ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাবেক রাষ্ট্রপতির বাড়িতে নতুন সাজ, চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা


সাবেক রাষ্ট্রপতির বাড়িতে নতুন সাজ, চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর রাজধানী গুলশানে তার ব্যক্তিগত বাসভবনে পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে।

বাড়ির নিচতলার বসার জায়গাটি নতুন করে রং করা হচ্ছে এবং আসবাবপত্রকে পরিষ্কার করা হচ্ছে।

বাড়ির ব্যবস্থাপনা–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্য, তিনি কয়েক দিনের মধ্যেই বাসায় ফিরতে পারেন—এমন প্রস্তুতি নিয়েই কাজ চলছে। বাড়িটির পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটটিতে মো. সাহাবুদ্দিন বসবাস করতেন।

আরও পড়ুন: কম্বোডিয়ায় আটকেপড়া ১৮০০ বাংলাদেশিকে বিশেষ ফ্লাইটে দ্রুত ফিরিয়ে আনার দাবি

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে গুলশানের ১২৩ নম্বর সড়কে অবস্থিত বাড়িটিতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়। বাড়ির সামনে গণমাধ্যমকর্মীদের কয়েকজন অবস্থান করছিলেন। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যকে সেখানেই দেখা যায়নি। ভেতরে ভাড়াটিয়াদের গাড়ির চালকেরা গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন।

বাড়ির ব্যবস্থাপক কবির হোসেন বলেন, ‘স্যার কবে আসবেন, আমরা নিশ্চিত বলতে পারি না। তবে আমাদের সবকিছু পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন করে রাখতে বলা হয়েছে। সে অনুযায়ী কাজ করছি। স্যার কয়েক দিনের মধ্যেই বাসায় আসতে পারেন।’

সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়ির নিচতলায় গাড়ি পার্কিংয়ের পাশে একটি বসার কক্ষ রয়েছে। সেখানে কিছু সোফা ও একটি টেবিল রাখা আছে, যেগুলো পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। কক্ষের এক পাশে রঙের কয়েকটি কৌটা দেখা যায়। দেয়ালের পুরোনো রং ঘষে তুলে নতুন রং করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

কবির হোসেন বলেন, প্রথমে রং করা হবে এবং এরপর সোফাগুলো পরিষ্কার করা হবে। লোকজন আসবেন এবং বসবেন—একারণে জায়গাটি প্রস্তুত করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: অপপ্রচার দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না: যুবদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সুমন

শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের পর তিনি গুলশানের ব্যক্তিগত বাসভবনে ফিরবেন, এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ধারণা রয়েছে। যদিও তিনি ঠিক কবে বাসায় ফিরবেন, এ বিষয়ে বাড়ির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।

তবে বাড়িতে চলমান পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারকাজ দেখে বোঝা যায়, তার ফিরে আসার সম্ভাবনা সামনে রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে বাড়ির নিচতলার বসার জায়গাটিকেই নতুন করে সাজানোর কাজ চলছে।

মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় পৌনে দুই বছর আগেই রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন। অসুস্থতাকে পদত্যাগের কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, বড় ভাইকে পড়ালেখা করিয়েছিলেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, পাশাপাশি গাছের পরিচর্যায় গুরুত্ব দিতে হবে: ভূমিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, পাশাপাশি গাছের পরিচর্যায় গুরুত্ব দিতে হবে: ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, শুধুমাত্র বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, বরং গাছ বেড়ে ওঠা পর্যন্ত যথাযথ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। তাঁর মতে, গাছ রোপন করার চেয়ে রক্ষা করা অনেক বেশি কঠিন।

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই মোতাবেক রাজশাহী বিভাগীয় বৃক্ষমেলা উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বেলা ১১টায় নগরীর নজরুল ভিলেজে আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী আরও জানান, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার হারানো সবুজায়ন ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছে। আমি আশা করছি, এটি সম্ভব হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পবিত্র ভূমিতে বৃক্ষরোপণ করে মুসলিম উম্মাহর মন ও প্রাণে রয়েছেন। আমাদের প্রয়াত গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া ব্যাপক সবুজায়নের জন্য নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। সে সময়ে রাজশাহী জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কৃত হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, আমাদের গ্রিন সিটি আরো সবুজ হতে হবে। প্রত্যেককে অন্তত একটি করে গাছ লাগাতে হবে। এজন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। নগরের খালি স্থানসহ সকল যায়গায় গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই।

মিজানুর রহমান মিনু উল্লেখ করেন, ‘আমি খুবই আনন্দিত, কারণ আমি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র থাকাকালীন ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করেছি। এক সময় রাজশাহী আরও সবুজ ছিল। এখন আবার বৃক্ষরোপণ করে রাজশাহীকে সবুজ সিটি হিসেবে পরিণত করব।’

নগরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা বৃক্ষরোপণ করুন। যত ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন, তা করা হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাইদ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, রাজশাহী অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক এড. এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার নাইমুল হাছান এবং রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।

১৫ দিনব্যাপী রাজশাহী বিভাগীয় বৃক্ষমেলায় এবার ৫২টি স্টল অংশ নিচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এর আগে একটি র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলার গেটের সামনে এসে শেষ হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যার আঘাতে চট্টগ্রামে প্রাণিসম্পদে বড় ক্ষতি, লোকসান ৭৭ কোটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


বন্যার আঘাতে চট্টগ্রামে প্রাণিসম্পদে বড় ক্ষতি, লোকসান ৭৭ কোটি

সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ ২ হাজার ২৪০ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়, যেখানে প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতির পরিমাণ ৬০ কোটি ৬ লাখ ৮১ হাজার ১৪০ টাকা।

বন্যায় মারা গেছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৩৯৪টি গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি। এছাড়া ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪২টি গবাদিপশু এবং ১০ হাজার ৯৯১টি খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ৪৫টি উপজেলার ১৯১টি ইউনিয়নে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

জেলাভিত্তিক হিসাবে, কক্সবাজারের ক্ষতির পরিমাণ ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ৯১ হাজার ১১০ টাকা, রাঙামাটির ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা, খাগড়াছড়ির ৩৭ লাখ ১ হাজার টাকা এবং বান্দরবানে ১৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার ৯৯১টি খামারের মধ্যে ৪ হাজার ৭৫৬টি গবাদিপশুর খামারে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার টাকার এবং ৬ হাজার ২৩৫টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৯ কোটি ৭২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া, ৯১০ টন দানাদার পশুখাদ্যে ৫ কোটি ১৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা, ১৪ হাজার ২৬৫ টন খড়ে ২১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা এবং ৯ হাজার ১২৯ টন ঘাসে ৮ কোটি ২৬ লাখ ১৪ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৪ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ৭৪০ টাকা।

শুধু চট্টগ্রাম জেলােই ১৫টি উপজেলার ১০৮টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ২১৮টি গবাদিপশুর খামারে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ৫ হাজার ৬৭৪টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৭ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে, বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের ১ হাজার ১ একর, কক্সবাজারের ৭ হাজার ৮৪০ একর, বান্দরবানের ৫১০ একর এবং রাঙামাটির ১ হাজার ১২৯ একর চারণভূমি প্লাবিত হয়েছে।

এতে মারা গেছে ৭১টি গরু, ১৬৫টি ছাগল, ৫০টি ভেড়া, ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬০০টি মুরগি এবং ২ হাজার ৫০৮টি হাঁস। এর মধ্যে শুধু চট্টগ্রামেই মারা গেছে ৩৯টি গরু, ৯৫টি ছাগল, ৪২টি ভেড়া, ১ লাখ ৪২ হাজার ১৩৭টি মুরগি এবং ১ হাজার ৩০০টি হাঁস।

বন্যার কারণে পাঁচ জেলায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৩৯০টি গরু, ৪ হাজার ৭৫৫টি মহিষ, ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৭টি ভেড়া, ২৮ লাখ ৪৫ হাজার ৮২৮টি মুরগি এবং ৭০ হাজার ৩৭০টি হাঁস অসুস্থ হয়েছে।

এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৮৯৭টি পশু এবং ৮৪ হাজার ৬৫০টি হাঁস-মুরগিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১০ হাজার ৬৮৯টি পশু ও ১৯ হাজার ২৭টি হাঁস-মুরগিকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের তিনটি, কক্সবাজারের একটি এবং বান্দরবানের চারটি প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপপরিচালক (ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ) ডা. মুহাম্মদ ইজমাল হাসান জানিয়েছেন, মাঠ পর্যায় থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে। তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনও চলমান রয়েছে। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শাবানা আজমি, রাখা হয়েছে আইসোলেশনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শাবানা আজমি, রাখা হয়েছে আইসোলেশনে

ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শাবানা আজমি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অসুস্থ হয়ে। তিনি সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে বর্তমানে এই অভিনেত্রী আইসোলেশনে রয়েছেন অসুস্থতার কারণে। এ অবস্থায় তিনি দেশের চলমান ছাত্রদের প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও অংশ নিতে পারেননি, যা আগে থেকে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

শাবানা আজমি জানিয়েছেন, একটি ছাত্র সংগঠন প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছিল যেখানে তার উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তিনি সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ সোয়াইন ফ্লু ধরা পড়ায় চিকিৎসক তাকে বাড়ির বাইরে যেতে নিষেধ করেছেন। সংক্রমণ যাতে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য তাকে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এক পোস্টে সামাজিক মাধ্যমে শাবানা আজমি উল্লেখ করেছেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হতে পারায় তিনি হতাশ। যদিও শারীরিকভাবে সেখানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও, শিক্ষার্থীদের প্রতি তার সমর্থন সবসময় থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এর পাশাপাশি, অভিনেত্রী সকলের কাছে দ্রুত সুস্থতার জন্য শুভকামনা চেয়েছেন।

শাবানার অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসার পর তার অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

সোয়াইন ফ্লু হচ্ছে একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। এই রোগে সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, শরীরে ব্যথা, মাথাব্যথা এবং ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টও হতে পারে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

শাবানা আজমি দীর্ঘদিন ধরে অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মত প্রকাশ করে আসছেন। ছাত্র আন্দোলন, মানবাধিকার ও নারী অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাকে সক্রিয় হতে দেখা গেছে। এবার অসুস্থতার কারণে ছাত্রদের ওই কর্মসূচিতে অংশ নিতে না পারায় তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তার আগের কার্যক্রম ছিল ২০ জুলাই ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে হাজারো নাগরিকের সঙ্গে যোগ দেওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পাইডার-ম্যান সাজে ফিরছিলেন, পথেই হয়ে উঠলেন বাস্তবের সুপারহিরো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৮ পি.এম


স্পাইডার-ম্যান সাজে ফিরছিলেন, পথেই হয়ে উঠলেন বাস্তবের সুপারহিরো

যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাস রাজ্যের জোনসবোরো শহরের একটি অত্যন্ত ব্যস্ত ছয় লেনের রাস্তা অবস্থিত। সেখানে হুইলচেয়ারে থাকা একজন ব্যক্তি সড়ক পার হতে গিয়ে প্রচণ্ড বিপাকে পড়েছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে, অবিশ্বাস্য ও অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে এক সুপারহিরো এলেন সাহায্যের জন্য। লাল রঙের একটি জিপ গাড়ি ট্রাফিক সিগনালে থামতেই ভেতর থেকে লাফিয়ে নামলেন স্বয়ং ‘স্পাইডার-ম্যান’!

স্পাইডার-ম্যানের পোশাকে থাকা ২০ বছর বয়সী ওই তরুণের নাম ক্রিস্টোফার হেলেনথাল। তিনি স্থানীয় একটি ট্রাম্পোলিন পার্কে কাজ করছেন, যেখানে একটি সুপারহিরো-থিমভিত্তিক ইভেন্ট শেষে তিনি নিজের গাড়িতে করে ফিরছিলেন। দুপুরবেলার ব্যস্ত ট্রাফিকে হুইলচেয়ারে থাকা লোকটিকে বিপদে পড়তে দেখেই তিনি ছুটে যান এবং বলেন, "আমি আপনাকে সাহায্য করছি।"

ট্রাফিক সিগন্যালের বাতি সবুজ হওয়া এবং সারি সারি গাড়ি চালু হওয়ার মাত্র কয়েক সেকেন্ড আগেই তিনি লোকটিকে নিরাপদে রাস্তা পার করে দেন।

অনাকাঙ্ক্ষিত এই মুহূর্তটি শহরের রাস্তার সিকিউরিটি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরবর্তীতে, স্থানীয় পুলিশ তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি শেয়ার করে লোকটিকে নিরাপদে রাস্তা পার হতে সাহায্য করার জন্য হেলেনথালকে ধন্যবাদ জানায়।

ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট হওয়ার পরই ভাইরাল হয়ে যায় এবং হাজার হাজার লাইক পেতে থাকে। এক নেটিজেন কমেন্টে আফসোস করে লিখেছেন, "সাহায্য করার পর একটি ঐতিহ্যবাহী স্পাইডি পোজ দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেলো!"

জোনসবোরো পুলিশ ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র স্যালি স্মিথ বলেন, "ডিপার্টমেন্টে আমার সাত বছরের কাজের অভিজ্ঞতায় আমি কখনও এমন ঘটনা দেখিনি।" পুলিশ যদিও হুইলচেয়ারে থাকা ব্যক্তির নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি।

হেলেনথাল বলেন, "আমার শরীরে তখন প্রচুর অ্যাড্রেনালিন রসায়ন বইছিল। দ্রুত ট্রাফিকের মধ্যে আমাকে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। শুধু ভাবছিলাম, আমি তো স্পাইডার-ম্যানের পোশাক পরে আছি, দৃশ্যটা দেখতে বেশ মজার হবে!"

লোকটিকে নিরাপদে পৌঁছে দিয়ে তিনি দৌড়ে আবার নিজের গাড়িতে ফেরেন কারণ সিগন্যাল খুব দ্রুতই সবুজ হয়ে গিয়েছিল।

লেকে সিটির বাসিন্দা হেলেনথাল জানান, তিনি ছোটবেলা থেকেই স্পাইডার-ম্যানের ভক্ত। তিনি এমনকি প্রয়াত ক্যারেক্টার স্রষ্টা স্ট্যান লি-র সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগও পেয়েছিলেন।

হেলেনথালের সহকর্মী ও আলটিমেট এয়ার ট্রাম্পোলিন পার্কের ম্যানেজার পাকি ম্যাগেল বলেন, "সুপারহিরোর মুখোশ থাকা সত্ত্বেও তিনি হেলেনথালকে চিনতে পেরেছেন।" তিনি বলেন, "পোশাক পরে থাকা অবস্থায় এমন একটি কাজ করা পুরোপুরি ওর স্বভাবসুলভ।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%