শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩৩ পি.এম
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনকে বিদায় জানিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব রাষ্ট্রদূত আসাদ আলম সিয়াম। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় রাষ্ট্রদূতের সম্মানে বিদায়ী মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন তিনি।
মধ্যাহ্নভোজে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকীসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় পররাষ্ট্রসচিব ইয়াও ওয়েনের প্রায় চার বছরের দায়িত্বকালের সক্রিয় সহযোগিতা, ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও অবদানের প্রশংসা করেন, যা বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে জোরদার করতে সহায়তা করেছে।
গত জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের কথা স্মরণ করে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, সফরটি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ওই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীন তাদের সম্পর্ককে ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায়’ পর্যায়ে উন্নীত করার কথা জানায়। সফরের সফল ফলাফল এবং যৌথ বিবৃতি প্রকাশে চীনের সহযোগিতারও প্রশংসা করেন তিনি।
পররাষ্ট্রসচিব এ সময় তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, নদী ব্যবস্থাপনায় বৃহত্তর সহযোগিতা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর এবং বাংলাদেশে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড) নিয়ে চলমান সহযোগিতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। এসব ক্ষেত্রে গতি বজায় রাখার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনের জন্য পররাষ্ট্রসচিবকে ধন্যবাদ জানান। বাংলাদেশে প্রায় চার বছরের দায়িত্বকালকে ঘটনাবহুল ও স্মরণীয় উল্লেখ করে তিনি এ সময়ে উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন সফর এবং দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথা স্মরণ করেন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর, যৌথ বিবৃতি প্রকাশ এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন পর্যায়ে উন্নীত করার বিষয়গুলোও উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশে চীনা নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় সরকারের সহযোগিতার জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ইয়াও ওয়েন। একই সঙ্গে তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এবং প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক করিডোরের কাজ দ্রুত শুরুর আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বহুপক্ষীয় বিভিন্ন ফোরামে বাংলাদেশের প্রতি চীনের অব্যাহত সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ইয়াও ওয়েন। এ সময় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়কে সহায়তার জন্য চীনের দেওয়া ৮ লাখ মার্কিন ডলারের অনুদানের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
দুই পক্ষই বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা আগামী দিনে আরও গভীর ও বিস্তৃত হবে বলে আশা প্রকাশ করে। সাম্প্রতিক প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে হওয়া সমঝোতাগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন এবং উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বিদায়ী রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের বন্ধুত্ব এবং উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তার ভাষায়, এসব কারণে বাংলাদেশে তার অবস্থান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। মধ্যাহ্নভোজ শেষে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম ও রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন পরস্পরের মধ্যে উপহার বিনিময় করেন। পরে পররাষ্ট্রসচিব তার ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য শুভকামনা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের প্রধান কোচ থমাস ডুলি আসন্ন প্রথম ফিফা আসিয়ান কাপের জন্য ২৩ সদস্যের একটি দল ঘোষণা করেছেন। জানা গেছে, এই চূড়ান্ত দলে ইংল্যান্ডভিত্তিক ফরোয়ার্ড ফারহান আলী ওয়াহিদ ও মিডফিল্ডার জিদান ইউসুফের পাশাপাশি জাপানভিত্তিক শুকি ইতোফুসাও স্থান পেয়েছেন।
ফারহান আলী ওয়াহিদের দলে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিশেষ আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। ইংল্যান্ডের এই ফরোয়ার্ড বাংলাদেশকে গোলের সামনে আরও ধারালো করে তুলতে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ডুলি। তিনি বলেন, “এই ছেলেটির [ফারহান আলী ওয়াহিদ] ব্যাপারে আমার যেটা ভালো লাগে তা হলো, ও গোল করতে জানে। এটাই তো দরকার। তাই ও এলে আমি সত্যিই চাই ওকে গোলের সামনে দেখতে, সেই মুভগুলো করতে এবং বলটা লক্ষ্যে মারতে, যেটা আমাদের অনেক খেলোয়াড়ই করে না।”
বর্তমানে ফুলহাম অনূর্ধ্ব-২১ দলের সদস্য হিসেবে বোরহ্যাম উড এফসিতে খেলছেন ফারহান। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে তিনি ইন্দোনেশিয়ায় বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।
ডুলি ফারহানের সম্ভাবনা নিয়ে উচ্ছ্বসিত হলেও তার ওপর বাড়তি প্রত্যাশা চাপাতে চান না। তিনি বলেন, “হামজা চৌধুরীর মতো করে তিনি ফারহানকে দেখেন না।”
ডুলি আরও বলেন, “আমরা ওর ওপর এমন কোনো চাপ দিইনি যে ওকেই সবকিছুর ত্রাতা হতে হবে। আমি ওকে একজন ভালো, প্রতিভাবান খেলোয়াড় হিসেবে দেখি। ওর দুর্দান্ত দক্ষতা আছে। এটা পেশাদার পর্যায়ে মাঠে নিয়ে আসতে হবে। যদি সেটা করতে পারে, তাহলে ও আমাদের জন্য বড় সম্পদ হবে।”
ফিফা আসিয়ান কাপের আট দলের প্রিমিয়ার ডিভিশন আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর জাকার্তায় শুরু হবে। প্রথম দিনে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে, তার আগে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।
চৌদ্দ দলের এই প্রথম আসরে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও হংকং অতিথি দল হিসেবে অংশ নিচ্ছে, যেখানে এগারোটি আসিয়ান দেশও অংশগ্রহণ করছে। টুর্নামেন্টটি দুই ভাগে বিভক্ত, ছয় দলের চ্যালেঞ্জ ডিভিশন ২৪ সেপ্টেম্বর শুরু হবে।
গ্রুপ এ-তে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বাংলাদেশকে রাখা হয়েছে।
জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় মালয়েশিয়ার বিপক্ষে নিজেদের অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে খেলবে এবং ১ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে। বাংলাদেশের তিনটি গ্রুপ ম্যাচই গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
গ্রুপ বি-তে রয়েছে আসিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালিস্ট থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম, পাশাপাশি ফিলিপাইন ও পাকিস্তান। গত মাসে আসিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা ভিয়েতনাম বান্দুংয়ে ফিলিপাইনের বিপক্ষে নিজেদের অভিযান শুরু করবে ২৬ সেপ্টেম্বর।
শুরুতে টুর্নামেন্টে আমন্ত্রণ পেলেও পরে সরে দাঁড়ায় ভারত ও চীন। গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, একই দিনে অর্থাৎ ৩ অক্টোবর ব্রাজিলের বিপক্ষে হাই-প্রোফাইল প্রীতি ম্যাচ থাকায় ভারত বিকল্প দল পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল, তবে ফিফা সেই প্রস্তাবে সায় দেয়নি। উল্লেখ্য, ৩ অক্টোবরেই হবে আসিয়ান কাপের ফাইনাল।
বাংলাদেশ দল:
গোলরক্ষক: মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান শ্রাবণ
রক্ষণভাগ: জিদান আলেকজান্ডার ইউসুফ, টুটুল হোসেন বাদশা, শাকিল আহাদ টুটুল, সাদ উদ্দিন, রহমত মিয়া, তারিক রায়হান কাজী, জায়ান আহমেদ
মধ্যমাঠ: এস এম মঞ্জুরুর রহমান, জামাল ভূঁইয়া, মো. সোহেল রানা, সোহেল রানা, মো. রিদয়, মিনহাজুল করিম স্বাধীন, হামজা চৌধুরী, শমিত সোম
ফরোয়ার্ড: ফাহামেদুল ইসলাম, শেখ মোরসালিন, রাকিব হোসেন, ফারহান আলী ওয়াহিদ, শুকি ইতোফুসা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘ইজিম্যাচ বিডি’ (EasyMatch BD) নামের একটি ডিজিটাল ম্যাট্রিমনি প্ল্যাটফর্ম নিরাপদ, গোপনীয়, সহজ ও পরিবারকেন্দ্রিক পাত্র-পাত্রী খোঁজার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এটি বাংলাদেশে ভিত্তিক একটি উদ্যোগ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) লাইসেন্সপ্রাপ্ত ম্যাট্রিমনি সেবা হিসেবে প্ল্যাটফর্মটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে বসবাসরত কিছু পেশাজীবীর জনকল্যাণমূলক প্রয়াসের ফলস্বরূপ গড়ে উঠেছে।
শুক্রবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উদ্যোক্তাদের মতে, উন্মুক্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, প্রচলিত ঘটক এবং ব্যয়বহুল ম্যারেজ মিডিয়ার মাধ্যমে পাত্র-পাত্রী খোঁজার সময় পরিবারের সম্মুখীন হওয়া সমস্যাগুলোর একটি নিরাপদ ডিজিটাল বিকল্প তৈরির উদ্দেশ্যে এই প্ল্যাটফর্মের সৃষ্টি হয়েছে।
ইজিম্যাচ বিডিতে পাত্র বা পাত্রী তাদের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ও একবার ব্যবহারযোগ্য ওটিপির (OTP) মাধ্যমে বায়োডাটা তৈরি করতে পারবেন। এখানে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক তথ্য, শিক্ষা, পেশা, বৈবাহিক অবস্থা, প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গীর তথ্য, ছবি এবং যাচাইকরণ-সংক্রান্ত তথ্য সংযুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।
ইজিম্যাচ বিডির প্রতিষ্ঠাতা মো. খালেদ মোর্শেদ বলেন, "দেশের ভেতরে ও প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি ব্যক্তি ও পরিবার, যারা নিরাপদ, গোপনীয় ও পরিবারভিত্তিক পরিবেশে পাত্র-পাত্রী খুঁজতে চান, তাদের কথা বিবেচনা করেই প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করা হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "অনেক পরিবারকে পাত্র-পাত্রী খুঁজতে গিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ওয়েবসাইটের উন্মুক্ত জায়গায় ব্যক্তিগত ছবি ও তথ্য প্রকাশ করতে হয়। আমরা এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করতে চেয়েছি, যেখানে প্রযুক্তি পরিবারকে সহায়তা করবে; তবে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, সম্মান এবং দায়িত্বশীল যোগাযোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।"
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, উন্মুক্ত ফেসবুক গ্রুপ বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মতো এখানে ব্যবহারকারীর সব তথ্য একসঙ্গে সবার কাছে প্রকাশ করা হবে না। পারস্পরিক আগ্রহ, সম্মতি এবং নির্ধারিত গোপনীয়তার স্তর অনুযায়ী ধাপে ধাপে তথ্য শেয়ার করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো স্মার্ট ম্যাচিং ব্যবস্থা। ব্যবহারকারীর দেওয়া পছন্দ ও জীবনসঙ্গী-সংক্রান্ত প্রত্যাশার সঙ্গে যেসব বায়োডাটার মিল বেশি, সেগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখানোর ব্যবস্থা রয়েছে। সম্ভাব্য মিল ১০০, ৯০ বা ৮০ শতাংশসহ বিভিন্ন মাত্রায় দেখানো হতে পারে। এতে প্রাসঙ্গিক প্রোফাইল বাছাই করা সহজ হবে।
এছাড়াও, পারস্পরিক আগ্রহ তৈরি হলে ব্যবহারকারীরা ধাপে ধাপে আরো তথ্য দেখতে পারবেন। নির্ধারিত পর্যায়ে মেসেজ, কল ও ভিডিও যোগাযোগের সুবিধাও থাকবে। পরিবারের সদস্যদের আলোচনায় যুক্ত করার সুযোগ থাকায় পুরো প্রক্রিয়াটি পরিবারকেন্দ্রিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। বায়োডাটা তৈরি ও প্রশাসনিক যাচাই শেষ হওয়ার পর ব্যবহারকারী নিজের বায়োডাটা পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করতে পারবেন। প্রয়োজনে পরবর্তী সময়ে বায়োডাটা সম্পাদনা, পুনর্লিখন কিংবা মুছে ফেলার সুযোগও রাখা হয়েছে।
প্ল্যাটফর্মটিতে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ, অপব্যবহার বা সন্দেহজনক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করার ব্যবস্থাও রয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন ম্যাট্রিমনি ওয়েবসাইট, ফেসবুক গ্রুপ, অনলাইন পেজ এবং প্রচলিত ঘটকনির্ভর প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি তাদের নিজেদের পারিবারিক অভিজ্ঞতাও ইজিম্যাচ বিডি তৈরির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য আগামী সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অধিবেশন চলাকালীন তিনি বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার পরিকল্পনা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য বৈঠকের তালিকায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ আল-খালিদ আল-সাবাহ, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেঙ্কোভিচ, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
এছাড়া, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসনের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্ক সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আয়োজিত নৈশভোজেও অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আগামী সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফর শেষে ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার দিকে ফিরে আসবেন তিনি। এবারের সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম রাখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত নারী ক্রিকেট দল জাপানকে পরাজিত করে এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে প্রবেশ করেছে। এই প্রত্যাশিত জয়ের ফলে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। দুই দলের মধ্যে ফাইনালে ওঠার লড়াই আগামী ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে অপর সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
জাপানের করোগি স্পোর্টস পার্কে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে স্বাগতিক জাপান নারী দল নির্ধারিত ওভারে মাত্র ৫৭ রান সংগ্রহ করে। ভারতীয় নারীরা জবাব দিতে নেমে কোনো রকম ব্যাঘাত ছাড়াই মাত্র ৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে। ৮ উইকেটে এই বিশাল জয়ের মাধ্যমে তারা সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে।
অন্যদিকে, কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের ম্যাচটি চীনের বিরুদ্ধে হওয়ার কথা ছিল। তবে ভেজা আউটফিল্ডের কারণে সেই ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকার কারণে সরাসরি সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ পায় নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ ১০ নম্বরে অবস্থান করছে, যেখানে চীন ৩৬তম স্থানে রয়েছে।
ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ নারী দলের লড়াই নতুন কিছু নয়। মাত্র এক সপ্তাহ আগে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে এই দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল। সেই ম্যাচে ভারত ১৪৯ রান সংগ্রহ করার পর বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ১০৯ রান করে ৪০ রানে পরাজিত হয়েছিল। এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে আবারও সেই শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতায় নেমে বিগত হারের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে জ্যোতিদের সামনে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ