকৌশলগত মূল্যায়ন, পরিমাপ, গুণগত মান, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং বিদ্যমান সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। অভিযোগকারীদের মতে, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে এসব প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি এবং অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

টেন্ডার ব্যবস্থাপনাকে ঘিরেও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, সার্কেল-৩-এর আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্পে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী বলয় সক্রিয় ছিল, যারা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করে কিছু নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এর ফলে সরকারি ক্রয়ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা এবং জবাবদিহিতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন। যদিও এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি, তবুও সংশ্লিষ্টদের মতে, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে।

এদিকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুল হক চৌধুরীর সম্পদের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের দাবি, রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট, পশ্চিম আগারগাঁও এলাকায় একটি চারতলা ভবন এবং বনশ্রী-আমুলিয়া এলাকায় জমিসহ আরও কয়েকটি মূল্যবান স্থাবর সম্পদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ অনুসন্ধান প্রয়োজন। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, সরকারি চাকরির স্বাভাবিক আয়ের সঙ্গে এসব সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা রাষ্ট্রীয় সংস্থার মাধ্যমে যাচাই হওয়া উচিত। তবে এসব সম্পদের মালিকানা, মূল্য কিংবা অর্থের উৎস সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি এবং অভিযোগগুলোও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, ঠিকাদার আলাউদ্দিন ওয়াজেদ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগপত্রে সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিল অনুমোদন, সরঞ্জাম ক্রয়, অর্থ পরিশোধ এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। তবে অভিযোগটি বর্তমানে প্রাথমিক যাচাই পর্যায়ে রয়েছে এবং এ বিষয়ে দুদক এখনো কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন বা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেনি।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নানা পরিবর্তনের পরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার প্রভাববলয় বহাল রয়েছে। তাদের অভিযোগ, অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তোলা, তথ্য সংগ্রহ করা কিংবা সংবাদ প্রকাশের উদ্যোগ নিলে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করা হয়। তবে এসব অভিযোগও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে জনগণের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন ও সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর আয়-ব্যয়ের সঙ্গে সম্পদের অসামঞ্জস্য কিংবা সরকারি প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রথমে প্রাথমিক যাচাই করা হয়। সেই যাচাইয়ে অভিযোগের ভিত্তি পাওয়া গেলে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান ও তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুল হক চৌধুরীর বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে তিনি বক্তব্য প্রদান করলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%