বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৯ পি.এম
চ্যাম্পিয়নস লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদ ইন্টার মিলানকে ২-১ গোলে পরাজিত করে দুর্দান্ত সূচনা করেছে। কোচ হোসে মরিনহো সাবেক ক্লাবের বিরুদ্ধে জয় অর্জন করেছেন, যদিও তিনি চোট ও নিষেধাজ্ঞার কারণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে পাননি। ম্যাচ শেষে মরিনহোর আত্মবিশ্বাসী মন্তব্যও আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, "কঠিন হলে ডাকবেন হোসেকে।"
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রদর্শন করে। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ফেদেরিকো ভালভার্দে গোল করেন। প্রথম ২৫ মিনিটের মধ্যে ইন্টার মিলানের দুটি রক্ষণাত্মক ভুলের সুযোগ নিয়ে স্বাগতিকরা এগিয়ে যায়।
তবে পুরো ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদ স্বস্তিতে ছিল না। দুই দলের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। ইন্টার একটি গোল শোধ করলেও, শেষ পর্যন্ত জয় ধরে রাখতে সক্ষম হয় মাদ্রিদের দলটি।
ম্যাচ শেষে মরিনহো জানান, ফলাফল নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট হলেও ম্যাচটি তাঁর জন্য মোটেও স্বস্তিদায়ক ছিল না। তাঁর মতে, খেলাটি এতটাই উন্মুক্ত ছিল যে যেকোনো ফল আসতে পারত।
মরিনহো বলেন, "আমি ফলাফলে খুশি। খুব শক্তিশালী একটি দলের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই তিন পয়েন্ট পেয়েছি। দর্শকদের জন্য ম্যাচটি দারুণ ছিল, কিন্তু আমার বা ক্রিস্তিয়ান কিয়েভুর জন্য মোটেও স্বস্তির ছিল না।"
তিনি আরও বলেন, "ম্যাচটি ৫-০, ৫-৫ কিংবা ৭-৬—যেকোনো ফলেই শেষ হতে পারত। রিয়াল ৩-০ ব্যবধানে ম্যাচ শেষ করে দিতে পারত, আবার ইন্টারও একাধিক গোলের সুযোগ পেয়েছিল।"
ম্যাচে এমবাপ্পেকে নিয়ে গ্যালারির কিছু অংশের অসন্তোষ সত্ত্বেও মরিনহো ফরাসি ফরোয়ার্ডের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর মতে, এমবাপ্পে কঠোর পরিশ্রম করেছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ গোল করেছেন। তিনি আত্মবিশ্বাসী যে সামনে আরও অনেক গোল করবেন।
এই ম্যাচে মরিনিওর পুনর্মিলন হয়েছে ইন্টারের কোচ ক্রিস্তিয়ান কিয়েভুর সঙ্গে। ২০১০ সালে ইন্টারের ঐতিহাসিক ট্রেবল জয়ে মরিনিওর দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন কিয়েভু। ম্যাচের আগে ও পরে দুজনের আলিঙ্গন ছিল আবেগঘন মুহূর্ত।
তবে ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে আবেগের জায়গা ছিল না বলেই জানিয়েছেন মরিনিও। তিনি বলেন, "মাঠে নামার পর সবকিছু ভুলে শুধু ম্যাচ নিয়েই ভাবতে হয়।"
রিয়ালে কঠিন সময়ে ফিরেছেন মরিনহো। সেই কঠিন পরিস্থিতিই যেন তাঁকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে। রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ কেন তাঁকে দ্রুত ফিরিয়ে এনেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে মরিনহো বলেন, "কারণ পরিস্থিতি কঠিন ছিল। সহজ হলে সেটা আমার জন্য নয়। কঠিন হলে ডাকবেন হোসেকে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ১৪৪৮ হিজরি উপলক্ষে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) থেকে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব ও দক্ষিণ চত্বরে মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলা শুরু হতে যাচ্ছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ওইদিন সকাল ১০টায় মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেম এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, মেলায় মোট ২০৬টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে, যার মধ্যে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এবং ইসলামি বইয়ের প্রকাশক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এই মেলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা বিভাগ পবিত্র কোরআন, হাদিস, সিরাত, ইসলামি দর্শন, ইতিহাস ও গবেষণাধর্মী বইয়ের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের জন্য বিভিন্ন ইসলামি গ্রন্থ প্রদর্শন করবে। বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান তাদের প্রকাশিত বই প্রদর্শন ও বিক্রির সুযোগ পাবে।
আয়োজকরা আশা করছেন, মাসব্যাপী এই মেলার মাধ্যমে ইসলামি জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাসের বৃদ্ধি ঘটবে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে কোরআন, হাদিস এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ এবং ইসলামের শান্তি, সাম্য ও মানবিকতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন আশা করছে, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে মেলায় ব্যাপক জনসমাগম হবে। মেলার সফলতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কারাবন্দি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাবেক পেসার ওয়াসিম আকরাম। পাকিস্তানের এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার রাজনৈতিক বিষয়গুলো একপাশে রেখে ইমরানের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
‘দ্য অ্যাথলেটিক’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওয়াসিম আকরাম বলেন, ইমরান তার বন্ধু এবং মেন্টর। দীর্ঘ সময় ধরে তার সঙ্গে যোগাযোগ না থাকায় তিনি তাকে ভীষণভাবে মিস করছেন। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো ধরনের আপস করা উচিত নয়।
ইমরান ২০২৩ সালের আগস্ট মাস থেকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দী রয়েছেন। দুর্নীতিসহ বিভিন্ন মামলায় তাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে ইমরান ও তার দল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তিনি ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
ওয়াসিম বলেন, রাজনৈতিকভাবে ইমরানের সঙ্গে যা ঘটছে, সেটি দুর্ভাগ্যজনক হলেও আদালতের বিষয় আদালতের নিয়মেই চলবে। তবে একজন মানুষ ও বন্ধু হিসেবে ইমরানের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি আলাদা করে দেখার আহ্বান জানান তিনি।
ইমরানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত মাসে দেশটির ২২ জন সাবেক অধিনায়ক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে চিঠি দিয়ে ইমরানের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।
ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন ক্রিকেট বিশ্বের আরও কয়েকজন তারকা। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ব্রায়ান লারা এবং পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ, মঈন খান ও রামিজ রাজা বিভিন্ন সময়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন।
ইমরানের দুই ছেলে সুলেইমান খান ও কাশিম খানও বাবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ইংল্যান্ড-পাকিস্তান টেস্ট চলাকালে স্কাই স্পোর্টসে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারা ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে শঙ্কার কথা জানান।
ওয়াসিম ইমরানের সঙ্গে নিজের দীর্ঘ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেন, ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পরও তাদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। তিনি জানান, ইমরান তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
১৯৯২ বিশ্বকাপে ইমরানের নেতৃত্বে পাকিস্তানের হয়ে খেলেছিলেন ওয়াসিম। ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ১৮ বলে ৩৩ রান করার পাশাপাশি বল হাতে তিন উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি।
ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে আদালতের নির্দেশে তাকে ইসলামাবাদের শিফা হাসপাতালে ভর্তি করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সরকারি হাসপাতাল পিআইএমএসে নেওয়া হয়। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।
সূত্র: ইএসপিএন ক্রিকইনফো
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ থেকে প্রথমবারের মতো পণ্য রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই অঞ্চলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয় ইন্দোনেশিয়ায় ৫০ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের তামাক প্রক্রিয়াজাতকরণ মেশিনারির একটি চালান পাঠানোর মাধ্যমে।
অর্থনৈতিক অঞ্চল-২-এর প্রথম রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান লিজ টোব্যাকো মেশিনারি কম্পানি লিমিটেড ৩ সেপ্টেম্বর বেপজার কাছ থেকে রপ্তানির অনুমতি লাভ করে। এরপর গতকাল প্রতিষ্ঠানটি ইন্দোনেশিয়ায় যন্ত্রপাতির চালান পাঠায়।
এই রপ্তানির মাধ্যমে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ অপারেশনাল পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। এর ফলে বেপজার অধীনে মোট আটটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) এবং দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ চালু শিল্পাঞ্চলের সংখ্যা ১০টিতে পৌঁছেছে।
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২-এর নির্বাহী পরিচালক মো. ওহিদুজ্জামান মন্তব্য করেন, ‘ইন্দোনেশিয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ তুলনামূলক কম। এই প্রেক্ষাপটে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ থেকে দেশটিতে রপ্তানি শুরু হওয়া বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ ও গন্তব্যে বৈচিত্র্য আনার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
লিজ টোব্যাকো মেশিনারি, যা সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠিত, সম্পূর্ণরূপে রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি তামাকজাত পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি উৎপাদন করে।
বেপজা ২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটিকে অনুমোদন দেয়। এতে মোট বিনিয়োগ হয়েছে ৩.৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ২৯ জন কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন।
মীরসরাইয়ে এক হাজার ১৩৮.৫৫ একর জমির ওপর বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রশাসনিক ও পরিচালন কার্যক্রম আরো কার্যকরভাবে ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে পরে অঞ্চলটিকে অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ ও অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ নামে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়।
অর্থনৈতিক অঞ্চল-১-এ ৪৭টি প্রতিষ্ঠানকে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে উৎপাদন শুরু করেছে।
অন্যদিকে অর্থনৈতিক অঞ্চল-২-এ ১৮টি প্রতিষ্ঠানকে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে লিজ টোব্যাকো মেশিনারি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছে। বেপজা আশা করছে শিগগিরই আরো তিনটি প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ও রপ্তানি শুরু হবে। বাকি ১৪টি প্রতিষ্ঠানের কারখানা নির্মাণকাজ চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-এর যৌথ টাস্কফোর্স কর্তৃক টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বিভিন্ন মাদকপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনরত অবস্থায় ০৩ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় ।গ্রেফতারকৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ রাত ১১:৩০ টায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইল কর্তৃক টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলায় পরিচালিত মাদকবিরোধী অপর এক অভিযানে ১ কেজি ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জনস্বার্থে পুরো জেলায় মাদকবিরোধী এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং চলমান থাকবে বলে জেলা প্রশাসন কর্তৃক জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ