বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১৫ এম
মহান আল্লাহ সকল প্রাণী ও জীবের কথা শোনেন। যেখান থেকেই ডাকা হয়, তিনি সাড়া দেন। যখন কেউ আন্তরিকভাবে এবং বিগলিত মনে তাঁর কাছে কিছু চান, তখন তিনি তা কবুল করেন। এ কারণে আমাদের উচিত বেশি বেশি দোয়া করা। দোয়া মুমিনের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। দোয়ার মাধ্যমে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ঘটে।
নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের আদর্শ। এমন কিছু দোয়া রয়েছে, যেগুলো নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়মিতভাবে পড়তেন। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পঠিত দোয়াগুলো উম্মতের জন্য একটি মহৎ শিক্ষা। এই দোয়াগুলো হলো-
হজরত উম্মে সালামা (রা.) একবার জিজ্ঞাসা করেছিলেন, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়েন। তখন তিনি এই দোয়াটির কথা উল্লেখ করেন-
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ উচ্চারণ: ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলুব; সাব্বিত ক্বলবি আ’লা দীনিক। এর অর্থ হলো: হে অন্তর পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের ওপর দৃঢ় ও মজবুত রাখো। (তিরমিজি: ৩৫২২)
মহান আল্লাহ মানুষের অন্তরের একমাত্র পরিবর্তনকারী। এ কারণেই নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের জন্য এবং উম্মতের জন্য শিক্ষা স্বরূপ এই দোয়াটি বেশি বেশি পাঠ করতেন।
হজরত জুওয়াইরিয়া (রা.) বর্ণনা করেন, একদিন আল্লাহর নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সময় তার ঘর থেকে বের হয়ে গেলেন। তখন তিনি জায়নামাজে ছিলেন। নবীজি চাশতের সময় তার ঘরে ফিরে এলেন। তখনও তিনি জায়নামাজে ছিলেন। নবীজি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘জুওয়াইরিয়া! আমি যাওয়ার পর থেকে তুমি কি এভাবেই ওজিফা আদায়ে ছিলে?’ তিনি বললেন, হ্যাঁ।
নবীজি তাকে বললেন, আমি তোমার পরে চারটি বাক্য তিনবার বলেছি। যদি এগুলোকে ওজন করা হয়, তবে এগুলোই তোমার কৃত সমস্ত ওজিফার চেয়ে বেশি ভারী হবে। আর তা হলো-
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ وَرِضَا نَفْسِهِ وَزِنَةَ عَرْشِهِ وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ উচ্চারণ: সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি আদাদা খালকিহি ওয়া রিজা নাফসিহি ওয়া জিনাতা আরশিহি ওয়া মিদাদা কালিমাতিহি।
এর অর্থ হলো: আমি আল্লাহ তায়ালার প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করছি। তার সৃষ্টিকুলের সংখ্যা, তিনি সন্তুষ্ট হওয়া পরিমাণ, তার আরশের ওজন সমপরিমাণ, এবং তার কথা লিপিবদ্ধ করার কালি পরিমাণ। (মুসলিম: ৭০৮৮)
হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুর আগে এই দোয়াটি বেশি বেশি পড়তেন,
سبحان الله وبحمده، أستغفر الله وأتوب إليه উচ্চারণ: সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি; আস্তাগফিরুল্লাহ; ওয়া আতুবু ইলাইহি।
এর অর্থ হলো: আল্লাহর প্রশংসাসহ তার পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তার কাছে তাওবাহ করছি। (মুসলিম)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শত শত সাংবাদিক সহ ব্যবসায়ী দের সাথে আর্থিক প্রতারনা ও বিভিন্ন নারীদের সাথে প্রতারনা ও যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে দৈনিক দেশ প্রতিদিন পত্রিকার সদ্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ কারী ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জোবায়ের হোসেন যাদুর বিরুদ্ধে
ষোলো বছরে পদার্পণ করা দৈনিক দেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত আছেন আলাউদ্দিন রায়হান যিনি ভালো করে কথাও বলতে পারেন না । এমন ব্যক্তি কে প্রধান সম্পাদকের চেয়ারে বসিয়ে ঘারে চেপে মাথায় কাঁঠাল রেখে খাওয়ার মত করে পুরোটা দেশ প্রতিদিন পত্রিকার কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন ছেলে জোবায়ের হোসেন যাদু
দেশ প্রতিদিন পত্রিকার নিবন্ধন নাম্বার গুগলে নেই তবু ও তিনি এটাকে জাতীয় পত্রিকা বলে প্রচার করেন এর নামে DDP টেলিভিশন চালু করা হয়েছে যার রেজিঃ নং c-189121 এবং দেশ প্রতিদিন পত্রিকার সিরিয়াল নং ৬৪২ জানিয়ে যাদু বলেন দেশ প্রতিদিন পত্রিকা সরকার নিবন্ধিত জাতীয় দৈনিক এবং এটি সবচেয়ে সুন্দর নাম দেশ প্রতিদিন, এমন করে বক্তব্য দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের মগজ ধোলাই করেন
দেশের মানুষ প্রতিদিন এই পত্রিকা পড়বে বলে তিনি প্রচার করে আসছেন অথচ এই পত্রিকা কোনো প্রকাশনিতে নিয়মিত ছাপা হয় না বরং খুচরাভাবে দশটা বিশটা করে পত্রিকা ছাপিয়ে তা দিয়ে সাংবাদিকদের সাথে প্রতারণার কাজ চালিয়ে আসছেন
দেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধি ও পরিচালক নিয়োগের নামে সারাবছরই চলে আসছে কার্ড বানিজ্য
দেশ প্রতিদিন পত্রিকার কার্ড দেওয়ার নামে প্রতিনিধি দের নানা ছলনার মিষ্টি বানীতে ফুঁসলিয়ে নতুন নতুন যুবকদের কে প্রশিক্ষণ দিয়ে সাংবাদিক বানানোর কথা বলে নানাভাবে বুঝিয়ে বিভিন্ন এমাউন্টের অর্থ আদায় করে আসছে
জোবায়ের হোসেন যাদুর দেশ প্রতিদিনের নামে বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তার বক্তব্যের অডিও রেকর্ড থেকে প্রমান পাওয়া যায় যে তিনি নতুন সাংবাদিক হতে চাওয়া যুবকদের সহ সিনিয়র জুনিয়র সাংবাদিকদের কে প্রথমে নিয়োগের নামে চটকদার বিজ্ঞাপন ফেইসবুকে আপলোড করে
আকর্ষণীয় সুবিধায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেখে বহু সাংবাদিক সহ চাকরী প্রত্যাশিরা এবং ছাত্রছাত্রীরা অধিক ভালো সুবিধা সহ প্রশিক্ষণ নিয়ে সাংবাদিক পেশায় কাজ করতে আগ্রহী হয়ে যাদুর তৈরি বিভিন্ন গ্রুপে যুক্ত হয় এবং মুঠোফোনে যোগাযোগ করে
এসময় জোবায়ের হোসেন যাদু দেশ প্রতিদিনে কাজ করতে আগ্রহী ব্যক্তিদের কে প্রথমে বলে কার্ড নিতে কোনো টাকা পয়সা লাগবেনা, ফ্রি কার্ড গেঞ্জি ফিতা স্টিকার এসব দেওয়া হবে
এসময় তিনি সাংবাদিকদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে আকৃষ্ট করে তারপর বলেন যে দেশ প্রতিদিনের কার্ড পেতে হলে ভালো মানের সাংবাদিক হতে হবে এবং বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ নিতে হবে তবে এই প্রশিক্ষণ ফি থানা পর্যায়ের সাংবাদিক হলে সারে চার হাজার পাঁচ হাজার দশ হাজার বা তার থেকে ও বেশি দিতে হবে বলে দাবি করতে থাকেন
এসময় যাদু সাংবাদিকদের কে কার্ড নিতে এবং প্রশিক্ষণ ফি দিতে রাজি করাতে যত ছলনা ও মিথ্যাচার করে থাকে। সাংবাদিক পেশায় যুক্ত হতে চাওয়া নতুন যুবকদের তিনি বেশি গুরুত্ব দিয়ে টার্গেট করেন ।
প্রতিদিন পত্রিকা জেলায় জেলায় পাঠানো হবে এবং এটা নামকরা জাতীয় দৈনিক পত্রিকা বলে হাইলাইটস করে থাকে।
অগ্রীম টাকা দিতে হবে না কার্ড গেঞ্জি ফ্রি অথচ প্রশিক্ষণ ফি বাবদ আলোচনা অনুযায়ী চার পাঁচ দশ হাজার যা কথা হবে তা কার্ড হাতে পাওয়ার সাথে সাথে কুরিয়ার সার্ভিসের লোকের হাতে দিতে হবে বলে শর্ত জুড়ে দিয়ে তারপর কার্ড পাঠানো হয়।
সারাদেশ ব্যাপী সারাবছর ই চলে এই নিয়োগ বাণিজ্য
মিষ্টি কথা শুনে তার ফাঁদে পা দেয়া আটানব্বই ভাগ মানুষ সাংবাদিক ছাত্র ছাত্রী সহ ব্যবসায়ীরা আকৃষ্ট হয়ে টাকা দিয়ে কার্ড গ্রহন করে।
এরপর ই দেখা যায় তার আসল চেহারা, একসপ্তাহ পরই তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন,কল দিলে রিসিভ করে না, আবার যদিও কাউকে তার গ্রুপে যুক্ত করে তাহলে তাদের পাঠানো নিউজ পাব্লিশ করে না বরং নিউজ এডিটর বিলের অযুহাতে আরো টাকা দাবি করতে থাকে,বলেন যে নিউজ এডিটর বিল না দিলে নিউজ পাব্লিশ করা হবে না।
পত্রিকা চাইলে টালবাহানা শুরু করে বলেন আপনারা টাকা না দিলে পত্রিকা প্রিন্ট হবে কি করে। এসব বলে টাকা নিয়ে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে তিনি প্রতিনিধিদের গ্রুপে যুক্ত করে শুরু করেন নানা কৌশলে নানা অযুহাতে অর্থ দাবির খেলা
কেউ প্রতিবাদ করে কিছু বললে বা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকেই গ্রুপ থেকে রিমুভ করে দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় আর তাদের থেকে নেওয়া অর্থ আর ফেরত দেয়না
বিভিন্ন পিকনিক ট্যুর বাধ্যতামূলক করে তিনি বলেন প্রতিনিধিদের বাধ্যতামূলক ট্যুরে যেতে হবে এবং ট্যুর ফি লাগবেনা বলে ফ্রি নেওয়া হবে বলে জানিয়ে সেখানে শর্ত জুড়ে দেয় যে ট্যুরে গিয়ে প্রশিক্ষণ হবে এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে এবং দেশ প্রতিদিন টিভি তথা DDP টেলিভিশন চালানোর প্রশিক্ষণ নিতে হবে যার জন্য দশ হাজার টাকা মূল্যের টেলিভিশন পেকেজ কিনতে হবে বাধ্যতামূলক। এই পেকেজে থাকবে বুম ওয়্যারলেস টি শার্ট স্টিকার ইত্যাদি
এইসব বুম সহ বাকি সরঞ্জাম বাইরে থেকে কিনা যাবেনা যাদুর কাছ থেকে ই কিনতে হবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেয়।
কেউ রাজি না হলে তাকে গ্রুপ থেকে রিমুভ করে তার থেকে হাতিয়ে নেয়া অর্থ ফেরত না দিয়ে ই তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়
এসব বুম পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে এর দাম মাত্র আঠারো শত বা দুই হাজার টাকা যার জন্য তিনি দশহাজার টাকা ছলনার মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়।
এভাবে প্রতারণা করে জোবায়ের হোসেন যাদু বাড়িগাড়ি তৈরি করেছেন। কোটিপতি হওয়ার সুবাধে যেখানে যায় সেখানে ই বিয়ে করে কিছুদিন ভোগবিলাস করে নারীদের ছেড়ে পালিয়ে আসে। বহু নারীদের থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে আসার ও অভিযোগ রয়েছে যাদুর বিরুদ্ধে
প্রতিমাসেই তার পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয় এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে পিকনিক ট্যুর হয়ে থাকে অভিযোগ রয়েছে
জোবায়ের হোসেন যাদুর প্রতারণার শিকার সাংবাদিকরা আস্তে আস্তে এসব বিষয়ে জানতে পেরে সকলে যোগাযোগের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে এই প্রতারনার প্রতিবাদ করতে ঐক্যের ডাক দিয়ে তার প্রতারনার বিভিন্ন মেসেজ অডিও রেকর্ড ক্লিপ ফেইসবুকে পোস্ট দিলে সারাদেশে প্রতারণার শিকার সাংবাদিকদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টিকারী হৈচৈ পড়ে যায়,দেখা যায় যে হাজারো সাংবাদিক সহ বিভিন্ন নারী দের থেকে অভিযোগ পাওয়া যায় যে জোবায়ের হোসেন যাদু একজন প্রতারক ও নারী লোভী প্রতারক।
তিনি পঞ্চাশ টারও অধিক বিবাহ করেছেন এবং সবাইকে ছেড়ে পালিয়ে যায়, বাচ্চাদের ভরন পোষন দেয়না, বিভিন্ন আবাসিক হোটেল বা বাসা ভাড়া করে চাকরি প্রত্যাশী নারী সহ বিভিন্ন অবৈধ নারীদের সাথে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করে , চাকরি দিবে বলে ব্লাকমেইল করে নারীদের শ্লীলতাহানি করে,বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধভাবে মেলামেশা করে তাদের বিয়ে না করে পালিয়ে যায়।
তার পৈতৃক বাড়ি মানিকগঞ্জের এলাকার সন্ত্রাসীদের সাথে ও তার অবাধ মেলামেশা এবং জোবায়ের হোসেন যাদু ধর্ষন মামলার ও আসামি হিসেবে Rab এর হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারেও ছিলেন।
প্রতারণার শিকার সাংবাদিকদের বক্তব্য হলো জোবায়ের হোসেন যাদুর দেশ প্রতিদিন পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল না হলে তিনি এই পত্রিকার নাম ব্যবহার করে তার এইসব প্রতারণার কার্যক্রম তিনি চালিয়েই যাবেন এবং হাজারো সাংবাদিক সহ চাকরিপ্রত্যাশী ছাত্র-ছাত্রী সহ বহু অসহায় নারীদের জীবন ক্ষতি ও শঙ্কার মধ্যে পড়বে।
সাংবাদিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হয়েও সেই সাংবাদিকরাই যাদুর প্রতারনার শিকার হয়েছে এটা রাষ্ট্রের জন্য অপমান জনক বিষয় এবং একটি কালো অধ্যায়। এই কালো অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটানোর জন্য দেশ প্রতিদিন পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল ও যাদুর গ্রেফতারের জোর দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকমহল
তার একাধিক স্ত্রী সন্তানদের ও অভিযোগ যে তারা ভরন পোষন না পেয়ে খেয়ে না খেয়ে যাদুর অত্যাচার মারধর ও হুমকি হয়রানির শিকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে
তার এলাকাবাসী সহ সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিক সমাজ এই ভন্ড প্রতারক নারী লোভী অর্থলোভী ধান্দাবাজ প্রতারক জোবায়ের হোসেন যাদুর এবং প্রতারনার আশ্রয় দান কারি আলাউদ্দিন রায়হানের দেশ প্রতিদিন পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল করে জোবায়ের হোসেন যাদুর গ্রেফতারের দাবিতে সাংবাদিকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করবেন বলে জানিয়েছেন।
সরকারের কাছে সাংবাদিকদের দাবি অনতিবিলম্বে জোবায়ের হোসেন যাদুর প্রতারণা বন্ধে দেশ প্রতিদিন পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল করতে হবে এবং তাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না নিলে অন্যান্য মুখোশধারী রাও পত্রিকা ও সম্পাদক শব্দ ব্যবহার করে প্রতারনার কাজ চালিয়ে যাওয়ার সাহস পাবে
মুখোশধারী প্রতারকরা সাহস পেয়ে পত্রিকা ও নিরপরাধ ভালো মানের পেশাদার সত্য ধারার সম্পাদকদের এবং সাংবাদিক পেশার মধ্যে কালীমা লেপন করতে সুযোগ পাবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সড়কের পাশে মাইলের পর মাইল বিদ্যুতের খুঁটি দাঁড়িয়ে রয়েছে। ঝুলছে ভারী হাইভোল্টেজের তার। গ্রাম, বাজারের দোকান, স্কুল এবং মসজিদ-মাদরাসা; সব জায়গায় বিদ্যুতের ওয়ারিং করা হয়েছে। বিদ্যুতের মিটারও লাগানো হয়েছে। কিন্তু কোথাও আলো জ্বলে না। এই পরিস্থিতি নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ডের।
স্থানীয়দের মতে, প্রায় আট বছর আগে বিদ্যুৎ সরবরাহের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কর্তৃপক্ষ। মিটার ও ওয়ারিংসহ বিভিন্ন কাজে অর্থও প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত অন্তত আড়াই হাজার পরিবার বিদ্যুৎ সরবরাহের অপেক্ষায় রয়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে গেলে করিম মার্কেটের দৃশ্য দেখা যায়। সেখানে ১৫টির মতো দোকান রয়েছে, যার মধ্যে খোলা আছে মাত্র চার-পাঁচটি। মার্কেটের মুদি দোকানি মো. হাসান জানান, ২০১৮ সালের দিকে দোকানে ওয়ারিং করেছেন, মিটার পেয়েছেন এবং মূল খুঁটি থেকে সার্ভিস তারও টানা হয়েছে। কিন্তু দোকানে বিদ্যুতের সরবরাহ নেই।
মো. হাসান বলেন, দোকান শুরু করার সময় সেখানে চারটি দোকান ছিল। কিছুদিন পর বিদ্যুতের সার্ভে আসলে দোকানগুলো বাড়তে শুরু করে। এরপর বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন ও লাইন টানার কাজ শুরু হয়। তিনি এবং অন্য দোকানিরা ওয়ারিং করিয়েছেন, সার্ভিস তার নিয়েছেন এবং মিটারও বসিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এক বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু ২০১৮ থেকে ২০২৬ সাল—আট বছর পার হয়ে গেলেও তারা বিদ্যুৎ পাননি। ফলে দোকানে স্থাপন করা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য নষ্ট হওয়ার পথে। বারবার বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানালেও কোনো সমাধান মিলছে না।
করিম মার্কেট থেকে বের হয়ে আশপাশের কয়েকটি বাড়ি, এক কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে ইসমাইল মার্কেট এবং উত্তরে নয়নের মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে একই চিত্র দেখা যায়। স্থানীয়রা জানান, সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চর নোমান, চর আক্রাম উদ্দিন, চরলক্ষ্মী ও চর উরিয়া গ্রামের সব জায়গায় একই অবস্থা বিরাজমান। চার গ্রামের সড়কে মাইলের পর মাইল বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে হাইভোল্টেজের তার ঝুলছে। গ্রামে বসতঘর, বাজারের দোকান, স্কুল-মসজিদ কিংবা মাদরাসা সবখানে ওয়ারিং করা হয়েছে। বিদ্যুতের মিটারও স্থাপন করা হয়েছে। খুঁটি থেকে মিটারে সার্ভিস তার টানা হয়েছে। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ নেই। ফলে অবহেলা ও অযত্নে খুঁটি ও তারে আগাছা জড়িয়ে পড়েছে। কোথাও খুঁটির সঙ্গে স্তূপ করে বেঁধে রাখা হয়েছে তার। কিছু ঘরের তারেও দীর্ঘদিনের মাকড়সার জাল জড়িয়ে আছে।
৯ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক আবদুল কাদের, যিনি স্থানীয়ভাবে কৃষক নেতাও, জানান, দীর্ঘ আট বছর ধরে এভাবেই পড়ে আছে সব। পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ সব আয়োজন করলেও বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পারেনি। এতে মিটারে মরিচা ধরেছে এবং ইলেকট্রনিক জিনিসপত্র নষ্ট হচ্ছে। আধুনিক বিশ্বায়নের এই যুগে বিদ্যুতের অভাবে কৃষকসহ উপকারভোগীরা নানা সংকটে পড়ছেন।
আব্দুল কাদের অভিযোগ করেন, তিনি এবং আশপাশের অনেক কৃষক শুষ্ক মৌসুমে সেচের অভাবে অনেক সবজি উৎপাদন করতে পারছেন না। একই সঙ্গে অনেকেই গরুর খামার করে বিপাকে পড়েছেন। কিছু খামার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। আবার বছরের পর বছর খামার নির্মাণ করেও গরু তুলতে পারছেন না।
স্থানীয়রা জানান, জেলার এই অঞ্চলে বছরের পর বছর কৃষিপণ্য উৎপাদন হচ্ছে। এখানকার বিভিন্ন সবজি পুরো জেলার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে যায়। কিন্তু এ অঞ্চলের মানুষ বিদ্যুৎবঞ্চিত। ২০১৮ সালের দিকে যখন পল্লী বিদ্যুৎ খুঁটি ও লাইন টানছিল, তখন সবাই আশা করেছিলেন এক-দেড় বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ পাবেন। কিন্তু আট বছর অতিবাহিত হলেও তারা বিদ্যুৎ পাননি।
কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে এত আয়োজন করার পরও কেন এখনো বিদ্যুৎহীন হাজারো পরিবার, তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেলা সদর দপ্তরে গেলে জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মকবুল আলম জানান, আট বছর আগের ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা কোথায় সেটি খুঁজে দেখা হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী পটুয়াখালী জেলার বাউফল পৌর বিএনপির সদস্য মোসলেম উদ্দিন হাওলাদারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) বুধবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৭০ বছর।
তিনি বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. মিজানুর রহমানের পিতা ছিলেন।
এক শোকবার্তায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব উল্লেখ করেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের নীতি ও আদর্শ এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনে গভীরভাবে আস্থাশীল মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার বাউফল পৌর বিএনপিকে শক্তিশালী, গতিশীল ও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করেছেন। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’
শোকবার্তায় রুহুল কবির রিজভী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবর্গ, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ : শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সরকার আন্তরিকভাবে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য কাজ করছে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, "ধর্মীয় চর্চা করতে এদেশে আর কারো হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হবে না।" তিনি বলেন, যার যার ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাংলাদেশে সকলে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি নিয়ে একসাথে বসবাস করবে। তিনি স্পষ্ট করেন, কারও ধর্মীয় অধিকার চর্চায় কোনো বাধা দেওয়া যাবে না।
বুধবার রাতে, চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাচার বাজারে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ বছর পূজা পালনে কচুয়াতে বিগত যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। তিনি আশ্বাস দেন, আগামীতেও ধর্মীয় উৎসব পালনে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
এ সময় বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবি, কচুয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু নাছির, কচুয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ আজিজুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও পুণ্যার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ