০৭:৫৮ পি.এম
ইরান নতুন করে যেকোনো যুদ্ধ শুরু হলে শত্রুপক্ষকে আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী ও কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন সংঘাত বা আগ্রাসন শুরু হলে তারা আরও উন্নত ও আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করবে। একই সঙ্গে, ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা শিল্পে অস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতা ২.৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক এই সতর্কবার্তা প্রদান করেন।
রেজা তালাই-নিক বলেন, “শত্রুপক্ষের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক আগ্রাসনের মতো যেকোনো পদক্ষেপের মুখে তাদের আবারও চরম পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হবে। যেকোনো ভুল হিসাব-নিকাশের জবাব দেওয়া হবে আরও উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র ও বিধ্বংসী আক্রমণের মাধ্যমে।”
আরও পড়ুন: ৯ মাসে মালয়েশিয়ার রপ্তানি ৩৮৪.৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে
তিনি সাম্প্রতিক ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, এই অঞ্চলে মার্কিন আধিপত্যের পতন এবং ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর আগ্রাসন রুখে দেওয়া ইরানের প্রধান লক্ষ্য ও অর্জন। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান মার্কিন ও ইসরায়েলি অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সামরিক বাহিনীর চাহিদার ভিত্তিতে তাদের অস্ত্র উৎপাদন কৌশল ও পরিকল্পনা নিয়মিত আপডেট করা হচ্ছে। বর্তমানে ইরানের এক হাজারেরও বেশি ধরনের অস্ত্র ব্যবস্থা এবং সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
এছাড়া, রাশিয়া ও চীনের সাথে ইরানের দীর্ঘদিনের কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি জানান, এই দুই দেশের সাথে প্রতিরক্ষা খাতে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও বিনিময় অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
আরও পড়ুন: হুথি হামলার ভয়ে মধ্যপ্রাচ্যে ভ্রমণে সর্বোচ্চ সতর্কবার্তা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন