বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৫৩ এম
নেদারল্যান্ডসে মাস্টার্স করার সুযোগ দিচ্ছে মাস্ট্রিক্ট ইউনিভার্সিটি, যা ইউরোপের একটি জনপ্রিয় উচ্চশিক্ষার গন্তব্য। ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে NL-High Potential Scholarship-এর আওতায় ১৮টি পূর্ণাঙ্গ বৃত্তি প্রদান করা হবে, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত।
ভার্সিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বৃত্তির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় টিউশন ফি, ভিসা, স্বাস্থ্য ও দায়বদ্ধতা বিমাসহ বিভিন্ন খরচ বহন করবে। শিক্ষার্থীদের মাসে প্রায় ১ হাজার ৫৫০ ইউরো জীবনযাপনের জন্য দেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এক বছরের মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য বৃত্তির মেয়াদ ১৩ মাস। এই সময়ের মধ্যে জীবনযাপনের জন্য মোট ২০ হাজার ১৫০ ইউরো প্রদান করা হবে। দুই বছরের মাস্টার্সের ক্ষেত্রে মেয়াদ ২৫ মাস এবং জীবনযাপনের জন্য মোট ৩৮ হাজার ৭৫০ ইউরো দেওয়া হবে।
কারা আবেদন করতে পারবেন
ইউ/ইইএ, সুইজারল্যান্ড ও সুরিনামের বাইরের দেশের নাগরিকরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীর বয়স ১ সেপ্টেম্বর ২০২৭ তারিখে ৩৫ বছরের বেশি হওয়া যাবে না।
এছাড়া, আগের শিক্ষাজীবনে ভালো ফলাফল থাকতে হবে। সর্বশেষ একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টে ১০-এর মধ্যে কমপক্ষে ৭.৫ জিপিএ থাকতে হবে, যা ১০০ নম্বরের হিসাবে অন্তত ৭৫ শতাংশের সমতুল্য।
আবেদনকারীকে মাস্ট্রিক্ট ইউনিভার্সিটি-এর বৃত্তিতে অংশ নেওয়া কোনো পূর্ণকালীন মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদন সম্পূর্ণ করে সব ভর্তি-শর্ত ১০ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে পূরণ করতে হবে।
যারা আগে নেদারল্যান্ডসে কোনো ডিগ্রি অর্জনের উদ্দেশ্যে উচ্চশিক্ষা নিয়েছেন, তারা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। তবে সেখানে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
কী সুবিধা মিলবে
বৃত্তির আওতায় টিউশন ফি, ভিসা আবেদন এবং স্বাস্থ্য ও দায়বদ্ধতা বিমার খরচ বহন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় আবাসনের ব্যবস্থা করবে।
তবে বরাদ্দ করা আবাসন গ্রহণ করা বৃত্তির বাধ্যতামূলক শর্ত। দুই বছরের মাস্টার্সে দ্বিতীয় বছরের বাসস্থানের ব্যবস্থা শিক্ষার্থীকে নিজেকেই করতে হবে।
বিমান টিকিটের খরচ বৃত্তির আওতায় নেই। এ ছাড়া বাসস্থানের জন্য আনুমানিক ৭৫ ইউরোর ক্লিনিং ফি শিক্ষার্থীকে দিতে হবে।
আবেদনের সময়
মাস্ট্রিক্ট ইউনিভার্সিটি এর তথ্য অনুযায়ী, ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট CET পর্যন্ত।
তবে বৃত্তির জন্য বিবেচিত হতে সংশ্লিষ্ট মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদন ও সব প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার শেষ সময় ১০ ডিসেম্বর ২০২৬।
আবেদনের সঙ্গে CV, Motivation Letter, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, আর্থিক প্রয়োজনের বিবৃতি এবং একজন অধ্যাপক, লেকচারার বা নিয়োগকর্তার Reference Letter জমা দিতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, এটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক বৃত্তি। মোট আবেদনকারীর মাত্র প্রায় ২ শতাংশ এই বৃত্তি পান।
বাছাই শেষে নির্বাচিত প্রার্থীদের ২০২৭ সালের এপ্রিলের মধ্যে তাদের আবেদনের বিষয়ে জানানো হবে। বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের আগস্ট ২০২৭-এর প্রথম সপ্তাহে দুই সপ্তাহের বাধ্যতামূলক Pre-Academic Training-এ অংশ নিতে হবে। বিস্তারিত জানুন এখানে ...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সেনবাগে অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার একদিন পর, পুকুরপাড় থেকে মো. মারুফ (২১) নামে এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের মতইন দক্ষিণপাড়া হাজী বাড়ির পাশে একটি পুকুরপাড় থেকে ওই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মারুফ ওই এলাকার মো. রিপনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অভিমান করে নিজের মোবাইল ফোনটি ভেঙে পেলে। পরে তার জামা কাপড় একটি ট্রাভেল ব্যাগে বহন করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান মারুফ। এরপর সে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি, পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে, ডার কোন সন্ধান পাননি।
বুধবার রাতে বাড়ির পাশে ধানখেত সংলগ্ন পুকুরপাড়ে মারুফের গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় লাশ পড়ে থাকতে দেখে, স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। সেনবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থলের কাছ থেকে তার ব্যবহৃত ট্রাভেল ব্যাগ ও জুতা উদ্ধার করা হয়।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.হযরত আলী মিলন বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান, গলায় গামছা বাঁধা লাশটি পুকুর পাড ও ধানখেতের মধ্যে পড়ে আছে। গামছার একটি অংশ পুকুর পাড়ে গাছের ঢালেরৈ মধ্যে বাঁধা ছিল, ওপর অংশ লাশের গলায় পেঁচানো ছিল। গলায় থাকা গামছাটি পুরোনো হওয়ায় ছিঁড়ে যাওয়ার পর তিনি ধানখেতে পড়ে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ওই তরুণ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। এই ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কাতারের উত্তর উপকূলের নিকটবর্তী একটি ট্যাংকারে একাধিক প্রজেক্টাইল আঘাত হানার ঘটনায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। বুধবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্যবিষয়ক সংস্থা ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)। সংস্থাটি জানায়, কাতারের মদিনাত আশ শামাল থেকে প্রায় ৯৪ কিলোমিটার (৫৮ মাইল) উত্তরে ট্যাংকারটিতে একাধিক প্রজেক্টাইল আঘাত হানে।
ইউকেএমটিও এই ঘটনায় কতজন নিহত বা আহত হয়েছেন, সে সম্পর্কে কোনো সংখ্যা জানায়নি। তারা উল্লেখ করেছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি তদন্ত করছে। হামলার শিকার জাহাজটির মালিকানা বা পতাকাবাহী দেশের তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।
পারস্য উপসাগরের মাঝামাঝি এলাকায় সাধারণত কোনো জাহাজে হামলার ঘটনা বিরল। বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলবিষয়ক সাময়িকী দ্য মেরিটাইম এক্সিকিউটিভ জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে উপসাগরের পশ্চিম অংশে কোনো ট্যাংকারে হামলার এটিই প্রথম খবর।
এ বিষয়ে কাতার এখনও কোনো মন্তব্য করেনি। উল্লেখ্য, ঘটনাটি কাতারের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের (ইইজেড) মধ্যে ঘটেছে। সাম্প্রতিক সময়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার ঘটনা বেড়ে গেছে। এই সরু জলপথটি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। সূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি সউদী আরবের আকাশসীমাকে নিজেদের সামরিক অভিযান হিসেবে ঘোষণা করে, সেখানে বিমান পরিচালনা না করার জন্য বিশ্বব্যাপী এয়ারলাইন্স বা বিমান সংস্থাগুলোকে সর্বশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে। পাশাপাশি, তারা সউদী আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত 'কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে' একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে।
হুতি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, তাদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি লক্ষ্যবস্তুতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে এবং বিমানবন্দর পরিচালনা সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে। তবে, সউদী কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে হুতিদের এই সাম্প্রতিক হামলার দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া বা তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।
ইয়াহিয়া সারি আরও বলেন, সউদীর আকাশসীমা বর্তমানে তাদের সামরিক অভিযানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, তাই আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে সেখানে ফ্লাইট পরিচালনার পরিণাম সম্পর্কে তারা 'শেষবারের মতো' সতর্ক করছেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, মক্কা ও মদিনার মতো "পবিত্র স্থানসমূহের" আকাশসীমা এই সতর্কবার্তার আওতামুক্ত থাকবে।
সউদী আরব এই একই বিমানবন্দরে সপ্তাহান্তে হওয়া একটি হামলার কথা স্বীকার করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হুতিদের এই কড়া হুঁশিয়ারি সামনে এসেছে। ওই হামলায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল।
এদিকে, বিমানবন্দর ও আকাশসীমায় হুতিদের ক্রমাগত হুমকির মুখে বুধবার সউদী আরবে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে রিয়াদস্থ মার্কিন মিশন। তারা সতর্ক করেছে যে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ফ্লাইট বাতিল, আকাশসীমা বন্ধ এবং ভ্রমণ সূচিতে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটতে পারে।
মার্কিন মিশনের বিবৃতিতে বলা হয়, সউদী আরবের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বেসামরিক বিমানবন্দরসহ সামগ্রিক আকাশসীমার ওপর হুতিদের প্রকাশ্যে দেওয়া হুমকির বিষয়টি মাথায় রেখে সব মার্কিন নাগরিককে সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকার অনুরোধ করা হচ্ছে। হুতিরা সউদী আরবে হামলা চালিয়ে আসছে, যার মধ্যে বেসামরিক বিমানবন্দরও রয়েছে এবং এই সামরিক সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। মার্কিন নাগরিকদের যেকোনো সময় ফ্লাইট বাতিল, আকাশসীমা বন্ধ বা যাতায়াত ব্যাহত হওয়ার বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে সরাসরি আপনার ফ্লাইটের আপডেট জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও যোগ করা হয়, নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণে সউদী আরবে কর্মরত মার্কিন সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ইয়েমেন সীমান্ত থেকে ২০ মাইলের মধ্যে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়া জিজান, আসির, নাজরান প্রদেশ এবং কাতিফ, ইয়ানবু ও তাইফ শহরে ভ্রমণের জন্য বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হবে। সাধারণ মার্কিন নাগরিকদেরও ইয়েমেন সীমান্তের কাছাকাছি না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়া চিকিৎসা সরঞ্জাম সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব করেছে উত্তর কোরিয়াকে। তবে, সিউলের এই উদ্যোগকে ‘রাজনৈতিক উসকানি’ এবং ‘সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পিয়ংইয়ং। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) উত্তর কোরিয়ার প্রভাবশালী নেত্রী এবং কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং এক কঠোর বিবৃতিতে দক্ষিণ কোরিয়ার সহায়তার প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কিম ইয়ো জং এক বিবৃতিতে বলেন, সিউলের কাছ থেকে সহায়তা গ্রহণ করা কিংবা আন্তঃকোরীয় সম্পর্কের প্রকৃতি পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। কিম আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান শত্রুভাবাপন্ন সম্পর্ক এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। উত্তর কোরিয়া সিউলের সাথে আলোচনা করার প্রয়োজনও অনুভব করছে না।
সাম্প্রতিক সময়ে দুই কোরিয়ার সম্পর্কের মধ্যে তীব্র টানাপড়েন চলাকালীন, উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে সিউলের সব প্রস্তাবকে সরাসরি নাকচ করে দেওয়ার বার্তাটি নতুন করে উত্তাপ সৃষ্টি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ