মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি
০৭:২৯ পি.এম
রাঙামাটি পার্বত্য জেলায়, বিভাগীয় পদোন্নতি পাওয়া দুই পুলিশ সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে র্যাংক ব্যাজ প্রদান করা হয়েছে।
এই দুই সদস্য, কনস্টেবল থেকে নায়েক পদে পদোন্নতি পাওয়া রিয়াজ উদ্দিন ফারুক ও মো. সাদমান সাকিব, নতুন দায়িত্ব পালনে সততা, পেশাদারিত্ব ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার।
সোমবার (২০ জুলাই) রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশের সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে, বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অনুমোদনক্রমে পদ বিভাজনকৃত জেলার বিদ্যমান প্রকৃত শূন্য পদের বিপরীতে, তাদের কাঁধে নায়েক পদমর্যাদার র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম।
এ সময় পুলিশ সুপার পদোন্নতি পাওয়া সদস্যদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, পদোন্নতি শুধু মর্যাদা বৃদ্ধি নয়, দায়িত্বও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং জনগণের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি, জনগণের আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ইকবাল হোছাইন, পিপিএম।
অনুষ্ঠান শেষে, পদোন্নতি পাওয়া দুই সদস্যের পেশাগত জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার কসবা উজিরপুর দরগা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুর্নীতি, জালিয়াতি এবং অনিয়মের পাহাড় জমে উঠেছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল জব্বার ব্যাকডেটে নিয়োগ, স্বাক্ষর জালিয়াতি, লাখ লাখ টাকার ঘুষ বাণিজ্য এবং নৈতিক স্খলনের ভয়াবহ চিত্র উন্মোচিত হয়েছে। এসব অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার আমিনুল ইসলাম এবং দৈনিক গণভক্তি, লোকালয় বার্তা ও এজেড অনলাইনের নিজস্ব প্রতিনিধি মো: সামিরুল ইসলাম লাঞ্ছিত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল জব্বার নিজেই জাল সনদের অভিযোগ মাথায় নিয়ে মাউশিতে কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছেন। তা সত্ত্বেও তিনি ম্যানেজিং কমিটি ও নিয়োগ বোর্ডকে ম্যানেজ করে বিশাল অঙ্কের দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন।
বিদ্যালয়টিতে ব্যাকডেটে নিয়োগের মাধ্যমে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও ডিজি প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল করে অবৈধভাবে সরকারি সুবিধা গ্রহণের পাঁয়তারা চলছে। অভিযুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের নামের তালিকা নিচে তুলে ধরা হলো:
১. মোঃ আসাউল ইসলাম - সহকারী শিক্ষক (কৃষি)
২. মোহাম্মদ সারোয়ার - সহকারী শিক্ষক (গণিত)
৩. মোসাঃ ফাতেমা বেগম - সহকারী শিক্ষক (সমাজবিজ্ঞান)
৪. শহীদুল্লাহ - অফিস সহকারী
৫. মোঃ আব্দুল করিম - সহকারী শিক্ষক (শরীরচর্চা)
জানা গেছে, উপরোক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা তাদের ভুয়া নিয়োগের বৈধতা দিতে এবং বেতনের জন্য প্রধান শিক্ষককে মারাত্মকভাবে চাপ প্রয়োগ করে চলেছেন। এছাড়া, অফিস সহকারী শহীদুল্লাহর স্ত্রী মোসাম্মৎ সনজিদা-কেও ব্যাকডেটে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যিনি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ক্লাস না করালেও তার নামে আইএমএস (IMS)-এ তথ্য অন্তুর্ভুক্ত রয়েছে।
নিয়োগের নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল জব্বার প্রতিটি শিক্ষক-কর্মচারীর নিকট থেকে নিয়োগ বাবদ গড়ে ৩ লক্ষ টাকা করে ঘুষ গ্রহণ করেছেন। কিন্তু এত টাকা নেওয়ার পরও বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নে এক পয়সাও খরচ করেননি। বিদ্যালয়ের বর্তমান যে ৫টি কক্ষ রয়েছে, তার পুরোটাই একটি সংস্থার অনুদানে নির্মিত। সহকারী শিক্ষক মুহা: কামাল হোসেন-এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সদিচ্ছার ফলেই প্রধান শিক্ষক তৎকালীন সময়ে ওই অনুদানের কাজ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একই পদের বিপরীতে ২-৩ জনের নিকট থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বহু প্রমাণ রয়েছে। বিশেষ করে, ২০২৪ সালের দিকে চারজন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিলেও আজ পর্যন্ত কোনো নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেননি।
শিক্ষক হয়রানি ও সিনিয়র পাঠদান বাণিজ্যের চাল চিত্র। বিদ্যালয়টি ২০২২ সালে এমপিওভুক্ত হলে শিক্ষকদের বেতনের জন্য সিনিয়র পাঠদানের প্রয়োজন দেখা দেয়। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রধান শিক্ষক সিনিয়র পাঠদানের অনুমতি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে শিক্ষকদের নিকট থেকে পুনরায় মোটা অংকের টাকা আদায় করেন এবং ২০২৫ সালে সিনিয়র পাঠদান হাতে পান।
২০২১ সালের নীতিমালা অনুযায়ী তিনজন শিক্ষক সমন্বয়ের মাধ্যমে জুনিয়ারে আসার কথা এবং তাদের বেতনও জুনিয়রের সাথে হওয়ার কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষক ব্যক্তিগত স্বার্থে তা আটকে রাখেন। এছাড়া, ২০২৩ সালে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুহা: কামাল হোসেন-এর নিকট থেকে উপজেলা প্রত্যয়ন বাবদ প্রধান শিক্ষক ৪০ হাজার টাকা নিয়েও অদ্যাবধি কোনো প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে দেননি। যার ফলে ওই শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে তার প্রাপ্য বেতন ভাতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন ও নারী কেলেঙ্কারির মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে।
সংবাদ সংগ্রহকালে দুই সাংবাদিক লাঞ্ছিত। বিদ্যালয়টির এসব পুকুরচুরি ও দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে কসবা উজিরপুর দরগা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে হামলার শিকার হয়েছেন পেশাদার গণমাধ্যমকর্মীরা।
অনুসন্ধানকালে দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার আমিনুল ইসলাম এবং দৈনিক গণভক্তি, লোকালয় বার্তা ও এজেড অনলাইন-এর নিজস্ব প্রতিনিধি মো: সামিরুল ইসলাম অতর্কিতভাবে লাঞ্ছিত হন। প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য বাইরে প্রকাশ পাওয়ার ভয়ে এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর এমন নগ্ন হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন মহল। প্রধান শিক্ষককে তার অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে প্রশ্ন করতে গেলে সে সাংবাদিকের উপরে রাগান্বিত হয় এবং সহকারী শিক্ষকদের নিয়ে সাংবাদিকের উপর মার মুখি আচরণ করে। সাংবাদিকেরা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও সচেতন মহল অবিলম্বে প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল জব্বার ও তার সিন্ডিকেটের দুর্নীতি, স্বাক্ষর জালিয়াতি, ব্যাকডেটে নিয়োগ এবং সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করার ঘটনার সুনির্দিষ্ট বিচার দাবি করেছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্রীড মাতৃছায়া অটিস্টিক শিশু নিকেতন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাসহুরা বেগম (হুরার) বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও অর্থ বাণিজ্যসহ বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
এরইমধ্যে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সংশ্লিস্ট দপ্তরে বেশকয়েকটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। প্রশাসন জানাচ্ছে, ক্ষমতা স্বল্পতা থাকায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে দ্রুত কার্যত পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে তারা জানিয়েছেন।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি) শাখায় শিক্ষকদের একাধিক অভিযোগ থেকে জানা গেছে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত প্রতিবন্ধী স্কুলটিতে নতুন করে সতের জন নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এই সতেরজন শিক্ষক-কর্মচারির কাছ থেকে অর্থ বাণিজ্যিকরণ, সময়মত হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে না দেয়া, প্রতিষ্ঠানের নামে সরকারের দেয়া বেশকিছু লেপটপ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া, সরকারের দেয়া বরাদ্দের টাকা হাতিয়ে নেয়ার পাশাপাশি স্বেচ্ছাচারিতাসহ নানা অভিযোগ তোলা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, প্রধান শিক্ষক মাসহুরা বেগম (হুরা) ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডিমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্দেশনা এবং সংশ্লিস্ট মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা মানছেন না। একই সাথে জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকেও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজের ইচ্ছেমত প্রতিষ্ঠানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। একের পর এক অভিযোগ জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা পরলেও কার্যত কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃস্টির পাশাপাশি মারমুখি আচরণে লিপ্ত হচ্ছেন প্রধান শিক্ষক।
অভিযোগকারিদের মধ্যে ওই প্রতিষ্ঠানের বেশকয়েকজন শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষক মাসহুরা বেগম (হুরা) একজন মহিলা আওয়ামীলীগের নেত্রী। সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হলেও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এলাকায় জেলা শহরে অবস্থিত এই প্রতিবন্ধী স্কুলে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবাষির্কীতে কেক কাটেন এমন অভিযোগ সদর থানা পুলিশ অভিযান চালায়। স্কুলটিতে তার ভাই, ভাবিসহ পরিবারের ৯ জনকে নিয়োগ পাইয়ে দিয়েছেন। আর এজন্যই তিনি নিজের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছেন। তার অনিয়মের বিষয়ে মুখ খুলতে গিয়ে অন্যান্য শিক্ষকরা নানাভাবে নির্যাতিত হন। শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসতে বাঁধা প্রদান করছেন তিনি। উপায় না পেয়ে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে জেলা প্রশাসকের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। এরপরেও প্রধান শিক্ষক বহাল তবিয়তে রয়েছেন। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে কার্যত পদক্ষেপ না নিলে প্রতিষ্ঠানটি মুখ থুবড়ে পড়ার আশংকা থাকার পাশাপাশি শিক্ষক কর্মচারিরা পথে বসবেন বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষিকা মাসহুরা বেগম (হুরা) সকল অনিয়মের কথা অস্বীকার করে তিনি জানান, মন্ত্রনালয় ১৭ জনকে নিয়োগ দিয়ে ঠিক করেনি। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তা যদি পারেন তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিক।
অন্যদিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি) দায়িত্বে থাকা সরদার মোস্তফা শাহিন জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি কোনো কথায় কর্নপাত করছেন না। ক্ষমতা স্বল্পতার কারণে জেলা প্রশাসন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সময় লাগছে। প্রধান শিক্ষককে বলা হয়েছে, লিখিত জবাব প্রেরণে দ্রুতেই সময়ের মধ্যে না দিলে তার বিরুদ্ধে কার্যত পদক্ষেপ নিতে মন্ত্রনালয়ে পত্র পাঠানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০শে জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে সোমবারের দিন, দুপুরের সময় নারায়ণগঞ্জ নাগরিক আন্দোলনের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনের নিকট ৪টি দাবির সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এই স্মারকলিপিতে উল্লেখিত ৪টি দাবি হলো: ১। শহরের মূল সড়কের পশ্চিমে রেললাইন ধরে নির্মিতব্য সড়কের দক্ষিণাংশের শুরুটি দেওভোগ সিটি পার্কের মাথা থেকে করা, ২। ১নং রেলগেটের কাছে পরিকল্পিত মার্কেট নির্মাণ পুরোপুরি বাতিল করে সে জায়গায় একটি খেলার মাঠ এবং পার্ক নির্মাণ করা, ৩। খানপুরে কন্টেইনার পোর্ট নির্মাণ কার্যক্রম দ্রুত বন্ধ করা, এবং ৪। চীনের অর্থায়নে দেশে নির্মিতব্য ২০টি হাসপাতালের তালিকায় নারায়ণগঞ্জের নাম যুক্ত করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনায় বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ফোরামের মাসিক সমন্বয় সভা এবং ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এটি সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা এনজিও সমন্বয় কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওয়াহিদুজ্জামান-এঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির কার্যক্রম সমূহের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরনী উপস্থাপন করেন সংস্থাটির সহকারী কর্মসূচি পরিচালক খালেদ এহতেশাম।
ব্র্যাকের অর্থায়নে পরিচালিত স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতি কর্তৃক বাস্তবায়িত ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য নেত্রকোনা, শেরপুর এবং জামালপুর জেলার মোট ১০টি উপজেলার প্রাইজ প্রকল্পের বাস্তবায়িত কার্যক্রম ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সমূহের সার্বিক অর্জন সম্পর্কে একটি উপস্থাপন প্রদান করেন স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির প্রশিক্ষণ পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থাপক এবং প্রাইজ প্রকল্পের ফোকাল পার্সন মো. লুৎফর রহমান।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির পরিচালক কৃষিবিদ আলতাফুর রহমান সেলিম, প্রাইজ প্রকল্পের নেত্রকোনা জেলার ব্রাঞ্চ কো-অর্ডিনেটর মো. পিয়াস এবং শেরপুর ও জামালপুর জেলার ব্রাঞ্চ কো-অর্ডিনেটর মো. মাজহারুল ইসলাম চঞ্চল প্রমুখ।
এসময় নেত্রকোনা জেলায় কর্মরত বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নকারী অর্ধশতাধিক বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)-এর প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ