০১:২৬ এম
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে মার্কিন হতাহতের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়ে গেছে।
এর মধ্যে পেন্টাগন তাদের ক্যাজুয়ালটি ডেটাবেসে (ডিসিএএস) চুপিসারে ‘ওভারসিজ অপারেশনস’ নামে নতুন একটি বিভাগ যুক্ত করে হতাহতের নতুন হিসাবে পরিবর্তন এনেছে।
গত ৭ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই নতুন হিসাবকে মূলত মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন এড়ানোর কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ‘বর্তমান নিয়ন্ত্রণরেখায় যুদ্ধ স্থগিতে সম্মত ইউক্রেন’
কারণ, কাকতালীয়ভাবে ঠিক ওই দিনেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসকে চিঠি দিয়ে ইরানের সাথে নতুন করে সংঘাত শুরুর দাবি করেছিলেন।
শনিবার হালনাগাদ করা পেন্টাগনের নতুন তথ্যে জানা যায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’তে এখন পর্যন্ত ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে এবং ৬২৪ জন আহত হয়েছেন।
গত সপ্তাহে সিএনএনের পর্যবেক্ষণে আহতের সংখ্যা ৪৮২ জন থাকলেও, নতুন তালিকায় তা এক লাফে ১৪০ জনের বেশি বেড়ে গেছে।
ফিরে এসেছে বাদ পড়া নিহত চার সেনার নাম। জর্ডান ও উত্তর ইরাকে প্রাণ হারানো সেনারাও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর তুরস্কের বিরুদ্ধে সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনার ইঙ্গিত
গত সপ্তাহে ডেটাবেসে হতাহতের সংখ্যা হঠাৎ কমে গেলে ১২ জন ডেমোক্র্যাট সিনেটর প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের কাছে এর আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা চান।
জবাবে পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত প্রেস সেক্রেটারি জোয়েল ভালদেজ সামাজিক মাধ্যমে এটিকে নিছক ‘সাময়িক ডেটা বিভ্রাট’ বলে দাবি করেন।
তবে শুক্রবার সিএনএন যিনি মাসপেক্ষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চেয়ে, রোববার পর্যন্ত পেন্টাগন কোনো জবাব দেয়নি।
পেন্টাগনের এই ৭ জুলাইয়ের নতুন হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনপ্রণেতারা।
আরও পড়ুন: ট্রাম্প-রুবিওর নীরবতা ইসরাইলকে বেপরোয়া করছে: মার্কিন সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন
রিপাবলিকান সিনেটর লিসা মুরকাউস্কি উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, প্রশাসন মূলত কৌশলে ‘ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট’-এর আইনি বাধ্যবাধকতা এড়াতে চাইছে।
তবে গত মে মাসেই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও প্রেসিডেন্টের সামরিক ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করা এই আইনটিকে পুরোপুরি ‘অসাংবিধানিক’ বলে দাবি করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন