শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৬ এম
নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তেলুঞ্জিয়া এলাকায় দুবৃত্তদের গুলিতে এক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, যাঁর নাম লুৎফরুজ্জামান ফকির (আলীফ)। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতের আনুমানিক ৮.০০ ঘটিকার সময় এই ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ তাঁকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে গুলি পড়ে থাকতে দেখা গেছে বলেও জানা গেছে।
নিহত লুৎফরুজ্জামান আলীফ ফকির নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের শুনুই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর বাবার নাম মহব্বত আলী ফকির। তিনি দুর্গাপুর পৌরসভার তেলুঞ্জিয়া এলাকায় পরিবার ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলীফ ফকির ‘রূপসী বাংলা’ টেলিভিশনের নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন। পাশাপাশি তিনি ‘‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’’ নামে একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতেন বলেও জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে লুৎফুজ্জামান ফকির তেলুঞ্জিয়া এলাকার রবিন সাংমার দোকানে তাঁর রেখে যাওয়া মুঠোফোন নিতে যান। এ সময় দুই যুবক এসে তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েকটি গুলি ছোড়ে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী চা দোকানের মালিক রবিন রাংসা বলেন, ঘটনার আগে দুই ব্যক্তি তাঁর দোকানে এসে সিগারেট কিনেছিলেন। তাঁদের বয়স আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ বছর। এর আগে আলিফ ফকির তার দোকানে একটি মোবাইল ফোন রেখে গিয়েছিলেন। পরে ওই মোবাইল ফোন নিতে ওই দোকানে যান আলিফ ফকির। এরপর ওই দুই ব্যক্তি সিগারেট নিয়ে আলীফ ফকিরের পিছু নেন। এর পরপরই তিনি তিনটি গুলির শব্দ শুনতে পান। পরে ভয়ে দোকান থেকে বাড়ির ভেতরে চলে যান।
নিহতের স্ত্রী আনন্দিতা সরকার জানান, ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন। এ সময় তাঁর স্বামীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, এমন খবর শুনে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে স্বামীকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমদ খান জানান, নিহত সাংবাদিকের মাথা, গলা, বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পাঁচটি গুলির আঘাত পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। খবর পেয়ে নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করতে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. জাহাঙ্গীর আলমকে রংপুরের নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে এই নিয়োগ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এছাড়া, রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. শহিদুল ইসলামকে গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি প্রদান করে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ