বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৩৭ পি.এম
এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য চলতি বছর বিশেষ সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা আয়োজনের দাবি শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন। তারা একইসঙ্গে ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন। যদি কোনো কারণে চলতি বছর বিশেষ সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা আয়োজন সম্ভব না হয়, তবে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ এবং পরবর্তী বছর কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করারও দাবি করেছেন তারা।
বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘এসএসসি ২০২৬ শিক্ষার্থী অধিকার আন্দোলন বাংলাদেশ’ ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা এসব দাবি তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, এসএসসি পরীক্ষা একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে প্রবেশ, ভবিষ্যৎ শিক্ষার পরিকল্পনা এবং পরবর্তী জীবনের প্রস্তুতি। এ কারণে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ হতাশা, অনিশ্চয়তা ও শিক্ষাজীবনে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কার মুখে পড়েছে। তাদের অভিভাবকেরাও সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। একটি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া মানে কোনো শিক্ষার্থীর মেধা, সম্ভাবনা কিংবা ভবিষ্যৎ শেষ হয়ে যাওয়া নয়। শিক্ষার্থীদের ঘাটতি পূরণ, নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ এবং নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি করাও একটি দায়িত্বশীল শিক্ষাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
শিক্ষার্থীরা জানান, তারা কোনো নিয়মবহির্ভূত সুবিধা দাবি করছেন না। বরং শিক্ষার্থীদের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে একটি মানবিক, বাস্তবসম্মত ও শিক্ষাবান্ধব সমাধানের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। তাদের প্রথম দাবি হলো, এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য চলতি বছর বিশেষ সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা আয়োজনের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। এর মাধ্যমে তারা পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ পাবেন বলে আশা করছেন।
দ্বিতীয় দাবিতে তারা বিশেষ সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সিলেবাস, মানবণ্টন, প্রশ্নপদ্ধতি, মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতাসংক্রান্ত সুস্পষ্ট নির্দেশনা দ্রুত প্রকাশের আহ্বান জানান। এতে শিক্ষার্থীরা যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পাবেন বলে উল্লেখ করেন তারা।
তৃতীয় দাবিতে পরীক্ষার সময়সূচি ও ফল প্রকাশের বিষয়ে গুরুত্ব দেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সময় দিয়ে পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করতে হবে। পাশাপাশি পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল প্রকাশের কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে, যাতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা একই শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পান।
চতুর্থ দাবিতে বিশেষ সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একই শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা। এ জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
পঞ্চম দাবিতে তারা বিকল্প ব্যবস্থার কথা তুলে ধরেন। কোনো অনিবার্য কারণে চলতি বছর বিশেষ সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব না হলে এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি পরবর্তী বছর কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরিতে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। পরবর্তী বছর কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান তারা।
শিক্ষার্থীরা বিশ্বাস করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ ও প্রয়োজনীয় নীতিগত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাদের এক বছর পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় একটি বাস্তবসম্মত সমাধানও বের করা যাবে। তাদের আন্দোলন কোনো সংঘাত বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য সুযোগ, শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষার লক্ষ্যেই এই শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট করে বলেন, একটি পরীক্ষার ফলাফলের কারণে কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের স্বাভাবিক অগ্রযাত্রা যেন অযথা থেমে না যায়। তাদের নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ দিতে হবে এবং ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় নিয়ে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
তাদের মূল দাবি হলো, এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য চলতি বছর বিশেষ সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা আয়োজন করতে হবে। তা সম্ভব না হলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি এবং পরবর্তী বছর কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিকল্প সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার ইসলামিক কমিউনিটিতে দীর্ঘ সময় ধরে সেবা প্রদান ও বহুসাংস্কৃতিক সম্প্রীতিতে অসামান্য অবদানের জন্য ‘মেডেল অব দ্য অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া’ (ওএএম) পদকে ভূষিত হয়েছেন অধ্যাপক ড. শাহজাহান খান। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি সন্তান এবং একজন প্রখ্যাত পরিসংখ্যানবিদ। চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়া ডে উপলক্ষে তার এই সম্মাননার ঘোষণা করা হয়।
গোপালগঞ্জে জন্মগ্রহণ করা ড. শাহজাহান খান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করার পর কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিও থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দেশের পাশাপাশি বিদেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। ১৯৯৩ সাল থেকে তিনি অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ডে (ইউএসকিউ) যুক্ত আছেন এবং বর্তমানে সেখানে এমেরিটাস প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্যের পদেও ছিলেন।
একাডেমিক অর্জনের পাশাপাশি, অস্ট্রেলিয়ার টুউম্বা শহরে মুসলিম কমিউনিটির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গঠনে এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় তার অবদান অনন্য। ১৯৯৪ সালে তিনি ইসলামিক সোসাইটি অব টুউম্বা প্রতিষ্ঠা করেন এবং ২০১৪ সালে গার্ডেন সিটি মসজিদ প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দেন। ২০১৫ সালে মসজিদে হামলার মতো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি সাহসের সঙ্গে কমিউনিটির নেতৃত্ব দেন এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
শিক্ষা, গবেষণা এবং কমিউনিটি সেবার এই দীর্ঘ যাত্রার স্বীকৃতিস্বরূপ গত ১৭ সেপ্টেম্বর ব্রিসবেনের গভর্নরস হাউসে কুইন্সল্যান্ডের গভর্নর ড. জ্যানেট ইয়ং তার হাতে এই রাষ্ট্রীয় পদক তুলে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন সংঘাত বন্ধের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, "ইউক্রেন যুদ্ধ সমাপ্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বিশ্ব।" হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে, বর্তমানে যুদ্ধ বন্ধের পরিস্থিতি পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি অনুকূল।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ইউক্রেন সংকটের সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা করার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, "আমরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। আমার মনে হয় আমরা সমাধানের পথ খোঁজার ব্যাপারে অনেকখানি এগিয়েছি—সম্ভবত এ যাবতকালের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছাতে পেরেছি।"
এদিকে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে একটি সম্ভাব্য ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের ইঙ্গিত দেন। তবে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানান, প্রস্তাবিত এই বৈঠক কেবল ইউক্রেন সংকটের সমাধানের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর মূল অন্যতম প্রধান এজেন্ডা হবে পরমাণু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ (Denuclearization)।
সম্ভাব্য ওই ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে ইউক্রেন পরিস্থিতির নিষ্পত্তির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, "আমি আপনাদের নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারছি না, কারণ আলোচনাটি কেবল ওই বিষয়টি নিয়ে নয়। এটি পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের ওপরও জোর দেবে। আমাদের বহু পথ অতিক্রম করতে হবে, তবে আমি মনে করি বর্তমান পরিস্থিতি শান্তির খুব কাছাকাছি।"
ইউক্রেন ও সার্বিক যুদ্ধের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সংঘাত এড়ানোর আগ্রহ ব্যক্ত করার পাশাপাশি সতর্ক অবস্থান বজায় রাখার ইঙ্গিত দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও পানামাভিত্তিক আইনি প্রতিষ্ঠান কারনাকিস অ্যান্ড কারনাকিসের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যা ইরানের জাহাজ চলাচল ও তেল বাণিজ্যসংক্রান্ত নেটওয়ার্ককে আইনি সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে করা হয়েছে। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় স্থানীয় সময় বুধবার (২১ অক্টোবর) এই ঘোষণা দেয়।
মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ সময় ধরে ইরানের জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত নেটওয়ার্ককে আইনি সহায়তা প্রদান করে আসছিল।
এছাড়া, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য আর্থিক সম্পর্ক নিয়ে তদন্ত জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক অপরাধবিষয়ক সংস্থা ফিনসেন (ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমস এনফোর্সমেন্ট নেটওয়ার্ক) গ্রিসের একটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে। ব্যাংকটিকে প্রশাসনিকভাবে নথিপত্র তলবের নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তবে ব্যাংকটির নাম প্রকাশ করা হয়নি।
মার্কিন সংস্থাটি আরও ছয়টি ইউরোপীয় ব্যাংকের কাছে তথ্য চেয়েছে, যেগুলোর বিরুদ্ধে ইরানি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ রয়েছে। এসব ব্যাংকের নামও প্রকাশ করা হয়নি।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, “আপনি সমুদ্রে অবৈধভাবে তেল স্থানান্তর করুন কিংবা কোনো আইনি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ কক্ষে বসে এসব কাজে সহায়তা করুন—ইরানি সরকারকে সমর্থন দিলে আমরা আপনাকে খুঁজে বের করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করব।”
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট অভিযোগ করেন যে, কারনাকিস অ্যান্ড কারনাকিস বহু বছর ধরে বিভিন্ন ভুয়া বা কাগুজে কোম্পানি তৈরি করেছে। এসব কোম্পানির মাধ্যমে ইরানের তেল, পেট্রোকেমিক্যাল ও ইস্পাত পরিবহণকারী জাহাজগুলোর প্রকৃত মালিকানা আড়াল করা হতো।
পিগটের দাবি, এসব কোম্পানি মূলত আড়াল হিসেবে কাজ করত এবং এর মাধ্যমে ইরানের লাখ লাখ ব্যারেল তেল বিক্রির সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সহায়তা করা হয়েছে। এসব বাণিজ্য থেকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্স এবং ইয়েমেনের হুথিরা লাভবান হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে ওয়াশিংটন।
তবে কারনাকিস অ্যান্ড কারনাকিসের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
এছাড়া, ইরানের তেল পরিবহণে সহায়তার অভিযোগে সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কয়েকটি জাহাজ চলাচলসংক্রান্ত এজেন্টের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠান ইরানের গোপন তেল পরিবহণ নেটওয়ার্ক পরিচালনায় সরাসরি সহায়তা করছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। চলতি মাসে ইরানে নতুন করে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি ইরানের জাহাজ চলাচল, তেল বাণিজ্য এবং এসব কাজে সহায়তাকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ