ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মন্ত্রীদের মধ্যে সংসদীয় দায়িত্ব বণ্টন


মন্ত্রীদের মধ্যে সংসদীয় দায়িত্ব বণ্টন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংসদীয় কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য সরকার মন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন করেছে। সোমবার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সম্পর্কিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদে নির্ধারিত মন্ত্রীরা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে কারা দায়িত্ব পালন করবেন সেটাও নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, সংসদীয় কার্যক্রমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে, তার অনুপস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন যথাক্রমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর (এ জেড এম) মো. জাহিদ হোসেন এবং শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য

অন্যান্য মন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি হল, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন ড. আবদুল মঈন খান। তিনি অনুপস্থিত থাকলে, দায়িত্ব পালন করবেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন আফরোজা খানম। তার অনুপস্থিতি অবস্থায়, দায়িত্ব পালন করবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন আন্দালিব রহমান। তার অনুপস্থিতিতে, দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন এম রশিদউজ্জামান মিল্লাত। তার অনুপস্থিতিতে, দায়িত্ব পালন করবেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

আরও পড়ুন: সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বিদেশি সফর শেষে দেশে ফিরলেন

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন সাচিং প্রু। তিনি অনুপস্থিত হলে, সংসদীয় দায়িত্ব পালন করবেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

প্রজ্ঞাপনে আরো জানানো হয় যে, এর আগে জারি করা এ সংক্রান্ত পূর্ববর্তী প্রজ্ঞাপনগুলোর অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থাকবে। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

গত ২১ আগস্ট মন্ত্রিসভার নতুন সদস্য হিসেবে ছয় জন শপথ গ্রহণ করেন। শপথের পর তাদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন এবং পুরনো একজনের দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়। ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় পেয়েছেন এবং এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন বিষয়ক মন্ত্রণালয় পেয়েছেন। সাচিং প্রু পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পেয়েছেন। আন্দালিব রহমান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় পেয়েছেন। তাছাড়াও, আফরোজা খানমকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

হুমায়ন কবির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন শামীম কায়সার লিংকন। এ সাতজনের দপ্তর বণ্টন ও পুনর্বণ্টনের ফলে সংসদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংসদীয় কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য দায়িত্ব বণ্টন করেছে সরকার।

আরও পড়ুন: কৃষিমন্ত্রী: নিয়মবহির্ভূত সবকিছুই পরিচ্ছন্নতার আওতায় আসবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবান জেলা পরিষদে নতুন চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ পি.এম


বান্দরবান জেলা পরিষদে নতুন চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণ

বান্দরবান, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন চেয়ারম্যান মাম্যাচিং এবং ১৪ সদস্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

আজ সোমবার সকালে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে নতুন চেয়ারম্যান ও সদস্যরা যোগদানপত্রে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

এই সময়, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম নবাগত চেয়ারম্যান মাম্যাচিং এবং নতুন সদস্যদের যোগদানপত্র গ্রহণ করে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বে বরণ করে নেন।

দায়িত্ব গ্রহণকারী সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন Ñ চনুমং, মংক্যনু মারমা, লুসাই মং, মাওসেতুং তংচংগ্যা, দনওয়াই ম্রো, আগস্টিন ত্রিপুরা, অংজাই উই চাক, রিয়াল দাও বম, আবদুল মাবুদ, মশিউর রহমান, মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন, ক্যউপ্রু খিয়াং, উম্যাসিং মার্মা এবং কাজী নিরুতাজ বেগম।

এদিকে, পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাঃ আবুল মনসুর, জনসংযোগ কর্মকর্তা জুড়ি মং, বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চুসহ পার্বত্য জেলা পরিষদের বিভিন্ন ন্যস্ত বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর, নবাগত চেয়ারম্যান মাম্যাচিং প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে তিনি পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং জেলার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, গত ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব মোঙ্গল চন্দ্র পালের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান ও ১৪ সদস্যের নাম প্রকাশ করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়া খাদ্যপণ্য বিক্রি, চাঁদপুরে দুই বেকারিকে অর্থদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়া খাদ্যপণ্য বিক্রি, চাঁদপুরে দুই বেকারিকে অর্থদণ্ড

চাঁদপুর, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : বিএসটিআইয়ের মান সনদ গ্রহণের আবেদন না করে বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন, বিক্রয়, বিতরণ ও বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন দেওয়ার অভিযোগে চাঁদপুরের দুটি বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

আজ সোমবার, দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলায় বিএসটিআই কুমিল্লা আঞ্চলিক কার্যালয় ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত একটি ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ জরিমানা করা হয়।

এই অভিযানের ফলে শহরের ইলিশ চত্বর এলাকার কাশ্মীরি সুইটস অ্যান্ড লাইভ বেকারিকে বিএসটিআই আইন অনুযায়ী ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং মিশন রোডের আরাবিয়ান সুইটস অ্যান্ড পেশ্ট্রি শপকেও একই ধারায় ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রহমত উল্যাহর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে বিএসটিআই কুমিল্লা আঞ্চলিক কার্যালয়ের ফিল্ড অফিসার (সিএম) মো. আমিনুল ইসলাম শাকিল দায়িত্ব পালন করেন।

বিএসটিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে যে, মান সনদ গ্রহণের আবেদন না করে প্রতিষ্ঠান দুটি বিভিন্ন খাদ্যপণ্য বিক্রয়, বিতরণ ও বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন কার্যক্রম চালানোর জন্য দায়ী ছিল। এ কারণে বিএসটিআই আইন-২০১৮-এর ৩১ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, জনস্বার্থে মান সনদবিহীন ও অননুমোদিত পণ্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষমতার আসন নয়,মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজ্বী মোঃ জিয়াউর রহমান (জিয়া)

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


ক্ষমতার আসন নয়,মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজ্বী মোঃ জিয়াউর রহমান (জিয়া)

আসন্ন ১০নং হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসেবার প্রতি অঙ্গীকার ও মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান (জিয়া) নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ, মতবিনিময় ও গণসংযোগ অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি তিনি ইউনিয়নবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও আন্তরিক সমর্থন কামনা করেছেন।

হাজী মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান (জিয়া) জানান, “আমি নেতা হতে চাই না, আমি মানুষের পাশে থাকতে চাই। ক্ষমতার আসনে নয়, মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে চাই। মানুষের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানবিকতা, সততা, ন্যায়নীতি ও পরোপকারের আদর্শকে ধারণ করেই সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে এসেছেন। রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছেন তিনি।

চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে হবিরবাড়ী ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত, নিরাপদ ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন হাজী মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান। তাঁর পরিকল্পনায় রয়েছে, ইউনিয়নের রাস্তাঘাট ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, এবং তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা।

তিনি আরও বলেন, “দল-মত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়ে সত্য, ন্যায় ও ঐক্যের ভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধ হবিরবাড়ী ইউনিয়ন গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ।” জনপ্রতিনিধি হওয়া তাঁর কাছে কোনো ভোগের বিষয় নয় বরং মানুষের সেবা করার একটি সুযোগ ও দায়িত্ব।

হাজী মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান উল্লেখ করেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চান। বিশেষভাবে সাধারণ মানুষের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি, দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান।

তিনি বলেন, “আপনাদের একটি ভোট ও আন্তরিক সমর্থন আমাকে মানুষের সেবায় আরও বেশি কাজ করার সুযোগ তৈরি করবে।” তিনি চান, হবিরবাড়ী ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষ যেন নিরাপদে, সম্মানের সঙ্গে ও স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে পারেন।

এদিকে, তাঁর সমর্থকরা জানান, হাজী মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান স্থানীয় রাজনীতির সাথে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই তিনি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং তাঁদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শুনছেন।

হাজী মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান (জিয়া) ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, বিভাজন নয় বরং সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ হবিরবাড়ী ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, “আমি আপনাদেরই একজন। আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চাই।”

নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের চেয়ে মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়।

উল্লেখ্য, হাজী মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান (জিয়া) ১০নং হবিরবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সম্মানিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডকে কাজে লাগিয়ে তিনি এবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান (জিয়া) আসন্ন নির্বাচনে হবিরবাড়ী ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের প্রতিটি সংকটে জনগণের পাশে ছিল জিয়া পরিবার: আমানউল্লাহ আমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


দেশের প্রতিটি সংকটে জনগণের পাশে ছিল জিয়া পরিবার: আমানউল্লাহ আমান

 

বিএনপির নবনিযুক্ত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ডাকসুর সাবেক ভিপি আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মধ্য দিয়েই দেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। দেশের প্রতিটি সংকটময় সময়ে জিয়া পরিবার জনগণের পাশে থেকেছে।

বেগম খালেদা জিয়া কখনো অন্যায় বা অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। এই কারণে তিনি আপসহীন নেত্রী হিসেবে মানুষের কাছে সমাদৃত হয়েছেন।’

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার কেরাণীগঞ্জের হযরতপুর এলাকায় বেগম খালেদা জিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের মেরামতকাজের উদ্বোধন ও ইটাভাড়া ব্রিজের নাম ‘শহীদ কাজী নাজিমউদ্দীন সেতু’ করার উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমানউল্লাহ আমান বলেন, ‘দেশে যে উন্নয়নের ধারা শুরু হয়েছে, তা অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি, শিল্প ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে যে অগ্রগতি শুরু হয়েছে, তা দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিতে সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে, অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হবে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। একটি সমৃদ্ধ, আধুনিক ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়তে উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা বিএনপির প্রত্যাশা।

নিজেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত করায় তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আমানউল্লাহ আমান বলেন, ‘জনাব তারেক রহমান যে আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে আমাকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত করেছেন, সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষায় আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

তিনি বলেন, ‘কেরানীগঞ্জ তথা ঢাকা-২ আসনে কোনো মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসের স্থান হবে না।

আমরা কেরানীগঞ্জকে একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল কাজী ফকর উদ্দিন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর শফিকুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর মজিবর রহমান পাঞ্জু, কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী শামীম হাসান, সাধারণ সম্পাদক হাজী হাসমত উল্লাহ নবী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক মনিরসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%