ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বন্যার আঘাতে চট্টগ্রামে প্রাণিসম্পদে বড় ক্ষতি, লোকসান ৭৭ কোটি


বন্যার আঘাতে চট্টগ্রামে প্রাণিসম্পদে বড় ক্ষতি, লোকসান ৭৭ কোটি

সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ ২ হাজার ২৪০ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়, যেখানে প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতির পরিমাণ ৬০ কোটি ৬ লাখ ৮১ হাজার ১৪০ টাকা।

বন্যায় মারা গেছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৩৯৪টি গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি। এছাড়া ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪২টি গবাদিপশু এবং ১০ হাজার ৯৯১টি খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ৪৫টি উপজেলার ১৯১টি ইউনিয়নে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আরও পড়ুন: নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা

জেলাভিত্তিক হিসাবে, কক্সবাজারের ক্ষতির পরিমাণ ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ৯১ হাজার ১১০ টাকা, রাঙামাটির ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা, খাগড়াছড়ির ৩৭ লাখ ১ হাজার টাকা এবং বান্দরবানে ১৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার ৯৯১টি খামারের মধ্যে ৪ হাজার ৭৫৬টি গবাদিপশুর খামারে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার টাকার এবং ৬ হাজার ২৩৫টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৯ কোটি ৭২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া, ৯১০ টন দানাদার পশুখাদ্যে ৫ কোটি ১৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা, ১৪ হাজার ২৬৫ টন খড়ে ২১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা এবং ৯ হাজার ১২৯ টন ঘাসে ৮ কোটি ২৬ লাখ ১৪ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৪ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ৭৪০ টাকা।

শুধু চট্টগ্রাম জেলােই ১৫টি উপজেলার ১০৮টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ২১৮টি গবাদিপশুর খামারে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ৫ হাজার ৬৭৪টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৭ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।

আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জ ডিসি অফিসে সোলার প্যানেলে উৎপাদন হবে ৮০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ

এদিকে, বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের ১ হাজার ১ একর, কক্সবাজারের ৭ হাজার ৮৪০ একর, বান্দরবানের ৫১০ একর এবং রাঙামাটির ১ হাজার ১২৯ একর চারণভূমি প্লাবিত হয়েছে।

এতে মারা গেছে ৭১টি গরু, ১৬৫টি ছাগল, ৫০টি ভেড়া, ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬০০টি মুরগি এবং ২ হাজার ৫০৮টি হাঁস। এর মধ্যে শুধু চট্টগ্রামেই মারা গেছে ৩৯টি গরু, ৯৫টি ছাগল, ৪২টি ভেড়া, ১ লাখ ৪২ হাজার ১৩৭টি মুরগি এবং ১ হাজার ৩০০টি হাঁস।

বন্যার কারণে পাঁচ জেলায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৩৯০টি গরু, ৪ হাজার ৭৫৫টি মহিষ, ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৭টি ভেড়া, ২৮ লাখ ৪৫ হাজার ৮২৮টি মুরগি এবং ৭০ হাজার ৩৭০টি হাঁস অসুস্থ হয়েছে।

এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৮৯৭টি পশু এবং ৮৪ হাজার ৬৫০টি হাঁস-মুরগিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১০ হাজার ৬৮৯টি পশু ও ১৯ হাজার ২৭টি হাঁস-মুরগিকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: শীতের আগমনে গফরগাঁওয়ে প্রস্তুতির ধুম, বাজারে শীতকালীন পণ্য আসছে

বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের তিনটি, কক্সবাজারের একটি এবং বান্দরবানের চারটি প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপপরিচালক (ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ) ডা. মুহাম্মদ ইজমাল হাসান জানিয়েছেন, মাঠ পর্যায় থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে। তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনও চলমান রয়েছে। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শাবানা আজমি, রাখা হয়েছে আইসোলেশনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শাবানা আজমি, রাখা হয়েছে আইসোলেশনে

ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শাবানা আজমি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অসুস্থ হয়ে। তিনি সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে বর্তমানে এই অভিনেত্রী আইসোলেশনে রয়েছেন অসুস্থতার কারণে। এ অবস্থায় তিনি দেশের চলমান ছাত্রদের প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও অংশ নিতে পারেননি, যা আগে থেকে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

শাবানা আজমি জানিয়েছেন, একটি ছাত্র সংগঠন প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছিল যেখানে তার উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তিনি সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ সোয়াইন ফ্লু ধরা পড়ায় চিকিৎসক তাকে বাড়ির বাইরে যেতে নিষেধ করেছেন। সংক্রমণ যাতে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য তাকে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এক পোস্টে সামাজিক মাধ্যমে শাবানা আজমি উল্লেখ করেছেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হতে পারায় তিনি হতাশ। যদিও শারীরিকভাবে সেখানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও, শিক্ষার্থীদের প্রতি তার সমর্থন সবসময় থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এর পাশাপাশি, অভিনেত্রী সকলের কাছে দ্রুত সুস্থতার জন্য শুভকামনা চেয়েছেন।

শাবানার অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসার পর তার অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

সোয়াইন ফ্লু হচ্ছে একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। এই রোগে সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, শরীরে ব্যথা, মাথাব্যথা এবং ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টও হতে পারে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

শাবানা আজমি দীর্ঘদিন ধরে অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মত প্রকাশ করে আসছেন। ছাত্র আন্দোলন, মানবাধিকার ও নারী অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাকে সক্রিয় হতে দেখা গেছে। এবার অসুস্থতার কারণে ছাত্রদের ওই কর্মসূচিতে অংশ নিতে না পারায় তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তার আগের কার্যক্রম ছিল ২০ জুলাই ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে হাজারো নাগরিকের সঙ্গে যোগ দেওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পাইডার-ম্যান সাজে ফিরছিলেন, পথেই হয়ে উঠলেন বাস্তবের সুপারহিরো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৮ পি.এম


স্পাইডার-ম্যান সাজে ফিরছিলেন, পথেই হয়ে উঠলেন বাস্তবের সুপারহিরো

যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাস রাজ্যের জোনসবোরো শহরের একটি অত্যন্ত ব্যস্ত ছয় লেনের রাস্তা অবস্থিত। সেখানে হুইলচেয়ারে থাকা একজন ব্যক্তি সড়ক পার হতে গিয়ে প্রচণ্ড বিপাকে পড়েছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে, অবিশ্বাস্য ও অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে এক সুপারহিরো এলেন সাহায্যের জন্য। লাল রঙের একটি জিপ গাড়ি ট্রাফিক সিগনালে থামতেই ভেতর থেকে লাফিয়ে নামলেন স্বয়ং ‘স্পাইডার-ম্যান’!

স্পাইডার-ম্যানের পোশাকে থাকা ২০ বছর বয়সী ওই তরুণের নাম ক্রিস্টোফার হেলেনথাল। তিনি স্থানীয় একটি ট্রাম্পোলিন পার্কে কাজ করছেন, যেখানে একটি সুপারহিরো-থিমভিত্তিক ইভেন্ট শেষে তিনি নিজের গাড়িতে করে ফিরছিলেন। দুপুরবেলার ব্যস্ত ট্রাফিকে হুইলচেয়ারে থাকা লোকটিকে বিপদে পড়তে দেখেই তিনি ছুটে যান এবং বলেন, "আমি আপনাকে সাহায্য করছি।"

ট্রাফিক সিগন্যালের বাতি সবুজ হওয়া এবং সারি সারি গাড়ি চালু হওয়ার মাত্র কয়েক সেকেন্ড আগেই তিনি লোকটিকে নিরাপদে রাস্তা পার করে দেন।

অনাকাঙ্ক্ষিত এই মুহূর্তটি শহরের রাস্তার সিকিউরিটি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরবর্তীতে, স্থানীয় পুলিশ তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি শেয়ার করে লোকটিকে নিরাপদে রাস্তা পার হতে সাহায্য করার জন্য হেলেনথালকে ধন্যবাদ জানায়।

ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট হওয়ার পরই ভাইরাল হয়ে যায় এবং হাজার হাজার লাইক পেতে থাকে। এক নেটিজেন কমেন্টে আফসোস করে লিখেছেন, "সাহায্য করার পর একটি ঐতিহ্যবাহী স্পাইডি পোজ দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেলো!"

জোনসবোরো পুলিশ ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র স্যালি স্মিথ বলেন, "ডিপার্টমেন্টে আমার সাত বছরের কাজের অভিজ্ঞতায় আমি কখনও এমন ঘটনা দেখিনি।" পুলিশ যদিও হুইলচেয়ারে থাকা ব্যক্তির নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি।

হেলেনথাল বলেন, "আমার শরীরে তখন প্রচুর অ্যাড্রেনালিন রসায়ন বইছিল। দ্রুত ট্রাফিকের মধ্যে আমাকে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। শুধু ভাবছিলাম, আমি তো স্পাইডার-ম্যানের পোশাক পরে আছি, দৃশ্যটা দেখতে বেশ মজার হবে!"

লোকটিকে নিরাপদে পৌঁছে দিয়ে তিনি দৌড়ে আবার নিজের গাড়িতে ফেরেন কারণ সিগন্যাল খুব দ্রুতই সবুজ হয়ে গিয়েছিল।

লেকে সিটির বাসিন্দা হেলেনথাল জানান, তিনি ছোটবেলা থেকেই স্পাইডার-ম্যানের ভক্ত। তিনি এমনকি প্রয়াত ক্যারেক্টার স্রষ্টা স্ট্যান লি-র সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগও পেয়েছিলেন।

হেলেনথালের সহকর্মী ও আলটিমেট এয়ার ট্রাম্পোলিন পার্কের ম্যানেজার পাকি ম্যাগেল বলেন, "সুপারহিরোর মুখোশ থাকা সত্ত্বেও তিনি হেলেনথালকে চিনতে পেরেছেন।" তিনি বলেন, "পোশাক পরে থাকা অবস্থায় এমন একটি কাজ করা পুরোপুরি ওর স্বভাবসুলভ।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে নিষ্পত্তি ২৩৪৬ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১২ পি.এম


সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে নিষ্পত্তি ২৩৪৬ মামলা

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমেই ২৩৪৬টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

এই তথ্যটি প্রকাশিত হয়েছে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) ওয়েবসাইটে এক প্রতিবেদনে।

২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের মে মাসের মধ্যে লিগ্যাল এইড-এর সামগ্রিক কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য সেখানে তুলে ধরা হয়েছে। ২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড-এর কার্যক্রম শুরু হয়।

এই কার্যক্রমের মাধ্যমে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত আইনি সহায়তা পাওয়া মোট উপকারভোগীর সংখ্যা ৩০ হাজার ৬৯৬ জন।

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড-এর মাধ্যমে মোট ৩৪১৩টি মামলায় সরাসরি আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩৪৬টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

এছাড়া, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস থেকে ২৭ হাজার ২৮৩টি আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে।

আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল ও অসমর্থ বিচারপ্রার্থীদের আইনি সহায়তা দিতে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর অধীনে সরকারি খরচে এই সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ু অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-আইওএমের বড় চুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৫ পি.এম


জলবায়ু অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-আইওএমের বড় চুক্তি

জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ১১ লাখ ২৫ হাজার ইউরোর একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) একটি যুগান্তকারী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং আইওএম বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এ চুক্তির আওতায় ‘দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসনে সমন্বিত পদ্ধতির প্রসার’ শীর্ষক তিন বছর মেয়াদি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন ইআরডি’র সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং আইওএম বাংলাদেশের মিশন প্রধান ড. লরা টম বন্ডে, যা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

প্রকল্পটির মাধ্যমে জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন বিষয়ে তথ্য ও উপাত্ত ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময় সম্প্রসারণ, জলবায়ু কার্যক্রমে প্রবাসীদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, স্থানীয় জনগণের সহনশীলতা বাড়ানো, এবং জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি ও অভিবাসন মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়া দেশের মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা যাবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইআরডি’র সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত মানব অভিবাসনের জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসনকে জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু অভিযোজন কৌশলের সঙ্গে সমন্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে, যাতে জনগণের সহনশীলতা বৃদ্ধি পায় এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগণ সুরক্ষা পায়।

তিনি অভিবাসন সুশাসন জোরদার, তথ্যভিত্তিক নীতি প্রণয়নের জন্য প্রমাণভিত্তিক উপাত্ত তৈরি, ঝুঁকিপূর্ণ জনগণকে সহায়তা, এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে আইওএমের ধারাবাহিক সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন।

ইআরডি সচিব আশা প্রকাশ করেছেন যে, নতুন এ উদ্যোগ প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় করবে, জ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাবে, প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণে সহায়তা করবে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নেবে।

আইওএম বাংলাদেশের মিশন প্রধান ড. লরা টম বন্ডে অব্যাহত সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সরকার, বিশেষ করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন। তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদার আর্থিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ সরকার ও আইওএম উভয়ই জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দেশের সক্ষমতা আরও জোরদারের জন্য যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এ প্রকল্প বাংলাদেশের জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন কর্মসূচিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে আঞ্চলিক শিক্ষা, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইআরডির অতিরিক্ত সচিব ও ইউএন উইং প্রধান এ কে এম সোহেল, ইআরডির যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ফাহমিদা হক খান, ইআরডির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রাজিবুল আলম, আইওএম বাংলাদেশের জাতীয় কর্মসূচি কর্মকর্তা আশফাকুর রহমান খান, আইওএমের সরকারি সংযোগ বিশেষজ্ঞ ড. এস এম মোরশেদ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অংশীদার সংস্থার প্রতিনিধিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%