ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

লালশাড়িতেই হারিয়ে যাচ্ছে ‘দৌড়ে বেড়ানো’ শৈশব, বাল্যবিবাহের ঝুঁকি বাড়ছে


লালশাড়িতেই হারিয়ে যাচ্ছে ‘দৌড়ে বেড়ানো’ শৈশব, বাল্যবিবাহের ঝুঁকি বাড়ছে

পিরোজপুর জেলা সদর থেকে মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বলেশ্বর নদের কোলঘেঁষা এই উপজেলায় প্রবাসী পরিবারের সংখ্যা বেশি। দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থানরত এসব পরিবারের অনেক অভিভাবক মেয়েদের দেখভালের দায়িত্ব অন্য সদস্যদের ওপর ছেড়ে দেন। তদারকি ও সচেতনতার অভাবের কারণে, কিছু কিশোরী বাল্যবিবাহের ঝুঁকিতে পড়ছে। অভিভাবকদের দায়িত্বহীনতা এবং সচেতনতার অভাবের ফলে বাল্যবিবাহের উদ্বেগজনক বাস্তবতা সামনে আসছে। শুধু পৌর শহরের বিদ্যালয়গুলোতেই নয়, উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও বাল্যবিবাহের প্রকোপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কাজ করা ব্যক্তিদের মতে, পিরোজপুর জেলায় বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটছে না এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুঁজে পাওয়া কঠিন। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া যত সংখ্যক ছাত্রী দশম শ্রেণিতে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ৩০ থেকে ৪৮ শতাংশ কেবল বাল্যবিবাহের কারণে ঝরে পড়ে। এর ফলে, অল্প বয়সে বিয়ের শিকার হওয়ার পাশাপাশি অনেক কিশোরী শিক্ষাজীবন থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি পরিবারের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিভিন্ন কারণে তারা মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দিয়েছেন। কেউ দারিদ্র্য ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন, আবার কেউ ‘ভালো ছেলে’ পেয়ে যাওয়ার কারণে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিছু অভিভাবক দাবি করেছেন যে, তারা মেয়ের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেননি, বরং ছেলে-মেয়েরা নিজেদের পছন্দে বিয়ে করেছে।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজা উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা

আব্দুল ওহাব আলিম মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন মন্তব্য করেন, সরকার যদি এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে বাল্যবিবাহের এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। বাল্যবিবাহ নিবন্ধিত না হওয়ায়, নির্যাতন বা বিবাহবিচ্ছেদের শিকার হলেও মেয়েরা আইনি প্রতিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কাজ করা সমাজকর্মী মমতাজ আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নে এক মাদরাসাছাত্রীর বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হয়েছিল। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় তারা সেই বিয়ে বন্ধ করেন। এমনকি উপজেলার স্বনামধন্য সরকারি হাতেম আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও অল্প বয়সে বিয়ে হয়েছে। এ ধরনের অনেক ঘটনা ঘটছে।

এ বিষয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মনিকা আক্তার জানান, মঠবাড়িয়ায় বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটে। যেসব ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়, সেগুলোর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় অথবা মুচলেকা নেওয়া হয়। তবে তাদের অগোচরে বাল্যবিবাহ হলে সে বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায় না।

তিনি আরও বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বিদ্যালয়ভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম, পরিবারভিত্তিক উঠান বৈঠক এবং কিশোর-কিশোরী ক্লাবের মাধ্যমে নিয়মিত প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। অনেক সময় বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পার্শ্ববর্তী উপজেলায় গিয়ে সরকারি নিবন্ধন ছাড়াই বিয়ে করেন। এ কারণে উপজেলায় বাল্যবিবাহের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণ করা কঠিন। তবে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন: মানারাতে শুরু হল ৮৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্টেম ফেস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বক্তা ড. আলমোজাদ্দেদী ও লি শাওপেং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


ঢাবি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বক্তা ড. আলমোজাদ্দেদী ও লি শাওপেং

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ‘চীনা চলচ্চিত্র দিবস’ উদযাপন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওপেং এবং আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবছার কামাল। কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের চীনা পরিচালক ড. ইয়াং হুই অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী প্রধান অতিথির বক্তব্যে উল্লেখ করেন, চীনা ভাষা শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং একাডেমিক সহযোগিতায় কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, দীর্ঘকাল ধরে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার সেতু হিসেবে কাজ করে আসছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষকতা, গবেষণা, অনুবাদ, কূটনীতি এবং ব্যবসার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার মাধ্যমে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের স্নাতকদের দুই দেশের সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখতে হবে।

লি শাওপেং, চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর, মন্তব্য করেন, চলচ্চিত্রের কোনো সীমানা নেই এবং সংস্কৃতি মানুষকে একত্রিত করে। তিনি বলেন, জনগণের মধ্যে আদান-প্রদান চীন-বাংলাদেশের সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারির ভিত্তি।

তিনি চীনা ভাষা শেখার মাধ্যমে দেশটির আধুনিকায়নের পেছনের বিষয়গুলো জানার জন্য সকলকে আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুষ্টিয়ায় আবরার ফাহাদ সেতু নির্মাণ স্থান পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


কুষ্টিয়ায় আবরার ফাহাদ সেতু নির্মাণ স্থান পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

কুষ্টিয়া জেলা শহরের সাথে কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করার উদ্দেশ্যে গড়াই নদীর ওপর শহীদ আবরার ফাহাদের নামে সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে কুষ্টিয়া শহরতলীর ঘোড়াই ঘাটে সেতুটির প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনের সময় এক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন মন্ত্রী।

এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ বাচ্চু মোল্লা, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা পারভীন, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন, সদস্যসচিব জাকির হোসেন সরকার এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদী।

শহীদ আবরার ফাহাদের পিতা বরকতুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল এবং অন্যান্য বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, শহীদ আবরার ফাহাদ সেতুটি নির্মিত হলে প্রতিদিন কয়া ও আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীসহ ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াতের ব্যবস্থা ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, শহীদ আবরার ফাহাদের বাবার আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গড়াই নদীর ওপর দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই ও ফিজিবিলিটি স্টাডির পর শহীদ আবরারের স্মৃতি ধারণ করে একটি সেতু নির্মাণ করা হবে এবং এটি স্থানীয় মানুষের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রতিমন্ত্রীর সাথে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের প্রচারণায় ক্যাম্পাসে উৎসবের আমেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের প্রচারণায় ক্যাম্পাসে উৎসবের আমেজ

দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সর্ববৃহৎ ক্রীড়া উৎসব ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এই মেগা টুর্নামেন্টের প্রচারণা শুরু হয়েছে ক্যাম্পাসে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

জানা গেছে, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি), ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) ক্যাম্পাসে এই প্রচারণা পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ক্যাম্পাসগুলোকে আনন্দমুখর মিলনমেলায় পরিণত করেছে।

ক্যাম্পাসগুলোতে শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার জন্য আয়োজন করা হয়েছে আকর্ষণীয় গেম শো ‘হিট দ্য স্টাম্প’ এবং ‘ক্রসবার চ্যালেঞ্জ’। এই জমজমাট প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী শিক্ষার্থীরা প্রত্যেকে ৫ হাজার টাকা করে নগদ পুরস্কার অর্জন করেন।

২৫ অক্টোবর থেকে এবিজি স্পোর্টস সিটিতে কৃত্রিম ফ্লাডলাইটের আলোয় এই মেগা আসর শুরু হবে। দেশের শীর্ষস্থানীয় ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট ও ফুটবলের মোট ২০টি দল এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে।

টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য ১০ লাখ টাকা এবং রানার্স-আপ দলের জন্য ৫ লাখ টাকাসহ মোট ৩০ লাখ টাকার প্রাইজমানি ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে এত বড় প্রাইজমানির টুর্নামেন্ট এবারই প্রথম, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতানিয়াহুকে কেন না করলেন সৌদি যুবরাজ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতানিয়াহুকে কেন না করলেন সৌদি যুবরাজ?

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পূর্বে ইরানে সরাসরি হামলার সম্ভাবনা হ্রাস পাওয়ায় যুদ্ধের নতুন একটি ফ্রন্ট খোলার চেষ্টা করছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য রিয়াদকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন এই যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী। তবে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন অভিযানে ইসরাইলের অংশগ্রহণের প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুতিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে সৌদি আরবের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল তেল আবিব। কিন্তু সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেছেন। যুবরাজের উদ্বেগ, এই মুহূর্তে ইয়েমেনে ইসরাইলের সামরিক অভিযান সৌদি জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আরেকটি সূত্র হারেৎজকে জানিয়েছে, ইসরাইলের প্রত্যাশা ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের দুই মিত্র দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা আঞ্চলিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথ তৈরি করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সৌদি আরবকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে আসছেন। রিয়াদের অবস্থান হলো, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়। যদিও, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোর বিরোধী নেতানিয়াহু।

ইয়েমেনে ইসরাইলের সামরিক অংশগ্রহণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে তার অনুমতি ছাড়া ইয়েমেন যুদ্ধে ইসরাইলের অংশগ্রহণের সুযোগ কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে।

নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে কাজ করে আসছেন। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দুই দেশ এ বিষয়ে একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিল। রিয়াদ-তেল আবিব চুক্তি নেতানিয়াহুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সে কারণেই ওই বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পূর্ববর্তী সপ্তাহগুলোতে গাজা সংঘাত বিস্তৃত হওয়া থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করেছিলেন নেতানিয়াহু।

ওয়াশিংটন পোস্টের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হামাসের হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে নেতানিয়াহুকে প্রথম সতর্ক করেছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তবে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী সেই সতর্কবার্তা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%