মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
০৬:৫৪ পি.এম
নেত্রকোনার পূর্বধলায় জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা হেলিপ্যাড মাঠে এ কর্মসূচি পালন করেন দলটির নেতাকর্মীরা।
কর্মসূচির শুরুতে উপজেলা হেলিপ্যাড মাঠ থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি পূর্বধলা বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মনসুর আজাদ খোকন আকন্দের সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সদস্যসচিব নাজমুল হুদা ফিরোজ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক তিনবারের সাধারণ সম্পাদক ও পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ আবু তাহের তালুকদার।
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ বাবুল আলম তালুকদার, জেলা বিএনপির সাবেক নেতা আব্দুর রহিম তালুকদার, বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান ফকির, ফকির সাইয়েদ আল মামুন শহীদ, আনোয়ারুল ইসলাম আনার, হাবিবুর রহমান হাবিব, আব্দুল হাসনাত বেপারী ও আব্দুল গফুরসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে জিহাদ হোসেন হত্যা মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং পুলিশের সাবেক আইজি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তাদের তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর আজ বুধবার আদালতে হাজির করা হয়। সিআইডি পুলিশের ঢাকা মেট্রো উত্তর বিভাগের ইন্সপেক্টর ফরিদ উদ্দিন কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামছুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেননি। পরে আদালতের অনুমতি নিয়ে তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। আজ আদালতে হাজির করার পর কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর শনির আখড়া ফুটওভার ব্রিজের নিচে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন জিহাদ হোসেন। তিনি গুলিবিদ্ধ হন এবং তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা নুরুল আমিন মোল্লা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১০০/১৫০ জনকে আসামি করে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর আলোচিত মাসুদ, যিনি তার আপন শ্যালিকাকে বিয়ে করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছিলেন, আইনগতভাবে তালাক পেয়েছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী পূর্ণিমার কাছ থেকে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে মাসুদ নিজেই ফেসবুকে তালাকনামার ছবি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পাশাপাশি তিনি লাইভে এসে জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
লাইভে মাসুদ নিজেদের ভুলের কথা স্বীকার করে বলেন, "ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী একই সঙ্গে দুই বোনকে বিয়ে করা যে জায়েজ নয়, তা আমাদের জানা ছিল না।" তিনি আরও জানান, "না বুঝে আমরা এই ভুলটি করেছিলাম। এই ভুলের কারণে আমাদের বিভিন্নভাবে অপমানিত ও লাঞ্ছিত হতে হয়েছে। যে ভুলটি হয়েছিল, আমরা তা সংশোধন করেছি।"
তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ণিমা তাকে আইনগতভাবে তালাক দিয়েছেন এবং বর্তমানে তার প্রথম স্ত্রী মৌসুমীই কেবল তার সঙ্গে স্ত্রী হিসেবে রয়েছেন। মাসুদ নেটিজেনদের কাছে অনুরোধ করেন, তালাকের প্রয়োজনীয় প্রমাণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উপস্থাপন করার পর যেন তারা আর লাঞ্ছনার শিকার না হন। একই সঙ্গে তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত এই শরিয়াহবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য পরিবারসহ সবার কাছে ক্ষমা চান।
এর আগে, ২৪ অক্টোবর মহাদেবপুর উপজেলার মাতাজি বিরামগ্রাম এলাকার বাসিন্দা ও আইনজীবী সহকারী মাসুদ তার প্রথম স্ত্রীর উপস্থিতিতেই আপন ছোট বোন পূর্ণিমাকে বিয়ে করেন। ২৫ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের পর দুই স্ত্রীকে নিয়ে ছবি ও টিকটক ভিডিও পোস্ট করলে মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে যায়। ঘটনাটি জানাজানি হলে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ২৬ অক্টোবর রাতে ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা মাসুদকে মুখে চুন-কালি মেখে এলাকা থেকে বের করে দেয়। পরবর্তীতে মঙ্গলবার মাসুদের শ্বশুরবাড়ির উঠানে আয়োজিত এক মাতবরী সালিশ বৈঠকে গ্রামবাসীর সামনে মাসুদের শ্বশুর মান্নান সাপুরে এবং ছোট মেয়ে পূর্ণিমা হাত জোড় করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
একই দিনে মাসুদও ফেসবুক লাইভে এসে ভুল স্বীকার করে দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার কথা জানান। তার ধারাবাহিকতায় বুধবার পূর্ণিমা আইনগতভাবে মাসুদকে তালাক প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আওতাধীন এলাকার লেকগুলোকে দূষণমুক্ত করার উদ্দেশ্যে এবং পরিবেশসম্মত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে গঠিত কারিগরি কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিন, অতিরিক্ত সচিব মো. সারোয়ার আলম এবং রাজউকের সদস্য এরাদুল হক।
সভায় রাজধানীর লেকগুলোর বর্তমান দূষণ পরিস্থিতি, দূষণের উৎস চিহ্নিতকরণ, পানির গুণগত মান উন্নয়ন, বর্জ্য ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা এবং লেকগুলোর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, ১ হাজার ২৬৯টি ভবনে সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল ও স্যুয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) নির্মাণের জন্য চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছে, এবং সেসব ভবনের তালিকা সংশ্লিষ্ট সোসাইটিগুলোকে সরবরাহ করা হবে।
এছাড়া সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েলের স্ট্রাকচারাল ডিজাইন রাজউক থেকে অনুমোদন নিতে হবে। এই সংক্রান্ত আবেদন প্রাপ্তির তিন দিনের মধ্যে রাজউককে তা নিষ্পত্তি করতে হবে।
সভায় আরো সিদ্ধান্ত হয়, যেসব ভবনের অনুমোদিত নকশায় সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল নির্মাণের সংস্থান রয়েছে, সেসব ভবনের মালিকদের আগামী ১৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু করতে হবে। অন্যথায়, ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ এবং ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
এছাড়া সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রফিকুল হাসান; প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কে এম মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর; গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান সুমন; বারিধারা সোসাইটির প্রেসিডেন্ট সাকিফ এ তাবানী ও সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মতিন; বনানী সোসাইটির প্রেসিডেন্ট শওকত আলী ভূঁইয়া দিলন এবং নিকেতন সোসাইটির সেক্রেটারি জেনারেল রেজাউল করিম চৌধুরী আরিফসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও দপ্তরের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি দক্ষ কর্মী তৈরি করে বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকার আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদা বৃদ্ধি করতে প্রশিক্ষণ, বৈধ অভিবাসন এবং নিরাপদ কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দিচ্ছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সফিপুরে আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে কর্মসংস্থানকেন্দ্র ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, দালালের প্রলোভনে অবৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করে অনেকেই প্রতারণার শিকার হন। এ ধরনের ঝুঁকি কমানোর জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা হবে। পাশাপাশি, রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা এবং বিদেশগামী কর্মীদের প্রতারণা থেকে রক্ষায় মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।
এর আগে, মন্ত্রী একাডেমিতে বৃক্ষরোপণ করেন এবং গার্মেন্টস কারখানা, প্যান্ট্রি ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, মন্ত্রণালয়ের সচিব, গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান, আনসার-ভিডিপির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ