শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২৩ পি.এম
নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম-সেবা) পদকে সম্মানিত হয়েছেন। শনিবার রাজারবাগ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানকে এই পদক প্রদান করেন।
এ পদকটি পেশাদারিত্ব, কর্মদক্ষতা, সততা, সাহসিকতা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জননিরাপত্তা ও জনসেবায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেওয়া হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ জানায়, এই অর্জন পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের দীর্ঘদিনের পেশাগত নিষ্ঠা, দক্ষ নেতৃত্ব, সততা, সাহসিকতা ও দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতি। তাঁর এই সফলতা জেলা পুলিশের সদস্যদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে আরও নিষ্ঠাবান ও জনসেবায় নিবেদিত হতে অনুপ্রাণিত করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিবছর সোমেশ্বরী নদীতে পাহাড়ি ঢল আসার ফলে আতঙ্কে থাকতে হয় রানীখং ধর্মপল্লী, রানীখং প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং রানীখং উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। যখন প্রবল স্রোত ও নদীভাঙনের আশঙ্কা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে, তখন জরুরি পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে এসেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগ ও অর্থায়নে ভাঙনপ্রবণ স্থানে জিওব্যাগ ফেলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা হয়েছে। রানীখং উচ্চ বিদ্যালয়, রানীখং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সাধু যোসেফ ধর্মপল্লী রক্ষা পাওয়ায় এলাকাবাসী ডেপুটি স্পিকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার ১নং কুল্লাগড়া ইউনিয়নের সীমান্তঘেঁষা এলাকায় অবস্থিত এসব প্রতিষ্ঠান প্রতিবছর ভারত থেকে আসা ঢলে প্লাবিত হয়। প্রবল স্রোতে নদীর পাড় ভাঙতে শুরু করে। নদীর স্রোত ভয়ংকর রূপ ধারণ করলে নদীর তীরবর্তী এলাকার বাড়ি-ঘর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আতঙ্ক দেখা দেয়। পরবর্তীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনাগুলো ঝুঁকির মুখে পড়ে। ভাঙন বাড়তে থাকায় বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
এলাকার শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিষয়টি স্থানীয়রা ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মহোদয়কে অবহিত করেন। এরপর তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে ভাঙনপ্রবণ এলাকায় জিওব্যাগ ফেলে পাড় রক্ষার ব্যবস্থা করেন। তাঁর এই মহৎ উদ্যোগের ফলে শতবছরের ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এনি মৃ বলেন, "আমাদের স্কুলটি নদীর তীরে অবস্থিত। ভারত থেকে অতিরিক্ত পানি যখন এই নদীতে চলে আসে, তখন নদীর পানির স্রোত বেড়ে যায়। ধীরে ধীরে নদীর পাড় ভাঙতে ভাঙতে স্কুলের সীমানা প্রাচীর পর্যন্ত চলে আসছিলো। এতে আমরা খুবই চিন্তিত ছিলাম। পরবর্তিতে মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্যার ভাঙ্গন রোধের ব্যবস্থা করেছেন। তিনি পাড় ভাঙন রোধ করার জন্য আমাদের এখানে জিওব্যাগ দিয়ে বাঁধের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তবে আমাদের অনুরোধ, তিনি যেন এই বাঁধটি স্থায়ীভাবে আরও ভালোভাবে নির্মাণের ব্যবস্থা করেন।"
রানীখং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রবীর পলিনোস রিছিল বলেন, "রানীখং উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্বপাশ দিয়েই সোমেশ্বরী নদী বহমান। বর্ষাকালে নদীটি উত্তাল রূপ ধারণ করে এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীর পাড় ভাঙন অব্যাহত থাকে। এরই ফলে আমাদের ওয়ালগেটের পাশে একটি বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। প্রতি বছর গর্তটি বড় হয়ে বিদ্যালয়ের ওয়ালগেট ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। এরই মধ্যে মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মহোদয়ের দৃষ্টিগোচর হওয়ায় এবং ওনার নিজ অর্থায়নে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগের মাধ্যমে পাড় ভাঙন রোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে পাড় ভাঙন বন্ধ রয়েছে এবং আমরা উপকৃত হয়েছি। আগামী দিনে এই পাড় ভাঙন স্থায়ীভাবে রোধ করতে সিসি ব্লকের মাধ্যমে টেকসই প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ডেপুটি স্পিকার মহোদয়কে অনুরোধ জানাচ্ছি।"
এ বিষয়ে ধর্মপল্লীর সিস্টার মিলিনিউটি বলেন, "আমি রানীখং ধর্মপল্লী এলাকায় বসবাস করি। আমাদের এখানে স্কুলের পাশে বাঁধ ভেঙে গিয়েছিল। বর্ষা ও বন্যার সময় পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবল বেগে নেমে আসে। তখন নদীভাঙনও শুরু হয়। মিশনের আশপাশেও বিভিন্ন জায়গায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মহোদয় আমাদের জন্য বাঁধের ব্যবস্থা করেছেন। এজন্য আমরা তাঁকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।"
অন্যদিকে রানীখং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রুমা আরেং বলেন, "সোমেশ্বরী একটি পাহাড়ি নদী। ভারতের পাহাড়ি এলাকা থেকে এই নদীতে পানি আসে। বর্ষাকালে নদীটি প্রবাহমান হওয়ার পাশাপাশি অনেক ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। বন্যার সময় পাহাড়ি ঢল নেমে এলে আমাদের এলাকায় যে ভাঙন হয়, তা অত্যন্ত মারাত্মক। ভাঙ্গনের বিষয়টি ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মহোদয় জানতে পেরে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়া ওনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকার করছি।"
স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষগণ বলেন, সীমান্তবর্তী কুল্লাগড়া ইউনিয়নের এ অঞ্চলে পাহাড়ি ঢল ও নদীভাঙন দীর্ঘদিনের সমস্যা। বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে এলে সোমেশ্বরী নদীর স্রোত বেড়ে যায়। এতে বিভিন্ন স্থানে নদীর তীর ভাঙতে থাকে। সময়ের সঙ্গে ভাঙন বাড়তে থাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা, বসতবাড়ি ও স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।
জিওব্যাগ দিয়ে জরুরি ভিত্তিতে পাড় রক্ষার উদ্যোগ নেওয়ায় বর্তমানে ভাঙনের তীব্রতা অনেকটা কমেছে বলে জানান তারা। তবে, এটি তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা। দীর্ঘমেয়াদী নদী ভাঙন বন্ধ করতে প্রয়োজন স্থায়ী ও টেকসই নদীতীর সংরক্ষণ ব্যবস্থা। এর ফলে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ধর্মপল্লী ও সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে একটি বোমা হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন এবং ২০ জন আহত হয়েছেন। আজ ডেরা ইসমাইল খান জেলার দারাজিন্দার কাছে আমান মেলা এলাকায় একটি পুলিশের তল্লাশি চৌকিতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) আলজাজিরা র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সশস্ত্র গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) হামলার দায় স্বীকার করেছে একটি বিবৃতির মাধ্যমে।
নিহতদের মধ্যে ৮ জন পুরুষ, ২ জন নারী এবং ১ শিশু রয়েছে। আহতদের মধ্যে পুলিশ সদস্য, শুল্ক বিভাগের কর্মী এবং দুজন বেসামরিক নাগরিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। উদ্ধারকারী সংস্থা ‘রেসকিউ ১১২২’ জানায়, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং বেশ কয়েকজন হতাহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মোগল কোট ও দারাজিন্দার কাছে ডেরা ইসমাইল খান–কোয়েটা সড়কের আমান মেলা চেকপোস্টে হামলাটি সংগঠিত হয়েছে। এই এলাকা খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশের সীমান্তের নিকটে অবস্থিত। বিস্ফোরণের প্রকৃতি তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যদের পাঠানো হয়েছে।
রেসকিউ ১১২২ জানায়, আহত ২০ জনকে উদ্ধার করার পর প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৮ জনকে বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, ২০২১ সালে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ফিরে আসা আফগান তালেবানের একটি সহযোগী গোষ্ঠী হলেও টিটিপি স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে। আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের প্রতিষ্ঠার পর থেকে টিটিপির প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, টিটিপি সদস্যরা আফগানিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানে নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে। তবে আফগান সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : উৎসবমুখর পরিবেশে সুনামগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।
আজ শনিবার সুনামগঞ্জ জেলা স্কাউট ভবনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, শান্তিগঞ্জ উপজেলার সুরমা স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল মো. আমিনুল ইসলাম।
নির্বাচনের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জুলফিকার হোসেন।
জেলার ১২ উপজেলা থেকে ৩ জন করে ভোটাররা ভোট প্রদান করেন। ভোটগ্রহণের সময় ছিল সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত।
সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন, সাতগাঁও জীবদাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদ। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শাল্লা উপজেলার আব্দুস শহীদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরিফ মোহাম্মদ দুলাল। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইমরান হাসান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু আগামী প্রজন্মের জন্য একটি আদর্শ ও বাসযোগ্য নগরী গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের লক্ষ্য কেবল বর্তমানের উন্নয়ন নয়, বরং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি আধুনিক, সবুজ ও বাসযোগ্য কুমিল্লা নগরী গড়ে তোলা।"
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা নগরীর চর্থা নবাব বাড়ি চৌমুহনী এলাকায় অবস্থিত কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজ ক্যাম্পাসে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কুসিক প্রশাসক বলেন, "তোমরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশের কারিগর।" তিনি শিক্ষার্থীদের জানান, শিক্ষা জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ ধাপে দাঁড়িয়ে তাদেরকে শুধু ভালো ফল করলেই চলবে না, বরং একজন সুনাগরিক ও মানবিক গুণসম্পন্ন দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে মেধার বিকাশ ঘটিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
এই অনুষ্ঠানে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি সাইফুল ইসলাম টিপুর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজ অধ্যক্ষ আবু জাফর মো. সালমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কলেজের নির্বাহী পরিচালক ডা. মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান, কুমিল্লা সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।
অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রোটারিয়ান প্রদীপ সাহা, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাদিক হোসেন মামুন, সাংস্কৃতিক সংগঠক আব্দুস সাত্তার, রূপালী ব্যাংকের ডিজিএম মিজানুর রহমান, জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আমজাদ হোসেন, সংরাইশ সালেহা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লুৎফুর রহমান, শৈলরানী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইয়াসমিন বেগম, হোচ্ছা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খোদেজা বেগম, ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক আয়েশা খানম প্রমুখ।
বক্তারা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, "একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির এই দুটি বছর অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত কিন্তু জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়।" তারা বলেন, এই সময়ের সঠিক মূল্যায়নই ভবিষ্যতের লক্ষ্য নির্ধারণ করবে। বক্তারা শিক্ষার্থীদের মাদক, কিশোর অপরাধ ও সব ধরনের সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থেকে নৈতিক শিক্ষায় দীক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানান। একই সাথে তারা কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষাদানের চমৎকার পরিবেশ ও সুনামের প্রশংসা করেন।
সাইফুল ইসলাম টিপু নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, "কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজ সব সময়ই মানসম্মত শিক্ষা ও শৃঙ্খলার বিষয়ে আপসহীন।" তিনি বলেন, নতুন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের পথচলা যেন সফল ও অর্থ বহ হয়, সেজন্য কলেজ প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা করতে বদ্ধপরিকর।
নবীন বরণ অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে কলেজের শিক্ষার্থীদের ও কুমিল্লার শিল্পীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। গান, কবিতা আবৃত্তি এবং নৃত্যের ছন্দে পুরো ক্যাম্পাস মেতে ওঠে এক অনাবিল আনন্দে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ