০৮:৩২ এম
কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী একটি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বাস, যা আইকন পরিবহন নামে পরিচিত, আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটেছে। শুক্রবার রাতে, ঠিক রাত ১টার দিকে, রামুর কলঘর বাজারের পশ্চিম পাশে অবস্থিত এন আলম ফিলিং স্টেশনের সামনে এই ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ৩০ জন যাত্রী ছিলেন। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় জানালার কাচ ভেঙে তাদের দ্রুত বের করা হয়। এতে কোনো হতাহত হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও যাত্রীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার কিছু সময় পরে বাসটিতে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। প্রথমে বাসের ভেতরে পোড়া গন্ধ পাওয়া যায়। পরে যাত্রীরা আগুনের উপস্থিতি দেখতে পান। এই ঘটনার সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে বাসের জানালার কাচ ভেঙে যাত্রীদের বের করে আনার ব্যবস্থা করেন।
বাসের ভিতরে থাকা যাত্রীদের মালামালও পরে বের করে তাদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে রামু ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে আগুনটি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিবারে সাত সদস্যসহ কক্সবাজারে বেড়াতে আসা সোহেল রানা নামে এক যাত্রী জানান, স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় দ্রুত জানালার কাচ ভাঙতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় গরুবাহী ট্রলি খাদে পড়ে ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিন নিহত
বাসের যাত্রী মোহাম্মদ আলী বলেন, 'প্রথমে পোড়া গন্ধ পরে আগুন দেখতে পাই, কিন্তু প্রথম দিকে বাসের চালক বা সহকারী কিছু জানাননি। ভাগ্য সহায় ছিল, বেঁচে গেছি।' রামু ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. আবদুল কাদের চৌধুরী জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার ফলে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
রামু হাইওয়ে ক্রসিং থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ পারভেজ জানান, খবর পাওয়ার পর প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। কারণ নিকটস্থ অবস্থানে থাকায় দ্রুত সেখানে গিয়ে যাত্রীদের নিরাপদে বাস থেকে বের করে আনার ব্যবস্থা করা হয়।
এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বাস কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি, তবে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে বাসের যাত্রীদের বিকল্প ব্যবস্থায় ঢাকা পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে ১০ ফুট দূরত্বে মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন