বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৫:১৫ পি.এম
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : জার্মানির সাবেক রাষ্ট্রদূত স্টেফান জাইবার্ট ইসরাইল সরকারের বিষয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। এক্ষেত্রে তিনি অধিকৃত পশ্চিম তীরে দেশটির ‘বিপর্যয়কর’ বসতি স্থাপন নীতি নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন। বুধবার প্রকাশিত একটি গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারে তিনি এ ধরনের সমালোচনা প্রকাশ করেন।
সাপ্তাহিক পত্রিকা ডি জাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ব্যক্ত করেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের নীতি হচ্ছে ‘মানসিক ও শারীরিক সহিংসতার মাধ্যমে বাস্তুচ্যুত করার’ একটি বাস্তবায়ন।
বার্লিন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। আধুনিক জার্মানি দীর্ঘ সময় ধরে নাৎসি যুগ ও হলোকাস্টের ভয়াবহতার প্রায়শ্চিত্ত করতে ইসরাইলের দৃঢ় সমর্থক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
সাবেক চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী জাইবার্ট তাঁর অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জানিয়েছেন, মার্কেলের সেই বক্তব্য—‘ইসরাইলের নিরাপত্তা জার্মানির রাষ্ট্রীয় অস্তিত্বের স্বার্থের অংশ’—এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমারেখার মধ্যে থাকা ইসরাইলকে বুঝানো হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, ‘যদি হামাসের প্রাণঘাতী হামলা, হিজবুল্লাহর সমান প্রাণঘাতী পরিকল্পনা অথবা ইরানের কারণে ইসরাইলের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ে, তাহলে আমাদের অবশ্যই এই রাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াতে হবে।’
তবে তিনি জাইটকে বলেন, ‘জর্ডান উপত্যকার বসতি স্থাপনকারীদের বিষয়টি এখানে প্রযোজ্য নয়।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনে এগুলো অবৈধ বসতি। এগুলো একটি মতাদর্শের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে যে, এই ভূমি শুধুমাত্র আমাদের এবং ঈশ্বর এটি আমাদের দিয়েছেন।’
‘রাষ্ট্রীয় অস্তিত্বের স্বার্থের ধারণা এত দূর বিস্তৃত নয়। এটি অন্য একটি জনগোষ্ঠীর ওপর শ্রেষ্ঠত্ববোধকে সমর্থন করে না।’
তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনিদেরও এটি জানানো প্রয়োজন যে নিজেদের রাষ্ট্রে বসবাসরত ইসরাইলি জনগণের অধিকারকে সম্মান করতে হবে।
জাইবার্ট বলেন, ‘আমরা যখন—সঙ্গত কারণেই—বলছি যে আমরা ইসরাইলের পাশে আছি, তখন আমাদের কী বোঝাতে চাই, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।’
তবে তিনি বলেন, ‘এর অর্থ এই নয় যে ইসরাইল রাষ্ট্রের নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপের প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে। যেমন দখলদারিত্ব, যা বর্তমানে ৬০তম বছরে প্রবেশ করছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত দুই সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে ইরান থেকে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে যে, ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সিস্তান ও বেলুচেস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে ওই দুই ব্যক্তি নিহত হন।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে, একই ঘটনায় আরো চার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, সিস্তান ও বেলুচেস্তান প্র province কোন অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এবং অবকাঠামোর ক্ষতি করার লক্ষ্যে ইরানে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন।
এদিকে ইরানের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাসুল সানায়ি-রাদ মন্তব্য করেছেন যে, ভবিষ্যতে কোনো যুদ্ধ হলে ইরান আরো কঠোরভাবে এবং আক্রমণাত্মকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে। ফার্স নিউজ এজেন্সি তার বক্তব্যের ভিত্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সুপ্রিম লিডারের কার্যালয়ের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী সানায়ি-রাদ বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক যুদ্ধে আমরা দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করেছি। ভবিষ্যতে কোনো যুদ্ধ হলে আমরা আরো দৃঢ়ভাবে এবং আরো আক্রমণাত্মকভাবে প্রতিরোধ করব।’
যুক্তরাষ্ট্রের নাম সরাসরি উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, ইরানের ‘শত্রু’ অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে দেশের ভেতরে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। তবে সেসব পরিকল্পনা সফল হওয়ার দাবি তিনি করেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। জামিন পাওয়ার পর তিনি সংবাদমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান।
২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর ‘অ্যাপোনিয়ার ফ্যাশন’ এর এক্সিকিউটিভ মো. আমিনুল ইসলাম ঢাকার আদালতে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়ে সেটির প্রচারণা এবং মূল্য পরিশোধ করবেন বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু পরে শাড়িটির মূল্য পরিশোধ না করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ ঘটনায় মামলার পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। পরে ডিবির দেয়া তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত এবং তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকা ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান অভিনেত্রী। আদালতে অভিনেত্রীর পক্ষের আইনজীবী শাড়ি প্রচারণার প্রমাণ উপস্থাপন করেন, যা দেখে তাতে সন্তুষ্ট হয়ে তিশাকে জামিন দেন আদালত।
জামিন পাওয়ার পর সংবাদমাধ্যমে অভিনেত্রী বলেন, "আমার অনেক সম্মান হানি হয়েছে। আমি একটা কথা বলতে চাই আজকে যিনি আমার নামে এ কাজটা করেছেন আমাকে হ্যারেস করার জন্য তিনি একজন নারী। তার স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে তিনি এটা করেছেন, আমাকে হুমকিও দিয়েছেন। সেগুলো আমি পরে আপনাদের জানাবো।"
তানজিন তিশা আরও বলেন, "আমি একটা কতাই বলবো, তারও কিন্তু একটা মেয়ে আছে। আজকে আমি ২৭ হাজার টাকার একটা শাড়ি আত্মসাৎ করেছি। ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে এটা কাম্য নয়, একটা শাড়ির জন্য আমি আদালতে আসবো। তাই আমি চাই, কেই যেন কাউকে এভাবে ভবিষ্যতে হ্যারেস না করে। আমি যেন আইনে একটা ন্যায়বিচার পাই।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার নন্দীগ্রামে ফলজ বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ই আগষ্ট) বিকেল সারে ৩টার সময় নন্দীগ্রাম মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শিক্ষার্থীদের মাঝে কাঠাল, পেয়ারা, জাম, জলপাই সহ উক্ত ফলজ বৃক্ষ বিতরণ করা হয়।
বগুড়া জেলা সেচ্ছাসেবক দলের নির্দেশনা মোতাবেক উক্ত ফলজ বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করেন নন্দীগ্রাম উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দল।
উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল হাকিম রিন্টুর নেতৃত্বে আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো, সাবিরুল ইসলাম (চঞ্চল) তালুকদার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক কোরবান আলী, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাজু আহম্মেদ, যুগ্ম-আহ্বায়ক তারেক আহম্মেদ, সানাউল্লাহ বাকি, সেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুল মান্নান, সিপন তালুকদার, হেলাল, রানা প্রমূখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৫ আগস্ট উপলক্ষে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বিপজ্জনক সংগঠন, উগ্রবাদী গোষ্ঠী এবং দুষ্কৃতকারীদের থেকে নাশকতা প্রতিরোধ করতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং সাইবার পেট্রোলিংও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) র্যাবের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৫ আগস্টের জন্য প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজেদের এলাকায় নিরাপত্তা হুমকি পর্যালোচনা করেছে এবং নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। যেসব স্থানে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে, সেগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হচ্ছে, ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠী, নিষিদ্ধ সংগঠন কিংবা রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কোনো কুচক্রী মহল যাতে পরিবেশ অশান্ত করতে না পারে, সেটির জন্য গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। র্যাব নিজস্ব নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করবে।
প্রয়োজনে এসএসএফ, স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলে যাতায়াতের রুটে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন এবং এলাকায় সোর্স ও ইনফরমার নিয়োগের কাজ শুরু করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানস্থল এবং তার আশপাশের এলাকাগুলিতে র্যাব সদস্য মোতায়েনের সঙ্গে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজও করা হচ্ছে। অনুষ্ঠান থেকে কোন দুষ্কৃতকারী বা উগ্রবাদী গোষ্ঠী যাতে অনুপ্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে ব্যাপারে সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার ঠেকাতে সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে। বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট, মন্তব্য বা ছবি আপলোডের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
র্যাব জানিয়েছে, কোনো স্থানে যদি বিস্ফোরক বা বিস্ফোরক সদৃশ বস্তু পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে র্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি, বস্তু কিংবা কার্যকলাপ দেখা গেলে দ্রুত নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে সকল মানুষের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ