মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৮ পি.এম
বুলগেরিয়ার কৃষ্ণ সাগর উপকূলে ড্রোন হামলার ফলে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার পর রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত এলেনোরা মিত্রোফানোভাকে তলব করেছেন প্রধানমন্ত্রী রুমেন রাদেভ। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ক্রাপেটস গ্রামের প্রায় ৩১ কিলোমিটার পূর্বে একটি জাহাজ ডুবে গেছে।
এই ঘটনায় ১১ জন নাবিক নিখোঁজ রয়েছে, তবে একজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের মালিকানাধীন আরেকটি জাহাজ বিয়ালা শহর থেকে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার দূরে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই জাহাজটির ১৫ জন নাবিককেই উদ্ধার করা হয়েছে।
এক সপ্তাহ আগে, বুলগেরিয়ার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে সমুদ্র ও আকাশপথ থেকে চালানো ড্রোন হামলায় দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ আক্রান্ত হয়েছিল। ওই হামলায় একটি জাহাজ ডুবে যায় এবং ১০ জন নাবিকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে নয়জন সিরীয় নাগরিক ছিলেন।
সাম্প্রতিক হামলার পর, মঙ্গলবার জরুরি বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী রাদেভ। তিনি জানান, হামলার বিষয়ে আলোচনা করার জন্য রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছে। রাদেভ মন্তব্য করেন, হামলার জন্য কোনো পক্ষকে দায়ী করার মতো চূড়ান্ত প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। তবে তিনি মনে করেন, এই ঘটনার ফলে রাশিয়া লাভবান হতে পারে।
পরে বুলগেরিয়ার গণমাধ্যমে মিত্রোফানোভা জানান, সাম্প্রতিক হামলার বিষয়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তিনি কোনো তথ্য পাননি। তার ধারণা, তৃতীয় কোনো পক্ষও এই হামলার পেছনে থাকতে পারে। উল্লেখ্য, বুলগেরিয়া ন্যাটোর সদস্য। হামলার বিষয়ে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন রাদেভ।
আলোচনার পর রুট বলেন, কৃষ্ণ সাগরে মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে ন্যাটোর ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে পূর্ব সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখব এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনব।’ উল্লেখযোগ্য যে, জাহাজ দুটি বুলগেরিয়ার জলসীমার ঠিক বাইরে আক্রান্ত হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের বিজেপি সরকারের কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এল. মুরুগান তাঁর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। একই সময়ে, তিনি রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকেও পদত্যাগ করেছেন।
মুরুগান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, তামিলনাড়ুতে বিজেপিকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাতে তিনি নিজের পূর্ণ সময় উৎসর্গ করতে চান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এ (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক বার্তায় মুরুগান লিখেছেন, “এখন আমি মাঠপর্যায়ে ফিরে যেতে চাই, আমাদের দলীয় কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে চাই এবং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তামিলনাড়ুতে বিজেপিকে শক্তিশালী করার কাজে আত্মনিয়োগ করতে চাই। সবার আগে দেশ, তারপর দল, আর নিজের স্থান সবার শেষে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ছোট ফেনী নদীর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ১১ টার দিকে তিনি চরহাজারী ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন। এর আগে, তিনি একই ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের একটি সড়কের কাজ উদ্বোধন করেন।
পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মন্ডল, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী মো. অলিউল ইসলাম এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আলম সিকদার প্রমূখ।
এ সময় সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম নদী ভাঙ্গন রোধে জিও ব্যাগ এবং ভাঙ্গনরোধে কাজ করার জন্য ব্যক্তিগত ফান্ড থেকে এক লাখ টাকা দেবেন বলে জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ন্যাশনাল ব্যাংক, যা বেসরকারি খাতের আর্থিক সংকটে ভুগছে, সোনালী ব্যাংক থেকে ১০ শতাংশ সুদে ৭ হাজার কোটি টাকা ধার পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের শতভাগ গ্যারান্টির বিপরীতে এই অর্থ তিন মাসের জন্য প্রদান করা হয়েছে। যদি নির্ধারিত সময়ে ন্যাশনাল ব্যাংক ঋণের অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তবে গ্যারান্টির শর্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক তিন কর্মদিবসের মধ্যে সোনালী ব্যাংককে ওই অর্থ পরিশোধ করবে।
সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শওকত আলী খান মন্তব্য করেন, "ব্যাংক খাতে আস্থা ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংক যে উদ্যোগ নিয়েছে, তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে সোনালী ব্যাংক শতভাগ গ্যারান্টির বিপরীতে ন্যাশনাল ব্যাংককে তারল্য সহায়তা দিয়েছে। মেয়াদ শেষে ন্যাশনাল ব্যাংক অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যাংক তিন কর্মদিবসের মধ্যে সোনালী ব্যাংককে ওই অর্থ পরিশোধ করবে। ফলে এ অর্থায়নে সোনালী ব্যাংকের কোনো ঝুঁকি নেই। এর আগেও ইসলামী ব্যাংকগুলোকে একইভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্যারান্টির বিপরীতে অর্থ দেওয়া হয়েছিল।"
ন্যাশনাল ব্যাংক একসময় বেসরকারি খাতের শীর্ষ ব্যাংকগুলোর মধ্যে একটি ছিল। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদে বড় পরিবর্তন ঘটে। পরে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ সিকদার পরিবারের হাতে চলে যায়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংকটির পর্ষদে আবার পরিবর্তন আসে। তবে সিকদার পরিবারের সময়কার অনিয়ম ও লুটপাটের প্রভাব কাটিয়ে উঠতে ব্যাংকটি সক্ষম হয়নি। উচ্চ খেলাপি ঋণের কারণে ব্যাংকটির আর্থিক সূচকগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে। টানা লোকসানের পাশাপাশি আমানতকারীদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিতে হিমশিম খাচ্ছে ব্যাংকটি।
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেও ধারাবাহিক লোকসানে থাকা ব্যাংকটিকে টিকিয়ে রাখতে বড় অঙ্কের তারল্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তবুও ব্যাংকটির স্বাভাবিক লেনদেন পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। সম্প্রতি ন্যাশনাল ব্যাংকের চার আমানতকারী তাঁদের জমা টাকা তুলতে না পেরে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। পরে হাইকোর্ট বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেয় তাঁদের সঞ্চয়ী হিসাবের টাকা উত্তোলন নিশ্চিত করতে।
এমন পরিস্থিতিতে গত ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মেলিতা মেহজাবীন ও ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদুল হক। সাক্ষাৎকালে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে ব্যাংকে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষতা ও কার্যক্ষমতা বাড়াতে ঋণ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হয়েছে।
গভর্নর ন্যাশনাল ব্যাংকের তারল্য পরিস্থিতি এবং আমানতকারীদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা উত্তোলনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার কথা জানান। তিনি আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বজায় রাখা এবং কার্যক্রম সুশৃঙ্খল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন। ১৫ অক্টোবর থেকে ব্যাংকটির সব আমানতকারী যাতে চাহিদা অনুযায়ী টাকা তুলতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এর আগে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ৯৮৫ কোটি টাকা ধার নিয়েছিল ন্যাশনাল ব্যাংক। নির্ধারিত সময়ে ওই অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় বাংলাদেশ ব্যাংককে সেই দায় মেটাতে হয়। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ন্যাশনাল ব্যাংকের ঋণ হিসেবে ওই অর্থ দায় তৈরি হয়েছে। বর্তমানে ন্যাশনাল ব্যাংকের কাছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাওনা ১০ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা। এ অর্থের পুরোটাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন টাকা সৃষ্টি করে দিয়েছে।
ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তারল্যসংকটে থাকা ব্যাংকগুলোকে সহায়তা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্যারান্টির বিপরীতে অন্য ব্যাংক থেকে অর্থ ধার নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ধরনের সহায়তা তাৎক্ষণিক অর্থসংকট মেটাতে ভূমিকা রাখলেও ঋণ আদায় ও আর্থিক অবস্থার উন্নতি না হলে দীর্ঘমেয়াদে সংকট কাটানো কঠিন হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক বালুকাময় সৈকত হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। এই অবিচ্ছিন্ন ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সৈকত, যেখানে প্রতিটি ঢেউ নতুন গল্প, আনন্দ এবং অভিজ্ঞতা নিয়ে আসে। প্রতিবছর ৭০ থেকে ৮০ লাখ পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণ করেন, তবে বিদেশি পর্যটকদের সংখ্যা খুবই কম।
পর্যটকরা জানান, কক্সবাজারে সমুদ্র উপভোগের বাইরে বিনোদনের কোনো ব্যবস্থা নেই। এই কারণে তারা ভ্রমণ সংক্ষিপ্ত করে কক্সবাজার ত্যাগ করেন।
এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের কক্সবাজারে দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে তিন মাসব্যাপী ‘কক্সবাজার পর্যটন কার্নিভাল ২০২৬’ আয়োজন করছে পর্যটন কর্পোরেশন।
কক্সবাজার শহরের হোটেল শৈবালের সমুদ্র সৈকত ও ঝাউবনের বিস্তৃত প্রান্তরে ৩৫ একর জায়গাজুড়ে এই কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে। ১ নভেম্বর শুরু হয়ে এই আয়োজন চলবে আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য দিনে ও রাতে বিভিন্ন ধরনের বিনোদনমূলক আয়োজন থাকবে।
কক্সবাজার পর্যটন কার্নিভাল উদযাপনের লক্ষ্যে গতকাল সোমবার (১৩ অক্টোবর) পর্যটন সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করে পর্যটন কর্পোরেশন।
এই সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামীম আরা স্বপ্না, পর্যটন কর্পোরেশনের পরিচালক (বাণিজ্যিক) মো. গনী উল আজম, পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. আব্দুর রউফ মিয়া, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান এবং কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান।
এ সময় পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান বলেন, বিশেষ করে বিদেশি পর্যটকদের কাছে কক্সবাজারকে নতুন ও ব্যতিক্রমীভাবে উপস্থাপন এবং বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যেই আন্তর্জাতিক মানের এই কার্নিভালের আয়োজন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কক্সবাজার বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন গন্তব্য। বিগত বছরগুলোতে এখানে বছরজুড়ে পর্যটকের আগমন বেড়েছে, কিন্তু বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা তেমন বৃদ্ধি পায়নি। তাই হলিডে সিজনে লাখো পর্যটকের প্রাণচাঞ্চল্যে এবার কক্সবাজারে নতুন অভিজ্ঞতার আয়োজন থাকবে। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে এবং স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের পরিচালনায় এই কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে।
পর্যটন কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, কার্নিভালের মূল আকর্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে: ফুড জোন, যেখানে দেশি-বিদেশি খাবার, লাইভ ফুড স্টল, বারবিকিউ, আইসক্রিম পার্লার ও জুস কর্নার থাকবে; মার্কেট জোন ও ক্র্যাফট ভিলেজে পোশাক, অলংকার, মাটির পণ্য এবং স্থানীয় কারিগরদের হাতে তৈরি শিল্প থাকবে- যেখানে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে। সৃষ্টির অভিজ্ঞতায়; ওয়েলনেস জোনে সূর্যোদয়ের সঙ্গে যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন; কিডস জোনে আর্ট, নিরাপদ রাইড ও বিভিন্ন মজার কার্যক্রম; ক্যাম্পিং জোনে নাইট-স্টে ক্যাম্পিং, ওপেন-স্কাই লাইব্রেরি, সেলফ-বারবিকিউ, হ্যামক, ক্যাম্পফায়ার এবং টেলিস্কোপে তারাভরা আকাশ দেখার অভিজ্ঞতা থাকবে।
এছাড়াও লাইভ আর্ট ও ফটো গ্যালারি, ওপেন-স্কাই মুভি থিয়েটার, ভিআর জোন, সার্কাস টেন্ট, কায়াকিং, লাইভ-বাঞ্জিং, গো-কার্ট, বিচ ফুটবল, বিচ হ্যান্ডবল, বিচ ভলিবল, বিচ কাবাডি, ব্যাডমিন্টন এবং স্যান্ড স্কাল্পচার থাকবে।
বিশেষ দিনের উদযাপনে বিজয় দিবস উদযাপন, হ্যাপি নিউ ইয়ার, হলি ক্রিসমাস অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আরও থাকছে বিচ ভিউ ওপেন থিয়েটার; যেখানে প্রিয়জনদের সঙ্গে সমুদ্রে সূর্যাস্তের সোনালি আলো আর বাঁশির সুরে হারিয়ে যাওয়ার নতুন অভিজ্ঞতা হবে।
পর্যটন কর্পোরেশনের মালিকানাধীন হোটেল শৈবালের ব্যবস্থাপক রায়হান উদ্দিন আহমেদ বাসসকে জানান, তারা কেবল একটি কার্নিভাল আয়োজন করতে চান না, বরং কক্সবাজারের পর্যটন অভিজ্ঞতায় একটি নতুন মাত্রা যুক্ত করতে চান। সমুদ্র, সূর্যাস্ত, ঝাউবন থাকবে- এর সঙ্গে যুক্ত হবে খাবার, সংগীত, খেলাধুলা, সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা, অ্যাডভেঞ্চার এবং পারিবারিক বিনোদন।
কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবদুল শুক্কুর বাসসকে বলেন, থাইল্যান্ডের ফুকেট-পাতায়া, মালয়েশিয়ার লংকাউই, ভারতের গোয়া, ইন্দোনেশিয়ার বালি, নেপাল ও ভুটানসহ বিশ্বের জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যগুলোতে রাতের বিনোদন ও লাইভ মিউজিক থাকে। বিদেশি পর্যটক টানতে কক্সবাজারেও রাত্রিকালীন বিনোদন বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।
সংসদ সদস্য শামীম আরা স্বপ্না বাসসকে বলেন, কক্সবাজারের পর্যটনকে বিশ্বময় করার প্রক্রিয়া নির্ধারণে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতীতে কী হয়েছে তা নিয়ে পড়ে না থেকে সামনে এগিয়ে যেতে সবার সমন্বিত পরামর্শ নিয়ে কাজ করা হবে। এভাবেই কক্সবাজার অর্থনৈতিক হাব হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আশা করা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ