রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৬ পি.এম
একই দিনে মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসার উপজেলায় দুটি পৃথক স্থান থেকে পানিতে ভাসমান অবস্থায় দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) পৃথক সময়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ।
কালকিনিতে খাল থেকে মরদেহ উদ্ধার
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সাহেবরামপুর ইউনিয়নের আন্ডারচর বাজারসংলগ্ন একটি খাল থেকে আনোয়ার গোমোস্তা নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সকালে স্থানীয়রা খালে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে কালকিনি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ডাসারে বিল থেকে বাকপ্রতিবন্ধী শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার
অন্যদিকে, ডাসার উপজেলার ডাইআর বিল থেকে ঠাকুর দাস (৪৫) নামে এক বাকপ্রতিবন্ধী শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের একদিন পর রোববার সকালে বিলের পানিতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুর দাস দীর্ঘদিন ধরে বাকপ্রতিবন্ধী ছিলেন এবং দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। শনিবার সকালে কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হয়ে ডাইআর বিলে আব্দুর রাজ্জাকের জমিতে কৃষিশ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। কাজের একপর্যায়ে তিনি বিলের গভীর পানিতে তলিয়ে যান বলে ধারণা করা হচ্ছে। সন্ধ্যায় বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
পরে রোববার সকালে স্থানীয়রা বিলের পানিতে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ডাসার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান মাহমুদ বলেন, খবর পেয়ে ডাইআর বিল থেকে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
একই দিনে জেলার দুই উপজেলায় পানিতে ভাসমান অবস্থায় দুটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে দুটি মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের সাইরাজ রাঙ্কিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি চায়না মাস্টার্স কাপের ফাইনালে চিনের হে জি তিং ও রেন শিয়াং ইউ-কে পরাজিত করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। এই ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট চীনের শেনজেনে অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি ভারতের জন্য প্রথম শিরোপা।
ভারত এর আগে বারবার ফাইনালে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। তবে এবার তারা দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে সুপার ৭৫০-এর খেতাব নিজেদের করে নিয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে ভারতীয়দের জন্য একটি চমৎকার খবর।প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, ফাইনালে চীনের হে জি তিং ও রেন শিয়াং ইউ-র বিরুদ্ধে ভারতীয় জুটির শুরুটা একেবারে ভালো হয়নি।
প্রথম গেমে তারা ১১-২১ ব্যবধানে পরাজিত হন। এরপর সাত্ত্বিক ও চিরাগ দ্বিতীয় গেমে ২১-১৩ ব্যবধানে জয়লাভ করে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেমে লড়াইটি ছিল হাড্ডাহাড্ডি।
শেষ পর্যন্ত তারা ২১-১৭ ব্যবধানে জয়লাভ করে ১ ঘণ্টা ১০ মিনিটের লড়াইয়ে বিজয়ী হন।
এটি চীনে সাত্ত্বিক ও চিরাগের তৃতীয় ফাইনাল। ২০২৩ এবং ২০২৫ সালে তারা ফাইনালে গিয়ে পরাজিত হয়েছিল। এবার আর সেই হতাশা তাদের পিছু ছাড়ল না।
গত বছর সেপ্টেম্বরে কোরিয়ান জুটি সিও সেউং জে এবং কিম ওন হো-র কাছে ভারতীয় জুটি মাত্র ৪১ মিনিটে পরাজিত হয়েছিল। খেলাটির ফলাফল ছিল ২১-১৯, ২১-১৫। অতীতের শিক্ষা নিয়ে তারা সাবেক বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে চার নম্বরে থাকা হে ও রেনকে পরাজিত করে চায়না মাস্টার্সের ট্রফি নিজেদের করে নিল।
চলতি মৌসুমে এটি সাত্ত্বিক ও চিরাগের দ্বিতীয় খেতাব। এর আগে তারা সিঙ্গাপুর ওপেন সুপার ৭৫০ জিতেছিল। সেটি ছিল বদলার ম্যাচ, যেখানে তারা সেই কোরিয়ান জুটির বিরুদ্ধে জয়লাভ করে, যার কাছে চায়না মাস্টার্স ফাইনালে হারিয়েছিল। ৫২ মিনিটের কঠিন লড়াইয়ে তারা ২১-১৯, ২১-১৮ ব্যবধানে জয়ী হন।
এরপর তারা থাইল্যান্ড ওপেন সুপার ৫০০-তেও ফাইনালে উঠেছিলেন। ফলে মৌসুম যত এগোচ্ছে, ততই তারা ছন্দে ফিরছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ২৩ জন শিক্ষক উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়ে ফিরে আসেননি, এবং তাদের বকেয়া অর্থের পরিমাণ ৩ কোটি ৫ লাখ টাকা।
শিক্ষা ছুটির আওতায় বিদেশে যাওয়ার পর যেসব শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেননি, তাদের মধ্যে ২৩ জনের শিক্ষা ছুটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত বেতন ও ভাতা ফেরতও দেননি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তথ্য অধিকার আইনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৯৪ জন শিক্ষক শিক্ষা ছুটিতে বিদেশে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশই মাস্টার্স, পিএইচডি এবং পোস্টডক্টরাল গবেষণার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গেছেন। তবে, ২৩ জন শিক্ষকের শিক্ষা ছুটির মেয়াদ শেষ হলেও তারা এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেননি। এই ২৩ জনের মধ্যে সিএসই ও এমবি বিভাগের চারজন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তিনজন, ফার্মেসি ও ইএসটি বিভাগের দুজন এবং আইপিই, সিএইচই, পিএমই, ইইই, বিএমই, জিইবিটি, এআইএস ও এনএফটি বিভাগের ১ জন করে শিক্ষক রয়েছেন।
যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দিন এ বিষয়ে বলেন, যারা শিক্ষা ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যোগদান করেননি, তাদেরকে কয়েক দফায় চিঠি ও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। যদি তারা সন্তোষজনক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হন, তবে পরবর্তীতে রিজেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হাসান জানান, শিক্ষকদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এসব শিক্ষক রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় উভয়েরই ক্ষতি করছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, শিক্ষা ছুটি শেষে শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান না করায় আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি বিভাগগুলোতে শিক্ষক সংকট তৈরি হচ্ছে। তাই যারা দীর্ঘদিন ধরে যোগদান করছেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রশাসনিক কাঠামো ও নাগরিকসেবা সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক ধারণা ও সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ এর পরিকল্পনা ও নির্দেশনা অনুযায়ী “A Day in Office” কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সদর ও বন্দর উপজেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে, এবং পর্যায়ক্রমে সকল উপজেলায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।
এ কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষার্থীদের সরকারি অফিসের দৈনন্দিন কার্যক্রম, দাপ্তরিক শৃঙ্খলা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া, বিভিন্ন সরকারি সেবা প্রদান পদ্ধতি এবং জনগণের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের পারস্পরিক যোগাযোগ সম্পর্কে সরাসরি জানার ও শেখার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।
তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ নাগরিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে “A Day in Office” কার্যক্রমটি জেলা প্রশাসন, নারায়ণগঞ্জ'র একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশ, প্রশাসন ও জনসেবার প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের চেতনা আরও সুদৃঢ় হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের একটি হাসপাতালে হামলা চালানোর বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য হলো, হাসপাতালটি আর চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছিল না; সেখানে হিজবুল্লাহর একটি কমান্ড সেন্টার স্থাপন করা হয়েছিল।সংবাদ মাধ্যম
রবিবার এই তথ্য জানায়। এর আগে, লেবাননের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নাবাতিহ আল-ফাওকার গান্দুর হাসপাতালে ইসরায়েলি হামলার ফলে ভবনটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হাসপাতালটিকে ‘সম্পূর্ণ বেসামরিক’ স্থাপনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হিজবুল্লাহর সদস্যদের ওই কমান্ড সেন্টার থেকে গোলাবর্ষণ ও পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা গিয়েছিল।
হাসপাতালটিকে লক্ষ্য করে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, সেখানে হিজবুল্লাহর সামরিক কার্যক্রম চলছিল বলেই ওই স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। তবে হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ