বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২৮ এম
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) ৬১৭টি বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব পুনরায় চালু করে লেনদেনের সুযোগ দেয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। এই ইতিবাচক সিদ্ধান্তের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) ধন্যবাদ জানায় সংগঠনটি।
বুধবার (৪ নভেম্বর) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ডিবিএ এ ধন্যবাদ জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অনুরোধ এবং কমিশনের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন ধরে ৬১৭টি বিও হিসাব স্থগিত ছিল। এসব হিসাব পুনরায় চালু করার জন্য গত ২০ জুলাই বিএসইসির চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত আবেদন করে ডিবিএ। আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, আইনগত বা সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক ও সরকারি সংস্থার কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলে স্থগিত হিসাবগুলো পুনরায় চালুর ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।
ডিবিএর আবেদন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে হিসাবগুলো পুনরায় চালু করে লেনদেনের সুযোগ দেয়ায় বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান, কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সংগঠনটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম।
ডিবিএ মনে করে যে, এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিন আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ শেয়ার পুনরায় লেনদেনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে পুঁজিবাজারে তারল্য এবং লেনদেন বাড়বে, পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ এবং বাজারের প্রতি তাদের আস্থা ফিরতে সহায়ক হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয় যে, এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্জিন ঋণ প্রদানকারী স্টক ব্রোকার এবং মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোও দীর্ঘদিনের আর্থিক ও ব্যবসায়িক সংকট কাটিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফেরার সুযোগ পাবে। এতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা এবং পুঁজিবাজারের সামগ্রিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
দেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বিএসইসিসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ও সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ডিবিএ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রাহমান এই আদেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, এদিন মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। অ্যালার্জিজনিত রোগে আক্রান্ত থাকার কথা উল্লেখ করে পরীমনির পক্ষের আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন।
অন্যদিকে বাদীপক্ষ আসামির জামিন বাতিলের আবেদন করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত বাদীপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে পরীমনির জামিন বাতিল করেন এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।
এর আগে ২০২১ সালের ৬ জুলাই সাভারের বোট ক্লাবের তৎকালীন সভাপতি নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে এ মামলা করেন। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন পরীমনির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি।
মামলাটি তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পরীমনি ও জিমির বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। এরপর আদালত তাদের হাজির হওয়ার সমন জারি করলে তারা আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন পেয়েছিলেন।
মামলার অভিযোগে নাসির উদ্দিন উল্লেখ করেন, ২০২১ সালের ৮ জুন রাতে পরীমনি ও তার সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন। রাত সোয়া ১টার দিকে ক্লাব ছাড়ার সময় পরীমনি তাকে ডাক দেন এবং একটি ‘ব্লু লেবেল’ অ্যালকোহলের বোতল বিনা মূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য চাপ দেন। এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি তাকে গালমন্দ করেন এবং একপর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি সার্ভিং গ্লাস ও মোবাইল ফোন ছুড়ে মারেন। এতে নাসিরের মাথা ও বুকে আঘাত লাগে।
বাদী অভিযোগে আরও জানান, পরীমনি ও তার সহযোগীরা বোট ক্লাবে ভাঙচুর করেন এবং তাকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেন। বাদীর দাবি, এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্যই পরীমনি সাভার থানায় উল্টো নাসির উদ্দিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার মিথ্যা অভিযোগ তুলে মামলা করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিকেট মাঠে ভারতীয় অধিনায়ক শুভমান গিলের কপালের পাশে একটি বিশেষ ডিভাইস নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে কৌতূহল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের আগে অনুশীলনের সময় প্রথমবারের মতো তার কপালে এই যন্ত্রটি দেখা যায়।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে একই ডিভাইস ব্যবহার করতে দেখা গেছে তাকে। এর পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে, কী এই যন্ত্র এবং কেন ভারতীয় অধিনায়ক এটি ব্যবহার করছেন?
ডিভাইসটির নাম ‘টেম্পল’। এটি সাধারণ স্মার্টওয়াচ বা ফিটনেস ব্যান্ড নয়। এটি বিশেষভাবে তৈরি একটি ওয়্যারেবল প্রযুক্তি, যা মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের পরিবর্তন এবং শরীরের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় সংকেত পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। এর বাজারমূল্য প্রায় ৮৫ হাজার ভারতীয় রুপি।
জোমাটো ও ইটারনালের প্রতিষ্ঠাতা দীপিন্দর গোয়েলের উদ্যোগে তৈরি এই ডিভাইসটি আকারে ছোট এবং ডিম্বাকৃতির। এটি কবজিতে নয়, কানের সামনের দিকে কপালের পাশে বিশেষ আঠালো প্যাচের মাধ্যমে লাগানো হয়। ফলে অনুশীলন বা খেলার সময় এটি ব্যবহার করা সম্ভব হয়।
টেম্পলের মূল প্রযুক্তির নাম ‘ব্রেনফ্লো’। এতে থাকা অপটিক্যাল সেন্সরের মাধ্যমে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের পরিবর্তন-সংশ্লিষ্ট সংকেত সংগ্রহ করা হয়। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে শরীর বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে, সে সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার অন্যতম লক্ষ্য প্রযুক্তিটির।
এছাড়া ডিভাইসটিতে ‘এন্ট্রপি’ নামে একটি স্কোর রয়েছে, যার পরিসর ১ থেকে ২৫০। নির্মাতা দীপিন্দর গোয়েলের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই স্কোরের মাধ্যমে শরীরের শারীরবৃত্তীয় চাপ ও পরিশ্রমের মাত্রা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ব্যায়াম, ঘুম, মানসিক চাপ, ক্যাফেইন গ্রহণ বা বিশ্রামের মতো বিষয় এই স্কোরে প্রভাব ফেলতে পারে।
সাধারণ স্মার্টওয়াচ যেখানে হৃদস্পন্দন, ঘুম ও শারীরিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে, সেখানে টেম্পলের লক্ষ্য হচ্ছে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের পরিবর্তন এবং মানসিক ও শারীরিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত সংকেত বিশ্লেষণ করা।
ক্রিকেটারদের জন্য এ ধরনের প্রযুক্তি কার্যকর হতে পারে। দীর্ঘ সময় ব্যাটিং, ফিল্ডিং বা অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালনের সময় একজন ক্রিকেটারকে শারীরিক পরিশ্রমের পাশাপাশি মানসিক চাপও সামলাতে হয়। টেম্পলের মতো ডিভাইস শরীরের প্রতিক্রিয়া, বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধার সম্পর্কে বাড়তি তথ্য দিতে পারে। তবে শুভমান গিল ঠিক কোন উদ্দেশ্যে এটি ব্যবহার করছেন, সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
শুধু ক্রিকেট নয়, অন্যান্য খেলাতেও এই প্রযুক্তির ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধুকেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টেম্পল ব্যবহার করতে দেখা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের বাজারে ডিভাইসটির প্রথম ব্যাচের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৮৫ হাজার রুপি। ১ নভেম্বর থেকে এর প্রি-অর্ডার শুরুর ঘোষণা দিয়েছিলেন দীপিন্দর গোয়েল। অর্ডার অনুযায়ী প্রতিটি ডিভাইস তৈরি করে সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে নির্মাতাদের।
তবে টেম্পলকে প্রচলিত ব্রেন স্ক্যানিং যন্ত্র ভাবার সুযোগ নেই। এটি ইইজি এর মতো মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করে না। একই সঙ্গে এটি কোনো রোগ নির্ণয়ের যন্ত্র নয় বা চিকিৎসাগতভাবে সুস্থতা নিশ্চিত করার বিকল্পও নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মোটরসাইকেলে করে হরিণের মাংস বহন করার সময় আনুমানিক ২০ কেজি মাংসসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পৌরসভার বহেরাতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলী গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে সোহাগ হোসেন (৪০) এবং অন্যজন হলেন বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার মাছকাটা গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে মিরাজুল ইসলাম (৩৮)। জানা গেছে, মিরাজুল ইসলাম পল্লী বিদ্যুতের কর্মী।
থানা-পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মঠবাড়িয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হৃদয় চাকলাদার তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বহেরাতলা এলাকায় অভিযান চালান। অভিযানের সময় মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার পথে সন্দেহভাজন ওই দুজনকে আটক করা হয়। তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে আনুমানিক ২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়।
পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে উদ্ধার করা মাংস জব্দ করে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মোটরসাইকেলে করে হরিণের মাংস পরিবহনের সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে কর্মপরিবেশ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। শ্রমিকরা নির্বিঘ্নে কাজে যোগদান করেছেন। শিল্প পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিল্পাঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল থেকে ঢাকা রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলসহ (ডিইপিজেড) শিল্পাঞ্চলের সকল কারখানায় শান্তিপূর্ণভাবে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকেই শ্রমিকরা কারখানার নিজস্ব পরিবহনে অথবা পায়ে হেঁটে কর্মস্থলে আসছেন। কারখানাগুলোর সামনে শ্রমিকদের স্বাভাবিক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এদিকে, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শিল্পাঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সাভারের হেমায়েতপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ কারখানার সামনে বিজিবি সদস্যদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বিজিবির বিশেষ দলের নিয়মিত টহল, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। শিল্প পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাভার, ধামরাই ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলের সব এলাকায় সকাল থেকে শ্রমিকেরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন।
এর আগে, গত কয়েকদিন ধরে মাসিক বেতন বৃদ্ধির দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন চলছিল। গাজীপুর, হেমায়েতপুর, নারায়ণগঞ্জ, মিরপুরসহ শিল্পাঞ্চল এলাকাগুলোতে সকাল থেকেই পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
তবে শ্রমিকদের বিক্ষোভের মধ্যে গত ১ নভেম্বর সরকার ৬ সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। ডিসেম্বরেই নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণে শ্রমিক-মালিক দুপক্ষ একমত হয়েছেন। বাস্তবায়ন হলে জানুয়ারিতেই বর্ধিত বেতন হাতে পাবেন তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকরা।
সবশেষ ২০২৩ সালে ডিসেম্বরে ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ