ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ


বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ

বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ বৈঠকে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, আধুনিক নগর নিরাপত্তা, পুলিশ বাহিনীর পেশাগত প্রশিক্ষণ এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের ওপর সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হল এ বৈঠক, যেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির ইন্টেরিয়র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভী।

আরও পড়ুন: হিরণ পয়েন্ট ও নলিয়ান পরিদর্শন শেষে মোংলা নৌঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপ্রধান তথ্য অফিসার/পরিচালক) ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের বিষয়বস্তু জানানো হয়েছে।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সহযোগিতা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, আধুনিক নগর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

আলোচনার শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ চলতি বছরের মে মাসে পাকিস্তানের ইন্টেরিয়র মন্ত্রীর সফল বাংলাদেশ সফরের বিষয়ে স্মরণ করেন। তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ওই সফরের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার রোধে যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে, তা দুই দেশের সীমান্ত ও সমাজে সুরক্ষা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, দুই দেশের অভিন্ন ইতিহাস এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করার উদ্দেশ্যে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন: রিজভী: আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ নেই

দীর্ঘ ১৪ বছর বিরতির পর চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে ঢাকা-করাচি রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়ে তিনি আরো বলেন, এর ফলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের মানবিক সংকটের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপন করেন।

তিনি জানান, প্রয়োজনীয় পারিবারিক নথিপত্রের (Family Tree) অভাবে অনেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাকিস্তানি নাগরিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা দেশটির ‘কম্পিউটারাইজড ন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড’ (CNIC) পাওয়ায় জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছেন। এর ফলে তারা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বিষয়টিকে সম্পূর্ণ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করার এবং দ্রুত স্থায়ী সমাধানের জন্য পাকিস্তানের মন্ত্রীকে বিশেষ অনুরোধ জানান।

নগর নিরাপত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সফল অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানের ৪০টিরও বেশি প্রধান শহরে বাস্তবায়িত ‘সেফ সিটি’ (Safe City) উদ্যোগ ও আধুনিক নগর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত অনুকরণীয় হতে পারে।

আরও পড়ুন: সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আইন প্রয়োগ ও জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান নিসচার

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সিনিয়র সচিব (যিনি বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব) বিগত ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের সফরে ইসলামাবাদ, লাহোর, মুলতান ও করাচির ‘সেফ সিটি’ মডেল সরেজমিনে পরিদর্শন করে এসেছেন। এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ হোক নিরাপত্তায় আরো উন্নত, পাকিস্তান কারিগরি এবং কৌশলগত সহযোগিতা প্রদান করতে পারে।

এদিকে, বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা বাড়াতে পুলিশ কর্মকর্তাদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য পাকিস্তানের সহযোগিতা কামনা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, গত অতীতে সৌদি আরবে অবস্থানরত অনিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের জটিল বিষয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে কাজ করেছে। আগামীতে এ ধরনের বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সংকটে দুই দেশের নিবিড় পরামর্শ ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, মায়ানমার যেন তাদের নাগরিকদের দ্রুত, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই উপায়ে ফিরিয়ে নেয়, সেজন্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পাকিস্তানের জোরালো ও ধারাবাহিক সমর্থন প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন: ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫৩৪, দায়ের ৩৭ মামলা

পাকিস্তানের ইন্টেরিয়র (স্বরাষ্ট্র) মন্ত্রী বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানালে তিনি ধন্যবাদ জানান। এছাড়া সুবিধাজনক সময়ে তিনি পাকিস্তান সফর করবেন বলেও জানান।

বৈঠকে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি প্রবাসীর ৭০ হাজার রিয়াল আত্মসাতের অভিযোগ, দেশে ফিরে প্রবাসীকে প্রাণনাশের হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৪ এম


সৌদি প্রবাসীর ৭০ হাজার রিয়াল আত্মসাতের অভিযোগ, দেশে ফিরে প্রবাসীকে প্রাণনাশের হুমকি

সৌদি আরবে ব্যবসার কথা বলে এক প্রবাসীর ৭০ হাজার সৌদি রিয়াল (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ লাখ টাকা) আত্মসাতের পর দেশে ফিরে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার বাসিন্দা আবু জাফর মোহাম্মদ ফারুকের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৮ জুলাই) সকালে চৌমুহনী প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রবাসী তাজুল ইসলাম লিটন।

তাজুল ইসলাম লিটন অভিযোগ করে বলেন, সৌদি আরবে অবস্থানকালে মোহাম্মদ ইউসুফের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ব্যবসায় অংশীদার করার আশ্বাসে ইউসুফকে নগদ ৭০ হাজার রিয়াল দেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও তাকে ব্যবসায় অংশীদার করা হয়নি এবং কোনো লাভও দেওয়া হয়নি। পরে টাকা ফেরত চাইলে ইউসুফ নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ-বৈঠকেও কোনো সমাধান না হওয়ায় সৌদি আরবের আদালতে মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত তার পক্ষে ৫০ হাজার রিয়াল ফেরত দেওয়ার রায় দেন। কিন্তু অভিযুক্ত উচ্চ আদালতে আপিলের কথা বলে সময় নিলেও শেষ পর্যন্ত কোনো আপিল না করে এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী টাকা পরিশোধ না করেই বাংলাদেশে চলে আসেন।

তিনি আরও বলেন, দেশে ফিরে পাওনা টাকা চাইতে গেলে অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা উল্টো তাকে এবং তার পরিবারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিচ্ছেন। পাশাপাশি প্রাণনাশেরও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এতে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে তার কষ্টার্জিত অর্থ উদ্ধার এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একই সঙ্গে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবু জাফর মোহাম্মদ ফারুকের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন দেশের সঙ্গে ড্রোন চুক্তি স্বাক্ষর করলেন জেলেনস্কি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২০ এম


তিন দেশের সঙ্গে ড্রোন চুক্তি স্বাক্ষর করলেন জেলেনস্কি

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মঙ্গলবার নিশ্চিত করেছেন যে, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে একসঙ্গে দেশের একটি নতুন ড্রোন চুক্তি সই হয়েছে। এসব নতুন চুক্তির মাধ্যমে রাশিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরে চলমান যুদ্ধে ইউক্রেনের অর্জিত প্রযুক্তিগত দক্ষতার যথাযথ ব্যবহার করা হবে।

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এক পোস্টে জানান, এর মাধ্যমে ইউক্রেনের মোট ড্রোন চুক্তির সংখ্যা নবমবারে পৌঁছেছে। রাশিয়ার আগ্রাসনের শুরুতে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে, ইউক্রেনের ড্রোন সক্ষমতা অত্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু গত কয়েক বছরের মধ্যে দেশটি একটি অত্যাধুনিক ড্রোন শিল্প গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে।

জেলেনস্কি এসব চুক্তির জন্য বিভিন্ন দেশে সফর করেছেন, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। সেখানে উপসাগরীয় দেশগুলো সাম্প্রতিক সময়ে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। ডেনমার্কের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন, এই সমঝোতা যৌথ প্রতিরক্ষা উৎপাদন, প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় এবং অস্ত্র রপ্তানিতে আরো স্বচ্ছতা ও সহযোগিতার অনেক সুযোগ সৃষ্টি করবে।

তিনি জানান, ইউক্রেনে যৌথ প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পরিকল্পনা প্রথম ডেনমার্কের কাছ থেকেই এসেছে। তাই যুদ্ধের সময় কার্যকারিতা প্রমাণিত ইউক্রেনীয় অস্ত্র রপ্তানির সুযোগ ডেনমার্কের জন্য প্রাসঙ্গিক এবং যৌক্তিক।

ন্যাটো সম্মেলনের প্রথম দিন শেষে জেলেনস্কি আরও জানান, ইউক্রেনের এই সম্মেলনে অংশ নেওয়ার অধিকার ন্যায্য। তিনি উল্লেখ করেন, কিয়েভের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে আরো শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সমর্থনকে আরও জোরালো করা। গত সপ্তাহে কিয়েভে দুটি হামলার পর তিনি রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন। সর্বশেষ হামলায় রাজধানী কিয়েভে ১৯ জন নিহত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জোরালো হচ্ছে ‘এল নিনো’, চরম দুর্যোগের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২২ এম


জোরালো হচ্ছে ‘এল নিনো’, চরম দুর্যোগের শঙ্কা

জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) সতর্ক করে জানিয়েছে, ‘এল নিনো’ এখন শুরু হয়েছে এবং জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এটি দ্রুত শক্তিশালী রূপ গ্রহণ করবে। এর ফলস্বরূপ, চলতি বছরের ‘এল নিনো’ আবহাওয়াগত পরিস্থিতির সামগ্রিক শক্তির দিক থেকে অতীতের সকল রেকর্ডের চেয়েও বেশি হয়ে যাবে। এর প্রভাবে বিশ্বের অনেক অঞ্চলে খরা, বন্যাসহ অন্যান্য চরম প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি তীব্র আকার ধারণ করেছে।

এল নিনোর ফলে মধ্য ও পূর্ব বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধারায় পরিবর্তন হয়। সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর অন্তর এল নিনো ঘটে এবং এর স্থায়িত্ব প্রায় ৯ থেকে ১২ মাস হয়। এল নিনো ও এর বিপরীত অবস্থা ‘লা নিনা’ মধ্যে পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন ঘটে, মাঝে থাকে নিরপেক্ষ অবস্থা।

ডব্লিউএমও’র বরাত দিয়ে জেনেভা থেকে ৩ জুলাই এএফপি জানিয়েছে, জলবায়ুবিষয়ক এই প্রাকৃতিক ঘটনাটি চলতি বছরে দ্রুত তীব্রতার দিকে যাচ্ছে। তাই সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলার জন্য দেশগুলোকে এখন থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডব্লিউএমওর মাসিক ‘গ্লোবাল সিজনাল ক্লাইমেট আপডেট’-এ বলা হয়েছে, ‘জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী অবস্থায় পৌঁছাবে।’ সংস্থাটি এল নিনোকে দুর্বল, মাঝারি, শক্তিশালী এবং অত্যন্ত শক্তিশালী - এই চারটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে। বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, এটি তৃতীয় স্তর অর্থাৎ ‘শক্তিশালী’ পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাবে।

ডব্লিউএমও জানিয়েছে, ‘ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং আগামী কিছু মাসের মধ্যে এটি দ্রুত শক্তিশালী হবে। এর ফলে বিশ্বের অনেক স্থানে চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলো ঘটার সম্ভাবনা বাড়বে।’

ডব্লিউএমওর জলবায়ুবিজ্ঞানী আলভারো সিলভা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গত মাসের তুলনায় এখন অনেক বেশি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে যে বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। যদি ভবিষ্যৎ পূর্বাভাসে দেখা যায় এটি আরও তীব্র রূপ নেবে, তাহলে আগামী মাসগুলোতে ডব্লিউএমও নতুন হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করবে।

জেনেভাভিত্তিক সংস্থাটি জানায়, বিভিন্ন বৈশ্বিক জলবায়ু কেন্দ্রের মডেলভিত্তিক পূর্বাভাসে মধ্য ও পূর্ব বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ধারাবাহিক ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

ডব্লিউএমও’র মতে, গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ অঞ্চলে মৌসুমি গড় সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি বাড়তে পারে। উত্তরের গোলার্ধের শরৎকালজুড়ে এল নিনো আরও শক্তিশালী হতে থাকবে এবং এর প্রভাব বিশ্বের অনেক অংশে বিস্তৃত হবে।

সবশেষ এল নিনোর প্রভাবে ২০২৩ সাল রেকর্ডের দ্বিতীয় উষ্ণতম বছর ছিল। ২০২৪ সাল ছিল ইতিহাসের উষ্ণতম বছর, যখন বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা শিল্পপূর্ব (১৮৫০-১৯০০) সময়ের তুলনায় প্রায় ১ দশমিক ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হয়। এল নিনো সাধারণত নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে সর্বোচ্চ তীব্রতা পায়, তবে এর ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব সাধারণত পরে আরও স্পষ্ট হয়।

সিলভা আরও উল্লেখ করেন, এল নিনোর প্রভাব চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত এবং ২০২৭ সালেও বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে অনুভূত হবে। কৃষি ও স্বাস্থ্যসহ জলবায়ু-সংবেদনশীল খাতগুলোকে প্রস্তুত রাখার জন্য আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে বলেও জানান ডব্লিউএমও।

সংস্থার মহাসচিব সেলেস্তে সাউলো জানাচ্ছেন, মানুষের জীবন রক্ষা ও অর্থনীতি ও সমাজে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এসব আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এল নিনো ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং দ্রুত শক্তিশালী হবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। এর ফলে বহু অঞ্চলে খরা, অতিবৃষ্টি, স্থলভাগে তাপপ্রবাহ এবং সমুদ্রে সামুদ্রিক তাপপ্রবাহের ঝুঁকি আরও বাড়বে।

ডব্লিউএমও’র হালনাগাদ পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ অক্ষাংশের ৬০ ডিগ্রি থেকে উত্তর অক্ষাংশের ৬০ ডিগ্রি পর্যন্ত বিশ্বের প্রায় সকল জনবসতিপূর্ণ স্থলভাগে সাধারণের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা বিরাজ করার সম্ভাবনা পর্যাপ্ত।

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হওয়া সম্ভাব্য। অন্যদিকে ভারতীয় উপমহাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

ডব্লিউএমও জানাচ্ছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এল নিনোর দফায় দফায় সৃষ্টি বা তীব্রতা বৃদ্ধির কোনো প্রমাণ নেই। উষ্ণতর সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডল চরম আবহাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ও আর্দ্রতা বাড়িয়ে দিতে পারে, তাই জলবায়ু পরিবর্তন এল নিনোর প্রভাবকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।

উত্তর গোলার্ধের গ্রীষ্মকালে এল নিনোর কারণে উষ্ণ সমুদ্রের পানি মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি বাড়াতে পারে। বিপরীতে, আটলান্টিক মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি ও বিকাশ কিছুটা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

এদিকে বৃহস্পতিবার পেরু এল নিনোজনিত ভারী বৃষ্টিপাতের ‘আসন্ন ঝুঁকির’ কারণে দেশের ১ হাজার ৮০০টি পৌরসভার মধ্যে ৮০০টিতে ৬০ দিনের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। দেশটিতে ৯৩ লাখেরও বেশি মানুষ বন্যা ও ভূমিধসের অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে সতর্ক হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব:

দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া: এল নিনোর বছরগুলোতে এশিয়ার অনেক অংশে স্বাভাবিকের চেয়ে শুষ্ক পরিস্থিতি ও খরা দেখা দেয়। চলতি বছরের এল নিনো দক্ষিণ এশিয়ার মৌসুমি বায়ুকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে, যার কারণে ভারতসহ উপমহাদেশের অন্যান্য অংশে কৃষিকাজের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বৃষ্টিপাত কম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভারতীয় কৃষি কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে পরিস্থিতি মোকাবিলার জরুরি পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন।

অস্ট্রেলিয়া: এল নিনোর কারণে অস্ট্রেলিয়ায় স্বাভাবিকের চেয়ে উষ্ণ পরিস্থিতি বিরাজমান থাকে, যা সেখানে তীব্র খরা, তাপপ্রবাহ ও দাবানলের ঝুঁকি বহুগুণে বৃদ্ধি করে।

আফ্রিকা: আফ্রিকার ‘হর্ন অফ আফ্রিকা’ অঞ্চলে এর প্রভাবে বৃষ্টিপাত বেড়ে গেলেও দক্ষিণ, পশ্চিম, মধ্য ও পূর্ব আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে সাধারণত স্বাভাবিকের চেয়ে শুষ্ক ও খরা পরিস্থিতি হবে।

দক্ষিণ আমেরিকা: উপকূলীয় পেরু ও ইকুয়েডরসহ পশ্চিম দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অঞ্চলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে। অপরদিকে, উত্তর ব্রাজিলে শুষ্ক আবহাওয়া দেখা দেবে, যা আমাজন বনে দাবানলের বড় কারণ হয়ে উঠতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউরোপের সবচেয়ে সাশ্রয়ী দেশ কোনটি, জানুন ভিসা পাওয়ার উপায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৩ এম


ইউরোপের সবচেয়ে সাশ্রয়ী দেশ কোনটি, জানুন ভিসা পাওয়ার উপায়

দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান অঞ্চলের দেশ আলবেনিয়া এখন ধীরে ধীরে ইউরোপের অন্যতম জনপ্রিয় এবং সাশ্রয়ী গন্তব্যে পরিণত হচ্ছে। এটি কম খরচে উন্নত জীবনযাত্রা, মনোমুগ্ধকর সমুদ্রসৈকত, পাহাড়ি সৌন্দর্য, ডিজিটাল নোম্যাডদের জন্য বিশেষ সুযোগ এবং তুলনামূলক সহজ আবাসন ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

বিশেষভাবে যারা ইউরোপে পড়াশোনা, রিমোট চাকরি, ব্যবসা বা দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য আলবেনিয়া একটি বাস্তবসম্মত বিকল্প হতে পারে।

আলবেনিয়ার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক পরিবেশ। ইওনিয়ান সাগরের তীরে অবস্থিত আলবেনিয়ান রিভিয়েরা-এর কসামিল, সারান্দা ও ধেরমির মতো সমুদ্রসৈকত স্বচ্ছ নীল পানির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত হয়ে উঠেছে। অনেক পর্যটক একে গ্রিস বা ইতালির তুলনায় অনেক কম খরচে উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন।

অন্যদিকে, উত্তরাঞ্চলের আলবেনিয়ান আল্পস ট্রেকিংপ্রেমীদের জন্য একটি স্বর্গ হিসেবে পরিচিত। থিথ ও ভালবোনা জাতীয় উদ্যানের পাহাড়, নদী এবং সবুজ বনভূমি ইউরোপের অন্যতম সুন্দর প্রাকৃতিক অঞ্চল হিসেবে ধরা হয়।

এ ছাড়া, ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের শহর বেরাত ও জিরোকাস্তার মধ্যযুগীয় স্থাপত্য ও ঐতিহাসিক নিদর্শনের জন্য পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ।

কত খরচে চলা সম্ভব? ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় আলবেনিয়ায় জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। রাজধানী তিরানার কেন্দ্রের বাইরে একটি এক বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্টের মাসিক ভাড়া সাধারণত ২৫০ থেকে ৩৫০ ইউরোর মধ্যে পাওয়া যায়। উপকূলীয় পর্যটন এলাকায় মৌসুমভেদে ভাড়া কিছুটা বাড়তি হতে পারে।

স্থানীয় রেস্তোরাঁয় ৩ থেকে ৭ ইউরোর মধ্যে খাবার পাওয়া যায়। বাসাভাড়া, খাবার, পরিবহন, ইন্টারনেট ও ইউটিলিটি বিলসহ একজন প্রবাসীর মাসিক গড়ে ৭০০ থেকে ৯০০ ইউরো ব্যয় হতে পারে।

বাংলাদেশিরা যদি আলবেনিয়ায় যেতে চান, তারা আলবেনিয়ার ই-ভিসা ব্যবস্থার মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। শর্ট-টার্ম (টাইপ ‘সি’) ভিসার জন্য প্রয়োজন হবে বৈধ পাসপোর্ট, নির্ধারিত সাইজের ছবি, রিটার্ন এয়ার টিকিট, হোটেল বুকিং, গত ১২ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং চাকরিজীবীদের জন্য এনওসি অথবা ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স।

সাধারণত ১৪ থেকে ১৮ কার্যদিবসের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি হয়ে থাকে। বিশেষ ক্ষেত্রে সময় আরও কিছুটা বেশি লাগতে পারে।

ডিজিটাল নোম্যাডদের জন্য আলবেনিয়া ইউনিক পারমিট সুবিধা চালু করেছে। রিমোট চাকরি বা ফ্রিল্যান্সিং করেন এমন বিদেশিদের জন্য এই সুবিধাটি রয়েছে। উপযুক্ত আবেদনকারীরা প্রাথমিকভাবে এক বছরের অনুমতি পেয়ে থাকেন, যা পরে নবায়নের মাধ্যমে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।

এর জন্য আবেদনকারীকে আলবেনিয়ার বাইরের কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্মচুক্তি, নির্ধারিত ন্যূনতম মাসিক আয়, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও স্বাস্থ্যবিমার প্রমাণ দেখাতে হয়।

দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের ক্ষেত্রে প্রথমে টাইপ ‘ডি’ ভিসার মাধ্যমে প্রবেশ করে রেসিডেন্স পারমিট নিতে হয়। বর্তমান আইন অনুযায়ী, বৈধভাবে টানা সাত বছর বসবাসের পর একজন বিদেশি নাগরিক আলবেনিয়ার নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। এ জন্য আলবেনিয়ান ভাষার প্রাথমিক জ্ঞান এবং অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকার প্রমাণ দরকার। আলবেনিয়ার কোনো নাগরিককে বিয়ে করলে নাগরিকত্ব পাওয়ার সময়সীমা আরও কমে আসে। উল্লেখ্য, দেশটি দ্বৈত নাগরিকত্বেরও অনুমতি দেয়।

আলবেনিয়া বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা একটি প্রার্থী দেশ। কম জীবনযাত্রার ব্যয়, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ডিজিটাল নোম্যাডবান্ধব নীতি এবং সহজ আবাসন ব্যবস্থার কারণে দেশটি দিন দিন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

যারা সীমিত বাজেটে ইউরোপে নতুন জীবন, ব্যবসা বা রিমোট ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন দেখছেন, তাদের জন্য ২০২৬ সালে আলবেনিয়া একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য হতে পারে। ভিসা নীতি, আয়ের শর্ত এবং অভিবাসনসংক্রান্ত নিয়ম সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। আবেদন করার আগে আলবেনিয়ার সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%