ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে ওবায়দুরের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো


এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে ওবায়দুরের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো

ঢাকা, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ : সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গাজী নজরুলের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

পুলিশ আজ তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে চার দিনের রিমান্ড শেষে। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শেরেবাংলা নগর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বাসস’কে বিষয়টি জানান। এর আগে ১ অক্টোবর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন তার এ মামলায় চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন: আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর সোলায়মানের জন্য ৬০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা

গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের পার্শ্ববর্তী ন্যাম ভবনে এমপি নজরুলের ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে রাতের দিকে এমপি নজরুল ও তার স্ত্রী মাকসুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

এই ঘটনায় ২১ সেপ্টেম্বর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম এবং নজরুলের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত জুনে তার শ্যালক ওবায়দুর রহমানের ‘প্রত্যক্ষ প্ররোচনায়’ সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের সঙ্গে বাদির বড় মেয়ে মরিয়মের (১৯) বিয়ে হয়। ৫ নম্বর ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর বাসায় নজরুল ও মাকসুদার সঙ্গে মরিয়ম থাকতেন। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকসুদা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মরিয়ম তার পরিবারকে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে গত ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল মোবাইলে বাদিকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে মরিয়মকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন বাবা মাসুম বিল্লাহ।

লাশ উদ্ধারের সময় মেয়ের বিছানার ওপর তার লেখা ‘সুইসাইড নোট’ দেখতে পান।

আরও পড়ুন: নিউমার্কেটে দোকান দখলচেষ্টার অভিযোগে ছাত্রদলের ৩ নেতার পদ স্থগিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


খুলনায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

খুলনা, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ : অনুষ্ঠিত হয়েছে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা।

আজ সোমবার খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে সভাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ভৌগলিকভাবে দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত। এই কারণে, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি থাকা আবশ্যক, যা ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নিশ্চিত করতে হবে। দুর্যোগপূর্ব ও পরবর্তী ব্যবস্থাপনা কার্যকর রাখতে নিয়মিত মনিটরিংয়ের প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আবহাওয়ার সতর্কতা সংকেতগুলোর ব্যাখ্যা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য উদ্যোগ নিতে হবে। নিয়মিত মহড়ার মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে দুর্যোগের ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমে আসবে।

আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে সর্বদা প্রস্তুত রাখা এবং দুর্যোগকালে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও বয়স্কদের নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের প্রস্তুতি নিয়মিতভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণসহ কমিটির সদস্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেধাবীদের প্রথম পেশা হিসেবে শিক্ষকতা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


মেধাবীদের প্রথম পেশা হিসেবে শিক্ষকতা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষকতা কখনোই ‘উপায়হীন বিকল্প’ বা সাধারণ চাকরির মতো পেশা হতে পারে না। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে, শিক্ষা-দীক্ষায় সবচেয়ে মেধাবীরা যেন কর্মজীবনে শিক্ষকতাকেই প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নেন, সেই উদ্দেশ্যে শিক্ষক নিয়োগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষকদের সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে রাষ্ট্রের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি জড়িত। সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকলে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বাড়ে।’

আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ের ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত শিক্ষকরা এ সম্মাননা গ্রহণ করেন।

এ বছরের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে: ‘শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো: পেশা সুরক্ষার ৬০ বছর, মর্যাদা উন্নয়ন এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গঠন’।

প্রধানমন্ত্রী দেশের সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাকে বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। একই সঙ্গে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতায় ‘গুণী শিক্ষক’ হিসেবে সম্মাননা পাওয়া শিক্ষকদের অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষকরা যদি শিক্ষার্থীদের ‘প্রয়োজন এবং প্রিয়জন’ হয়ে উঠতে পারেন, তাহলে শিক্ষা-দীক্ষার মাধ্যমে একজন সুনাগরিক হিসেবে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা আরও সহজ হবে।’

পারিবারিক পাঠশালার গণ্ডি পেরোনোর পর প্রতিটি শিক্ষার্থীর সামনে শিক্ষক-শিক্ষিকারাই ‘আদর্শ রোল মডেল’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা যেন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সামনে নিজেদের রোল মডেল হিসেবে তুলে ধরতে পারেন, সে ধরনের পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে সরকার।

তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশের এ সময়ে প্রচলিত শিক্ষা পদ্ধতির বাইরে এসে কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষা গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। তাই ‘শিখন’ ও ‘শিক্ষণ’ পদ্ধতির কৌশল পরিবর্তন এবং সিলেবাস আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি।’

বাস্তবতার নিরিখে সরকার নতুন সিলেবাস প্রণয়ন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ বছরের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা নতুন সিলেবাস অনুযায়ী বই হাতে পাবে।’

তারেক রহমান বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে বইবিমুখ হয়ে না ওঠে, সেজন্য ‘শিখন’ ও ‘শিক্ষণ’ পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুখস্থ করার বদলে ‘কেন’ ও ‘কীভাবে’- এই প্রশ্নগুলো শিক্ষার্থীদের মনে জাগিয়ে তুলতে হবে। কৌতূহল তৈরি হলে একজন শিক্ষার্থী নিজেই নিজের শিক্ষক হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আনন্দময় শিক্ষা’ এখন সারা বিশ্বে, বিশেষ করে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশেও এবার প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ শিরোনামে নতুন একটি বই তুলে দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণিতেও এ ধরনের বই দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থার সামনে যেমন বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি রয়েছে বড় বড় চ্যালেঞ্জ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জ্ঞান অর্জনের সুযোগকে অবারিত করেছে। সার্টিফিকেট নির্ভর জ্ঞানের পরিবর্তে কারিগরি ও ব্যবহারিক জ্ঞান এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সামনেও নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলোকে আরও আধুনিক করা জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তিকে আমরা শিক্ষকের বিকল্প হিসেবে দেখতে চাই না। বরং প্রযুক্তি হবে শিক্ষকের শক্তি। এ লক্ষ্যেই সরকার ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি এগিয়ে নিচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, এ কর্মসূচির আওতায় একজন শিক্ষক ট্যাবের মাধ্যমে ডিজিটাল লেসন প্ল্যান, প্রশ্নব্যাংক, শিক্ষার্থীর শেখার অগ্রগতি এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষণসামগ্রী ব্যবহার করতে পারবেন। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম সম্প্রসারণ এবং ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধাও বাড়ানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘সরকার এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে কোনো শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে না। শিক্ষাজীবনের যেকোনো পর্যায়ে কেউ কোনো কারণে ঝরে পড়লেও যেন বেকার না থাকে, তা নিশ্চিত করাও জরুরি।’

শিক্ষা খাত বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ বাজেট আরও বাড়ানো হবে।’

মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপ্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দেশে বর্তমানে মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রায় ২১ হাজার প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তিন লাখের বেশি শিক্ষক কোটিরও বেশি শিক্ষার্থীকে শিক্ষা দিচ্ছেন। এ পর্যায়ের শিক্ষার বড় অংশই বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার সুযোগের ক্ষেত্রে শহর ও গ্রামের মধ্যে এখনও কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। তবে শহর কিংবা গ্রাম- সব এলাকার শিক্ষার্থী যাতে দক্ষ শিক্ষক ও আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা পায়, তা নিশ্চিত করতে সরকারের নানামুখী পরিকল্পনা রয়েছে।’

শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এর মূল ভিত্তি হচ্ছে সমান সুযোগ, মানসম্মত শিক্ষা এবং বৈষম্যহীন প্রবেশাধিকার।’

কর্মমুখী শিক্ষা প্রয়োজন হলেও কর্মসংস্থানই শিক্ষার একমাত্র উদ্দেশ্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনও শিক্ষার অন্যতম মূল উদ্দেশ্য। জ্ঞান যদি নৈতিকতার সঙ্গে যুক্ত না হয়, তাহলে সেই জ্ঞান সমাজের কল্যাণের পরিবর্তে অকল্যাণের কারণ হতে পারে।’

সত্যবাদিতা, দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা, দেশপ্রেম, মানবিকতা, শৃঙ্খলা ও অন্যের প্রতি সম্মান- এসব মূল্যবোধকে শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত করতে পরিবারের পর শিক্ষক-শিক্ষিকারাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।’

শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষকতা পেশাকে আরও সম্মানজনক ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশেষ করে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের জন্য সরকার কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষকতা পেশায় মেধাবীদের আকৃষ্ট করতে শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রয়োজন অনুযায়ী ঢেলে সাজানো হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দিবসে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষকে রাষ্ট্রীয় ভবনে আমন্ত্রণ জানিয়ে থাকেন। চলতি বছর থেকে একটি নীতিমালার ভিত্তিতে এসব অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্তত একজন করে শিক্ষককে বাধ্যতামূলকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘একজন শিক্ষক কর্মরত থাকুন কিংবা অবসর জীবনে, তাঁর মহান পেশার কারণেই আমৃত্যু তিনি রাষ্ট্রের কাছে সম্মানীয়।’

শিক্ষকদের বেতন ও অবসরভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধের নির্দেশনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন শিক্ষককে শুধু বেতন বা অবসরভাতার জন্য কষ্ট করে অফিসে ঘুরতে হবে না। যথানিয়মে যথাসময়ে তাঁর প্রাপ্য অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে পৌঁছে দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের শিক্ষকরাই জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার।’

শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার, পেশাগত উন্নয়ন এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯০২ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯০২ জন

ঢাকা, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ : গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডেঙ্গু রোগে নয়জনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে, সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ৯০২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২১৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৭২ জন, ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরে ৪০১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২০৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২২৩ জন, খুলনা বিভাগে ৩০৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০৫ জন, রংপুর বিভাগে ৬৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন রয়েছেন।

চলতি বছরের ৫ অক্টোবর পর্যন্ত, সারা দেশে মোট ৮৮ হাজার ৩৬০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ বছর মোট ৮২ হাজার ৩৩৫ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছেন এক হাজার ৯৮৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে নয়জনের মৃত্যু ঘটেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে, সারাদেশে মোট ২৭১ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা মহানগরে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৭৫১ মামলা দায়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


ঢাকা মহানগরে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৭৫১ মামলা দায়ের

ঢাকা, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৭৫১টি মামলা দায়ের করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

রোববার রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আজ সোমবার, ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেন।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৫টি বাস, ৬টি কাভার্ড ভ্যান, ১৯টি সিএনজি ও ৫০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩৮টি মামলা দায়ের হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১২টি বাস, ১২টি ট্রাক, ১টি কাভার্ড ভ্যান, ১৪টি সিএনজি ও ৭৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৪৯টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ১৯টি বাস, ২টি ট্রাক, ২৭টি কাভার্ড ভ্যানসহ মোট ৪৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩৭টি বাস, ৩২টি ট্রাক, ২৮টি কাভার্ড ভ্যান, ৬টি সিএনজিসহ ও ১৪২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৮৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১০টি বাস, ৭টি কাভার্ড ভ্যান, ২৭টি সিএনজি ও ৭৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৭৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ১৪টি বাস, ১৪টি ট্রাক, ২৮টি কাভার্ড ভ্যান, ৩৩টি সিএনজি ও ১১৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৬৭টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২০টি বাস, ১৪টি ট্রাক, ১১টি কাভার্ড ভ্যান, ৪২টি সিএনজি ও ১৩৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৫৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৬৬টি বাস, ১৫টি ট্রাক, ৪৫টি কাভার্ড ভ্যান, ৯৮টি সিএনজি ও ২৬৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮৩৪টি মামলা হয়েছে।

এছাড়া, অভিযানের সময় ৭৩৭টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ৪১৫টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%