বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:১৭ পি.এম
কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার শেরপুর সরকারি কলেজ কেন্দ্রের সামনে থেকে ছবিটি তোলা হয়েছে। ছবি : কালের কণ্ঠ।
শেরপুরে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর প্রথম দিনে কোনো পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়নি। তবে অনুপস্থিত ছিলেন ২১৯ পরীক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জেলা ২৭টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, জেলায় এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ হাজার ৭৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। বৃহস্পতিবার প্রথম দিনে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ২০৬ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৭ হাজার ৯৮৭ জন এবং অনুপস্থিত ছিল ২১৯ জন।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ১২টি কেন্দ্রে এবারের মোট এইচএসসি পরীক্ষার্থী ৮ হাজার ২২৯ জন। তন্মধ্যে প্রথম দিন বাংলা পরীক্ষায় ৫ হাজার ৮৫৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১১ জন অনুপস্থিত ছিল।
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ৫টি কেন্দ্রে এবারের আলিম পরীক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ৮৯৩ জন। তাদের মধ্যে প্রথম দিন বাংলা পরীক্ষায় ৭৬১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪০ জন অনুপস্থিত ছিল।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ১০টি কেন্দ্রে এবারের এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ৩ হাজার ৯৫৩ জন। প্রথম দিনে বাংলা পরীক্ষায় এক হাজার ৬২৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ৬৮ জন। তবে ২টি কেন্দ্রে এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ৯২ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। কিন্তু ৮টি কেন্দ্রের এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষার এক হাজার ৫৩৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৮ জন অনুপস্থিত ছিল।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজুয়ান বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে এবং কঠোর নিরাপত্তায় এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নকলমুক্ত পরীক্ষার জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রের গেটে কঠোর তল্লাশি ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পরীক্ষার্থীদের হলে প্রবেশ করানো হচ্ছে।
প্রথম দিনে পরীক্ষায় কোনো বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি। তবে অনুপস্থিত ছিল ২১৯ পরীক্ষার্থী।’
তিনি জানান, জেলায় ৩টি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এবারের মোট ১৩ হাজার ৭৫ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। প্রথম দিনের আবশ্যিক বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৮ হাজার ২০৬ জন। তন্মধ্যে অংশ নিয়েছে ৭ হাজার ৯৮৭ জন।
প্রথম দিনের পরীক্ষার্থী ও মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যার তারতম্যের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কেউ কেউ হয়তো এক/দুই বিষয়ে আগের বারের অনুত্তীর্ণ ছিল, তারা ওই এক/দুই বিষয়ের পরীক্ষায় এবার অংশগ্রহণ করবে। তাদের অনেকের হয়তো আজকের পরীক্ষা ছিল না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত ও পাকিস্তানের ১১৬ জন বিশিষ্ট রাজনীতিক, সাবেক কূটনীতিক, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং শেহবাজ শরিফের কাছে একটি যৌথ খোলা চিঠি লিখেছেন।
ওই চিঠিতে তারা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধার এবং স্বাভাবিক সংলাপ শুরু করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা, কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি, বাণিজ্য ও যোগাযোগ বন্ধ থাকা এবং কাশ্মীরসহ বিভিন্ন অমীমাংসিত ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরে সংলাপ স্থবির থাকায়, এই খোলা চিঠি লেখার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন দুই দেশের ১১৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) লেখা ওই চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ভারতের ৬১ জন এবং পাকিস্তানের ৫৫ জন ব্যক্তি রয়েছেন। চিঠিটি সমন্বয় করেছেন ও পি শাহ, যিনি সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড প্রোগ্রেস-এর চেয়ারম্যান।
চিঠিতে বলা হয়েছে, 'দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্বাভাবিক সম্পর্ক, সংলাপ ও সহযোগিতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় দুই সরকারের অর্থবহ ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। মতপার্থক্য নিরসনের একমাত্র কার্যকর পথ হচ্ছে অব্যাহত সংলাপ ও সম্পৃক্ততা।'
স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন: ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতি, India's গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং তথা ‘র’-এর সাবেক প্রধান এ এস দুলাত, রাজ্যসভার এমপি মনোজ ঝা, পাকিস্তানের সাবেক কূটনীতিক আশরাফ জাহাঙ্গির কাজি, বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা মিরওয়াইজ ওমর ফারুক, ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মণি শঙ্কর আইয়ার এবং পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খুরশিদ মাহমুদ কাসুরি।
স্বাক্ষরকারীরা দুই সরকারের প্রতি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে: পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন এবং একে অপরের দেশে আবার হাইকমিশনার নিয়োগ, ফের স্বাভাবিক ভিসা সেবা চালু করা, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা দ্বিপক্ষীয় সংলাপ পুনরায় শুরু করা এবং দুই দেশের মধ্যে সব ধরনের অমীমাংসিত ইস্যু নিয়ে নিয়মিত আলোচনা।
চিঠিতে জম্মু ও কাশ্মীর ইস্যুতে নতুন করে আলোচনার ওপর গুরুত্বও দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ২০০৪ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে যে আলোচনার কাঠামো তৈরি হয়েছিল, সেটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে উভয় দেশের নিরাপত্তা উদ্বেগ বিবেচনায় রেখে সীমান্ত এলাকায় সামরিক উত্তেজনা হ্রাস এবং ধাপে ধাপে নিরস্ত্রীকরণের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
চিঠিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে: দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য পুনরায় চালু করতে হবে, সমমানের বৈষম্যহীন বাণিজ্য ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে এবং আটারি-ওয়াগাহ সীমান্তের স্থলবন্দর আবার খুলে দিতে হবে।
এছাড়া চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা দিল্লি-লাহোর বাস সার্ভিস পুনরায় চালু করা, শ্রীনগর-মুজাফ্ফরাবাদ বাস সার্ভিস চালু করা, সমঝোতা এক্সপ্রেস ও থর এক্সপ্রেস ট্রেন পুনরায় চালু করা, কারগিল-স্কার্দু রুট খুলে দেওয়া এবং বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের জন্য দুই দেশের আকাশসীমা পুনরায় উন্মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে: করতারপুর কোরিডর পুনরায় পুরোপুরি চালু করতে হবে, সারতা পীঠ তীর্থযাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, শিল্পী ও ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক সফর সহজ করতে হবে এবং গণমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করতে হবে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, 'দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎ বিভাজন ও সংঘাত নয়, বরং শান্তি, সমৃদ্ধি এবং যৌথ অগ্রগতির ভিত্তিতে গড়ে উঠতে হবে।' স্বাক্ষরকারীরা আরো উল্লেখ করেছেন, ভারত ও পাকিস্তান মিলিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ মানুষের আবাসস্থল, যার বড় অংশই তরুণ। দুই দেশের চলমান বৈরিতা লাখো তরুণের কর্মসংস্থান, উন্নয়ন এবং নিরাপদ ভবিষ্যতের সুযোগ সীমিত করছে।
চিঠির শেষাংশে দুই সরকারকে বিচ্ছিন্নতার পরিবর্তে সম্পৃক্ততা, বৈরিতার পরিবর্তে সংলাপ এবং সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতার পথ বেছে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আওতায় দেশের জাতীয় স্বার্থ কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে দক্ষ, পেশাদার ও যোগ্য কূটনীতিক বাহিনী গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
তিনি আজ রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘রিফ্রেশার্স কোর্স ফর ডিরেক্টরস-২০২৬’-এর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রেখে এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তন, আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি বণ্টন, অভিবাসন, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, শান্তিরক্ষা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম, রোহিঙ্গা সংকটসহ জাতীয় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিভিন্ন বিষয়ে কূটনীতিকদের আরও গভীর দক্ষতা এবং বিশেষজ্ঞ জ্ঞান অর্জন করা অতি জরুরি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) রাষ্ট্রদূত ড. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, মধ্য-পর্যায়ের কূটনীতিকদের পেশাগত দক্ষতা আরও বৃদ্ধি করতে এ রিফ্রেশার্স কোর্সের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক ও কূটনৈতিক বাস্তবতার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় জ্ঞান এবং দক্ষতা অর্জনে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি কূটনীতিকদের সক্ষম করে তুলছে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ফরেন সার্ভিস একাডেমির রেক্টর রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আব্দুল মুহিত।
তিনি জানান, বর্তমান সময়ে কূটনীতিকদের বিশ্লেষণধর্মী, অভিযোজনক্ষম, বিচক্ষণ, সংযত এবং নৈতিক হতে হবে। ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উচ্চমানের পেশাদার কূটনীতিক গড়ে তুলতে ফরেন সার্ভিস একাডেমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ফরেন সার্ভিস একাডেমি তাদের ধারাবাহিক পেশাগত উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিবছর এ ‘রিফ্রেশার্স কোর্স’ আয়োজন করে।
এ বছর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১৩ জন পরিচালক সফলভাবে এই কোর্স সম্পন্ন করেন এবং তাদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ফরেন সার্ভিস একাডেমির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানকারী রিসোর্স পারসনরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে স্পেন এবং উজ্জীবিত অস্ট্রিয়া মুখোমুখি হতে চলেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার সোফাই স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় একটি হাইভোল্টেজ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্বকাপে অন্যতম হট ফেভারিট হিসেবে স্পেন যাত্রার শুরুতেই বড় ধাক্কা খায়। যদিও বিশ্বকাপের নবাগত কেপ ভার্দের সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের পর সৌদি আরবকে ৪-০ গোলে হারিয়ে তারা ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দেয়।
তবে উরুগুয়ের বিপক্ষে তারা মন ভরাতে ব্যর্থ হয়, সম্ভবত তাদের অন্যতম নির্ভরযোগ্য তারকা লামিন ইয়ামালের পুরোপুরি ফিট না থাকার কারণে তারা তেমন সুবিধা পায়নি।
এবার নকআউটে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে লড়াইয়ে নামবে স্পেন লস অ্যাঞ্জেলেসে। যদি ইয়ামাল মাঠে থাকেন, তবে লা রোজাদের কৌশল এবং খেলার ধরণ বদলে যাবে।
তখন স্পেনের আক্রমণভাগও কার্যকরী হয়ে উঠবে। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে এই তরুণ ফরোয়ার্ড শেষ ২০ মিনিট মাঠে থাকার মধ্যে দলের আক্রমণ ছিল বেশ ঝিমিয়ে পড়া।
কিন্তু স্ট্রাইকার মিকেল ওয়াইরসাবাল সৌদির বিপক্ষে পরের ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন, কারণ ইয়ামাল প্রথমার্ধের পুরো সময় মাঠে ছিলেন এবং সেইদিন এই তরুণ ফরোয়ার্ড একটি গোল পেয়েছিলেন।
উরুগুয়ের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচে ৭৫ মিনিট মাঠে ছিলেন। স্পেনের মূল লক্ষ্য হল বার্সেলোনার এই তারকাকে পুরো সময় মাঠে পাওয়া। সেই পথে ক্রমেই তিনি এগিয়ে চলেছেন, যা কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের জন্য সবচেয়ে ভালো খবর।
স্পেন এবার ৩৪ ম্যাচ টানা অপরাজিত থেকে অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হবে। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে তারা ১৬ বারের লড়াইয়ে ৯ বার জিতেছে, ৪ বার হেরেছে এবং ৩ বার ড্র করেছে।
জে গ্রুপ থেকে রালফ রাংনিকের দলটি দ্বিতীয় স্থানে থেকে ৪৪ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে উঠে এসেছে এবং তারা বেশ উজ্জীবিত হয়েছে। তারা এবারের লড়াইয়ে ইয়ামালকে কড়া পাহারায় রাখার পরিকল্পনা করছে। এর অংশ হিসেবে 'লো-ব্লক' কৌশল তারা অবলম্বন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু মন্তব্য করেছেন যে, তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলার রাজপুর ও খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের তিস্তা নদীর বন্যা ও ভাঙনকবলিত দেড় সহস্রাধিক মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে তিনি এই কথা বলেন।
তিনি যোগ করেন, ‘বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল তিস্তা নদীর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন। এ মহাপরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়ন করে উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা হবে। নদী খনন, বাঁধ নির্মাণের সঙ্গে বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।’
এ সময় জাতীয় নির্বাচনী সহিংসতায় নিহতদের পরিবারদের জন্য গবাদি পশু প্রদান করেন মন্ত্রী।
এর আগে তিনি সকালে মোগলহাট ইউনিয়নের ধরলা নদীভাঙন কবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন এবং ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোনীতা দাস প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ