রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৪ পি.এম
রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলের মমতাময়ী মা ফরিদা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।এর আগে গুলশানের আজাদ মসজিদে মরহুমার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজ বাসভবনে ফরিদা বেগম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল) নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৭৪ বছর।
তিনি চার ছেলে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজার আগে উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মরহুমার বড় ছেলে এবং রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল। মায়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, "১৫ বছর বয়সে বাবা হারিয়েছি, সেই সময় থেকে মা-ই আমাদের অভিভাবক ছিলেন। আমরা চার ভাই এখানে উপস্থিত আছি।"
"উনার জন্যই আমরা চার ভাই একসঙ্গে আছি। তিনি হজ পালন করেছেন। ওমরাহও করেছেন। মহান আল্লাহ যেন উনার জীবনের গুনাহ মাফ করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।"
মায়ের স্মৃতি মনে করে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল বলেন, "যেখানেই থাকতাম, প্রতিদিন মায়ের কাছে হাজিরা দিতাম।"
"তিনি আমাকে আদর দিতেন, চুমু দিতেন। আজ তিনি আমাদের মধ্যে নেই। আমার মায়ের কথায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে মাফ করে দেবেন।"
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সবার কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, "মহান আল্লাহ যেন আমার মাকে মাফ করে বেহেশত নসিব করেন, সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।" মায়ের সব পাওনার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মরহুমার দৌহিত্র, রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান ও দেশ রূপান্তরের প্রকাশক মাহির আলী খাঁন রাতুল, মরহুমার ছেলে ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আলী আকবর খাঁন রতন, মরহুমার দৌহিত্র ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাইফ আলী খাঁন অতুলসহ পরিবারের সদস্যরা।
ফরিদা বেগমের মৃত্যুতে সরকারের মন্ত্রী, বিভিন্ন ব্যবসায়ী গ্রুপ ও সামাজিক সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করেছে। তার মৃত্যুতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি ও কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক জানিয়েছেন। তা ছাড়া ঢাকা ক্লাব লিমিটেড, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউসিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব), অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সসহ (অ্যাটকো) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শোক প্রকাশ করেছে।
ফরিদা বেগমের জানাজায় শরিক হয়ে সমবেদনা জানান দৈনিক আগামীর সময়ের সম্পাদক মোস্তফা মামুন, রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক, স্থপতি রফিক আজম, ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, অভিনেতা নাদের চৌধুরী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ। জানাজায় রূপায়ণ গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে প্রেরণের সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
আজ জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে আজ এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬’ পরীক্ষাপূর্বক রিপোর্ট প্রদান সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে বিলটি সংসদে প্রেরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠকে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা তাদের মূল্যবান মতামত প্রদানের মাধ্যমে সহযোগিতার জন্য সভাপতিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সেইসাথে বিলের কাজে সম্পৃক্ত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, মো. কামরুজ্জামান, মো. মনোয়ার হোসেন, শিরীন সুলতানা, মো. নূরুল ইসলাম এবং মো. আব্দুল বাতেন অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিদপ্তরসমূহের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের প্রধানগণ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একই দিনে মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসার উপজেলায় দুটি পৃথক স্থান থেকে পানিতে ভাসমান অবস্থায় দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) পৃথক সময়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ।
কালকিনিতে খাল থেকে মরদেহ উদ্ধার
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সাহেবরামপুর ইউনিয়নের আন্ডারচর বাজারসংলগ্ন একটি খাল থেকে আনোয়ার গোমোস্তা নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সকালে স্থানীয়রা খালে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে কালকিনি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ডাসারে বিল থেকে বাকপ্রতিবন্ধী শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার
অন্যদিকে, ডাসার উপজেলার ডাইআর বিল থেকে ঠাকুর দাস (৪৫) নামে এক বাকপ্রতিবন্ধী শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের একদিন পর রোববার সকালে বিলের পানিতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুর দাস দীর্ঘদিন ধরে বাকপ্রতিবন্ধী ছিলেন এবং দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। শনিবার সকালে কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হয়ে ডাইআর বিলে আব্দুর রাজ্জাকের জমিতে কৃষিশ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। কাজের একপর্যায়ে তিনি বিলের গভীর পানিতে তলিয়ে যান বলে ধারণা করা হচ্ছে। সন্ধ্যায় বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
পরে রোববার সকালে স্থানীয়রা বিলের পানিতে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ডাসার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান মাহমুদ বলেন, খবর পেয়ে ডাইআর বিল থেকে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
একই দিনে জেলার দুই উপজেলায় পানিতে ভাসমান অবস্থায় দুটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে দুটি মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের সাইরাজ রাঙ্কিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি চায়না মাস্টার্স কাপের ফাইনালে চিনের হে জি তিং ও রেন শিয়াং ইউ-কে পরাজিত করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। এই ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট চীনের শেনজেনে অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি ভারতের জন্য প্রথম শিরোপা।
ভারত এর আগে বারবার ফাইনালে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। তবে এবার তারা দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে সুপার ৭৫০-এর খেতাব নিজেদের করে নিয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে ভারতীয়দের জন্য একটি চমৎকার খবর।প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, ফাইনালে চীনের হে জি তিং ও রেন শিয়াং ইউ-র বিরুদ্ধে ভারতীয় জুটির শুরুটা একেবারে ভালো হয়নি।
প্রথম গেমে তারা ১১-২১ ব্যবধানে পরাজিত হন। এরপর সাত্ত্বিক ও চিরাগ দ্বিতীয় গেমে ২১-১৩ ব্যবধানে জয়লাভ করে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেমে লড়াইটি ছিল হাড্ডাহাড্ডি।
শেষ পর্যন্ত তারা ২১-১৭ ব্যবধানে জয়লাভ করে ১ ঘণ্টা ১০ মিনিটের লড়াইয়ে বিজয়ী হন।
এটি চীনে সাত্ত্বিক ও চিরাগের তৃতীয় ফাইনাল। ২০২৩ এবং ২০২৫ সালে তারা ফাইনালে গিয়ে পরাজিত হয়েছিল। এবার আর সেই হতাশা তাদের পিছু ছাড়ল না।
গত বছর সেপ্টেম্বরে কোরিয়ান জুটি সিও সেউং জে এবং কিম ওন হো-র কাছে ভারতীয় জুটি মাত্র ৪১ মিনিটে পরাজিত হয়েছিল। খেলাটির ফলাফল ছিল ২১-১৯, ২১-১৫। অতীতের শিক্ষা নিয়ে তারা সাবেক বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে চার নম্বরে থাকা হে ও রেনকে পরাজিত করে চায়না মাস্টার্সের ট্রফি নিজেদের করে নিল।
চলতি মৌসুমে এটি সাত্ত্বিক ও চিরাগের দ্বিতীয় খেতাব। এর আগে তারা সিঙ্গাপুর ওপেন সুপার ৭৫০ জিতেছিল। সেটি ছিল বদলার ম্যাচ, যেখানে তারা সেই কোরিয়ান জুটির বিরুদ্ধে জয়লাভ করে, যার কাছে চায়না মাস্টার্স ফাইনালে হারিয়েছিল। ৫২ মিনিটের কঠিন লড়াইয়ে তারা ২১-১৯, ২১-১৮ ব্যবধানে জয়ী হন।
এরপর তারা থাইল্যান্ড ওপেন সুপার ৫০০-তেও ফাইনালে উঠেছিলেন। ফলে মৌসুম যত এগোচ্ছে, ততই তারা ছন্দে ফিরছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ২৩ জন শিক্ষক উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়ে ফিরে আসেননি, এবং তাদের বকেয়া অর্থের পরিমাণ ৩ কোটি ৫ লাখ টাকা।
শিক্ষা ছুটির আওতায় বিদেশে যাওয়ার পর যেসব শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেননি, তাদের মধ্যে ২৩ জনের শিক্ষা ছুটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত বেতন ও ভাতা ফেরতও দেননি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তথ্য অধিকার আইনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৯৪ জন শিক্ষক শিক্ষা ছুটিতে বিদেশে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশই মাস্টার্স, পিএইচডি এবং পোস্টডক্টরাল গবেষণার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গেছেন। তবে, ২৩ জন শিক্ষকের শিক্ষা ছুটির মেয়াদ শেষ হলেও তারা এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেননি। এই ২৩ জনের মধ্যে সিএসই ও এমবি বিভাগের চারজন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তিনজন, ফার্মেসি ও ইএসটি বিভাগের দুজন এবং আইপিই, সিএইচই, পিএমই, ইইই, বিএমই, জিইবিটি, এআইএস ও এনএফটি বিভাগের ১ জন করে শিক্ষক রয়েছেন।
যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দিন এ বিষয়ে বলেন, যারা শিক্ষা ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যোগদান করেননি, তাদেরকে কয়েক দফায় চিঠি ও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। যদি তারা সন্তোষজনক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হন, তবে পরবর্তীতে রিজেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হাসান জানান, শিক্ষকদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এসব শিক্ষক রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় উভয়েরই ক্ষতি করছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, শিক্ষা ছুটি শেষে শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান না করায় আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি বিভাগগুলোতে শিক্ষক সংকট তৈরি হচ্ছে। তাই যারা দীর্ঘদিন ধরে যোগদান করছেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ