ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রাজিলে আমাজনের বন উজাড় রেকর্ড পরিমাণে কমেছে


ব্রাজিলে আমাজনের বন উজাড় রেকর্ড পরিমাণে কমেছে

ব্রাজিলের আমাজন ও সাভানা অঞ্চলে বন উজাড়ের হার রেকর্ড পরিমাণে কমে এসেছে। সরকারি তথ্য এবং স্যাটেলাইট উপাত্তের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে, বর্তমান বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কঠোর পরিবেশগত নীতির কারণে এই অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট লুলা ঘোষণা করেছেন যে ২০৩০ সালের মধ্যে অবৈধভাবে গাছ কাটা ও বন উজাড় সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হবে।

স্যাটেলাইটের তথ্য অনুযায়ী, বিবিসি জানাচ্ছে, ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে আমাজনে বন উজাড়ের হার ৪১.৮ শতাংশ কমেছে, যা ১৯৮৮ সালে তথ্য সংগ্রহ শুরু হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে বড় হ্রাস। একই সঙ্গে সাভানা অঞ্চল ‘সেরাদো’-তেও বন উজাড় ২৩.৮ শতাংশ কমেছে। তিন বছর আগে বামপন্থী রাষ্ট্রপতি লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ক্ষমতায় আসার পর পরিবেশ নজরদারি কঠোর করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে গাছ কাটার শাস্তি বৃদ্ধি করা হয়েছে। তার পূর্বসূরি, ডানপন্থী জাইর বলসোনারোর আমলে আমাজনে বন উজাড় ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছিল, যা লুলার আমলে এসে ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। লুলা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে ২০৩০ সালের মধ্যে আমাজনে অবৈধভাবে বন উজাড় সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হবে।

আগামী ২৫ অক্টোবর ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লুলার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও। জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে। ফ্লাভিও জয়ী হলে তিনি বাবার নীতিগুলো বজায় রাখবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে আমাজনে সংগঠিত অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আশ্বাসও দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: বিশ্বজুড়ে ১০ বছরে সাড়ে ৪ হাজারেরও বেশি শিশু অভিবাসীর মৃত্যু: আইওএম

বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট আমাজনের ৬০ শতাংশই ব্রাজিলে অবস্থিত। এই বন বায়ুমণ্ডলের বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে পৃথিবীকে শীতল রাখতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরিবেশবিদ ও জলবায়ু সংস্থাগুলোর মতে, ব্রাজিলের এই ঐতিহাসিক অর্জন প্রমাণ করে যে রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে বন উজাড় রোধ করা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেফারির পকেটে ডিজিটাল কার্ড, কাগজের লাল-হলুদ কার্ডের পরিবর্তে প্রযুক্তির ব্যবহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৩ এম


রেফারির পকেটে ডিজিটাল কার্ড, কাগজের লাল-হলুদ কার্ডের পরিবর্তে প্রযুক্তির ব্যবহার

ফুটবল প্রযুক্তির উন্নতি অনেক আগেই শুরু হয়েছে। তবে প্রতিদিনই নতুন কিছু সংযোজন হচ্ছে। এবার কার্ডের ক্ষেত্রে একটি নতুনত্ব আসতে চলেছে। কাগজের হলুদ ও লাল কার্ডের ব্যবহার শীঘ্রই শেষ হতে যাচ্ছে, সতর্কতা ও শাস্তির জন্য।

রেফারির পরিচিত দৃশ্যটি এবার প্রযুক্তির প্রভাবে পরিবর্তিত হতে চলেছে। কাগজের কার্ডের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে হলুদ ও লাল কার্ড প্রদর্শিত হবে। এই প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ ঘটেছে উরুগুয়ে।

১৫ অক্টোবর উরুগুয়ের কোপা এইউএফ উরুগুয়ে টুর্নামেন্টে ন্যাসিওনাল ও রেন্তিস্তাসের মধ্যে ম্যাচে এই ডিজিটাল কার্ডের ব্যবহার করা হয়। রেফারি এদুয়ার্দো ভারেলা স্মার্টফোনের মতো দেখতে যন্ত্রটি ব্যবহার করে খেলোয়াড়দের শাস্তি প্রদান করেন। ম্যাচের ১২ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ডটি রেন্তিস্তাসের হুয়ান পাবলো প্লাদাকে দেখানো হয়। ন্যাসিওনালের ৩-০ গোলের জয়ের ম্যাচে ম্যাক্সি সিলভেরাকে ফাউল করার জন্য তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়।

তবে এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা শুধুমাত্র কার্ড প্রদর্শনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। যন্ত্রটিতে দুটি বোতাম রয়েছে, একটি হলুদ কার্ড এবং অন্যটি লাল কার্ড প্রদর্শনের জন্য। একই সঙ্গে, শাস্তির সিদ্ধান্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ‘কোমেট’ (COMET) ব্যবস্থায় নথিভুক্ত হয়ে যায়।

এই যন্ত্রের মাধ্যমে গোল, পেনাল্টি, খেলোয়াড় পরিবর্তনসহ ম্যাচের বিভিন্ন ঘটনার তথ্যও নথিভুক্ত করা সম্ভব। ফলে হাতে লিখে তথ্য রেকর্ড করার ঝামেলা কমে যাবে।

যদিও সময় ও ঝামেলা কমানোর জন্য এটি কার্যকর, পরীক্ষায় কিছু সীমাবদ্ধতা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে, দূর থেকে এবং তীব্র সূর্যের আলোতে পর্দার রং স্পষ্ট দেখা কঠিন। তাই ডিজিটাল ব্যবস্থা এখনই চিরচেনা কার্ডের স্থান দখল করছে না।

তবে ভবিষ্যতে রেফারির পকেটে কাগজের কার্ডের পরিবর্তে থাকবে একটি ছোট ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যেখানে শাস্তির ভেদে কার্ডের ছবি প্রদর্শিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শতবর্ষের দুর্লভ ছবিতে জেরুজালেম ও ফিলিস্তিনের ইতিহাস তুলে ধরলেন মুহাম্মদ হাশেম ঘুশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৩ এম


শতবর্ষের দুর্লভ ছবিতে জেরুজালেম ও ফিলিস্তিনের ইতিহাস তুলে ধরলেন মুহাম্মদ হাশেম ঘুশা

শতবর্ষের পুরনো আলোকচিত্র, স্থাপত্যের নকশা এবং দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে ফিলিস্তিনের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে কাজ করে যাচ্ছেন জর্দানের ইতিহাসবিদ ও স্থপতি মুহাম্মদ হাশেম ঘুশা। তাঁর দীর্ঘদিনের গবেষণা ও সংগ্রহের ফলস্বরূপ তৈরি পাঁচ খণ্ডের ‘জেরুজালেমের স্মৃতি’ বা ‘জাকিরাতুল কুদস’ সংকলনে উনিশ শতকের শেষভাগ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ফিলিস্তিনের স্থাপত্য, সামাজিক জীবন এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সংকলনটিতে উসমানীয় শাসনামল, ব্রিটিশ ম্যান্ডেট, জর্ডানের শাসনকাল এবং ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলনসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক সময়ের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন ও জীবনযাত্রার চিত্র স্থান পেয়েছে। ঘুশার দীর্ঘদিনের গবেষণা ও নথি সংগ্রহের মাধ্যমে তৈরি এসব ছবি সাধারণ পাঠক, গবেষক এবং ফিলিস্তিনের ইতিহাসে আগ্রহীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

আনাদোলু জানিয়েছে, সংস্থাটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে পাঁচ খণ্ডের মূল আরবি গ্রন্থ থেকে নির্বাচিত ছবির সঙ্গে থাকা তথ্য অনুবাদ করেছে, যাতে জেরুজালেমের ইতিহাসের এসব দৃশ্যমান দলিল আরো বিস্তৃতভাবে পাঠকের কাছে পৌঁছানো যায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়।

জেরুজালেমের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে ঘুশা ২০২০ সালে সৌদি আরবের কিং ফয়সাল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর গবেষণার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নিজের পরিবারের বাস্তুচ্যুতির ইতিহাসও।

১৯৪৮ সালের নাকবা বা বিপর্যয়ের পর অসংখ্য ফিলিস্তিনির মতো ঘুশার পরিবারও বাস্তুচ্যুত হয়। ১৯৫৪ সালে তাঁদের জেরুজালেম ছেড়ে যেতে হয় এবং পরে তাঁরা কুয়েতে বসতি স্থাপন করেন। ১৯৬৭ সালে ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম দখল করার পর পরিবারের পক্ষে শহরটিতে ফিরে আসা সম্ভব হয়নি।

ঘুশার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন দূরে থাকার সময় জেরুজালেমে ফিরতে না পারার বেদনা তাঁদের তাড়িয়ে বেড়িয়েছে। তিনি বলেন, ‘জেরুজালেম ও ফিলিস্তিন শুধু আমাদের মাতৃভূমি ছিল না, এগুলো ছিল আমাদের অতীত, ভবিষ্যৎ ও হৃদয়।’ তাঁর দাবি, ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত তাঁদের জেরুজালেম ও ফিলিস্তিনে প্রত্যাবর্তন নিষিদ্ধ ছিল।

১৯৯৪ সালে ফিরে আসতে পারার পর ঘুশা তাঁর জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেন। এরপর তিনি জেরুজালেমের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও নিদর্শন অনুসন্ধান, মাঠপর্যায়ের গবেষণা এবং প্রাথমিক সূত্রের ভিত্তিতে শহরটির ইতিহাস নথিবদ্ধ করার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন।

ঘুশার মতে, একজন ইতিহাসবিদের দায়িত্ব শুধু অতীতের ঘটনা লিপিবদ্ধ করায় সীমাবদ্ধ নয়; ঐতিহ্য ও সভ্যতার নিদর্শন সংরক্ষণ করে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য। তিনি বলেন, ‘আমাদের ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সভ্যতা নিয়ে লেখা চালিয়ে যেতে হবে। কারণ, ঐতিহ্য ছাড়া আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ খুঁজে পাব না।’

প্রায় ৩০ বছরের গবেষণা ও পেশাগত কাজের অভিজ্ঞতায় ঘুশা গাজা ও জেরুজালেমের বহু গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি ও খ্রিষ্টীয় স্থাপনার ইতিহাস নথিবদ্ধ করেছেন। তিনি ফিলিস্তিনের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনার সম্মুখভাগ, অভ্যন্তরীণ অংশ ও স্থাপত্যপরিকল্পনার নকশাও তৈরি করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এসব স্থাপনার বেশ কয়েকটি পরবর্তী সময়ে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

গাজার ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে তিনি আল-ওমারি গ্র্যান্ড মসজিদ ও মসজিদে সাইয়্যিদ হাশিমের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, স্থাপনাগুলো বর্তমানে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার মুখে রয়েছে। এ ছাড়া গাজার বিভিন্ন গির্জা, ইবনে মারওয়ান মসজিদসহ অন্যান্য মসজিদ, মাজার, ঐতিহাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রাচীন সরাইখানাও তাঁর গবেষণার আওতায় এসেছে।

ঘুশা মনে করেন, এসব স্থাপনার সঠিক স্থাপত্যগত জরিপ ও নথিপত্র তৈরি করা জরুরি। এর মাধ্যমে স্থাপনাগুলোর ঐতিহাসিক পরিচয় সংরক্ষণ করা যাবে এবং ভবিষ্যতে পুনরুদ্ধার ও গবেষণার কাজে সহায়তা মিলবে।

ফিলিস্তিনের ইতিহাস অনুসন্ধানে আলোকচিত্রের গুরুত্বও বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন এই ইতিহাসবিদ। তাঁর মতে, পুরোনো ছবিতে মানুষের দৈনন্দিন জীবন, সামাজিক রীতিনীতি, ঐতিহ্য এবং স্থাপত্যের পরিবর্তন সম্পর্কে এমন তথ্য পাওয়া যায়, যা শুধু লিখিত নথি থেকে জানা কঠিন। উনিশ শতক থেকে ফিলিস্তিন সফর করা পর্যটক ও ভ্রমণকারীদের তোলা ছবি এখন দেশটির অতীত পুনর্গঠনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

এ ছাড়া গাজা নিয়ে আনাদোলুর প্রকাশিত ‘দ্য গাইড’, ‘দ্য উইটনেস’ ও ‘দ্য অ্যাকিউজড’ শিরোনামের তিনটি বইয়ের কথাও উল্লেখ করেন ঘুশা। তাঁর দাবি, এসব বইয়ে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের সময় সংঘটিত অপরাধ ও ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ নথি সংকলিত হয়েছে।

ঘুশার দীর্ঘদিনের এই উদ্যোগে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, ঐতিহাসিক স্থাপনা ও আলোকচিত্র সংরক্ষণ শুধু অতীতকে জানার বিষয় নয়; বরং একটি জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ারও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাঁর বিশ্বাস, ফিলিস্তিনিরা একদিন নিজ ভূমিতে ফিরে আসবে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষিত থাকা জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে সোনার ভরি বিক্রি হচ্ছে দুই লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৬ এম


দেশে সোনার ভরি বিক্রি হচ্ছে দুই লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকায়

দেশের বাজারে গত মঙ্গলবার সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভরিতে তিন হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম দুই লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নতুন দাম মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং আজ শনিবারও একই দামে সোনা বিক্রি হচ্ছে।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম তিন হাজার ১৪৯ টাকা কমিয়ে দুই লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই হাজার ৬৮২ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম দুই হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ৯ অক্টোবর দেশের বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধি করা হয়েছিল। সেই সময় ভরিতে দুই হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম দুই লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই হাজার ৯৯ টাকা বাড়িয়ে দুই লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা করা হয়েছিল।

এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজার সৈকতে হকারদের দৌরাত্ম্যে পর্যটকরা অতিষ্ঠ, প্রশাসন পরিকল্পনার আশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৩ এম


কক্সবাজার সৈকতে হকারদের দৌরাত্ম্যে পর্যটকরা অতিষ্ঠ, প্রশাসন পরিকল্পনার আশ্বাস

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার। প্রতিবছর লাখো পর্যটক এখানে আসেন নীল জলরাশি ও বিস্তীর্ণ বালুকাবেলা উপভোগ করতে। কিন্তু সৈকতে বসে সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। পর্যটকেরা অভিযোগ করছেন, হকারদের বারবার পণ্য কেনার অনুরোধ, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, নিরাপত্তা শঙ্কা, লাইফগার্ডের অভাব এবং আবাসন ব্যয়ের কারণে তাদের ভোগান্তি হচ্ছে। তাদের মতে, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অব্যবস্থাপনার ফলে দেশের অন্যতম প্রধান এই পর্যটনকেন্দ্রের সৌন্দর্য ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

সম্প্রতি বগুড়া থেকে বেড়াতে আসা পলাশ মাহমুদ ও তার স্ত্রী লুপনা সুগন্ধা পয়েন্টের বালিয়াড়িতে ছাতার নিচে বসে সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করছিলেন। এ সময় তাদের সামনে ধারণ করা চার মিনিটের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একে একে ২৭ জন হকার পণ্য বিক্রির প্রস্তাব নিয়ে হাজির হয়েছেন। সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসে এমন অভিজ্ঞতায় বিরক্ত এই দম্পতি।

পলাশ মাহমুদ বলেন, ‘চার-পাঁচ সেকেন্ড পরপরই হকাররা এসে বিভিন্ন পণ্য কেনার জন্য অনুরোধ করছেন। আমরা মূলত এখানে আসি একটু আনন্দ করতে, মানসিক প্রশান্তি পেতে এবং সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। কিন্তু হকারদের অতিরিক্ত আনাগোনার কারণে সেই আনন্দ অনেকটাই ব্যাহত হচ্ছে।’

একই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন লুপনাও। তিনি জানান, রাতে সৈকতে ঘুরতে গিয়ে প্রতি মিনিটে ১২ থেকে ১৫ জন বা তারও বেশি হকারকে পণ্য কেনার অনুরোধ জানাতে দেখেছেন। এতে স্বস্তিতে সময় কাটানো কঠিন হয়ে পড়ে, পাশাপাশি সৈকতের পরিচ্ছন্নতাও ব্যাহত হচ্ছে। ২০০৬ সালে কক্সবাজারে এসে যে পরিবেশ দেখেছিলেন, বর্তমানে তার অনেক পরিবর্তন হয়েছে।

শুধু এই দম্পতিই নন, সৈকতে আসা অনেক পর্যটকের অভিযোগ, কক্সবাজারে বেড়াতে এসে তারা প্রত্যাশিত স্বস্তি পাচ্ছেন না। সৈকতের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা, হোটেলের বর্জ্য ও পলিথিনের দূষণ, নিরাপত্তার অভাব এবং অতিরিক্ত খরচ তাদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও মনে করছেন, পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা ও সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া পরিস্থিতির উন্নতি করা কঠিন।

হকারের চাপ, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন

সৈকতে পর্যাপ্ত লাইফগার্ড না থাকার অভিযোগ করেছেন পর্যটক রবিন আহমেদ। তিনি বলেন, হকারদের অতিরিক্ত আনাগোনার কারণে পর্যটকদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

পর্যটক হাবিবুর রহমানের অভিযোগ, সৈকতসংলগ্ন এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে হোটেলগুলো। এসব হোটেলের বর্জ্য, পলিথিন ও অন্যান্য আবর্জনা সমুদ্রে গিয়ে পড়ছে, যা সামুদ্রিক পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে।

আবাসন ব্যয় নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে পর্যটকদের মধ্যে। আজিজুল হক বলেন, ভালো পরিবেশে থাকার মতো সাশ্রয়ী হোটেল পাওয়া কঠিন। তুলনামূলক কম ভাড়ার হোটেলগুলোতে আবার পরিবেশ ও মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

বিমানভাড়ার ঘন ঘন পরিবর্তনও ভ্রমণের পরিকল্পনা ও বাজেটে প্রভাব ফেলছে বলে জানান চিকিৎসক ইয়াহিয়া খান। তার মতে, এক দিনের ব্যবধানে ভাড়া পরিবর্তন হলে পর্যটকদের পক্ষে ভ্রমণ ব্যয় হিসাব করা কঠিন হয়ে পড়ে।

নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে এনেছেন পর্যটক শিহাবুর রহমান। তার মতে, দূরদূরান্ত থেকে বেড়াতে আসা পর্যটকদের স্থানীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে আগে থেকে জানার সুযোগ সীমিত। তাই পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা জান্নাতুল মাওয়ার অভিযোগ, সৈকতের অপরিচ্ছন্নতা ও হকারদের আনাগোনার কারণে স্বস্তিতে সময় কাটানো যায় না। ভেজা অবস্থায় শিশুদের নিয়ে সৈকত থেকে ফেরার সময় নারী ও শিশুদের জন্য চেঞ্জিং রুম, পর্যাপ্ত ছাউনি বা আশ্রয়ের ব্যবস্থা নেই।

হকারের সংখ্যা ও দৌরাত্ম্য বাড়ছে কেন?

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী-এই তিনটি পয়েন্টে সহস্রাধিক হকারের বিচরণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। জেলা প্রশাসনের বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির (বিএমসিএফ) সংশ্লিষ্টদের দাবি, তাদের অধিকাংশই স্থানীয় বাসিন্দা নন। ২০২৪ সালের পর থেকে সৈকতে হকারের সংখ্যা ও দৌরাত্ম্য বেড়েছে।

বিচ কর্মীদের সুপারভাইজার মাহাবুব আলম বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের তিনটি পয়েন্টের বালিয়াড়ি হকারমুক্ত রাখতে প্রতিদিন মাইকিং করা হয়। পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানও চালানো হয়। কিন্তু কোনোভাবেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। অনেক রোহিঙ্গা হকারও এখন সৈকতে ব্যবসা করছেন। বিচ কর্মীদের একার পক্ষে সৈকতকে হকারমুক্ত রাখা সম্ভব নয়।

সৈকত পাড়ের স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও বলছেন, ২০২৪ সালের পর থেকে সৈকতে হকারের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে। বালিয়াড়ির পাশাপাশি তিনটি পয়েন্টের সড়ক থেকে সৈকতে প্রবেশের পথগুলোও হকারদের দখলে চলে যাচ্ছে।

জেট স্কি ব্যবসায়ী সাদ্দাম বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে স্থানীয় হকারের সংখ্যা ১০০ থেকে ১৫০ জন। অন্যদের অনেকে রোহিঙ্গা এবং দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে সৈকতে ব্যবসা করছেন। এতে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ছে। সৈকতকে হকারমুক্ত করতে জেলা প্রশাসন ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

অন্যদিকে, হকারদের দাবি, জীবিকা নির্বাহের তাগিদেই তাদের অনেকে সৈকতে পণ্য বিক্রি করেন। অপরাধ থেকে দূরে থেকে বৈধভাবে উপার্জনের সুযোগ চান তারা। এ জন্য নির্দিষ্ট বিক্রয়স্থান নির্ধারণ, সুশৃঙ্খলভাবে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায় কি না, তা বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সৈকতসংলগ্ন তিন কিলোমিটার এলাকা পরিকল্পিতভাবে সাজানোর প্রস্তাব

পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, পুরো কক্সবাজারকে একসঙ্গে পরিকল্পিতভাবে সাজানো কঠিন হলেও সৈকতসংলগ্ন তিন কিলোমিটার এলাকাকে কেন্দ্র করে সমন্বিত উদ্যোগ নেয়া সম্ভব। এই এলাকায় যানবাহন চলাচল, হকার ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা, হাঁটাচলার পরিবেশ ও পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধার উন্নয়ন করা গেলে পরিস্থিতির দৃশ্যমান পরিবর্তন আসতে পারে।

হোটেল প্রাসাদ প্যারাডাইসের মহাব্যবস্থাপক মো. ইয়াকুব আলী বলেন, কক্সবাজারে আসা অধিকাংশ পর্যটকের চলাচল সৈকতসংলগ্ন তিন কিলোমিটার এলাকাকে কেন্দ্র করে। কিন্তু টমটম চলাচলের অব্যবস্থাপনা, হকার ও ভিক্ষুকদের বারবার উপস্থিতি পর্যটকদের স্বাভাবিকভাবে অবসর কাটাতে বাধা দেয়।

ইয়াকুব আলীর মতে, পর্যটন মৌসুমে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। টমটম চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, হকারদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং সৈকতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে এসব সমস্যার কারণে পর্যটকেরা কক্সবাজার ভ্রমণে আগ্রহ হারাতে পারেন।

হোটেল কক্স টুডের মহাব্যবস্থাপক আবু তালেব শাহ মনে করেন, সৈকতসংলগ্ন তিন কিলোমিটার এলাকাকে আধুনিক নকশায় সাজানো গেলে কক্সবাজারের পর্যটন আকর্ষণ বাড়বে। এ জন্য জেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। ওই এলাকায় দৃষ্টিনন্দন হাঁটার পথ, সবুজ উদ্যান, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর উপযোগী সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সৈকতসংলগ্ন দোকানগুলোকে নির্দিষ্ট স্থান ও অভিন্ন নকশার আওতায় আনা গেলে পরিবেশের সৌন্দর্য বাড়বে। ব্যবসায়ীদের জন্যও সুশৃঙ্খলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করা সহজ হবে।

পর্যটকেরা শুধু সমুদ্র দেখতে কক্সবাজারে আসেন না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সন্ধ্যা ও রাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে হাঁটাচলা এবং অবসর কাটানোর মতো পরিবেশও তাদের প্রয়োজন। পরিকল্পিত উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা রয়েছে।

সমন্বিত উদ্যোগের আশ্বাস প্রশাসনের

পর্যটন সেবার মান উন্নয়ন, হোটেল-মোটেলের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে পর্যটন ব্যবস্থাপনা উন্নত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে প্রশাসন। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান বলেন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পৌরসভা ও জেলা প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগে পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে সেবার মান উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি হোটেল-মোটেলসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হবে।

তাসনীম জাহান বলেন, পর্যটকেরা যে অর্থ ও সময় ব্যয় করে কক্সবাজারে আসেন, সে অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ প্রায়ই পাওয়া যায়। পর্যটকদের ব্যয় ও সময়ের যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করে তাদের ভ্রমণ আনন্দদায়ক করাই প্রশাসনের লক্ষ্য। উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগলেও পর্যটন ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হবে।

কক্সবাজারে একটি বিশেষ পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানান এই কর্মকর্তা। যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে কক্সবাজারকে আরও আধুনিক ও পর্যটকবান্ধব গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে মনে করেন তিনি।

সমুদ্রসৈকতের সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনা ধরে রাখার ক্ষেত্রে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো পরিকল্পনাগুলো বাস্তবে রূপ দেয়া। হকার ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা, যান চলাচল ও আবাসন সেবায় শৃঙ্খলা ফেরানোর পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। পর্যটকদের প্রত্যাশা, কক্সবাজারে বেড়াতে এসে যেন সমুদ্র উপভোগের বদলে অব্যবস্থাপনার মুখোমুখি হতে না হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%